ভোলার চরফ্যাশনে বিএনপির দুই নেতাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
রোববার (১৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চরমানিকা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক মো. রেজাউল করিম খন্দকার এবং একই থানার বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু তাহের মাস্টার।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত হামলাকারীর নাম আবুল হোসেন (৪৫)৷ তিনি একই থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমিন মিয়ার ছেলে। তবে ঘটনার পরপরই পালিয়েছেন তিনি।
হামলার শিকার বিএনপি নেতা আবু তাহের মাস্টার বলেন, দুপুরে প্রভাষক রেজাউল করিম খন্দকার ও আমি তার বাসা থেকে বের হয়ে জোহরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে রওনা হলে বাসস্ট্যান্ড মোড়ে অবস্থান করা অস্ত্রধারী আবুল হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউল করিম খন্দকারকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
তাকে রক্ষা করতে গেলে আমাকেও অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তিনি পালিয়ে যান। আবুল হোসেন স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী বাহিনীর ইন্ধনে আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করেছিলেন। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, রেজাউল করিমের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রধারী আবুল হোসেনকে দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। হামলার ঘটনায় বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মনজুর হোসেন। প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবি তার।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিঝুম নাহিয়া বলেন, মো. রেজাউল করিম খন্দকার ও আবু তাহের নামে দুইজনকে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে রেজাউল করিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল হক ভুঁইয়া বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় আবুল হোসেন একাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তাকে ধরতে চেষ্টা চলছে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১২:০১
ভোলার চরফ্যাশনে বিএনপির দুই নেতাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
রোববার (১৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চরমানিকা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক মো. রেজাউল করিম খন্দকার এবং একই থানার বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু তাহের মাস্টার।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত হামলাকারীর নাম আবুল হোসেন (৪৫)৷ তিনি একই থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমিন মিয়ার ছেলে। তবে ঘটনার পরপরই পালিয়েছেন তিনি।
হামলার শিকার বিএনপি নেতা আবু তাহের মাস্টার বলেন, দুপুরে প্রভাষক রেজাউল করিম খন্দকার ও আমি তার বাসা থেকে বের হয়ে জোহরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে রওনা হলে বাসস্ট্যান্ড মোড়ে অবস্থান করা অস্ত্রধারী আবুল হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউল করিম খন্দকারকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
তাকে রক্ষা করতে গেলে আমাকেও অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তিনি পালিয়ে যান। আবুল হোসেন স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী বাহিনীর ইন্ধনে আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করেছিলেন। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, রেজাউল করিমের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রধারী আবুল হোসেনকে দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। হামলার ঘটনায় বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মনজুর হোসেন। প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবি তার।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিঝুম নাহিয়া বলেন, মো. রেজাউল করিম খন্দকার ও আবু তাহের নামে দুইজনকে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে রেজাউল করিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল হক ভুঁইয়া বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় আবুল হোসেন একাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তাকে ধরতে চেষ্টা চলছে।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১