পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থী ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় বাংলাবাজারস্থ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত ইশতেহারে বাউফলের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ৮ দফা অঙ্গীকার এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে, ৬০ দিনের মধ্যে মাদক নির্মূল ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন এবং ৯০ দিনের মধ্যে সকল প্রকার দুর্নীতি নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
বগা সেতু বাস্তবায়ন, কালাইয়া পটুয়াখালী– বগা –বাহেরচর সড়ক টু-লেনে উন্নীতকরণ, নদী তীরবর্তী এলাকায় স্থায়ী সিসি ব্লক ও বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদী ভাঙন প্রতিরোধের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
এছাড়া বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করে পর্যায়ক্রমে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ক্রীড়ামোদী যুবসমাজের জন্য একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, দখলকৃত সকল খাল দখল মুক্ত করণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে নৌ চলাচলের সুবিধার্থে খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকার করা হয়।
বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় শিল্পকারখানা স্থাপন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কাঁচা ও ভাঙা সড়ক সংস্কার, কালিশুরী অঞ্চলসহ উত্তর বাউফলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি ও ফায়ার স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নাজিরপুর, কেশবপুর ও ধুলিয়া নদী ভাঙন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন, ডিজিটাল ট্যাক্স ব্যবস্থা, নাগরিক সেবা অ্যাপ ও অনলাইন অভিযোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাউফল পৌরসভাকে আধুনিক ও স্মার্ট শহরে রূপান্তরের কথাও তুলে ধরা হয়।
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সাংবাদিক তহবিল গঠন, চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাট নির্মাণ, মন্দির সংস্কার ও স্থাপন, ‘স্বাবলম্বী নারী—সমৃদ্ধ বাউফল’ স্লোগানে নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ পরিকল্পনা, জেলে সম্প্রদায়ের জীবিকা ও নিরাপত্তা, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বাউফল কেন্দ্রিক ট্যুরিজম উন্নয়নে পৃথক কর্মপরিকল্পনার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়। সবশেষে ‘শাসন নয়, সেবা’র এই স্লোগানকে সামনে রেখে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থব্যয় জনগণের সামনে প্রকাশ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
ইশতেহার ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা সহকারী সেক্রেটারি এবিএম সাইফুল্লাহ, বাউফল উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা মো. ইসহাক মিয়া, খিলাফত মজলিসের বাউফল উপজেলা সভাপতি আইউব বিন মুসা, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল গনি, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি, বাউফলের সাতজন শহীদ পরিবারের সদস্য, ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৮
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থী ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় বাংলাবাজারস্থ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত ইশতেহারে বাউফলের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ৮ দফা অঙ্গীকার এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে, ৬০ দিনের মধ্যে মাদক নির্মূল ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন এবং ৯০ দিনের মধ্যে সকল প্রকার দুর্নীতি নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
বগা সেতু বাস্তবায়ন, কালাইয়া পটুয়াখালী– বগা –বাহেরচর সড়ক টু-লেনে উন্নীতকরণ, নদী তীরবর্তী এলাকায় স্থায়ী সিসি ব্লক ও বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদী ভাঙন প্রতিরোধের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
এছাড়া বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করে পর্যায়ক্রমে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ক্রীড়ামোদী যুবসমাজের জন্য একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, দখলকৃত সকল খাল দখল মুক্ত করণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে নৌ চলাচলের সুবিধার্থে খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকার করা হয়।
বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় শিল্পকারখানা স্থাপন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কাঁচা ও ভাঙা সড়ক সংস্কার, কালিশুরী অঞ্চলসহ উত্তর বাউফলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি ও ফায়ার স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নাজিরপুর, কেশবপুর ও ধুলিয়া নদী ভাঙন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন, ডিজিটাল ট্যাক্স ব্যবস্থা, নাগরিক সেবা অ্যাপ ও অনলাইন অভিযোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাউফল পৌরসভাকে আধুনিক ও স্মার্ট শহরে রূপান্তরের কথাও তুলে ধরা হয়।
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সাংবাদিক তহবিল গঠন, চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাট নির্মাণ, মন্দির সংস্কার ও স্থাপন, ‘স্বাবলম্বী নারী—সমৃদ্ধ বাউফল’ স্লোগানে নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ পরিকল্পনা, জেলে সম্প্রদায়ের জীবিকা ও নিরাপত্তা, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বাউফল কেন্দ্রিক ট্যুরিজম উন্নয়নে পৃথক কর্মপরিকল্পনার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়। সবশেষে ‘শাসন নয়, সেবা’র এই স্লোগানকে সামনে রেখে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থব্যয় জনগণের সামনে প্রকাশ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
ইশতেহার ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা সহকারী সেক্রেটারি এবিএম সাইফুল্লাহ, বাউফল উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা মো. ইসহাক মিয়া, খিলাফত মজলিসের বাউফল উপজেলা সভাপতি আইউব বিন মুসা, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল গনি, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি, বাউফলের সাতজন শহীদ পরিবারের সদস্য, ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।