Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৯
সর্দারনী অ্যাডলিন বিশ্বাস গ্রেপ্তার, পালিয়ে গেছে নিপিড়ক ভাই জনি।
অভিযোগ তদন্তে গিয়ে খোদ বাদী পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীর ভয়ংকর রূপ উন্মোচন করল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আমবাগান ক্লাব রোডের বাসিন্দা অ্যাডলিন বিশ্বাস নামের এই নারী ১২ বছর বয়সি কিশোরীকে মেয়ে হিসেবে দত্তক নিয়ে নির্যাতন করাসহ যৌন নিগ্রহ চালিয়ে আসছিলেন। এবং তার আপন ছোট ভাই ‘হোয়াইট হাউজ’ নামক একই ভবনের বাসিন্দা ত্রিশোর্ধ্ব জনি বিশ্বাসও অনাথ মেয়েটিকে বছরের পর বছর যৌন নিপিড়ন করেন। পরিশেষে যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করে দেহব্যবসা করানোর চেষ্টা করা হলে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মেয়েটি বাসা থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক কিশোরীকে উদ্ধারে আইনে সহযোগিতা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন নিপিড়ক অ্যাডলিন। সেই সাধারণ ডায়েরি অনুসন্ধানে গিয়েই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর নেপথ্যের অপরাধমূলক কাহিনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাকরুদ্ধ করে।
পুলিশ জানায়, শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আম বাগান ক্লাব রোডের অভিজাত পরিবারের সন্তান অ্যাডলিন বিশ্বাস অনাথ শিশুটিকে রাষ্ট্রীয় আইন মেনে দত্তক নেন এবং তাকে সন্তানের মতো পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই শিশুটিকে দিয়ে বাসার কাজ করানো শুরু করেন এবং কর্মে ভুলত্রুটি হলে মারধর করাসহ ফেলে দেওয়া খাবার খাওয়ানো হয়। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তাকে দিয়ে বাসার গৃহপরিচারিকার কাজ করানো হয়। অ্যাডলিন বিশ্বাস একদিকে এভাবে নিপিড়ন চালাতেন অন্যদিকে তার আপন ভাই একই ভবনের বাসিন্দা জনি বিশ্বাস কিশোরীকে যৌন হয়রানি করতেন।
পুলিশের ভাষায়, অ্যাডলিন বিশ্বাস কিশোরীর জীবন শেষ করে দিয়েছেন, তিনি মেয়েটির সাথে পতিতালয়ের সর্দারনীর মত আচরণ করেন। অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার ঝামেলা এড়াতে শিশুটির যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করেছেন এবং তাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছিল। ভয়ে শিশুটি নভেম্বর মাসের শেষের দিকে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম জানান, মেয়েটি নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে অ্যাডলিনের বাসার কাজের বুয়ার ঝুমুর বেগমের কাছে আশ্রয় নেয়। সর্দারনী অ্যাডলিনের করা সাধারণ ডায়েরি তদন্তে গিয়ে রোববার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে একদিন বাদে সোমবার কিশোরীকে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির করলে বিচারক ২২ ধারায় তার বক্তব্য নোট করেন। এবং এই ঘটনায় অ্যাডলিন এবং তার ভাই জনি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে বলেন। ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিশুকে দত্তক নিয়ে এই ধরনের পৈশাচিক কায়দায় যৌন নিগ্রহ করার ঘটনায় স্বয়ং আদালতও ক্ষুব্ধ হন।
এসআই নাসিম জানান, আদালতের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতে অভিযুক্ত অ্যাডলিন বিশ্বাস এবং তার ভাই জনিকে গ্রেপ্তারে আমবাগনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আগেভাগে টের পেয়ে জনি পালিয়ে গেলেও অ্যাডলিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং রাতেই তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ অ্যাডলিনকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
শহরের অভ্যন্তরের একটি বাসায় মেয়ে শিশুকে এই ধরনের যৌন নিপিড়নের ঘটনা খোদ পড়শিদের হতবাক করে দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, অ্যাডলিন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মেয়ে, আমবাগান এলাকায় তার বাড়িটি নির্জন স্থানে এবং চারদিকে উঁচু দেয়াল ঘেরা। সঙ্গত কারণে এই ভবনে কি হয় তা পড়শিদের অজানারই কথা।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল-মামুন উল ইসলামও শিশু নির্যাতনের এই ঘটনাকে বর্বরতা এবং বিকারগ্রস্ত মানুষের কাজ বলে অবিহিত করেন। এবং ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার তৎপরতার কথা জানান।’
