বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) ভোররাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকা থেকে স্থানীয় জেলে ও নৌ পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
এর আগে সোমবার বিকেলে মেঘনা নদীর পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা ডুবে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে পুরাতন হিজলা এলাকা থেকে মো. হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
হিজলা নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকাডুবির পর থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় জেলেরা নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের ভাসানচর এলাকায় দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা নৌ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। স্বজনেরা মরদেহ দুটি নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে আটজন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। নৌকাটি পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দার (১২) এবং একই গ্রামের মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫) নিখোঁজ হন। পরে হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজ বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০১
দাপ্তরিক গণ্ডি পেরিয়ে কোমরসমান পানিতে নেমে ময়লা-আবর্জনায় ভরাট পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে অংশ নিলেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফরিদা সুলতানা। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিডি ক্লিন’-এর তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শুক্রবার উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পুকুর পরিষ্কারে নামেন তিনি। এর আগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক খন্দকার মামুন।
উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা হয়েও পরিত্যক্ত পুকুরে নেমে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়ার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোতে ফরিদা সুলতানার এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন অনেকে। বিশেষ করে একজন নারী প্রশাসনিক কর্মকর্তার সরাসরি ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছেন নেটিজেনরা।
স্থানীয় প্রেক্ষাপটে একজন নারী কর্মকর্তার এভাবে পুকুরে নেমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ঘটনা ব্যতিক্রমী বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে বরিশালে এর আগে এমন উদ্যোগের নজির নেই—এমন দাবি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রয়োজন।
দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা পুকুরটি পরিষ্কারে তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে ইউএনওর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে—জনকল্যাণমূলক কাজে পদমর্যাদা কোনো বাধা নয়। সম্মিলিত উদ্যোগ ও সবার অংশগ্রহণ থাকলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যারও সমাধান সম্ভব। বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পুকুরটি পরিষ্কারের উদ্যোগ সেই বার্তাই তুলে ধরেছে।
ইউএনও ফরিদা সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতার অংশ হিসেবেই তরুণ-তরুণীদের সম্পৃক্ত করে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
দীর্ঘদিনের অবহেলায় ময়লা-আবর্জনায় ভরে যাওয়া একটি পুকুর পরিষ্কারের এই উদ্যোগ শুধু পরিবেশ রক্ষার কাজ নয়, বরং নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলারও একটি প্রয়াস। প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে উদ্যোগটি পরিচ্ছন্ন বরিশাল গড়ার পথে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
দাপ্তরিক গণ্ডি পেরিয়ে কোমরসমান পানিতে নেমে ময়লা-আবর্জনায় ভরাট পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে অংশ নিলেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফরিদা সুলতানা। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিডি ক্লিন’-এর তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শুক্রবার উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পুকুর পরিষ্কারে নামেন তিনি। এর আগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক খন্দকার মামুন।
উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা হয়েও পরিত্যক্ত পুকুরে নেমে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়ার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোতে ফরিদা সুলতানার এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন অনেকে। বিশেষ করে একজন নারী প্রশাসনিক কর্মকর্তার সরাসরি ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছেন নেটিজেনরা।
স্থানীয় প্রেক্ষাপটে একজন নারী কর্মকর্তার এভাবে পুকুরে নেমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ঘটনা ব্যতিক্রমী বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে বরিশালে এর আগে এমন উদ্যোগের নজির নেই—এমন দাবি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রয়োজন।
দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা পুকুরটি পরিষ্কারে তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে ইউএনওর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে—জনকল্যাণমূলক কাজে পদমর্যাদা কোনো বাধা নয়। সম্মিলিত উদ্যোগ ও সবার অংশগ্রহণ থাকলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যারও সমাধান সম্ভব। বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পুকুরটি পরিষ্কারের উদ্যোগ সেই বার্তাই তুলে ধরেছে।
ইউএনও ফরিদা সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতার অংশ হিসেবেই তরুণ-তরুণীদের সম্পৃক্ত করে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
দীর্ঘদিনের অবহেলায় ময়লা-আবর্জনায় ভরে যাওয়া একটি পুকুর পরিষ্কারের এই উদ্যোগ শুধু পরিবেশ রক্ষার কাজ নয়, বরং নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলারও একটি প্রয়াস। প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে উদ্যোগটি পরিচ্ছন্ন বরিশাল গড়ার পথে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৩৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাওছার হাওলাদার (৩৮) নামে এক মোটরসাইকেলচালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাশেদ আমিন হাওলাদার নামে আরও এক যুবক আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজা থেকে একটি মাইক্রোবাসসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে সাতলা-কান্দী সড়কের গোপালগঞ্জ-বরিশাল সীমান্তবর্তী এলাকায় এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে সাতলা একতা বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় মৃত সান্টু হাওলাদারের ছেলে আশিকুল হাওলাদার ও মৃত মোনাফছের হাওলাদারের ছেলে কাওছার হাওলাদারের সঙ্গে ফরিদ মোল্লার ছেলে নান্না মোল্লা, স্বজল মোল্লা, মেহেদী মোল্লা এবং তাঁদের চাচা কাঞ্চন মোল্লার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
পরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ মীমাংসার আলোচনা চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান। তবে এর মধ্যেই ঢাকা ও বরিশাল থেকে একটি মাইক্রোবাস ও তিনটি মোটরসাইকেলে করে একদল লোক ঘটনাস্থলে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত ১০টার দিকে সাতলা-কান্দী সড়কের সীমান্তবর্তী এলাকায় কাওছার হাওলাদার ও রাশেদ আমিন হাওলাদারের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা পাশের বিলের পানিতে ঝাঁপ দেন। পরে সড়কের পাশে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন।
