
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:০৬
ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শ্রীলঙ্কা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ অবস্থায় দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে বলা হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শ্রীলংকা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় (৮.২° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১.১° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯৫৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯০০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৮৪৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮৪০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিমি এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিমি, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।’
ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শ্রীলঙ্কা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ অবস্থায় দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে বলা হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শ্রীলংকা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় (৮.২° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১.১° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯৫৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯০০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৮৪৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮৪০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিমি এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিমি, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৯
হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছালো।
মৃতরা হলো: বরিশালের বাকেরগঞ্জের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সী ছেলে ইমাম ও বরগুনার আমতলীর আবু বকরের ৯ মাস বয়সী ছেলে আনু সালেহ। শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে হাম সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ৯১ জন। আর ছাড়পত্র নিয়ে গেছে ২৭ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতালটি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৩০১ জন।
এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন মোট ১০৮০ জন। যার মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৩১ জন। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ জন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাং শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘হাম অতি ছোঁয়াচে সংক্রমণ ব্যাধি। এই রোগ যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিভাগের সব হাসপাতালে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’
হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছালো।
মৃতরা হলো: বরিশালের বাকেরগঞ্জের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সী ছেলে ইমাম ও বরগুনার আমতলীর আবু বকরের ৯ মাস বয়সী ছেলে আনু সালেহ। শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে হাম সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ৯১ জন। আর ছাড়পত্র নিয়ে গেছে ২৭ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতালটি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৩০১ জন।
এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন মোট ১০৮০ জন। যার মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৩১ জন। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ জন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাং শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘হাম অতি ছোঁয়াচে সংক্রমণ ব্যাধি। এই রোগ যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিভাগের সব হাসপাতালে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