
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৪
পটুয়াখালীর বাউফলে এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আয়নাবাজ কালাইয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ভুক্তভোগী রমিজ দর্জি কালাইয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
তার অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর থেকে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে স্থানীয় জামায়াত নেতা আব্দুর রব ও তসলিম মৃধার নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক লোক রামদা, লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে রমিজ দর্জিকে খুঁজতে থাকে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। রমিজের স্ত্রী লাইজু বেগম জানান, হামলাকারীরা তার গলায় রামদা ঠেকিয়ে রমিজের খোঁজ করে এবং রগ কেটে হত্যার হুমকি দেয়।
লাইজু বেগম আরও অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীরা ঘর থেকে নগদ ২ লাখ টাকা, ২ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, একটি এলইডি টেলিভিশন ও স্মার্টফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।
এমনকি ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ছোটখাটো আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের আগের দিন রমিজ দর্জির বড় ছেলে রায়হানকে কুপিয়ে জখম করা হয়, তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার এ ঘটনাকে ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ের পর জামায়াত-শিবির পুরো উপজেলায় নৃশংসতা চালাচ্ছে। আমাদের দলীয় নেতার বাড়িতে হামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর আমাদের কাছে নেই। বিজয়ের পর নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ আমাদের নাম ব্যবহার করে এসব করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আয়নাবাজ কালাইয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ভুক্তভোগী রমিজ দর্জি কালাইয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
তার অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর থেকে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে স্থানীয় জামায়াত নেতা আব্দুর রব ও তসলিম মৃধার নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক লোক রামদা, লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে রমিজ দর্জিকে খুঁজতে থাকে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। রমিজের স্ত্রী লাইজু বেগম জানান, হামলাকারীরা তার গলায় রামদা ঠেকিয়ে রমিজের খোঁজ করে এবং রগ কেটে হত্যার হুমকি দেয়।
লাইজু বেগম আরও অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীরা ঘর থেকে নগদ ২ লাখ টাকা, ২ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, একটি এলইডি টেলিভিশন ও স্মার্টফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।
এমনকি ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ছোটখাটো আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের আগের দিন রমিজ দর্জির বড় ছেলে রায়হানকে কুপিয়ে জখম করা হয়, তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার এ ঘটনাকে ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ের পর জামায়াত-শিবির পুরো উপজেলায় নৃশংসতা চালাচ্ছে। আমাদের দলীয় নেতার বাড়িতে হামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর আমাদের কাছে নেই। বিজয়ের পর নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ আমাদের নাম ব্যবহার করে এসব করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৭
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৫৮
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও একটি ৮ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সাথে ভেসে আসা ডলফিনটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে গেছে। দড়ি দিয়ে লেজ বাঁধা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয় উপরা সদস্য আব্দুল জলিল প্রথম ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের উপরা যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, বারবার মৃত্যু ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা প্রমাণ করে যে আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশ হুমকির মুখে। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ ও নৌযানের অসচেতন চলাচল এর জন্য দায়ী হতে পারে।
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ডলফিনটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে তা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও একটি ৮ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সাথে ভেসে আসা ডলফিনটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে গেছে। দড়ি দিয়ে লেজ বাঁধা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয় উপরা সদস্য আব্দুল জলিল প্রথম ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের উপরা যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, বারবার মৃত্যু ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা প্রমাণ করে যে আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশ হুমকির মুখে। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ ও নৌযানের অসচেতন চলাচল এর জন্য দায়ী হতে পারে।
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ডলফিনটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে তা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.