
১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫১
বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের হাতে মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’
বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের হাতে মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৫
বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। শহরের মড়কখোলার পুলসংলগ্ন ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণে ইতিমধ্যে সকল প্রকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেদনের বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এমন উদ্যোগ নেন। এবং তিনি মানবিক এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদনের অপেক্ষা রেখেছিলেন।
বিসিসি সূত্র জানায়, শহরের মড়কখোলা পুলের কাছাকাছি স্থানে ভবনটি নির্মাণসংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া কিছুদিন পূর্বে শেষ হয়। শুধু বাকি ছিল সরকার প্রধানের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের বিষয়টি।
সূত্র জানিয়েছে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে বরিশালে আসলে একান্তে আলোচনার এক ফাঁকে বিসিসি প্রশাসক শিরিক বিভিন্ন সম্ভব্য প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করেন। তখন বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকটের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারেক রহমান একটি ভবন করে দেওয়ার অনুমোদন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। অনেকে এ ইস্যুতে তারেক রহমান এবং শিরিনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিসিসি প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সহকারি মুসফিকুল হাসান মাসুম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। বিসিসি প্রশাসক শিরিন গতকাল সোমবার বরিশাল শিল্পকলায় সাংগঠনিক সভায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করলে তিনি এতে সায় দেন। ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকল না। খুব শিগগিরই ভবনটি নির্মাণকাজে উদ্যোগ নেবে সিটি কর্পোরেশন।
অবশ্য প্রশাসক শিরিনও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এবং তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই প্রকল্পটি বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। শহরের মড়কখোলার পুলসংলগ্ন ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণে ইতিমধ্যে সকল প্রকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেদনের বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এমন উদ্যোগ নেন। এবং তিনি মানবিক এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদনের অপেক্ষা রেখেছিলেন।
বিসিসি সূত্র জানায়, শহরের মড়কখোলা পুলের কাছাকাছি স্থানে ভবনটি নির্মাণসংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া কিছুদিন পূর্বে শেষ হয়। শুধু বাকি ছিল সরকার প্রধানের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের বিষয়টি।
সূত্র জানিয়েছে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে বরিশালে আসলে একান্তে আলোচনার এক ফাঁকে বিসিসি প্রশাসক শিরিক বিভিন্ন সম্ভব্য প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করেন। তখন বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকটের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারেক রহমান একটি ভবন করে দেওয়ার অনুমোদন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। অনেকে এ ইস্যুতে তারেক রহমান এবং শিরিনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিসিসি প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সহকারি মুসফিকুল হাসান মাসুম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। বিসিসি প্রশাসক শিরিন গতকাল সোমবার বরিশাল শিল্পকলায় সাংগঠনিক সভায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করলে তিনি এতে সায় দেন। ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকল না। খুব শিগগিরই ভবনটি নির্মাণকাজে উদ্যোগ নেবে সিটি কর্পোরেশন।
অবশ্য প্রশাসক শিরিনও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এবং তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই প্রকল্পটি বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গাড়ি লক্ষ্য করে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মাদারীপুরের সাধুরব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷ এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাচ্ছে। তাঁকে বহন করা বাসটির সামনে ও পেছনে একাধিক গাড়ি আছে। মহাসড়কের পাশে লোকজন ভিড় করেছেন। তারেক রহমান বাসের ভেতর দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তাঁকে বহন করা বাসটির পেছনে থাকা তৃতীয় গাড়িটির গাড়ির সামনে একটি ইটের টুকরা এসে পড়ে।
এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, নাকি দুর্বৃত্তদের কাজ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বহরের গাড়িতে একটি ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি টায়ার থেকে আসছে, নাকি কেউ নিক্ষেপ করেছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা অ্যানালাইসিস (অনুসন্ধান) করছি। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর কিছু নেই। কী ঘটনা, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান। বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে বরিশাল ত্যাগ করেন।'
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গাড়ি লক্ষ্য করে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মাদারীপুরের সাধুরব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷ এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাচ্ছে। তাঁকে বহন করা বাসটির সামনে ও পেছনে একাধিক গাড়ি আছে। মহাসড়কের পাশে লোকজন ভিড় করেছেন। তারেক রহমান বাসের ভেতর দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তাঁকে বহন করা বাসটির পেছনে থাকা তৃতীয় গাড়িটির গাড়ির সামনে একটি ইটের টুকরা এসে পড়ে।
এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, নাকি দুর্বৃত্তদের কাজ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বহরের গাড়িতে একটি ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি টায়ার থেকে আসছে, নাকি কেউ নিক্ষেপ করেছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা অ্যানালাইসিস (অনুসন্ধান) করছি। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর কিছু নেই। কী ঘটনা, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান। বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে বরিশাল ত্যাগ করেন।'

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৫
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