সর্দারনী অ্যাডলিন বিশ্বাস গ্রেপ্তার, পালিয়ে গেছে নিপিড়ক ভাই জনি।
অভিযোগ তদন্তে গিয়ে খোদ বাদী পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীর ভয়ংকর রূপ উন্মোচন করল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আমবাগান ক্লাব রোডের বাসিন্দা অ্যাডলিন বিশ্বাস নামের এই নারী ১২ বছর বয়সি কিশোরীকে মেয়ে হিসেবে দত্তক নিয়ে নির্যাতন করাসহ যৌন নিগ্রহ চালিয়ে আসছিলেন। এবং তার আপন ছোট ভাই ‘হোয়াইট হাউজ’ নামক একই ভবনের বাসিন্দা ত্রিশোর্ধ্ব জনি বিশ্বাসও অনাথ মেয়েটিকে বছরের পর বছর যৌন নিপিড়ন করেন। পরিশেষে যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করে দেহব্যবসা করানোর চেষ্টা করা হলে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মেয়েটি বাসা থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক কিশোরীকে উদ্ধারে আইনে সহযোগিতা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন নিপিড়ক অ্যাডলিন। সেই সাধারণ ডায়েরি অনুসন্ধানে গিয়েই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর নেপথ্যের অপরাধমূলক কাহিনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাকরুদ্ধ করে।
পুলিশ জানায়, শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আম বাগান ক্লাব রোডের অভিজাত পরিবারের সন্তান অ্যাডলিন বিশ্বাস অনাথ শিশুটিকে রাষ্ট্রীয় আইন মেনে দত্তক নেন এবং তাকে সন্তানের মতো পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই শিশুটিকে দিয়ে বাসার কাজ করানো শুরু করেন এবং কর্মে ভুলত্রুটি হলে মারধর করাসহ ফেলে দেওয়া খাবার খাওয়ানো হয়। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তাকে দিয়ে বাসার গৃহপরিচারিকার কাজ করানো হয়। অ্যাডলিন বিশ্বাস একদিকে এভাবে নিপিড়ন চালাতেন অন্যদিকে তার আপন ভাই একই ভবনের বাসিন্দা জনি বিশ্বাস কিশোরীকে যৌন হয়রানি করতেন।
পুলিশের ভাষায়, অ্যাডলিন বিশ্বাস কিশোরীর জীবন শেষ করে দিয়েছেন, তিনি মেয়েটির সাথে পতিতালয়ের সর্দারনীর মত আচরণ করেন। অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার ঝামেলা এড়াতে শিশুটির যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করেছেন এবং তাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছিল। ভয়ে শিশুটি নভেম্বর মাসের শেষের দিকে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম জানান, মেয়েটি নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে অ্যাডলিনের বাসার কাজের বুয়ার ঝুমুর বেগমের কাছে আশ্রয় নেয়। সর্দারনী অ্যাডলিনের করা সাধারণ ডায়েরি তদন্তে গিয়ে রোববার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে একদিন বাদে সোমবার কিশোরীকে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির করলে বিচারক ২২ ধারায় তার বক্তব্য নোট করেন। এবং এই ঘটনায় অ্যাডলিন এবং তার ভাই জনি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে বলেন। ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিশুকে দত্তক নিয়ে এই ধরনের পৈশাচিক কায়দায় যৌন নিগ্রহ করার ঘটনায় স্বয়ং আদালতও ক্ষুব্ধ হন।
এসআই নাসিম জানান, আদালতের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতে অভিযুক্ত অ্যাডলিন বিশ্বাস এবং তার ভাই জনিকে গ্রেপ্তারে আমবাগনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আগেভাগে টের পেয়ে জনি পালিয়ে গেলেও অ্যাডলিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং রাতেই তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ অ্যাডলিনকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
শহরের অভ্যন্তরের একটি বাসায় মেয়ে শিশুকে এই ধরনের যৌন নিপিড়নের ঘটনা খোদ পড়শিদের হতবাক করে দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, অ্যাডলিন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মেয়ে, আমবাগান এলাকায় তার বাড়িটি নির্জন স্থানে এবং চারদিকে উঁচু দেয়াল ঘেরা। সঙ্গত কারণে এই ভবনে কি হয় তা পড়শিদের অজানারই কথা।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল-মামুন উল ইসলামও শিশু নির্যাতনের এই ঘটনাকে বর্বরতা এবং বিকারগ্রস্ত মানুষের কাজ বলে অবিহিত করেন। এবং ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার তৎপরতার কথা জানান।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২