১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০৬
পেন্টাগনের একটি অতি গোপনীয় মূল্যায়নে ইঙ্গিত মিলেছে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানে কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ করে, তাহলে চীনের সঙ্গে সংঘাতে তারা পরাজিত হতে পারে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মূল্যায়নের নাম ‘ওভারম্যাচ ব্রিফ’। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন বাহিনী তাদের ব্যয়বহুল উন্নত অস্ত্রের ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায় চীনের সস্তা ও দ্রুত তৈরি করা অস্ত্রের মুখে ঝুঁকিতে আছে।
প্রতিবেদনে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, সংঘাত শুরু হলে চীন সহজেই মার্কিন ফাইটার স্কোয়াড্রন, বড় যুদ্ধজাহাজ এবং এমনকি উপগ্রহ নেটওয়ার্কও অচল করতে পারবে। এ ধরনের পরিস্থিতি মহড়া চলাকালীনই লক্ষ্য করা গেছে।
চীন তাইওয়ানকে নিজ দেশের অংশ মনে করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করেও দ্বীপটি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। অন্যদিকে, তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং তাদের জনগণের গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত ছাড়া অবস্থার পরিবর্তন চায় না।
পেন্টাগনের মূল্যায়ন অনুযায়ী, চীন সম্ভবত ২০২৭ সালের দিকে তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করতে পারে। চীনের বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত এবং সামরিক আধুনিকীকরণ মার্কিন রণতরী ও অন্যান্য উন্নত অস্ত্রের ওপর বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনকি নতুনতম ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড রণতরীও চীনের হামলা থেকে রক্ষা পেতে সক্ষম নাও হতে পারে।
প্রতিবেদনটি ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের উদাহরণ তুলে ধরে দেখায়, মার্কিন ও পশ্চিমা অস্ত্রশক্তি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য যথেষ্ট নয় এবং দ্রুত অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষমতায় তারা চীনের সঙ্গে পিছিয়ে। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র খুব দ্রুত মার্কিন রণতরী ধ্বংস করতে সক্ষম।
সবশেষে বলা হয়েছে, ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে চীন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে অনেক এগিয়ে। পূর্ববর্তী বিদেশি সহায়তায় মার্কিন গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
পেন্টাগনের একটি অতি গোপনীয় মূল্যায়নে ইঙ্গিত মিলেছে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানে কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ করে, তাহলে চীনের সঙ্গে সংঘাতে তারা পরাজিত হতে পারে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মূল্যায়নের নাম ‘ওভারম্যাচ ব্রিফ’। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন বাহিনী তাদের ব্যয়বহুল উন্নত অস্ত্রের ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায় চীনের সস্তা ও দ্রুত তৈরি করা অস্ত্রের মুখে ঝুঁকিতে আছে।
প্রতিবেদনে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, সংঘাত শুরু হলে চীন সহজেই মার্কিন ফাইটার স্কোয়াড্রন, বড় যুদ্ধজাহাজ এবং এমনকি উপগ্রহ নেটওয়ার্কও অচল করতে পারবে। এ ধরনের পরিস্থিতি মহড়া চলাকালীনই লক্ষ্য করা গেছে।
চীন তাইওয়ানকে নিজ দেশের অংশ মনে করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করেও দ্বীপটি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। অন্যদিকে, তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং তাদের জনগণের গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত ছাড়া অবস্থার পরিবর্তন চায় না।
পেন্টাগনের মূল্যায়ন অনুযায়ী, চীন সম্ভবত ২০২৭ সালের দিকে তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করতে পারে। চীনের বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত এবং সামরিক আধুনিকীকরণ মার্কিন রণতরী ও অন্যান্য উন্নত অস্ত্রের ওপর বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনকি নতুনতম ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড রণতরীও চীনের হামলা থেকে রক্ষা পেতে সক্ষম নাও হতে পারে।
প্রতিবেদনটি ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের উদাহরণ তুলে ধরে দেখায়, মার্কিন ও পশ্চিমা অস্ত্রশক্তি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য যথেষ্ট নয় এবং দ্রুত অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষমতায় তারা চীনের সঙ্গে পিছিয়ে। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র খুব দ্রুত মার্কিন রণতরী ধ্বংস করতে সক্ষম।
সবশেষে বলা হয়েছে, ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে চীন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে অনেক এগিয়ে। পূর্ববর্তী বিদেশি সহায়তায় মার্কিন গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩০
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৪

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩০
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.