অভিযোগ রয়েছে, ১৮ থেকে ২০ জনের একটি দল ওই বাড়ির দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কাওছার হাওলাদারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় রাশেদ আমিন হাওলাদার দরজার আড়ালে লুকিয়ে প্রাণে বেঁচে যান।
পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে মায়ের দোয়া ক্লিনিকে এবং সেখান থেকে কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওছার হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়।
ঘটনার পরপরই সাতলা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানের একপর্যায়ে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজা থেকে একটি মাইক্রোবাসসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।
তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় এবং হত্যাকাণ্ডে তাঁদের প্রত্যেকের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
তুচ্ছ বিরোধের জেরে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাতলা এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা গেছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাওছার হাওলাদার (৩৮) নামে এক মোটরসাইকেলচালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাশেদ আমিন হাওলাদার নামে আরও এক যুবক আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজা থেকে একটি মাইক্রোবাসসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে সাতলা-কান্দী সড়কের গোপালগঞ্জ-বরিশাল সীমান্তবর্তী এলাকায় এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে সাতলা একতা বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় মৃত সান্টু হাওলাদারের ছেলে আশিকুল হাওলাদার ও মৃত মোনাফছের হাওলাদারের ছেলে কাওছার হাওলাদারের সঙ্গে ফরিদ মোল্লার ছেলে নান্না মোল্লা, স্বজল মোল্লা, মেহেদী মোল্লা এবং তাঁদের চাচা কাঞ্চন মোল্লার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
পরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ মীমাংসার আলোচনা চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান। তবে এর মধ্যেই ঢাকা ও বরিশাল থেকে একটি মাইক্রোবাস ও তিনটি মোটরসাইকেলে করে একদল লোক ঘটনাস্থলে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত ১০টার দিকে সাতলা-কান্দী সড়কের সীমান্তবর্তী এলাকায় কাওছার হাওলাদার ও রাশেদ আমিন হাওলাদারের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা পাশের বিলের পানিতে ঝাঁপ দেন। পরে সড়কের পাশে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন।
অভিযোগ রয়েছে, ১৮ থেকে ২০ জনের একটি দল ওই বাড়ির দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কাওছার হাওলাদারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় রাশেদ আমিন হাওলাদার দরজার আড়ালে লুকিয়ে প্রাণে বেঁচে যান।
পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে মায়ের দোয়া ক্লিনিকে এবং সেখান থেকে কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওছার হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়।
ঘটনার পরপরই সাতলা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানের একপর্যায়ে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজা থেকে একটি মাইক্রোবাসসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।
তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় এবং হত্যাকাণ্ডে তাঁদের প্রত্যেকের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
তুচ্ছ বিরোধের জেরে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাতলা এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা গেছে।

২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৭
বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে ‘বিডি ক্লিন’ বরিশালের সহযোগিতায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার। এতে অংশ নেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা।
অভিযানের শুরুতে অংশগ্রহণকারীদের পরিচ্ছন্নতার শপথবাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা। পরে জেলা প্রশাসকসহ উপস্থিত কর্মকর্তারা বিডি ক্লিনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কার্যক্রমে অংশ নেন।
দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। নিজের বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পুকুর, খালসহ প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা যেন শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাসে পরিণত হয়। এ জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যদের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষ আরও উৎসাহিত হবেন।
অভিযানে জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে ‘বিডি ক্লিন’ বরিশালের সহযোগিতায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার। এতে অংশ নেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা।
অভিযানের শুরুতে অংশগ্রহণকারীদের পরিচ্ছন্নতার শপথবাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা। পরে জেলা প্রশাসকসহ উপস্থিত কর্মকর্তারা বিডি ক্লিনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কার্যক্রমে অংশ নেন।
দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। নিজের বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পুকুর, খালসহ প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা যেন শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাসে পরিণত হয়। এ জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যদের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষ আরও উৎসাহিত হবেন।
অভিযানে জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

২৭ মে, ২০২৬ ১২:৫৩
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) ভোররাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকা থেকে স্থানীয় জেলে ও নৌ পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
এর আগে সোমবার বিকেলে মেঘনা নদীর পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা ডুবে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে পুরাতন হিজলা এলাকা থেকে মো. হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
হিজলা নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকাডুবির পর থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় জেলেরা নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের ভাসানচর এলাকায় দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা নৌ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। স্বজনেরা মরদেহ দুটি নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে আটজন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। নৌকাটি পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দার (১২) এবং একই গ্রামের মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫) নিখোঁজ হন। পরে হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজ বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩১
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩১
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৩
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০১