
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৭
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.