ভোলার তজুমদ্দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্ত মো. বনি আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শামীম রহমান বলেন, ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজ ও দ্রুত সময়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোবহান সরকার, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা জাতীয়তাবদীর আইনজীবি ফোরামের সম্পাদক ড. এ্যাড. আমিরুল ইসলাম বাছেদ, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান ছাফা পিন্টু,তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সাইদুল হক মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম ছরোয়ারে আলম, উপজেলা জামায়াতর। অর্থ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভোলা জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রজব শুভ্র সরকার। সঞ্চালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি।
বক্তারা বলেন, সরকারের ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড থেকে আগত উপকারভোগী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে কয়েকজন উপকারভোগীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যাসিলি কার্ড তুলে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
উপজেলা সমাজসেবা অফিস সুত্রে জানা যায়, সর্বমোট ২১০৬ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অনলাইনে পিএমটি স্কোরার মাধ্যমে ১১৩০ টি ভাতার জন্য নির্বাচিত হয়, অপেক্ষমান ৩০টি পরিবার রয়েছে। জাতীয় পরিচয় দ্বারা নিবন্ধিতকৃত সীমানায় নেই পরিবারের সংখ্যা ৭টি। ফ্যামিলি কার্ডের সেবা গ্রহণের অনিচ্ছুক ৯টি পরিবার, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় অনলাইনে এন্ট্রি নেয়নি ৩৩টি পরিবার।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৬ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫
ভোলার তজুমদ্দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্ত মো. বনি আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শামীম রহমান বলেন, ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজ ও দ্রুত সময়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোবহান সরকার, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা জাতীয়তাবদীর আইনজীবি ফোরামের সম্পাদক ড. এ্যাড. আমিরুল ইসলাম বাছেদ, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান ছাফা পিন্টু,তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সাইদুল হক মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম ছরোয়ারে আলম, উপজেলা জামায়াতর। অর্থ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভোলা জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রজব শুভ্র সরকার। সঞ্চালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি।
বক্তারা বলেন, সরকারের ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড থেকে আগত উপকারভোগী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে কয়েকজন উপকারভোগীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যাসিলি কার্ড তুলে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
উপজেলা সমাজসেবা অফিস সুত্রে জানা যায়, সর্বমোট ২১০৬ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অনলাইনে পিএমটি স্কোরার মাধ্যমে ১১৩০ টি ভাতার জন্য নির্বাচিত হয়, অপেক্ষমান ৩০টি পরিবার রয়েছে। জাতীয় পরিচয় দ্বারা নিবন্ধিতকৃত সীমানায় নেই পরিবারের সংখ্যা ৭টি। ফ্যামিলি কার্ডের সেবা গ্রহণের অনিচ্ছুক ৯টি পরিবার, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় অনলাইনে এন্ট্রি নেয়নি ৩৩টি পরিবার।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১