
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৫
নানামুখি সংকট আর সীমাবদ্ধতার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব সহ উদাসীনতায় বরিশালে সংক্রামক রোগের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমশ মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করলেও বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই। ফলে ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগব্যাধীর বিস্তার অনেকটাই খারাপ পরিস্থিতি তৈরী করলেও তা থেকে উত্তরণের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। সদ্য সমাপ্ত বছরে বরিশাল বিভাগের শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী ছাড়াও ভর্তিকৃত প্রায় ২২ হাজার ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয় বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এসময়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগব্যাধীতে আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর মধ্যে শুধু সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। এরমধ্যে গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই সরকারি হাসপাতালে সাড়ে ৮ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয় বলে জানাগেছে। সরকারি হাসপাতালে এখনো এধরনের রোগীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।
কিন্তু চিকিৎসকের অভাবে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান কষ্টকর হয়ে পড়ছে। বর্তমানে বরিশাল বিভাগের জেলা সদর সহ ৪২টি উপজেলায় ১২ শতাধিক চিকিৎসক পদের বিপরিতে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৭০ জনের মত। যা অনুমোদিত জনবলের এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৩১শয্যা থেকে ৫০শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক ও নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মীর মঞ্জুরী এখনো আগের অবস্থানেই আছে। উপরন্তু কয়েকটি জেলা সদরের হাসপাতালগুলোকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক সহ অন্যসব জনবল পূর্বের অবস্থানেই রয়ে গেছে। কিন্তু পূর্বের জনবলেরও দুই-তৃতীয়াংশ চিকিৎসক নেই। খোদ বরিশাল বিভাগীয় সদরের জেনারেল হাসপাতালটি কাগজেপত্রে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেখানে চিকিৎসক ও নার্স সহ জনবল মঞ্জুরী এখনো ৫০ শয্যার। এক-তৃতীয়াংশ পদে চিকিৎসক নেই।
পুরনো জনবল দিয়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে বাড়তি রোগী ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের পদতো বাড়েইনি, উল্টো আগের জনবলের দুই-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য থাকায় পুরো বরিশাল অঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে।
এরসাথে প্রতিবছরই ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। একদিকে চিকিৎসক সংকট, অপরদিকে জনসচেতনতার অভাব সহ স্বাস্থ্য বিধি প্রয়োগে প্রশাসনিক উদাসীনতায় এসব রোগব্যাধী চরম সংকট তৈরী করছে। গত বছরজুড়েই বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগীর ভীড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরী পরিস্থিতির তৈরী করে। এর সাথে সেখানে হাজার হাজার ডায়রিয়া রোগী পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তোলে। শীত মৌসুম শুরুর সাথেই নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর ভীড় শুরু হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলাতে। ফলে এ অঞ্চলের কোন হাসপাতালের মেঝেতেও এখন রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না।
বছরজুড়ে এডিস মশা পুরো বরিশালে দাপিয়ে বেড়ালেও এ অঞ্চলে মশক নিধনে কোন নিবিড় কর্মসূচী গ্রহণ করেনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো । এমনকি গত বছরজুড়ে বরিশালের গ্রাম-গঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও ছিলো অনেক। শুধু সরকারি হাসপাতালেই ২২ হাজার ভর্তিকৃত রোগীর ৫১ জনের মৃত্যু হয়। তবে প্রকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো কয়েকগুন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
গতবছর বরিশালে সাম্প্রতিককালের সর্বোচ্চ প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও এ অঞ্চলে এখনো ডায়রিয়া প্রতিরোধে তেমন কোন কর্মকান্ড দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। মূলত পথ খাবারের দোকান আর বিশুদ্ধ পানির সংকট পুরো বরিশাল অঞ্চলে ডায়রিয়া সহ পেটের পীড়ার বিস্তৃতিকে আরো তড়ান্বিত করলেও তা থেকে উত্তরণের কোন উদ্যোগ নেই। পথ খাবারের দোকান বরিশাল মহানগরী সহ এ অঞ্চলের সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও সেখানে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগে সিটি করপোরেশন সহ পৌরসভাগুলো এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরও তেমন কোন উদ্যোগ নেই।
অপরদিকে, গতবছরের শুরু থেকে মার্চের শেষভাগ পর্যন্ত পুরো বরিশাল অঞ্চলজুড়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের সাথে ডায়রিয়ার বিস্তৃতি ছিল ব্যাপক। আবার শীত মৌসুম শুরুর সাথে নভেম্বর থেকেই এসব রোগ পুনরায় জেকে বসে। শুধু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে। এসব বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যমল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন-চিকিৎসকদের পদ শূন্য থাকার মধ্যেও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি হাসপাতাল থেকে যেন কেউ বিনা চিকিৎসায় ফিরে না যায়। ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের বিষয়ে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন-জনসচেতনতা এসব সংক্রমক ও অসংক্রমক রোগ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি সমাজকেও রক্ষা করতে সক্ষম।
নানামুখি সংকট আর সীমাবদ্ধতার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব সহ উদাসীনতায় বরিশালে সংক্রামক রোগের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমশ মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করলেও বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই। ফলে ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগব্যাধীর বিস্তার অনেকটাই খারাপ পরিস্থিতি তৈরী করলেও তা থেকে উত্তরণের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। সদ্য সমাপ্ত বছরে বরিশাল বিভাগের শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী ছাড়াও ভর্তিকৃত প্রায় ২২ হাজার ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয় বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এসময়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগব্যাধীতে আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর মধ্যে শুধু সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। এরমধ্যে গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই সরকারি হাসপাতালে সাড়ে ৮ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয় বলে জানাগেছে। সরকারি হাসপাতালে এখনো এধরনের রোগীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।
কিন্তু চিকিৎসকের অভাবে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান কষ্টকর হয়ে পড়ছে। বর্তমানে বরিশাল বিভাগের জেলা সদর সহ ৪২টি উপজেলায় ১২ শতাধিক চিকিৎসক পদের বিপরিতে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৭০ জনের মত। যা অনুমোদিত জনবলের এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৩১শয্যা থেকে ৫০শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক ও নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মীর মঞ্জুরী এখনো আগের অবস্থানেই আছে। উপরন্তু কয়েকটি জেলা সদরের হাসপাতালগুলোকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক সহ অন্যসব জনবল পূর্বের অবস্থানেই রয়ে গেছে। কিন্তু পূর্বের জনবলেরও দুই-তৃতীয়াংশ চিকিৎসক নেই। খোদ বরিশাল বিভাগীয় সদরের জেনারেল হাসপাতালটি কাগজেপত্রে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেখানে চিকিৎসক ও নার্স সহ জনবল মঞ্জুরী এখনো ৫০ শয্যার। এক-তৃতীয়াংশ পদে চিকিৎসক নেই।
পুরনো জনবল দিয়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে বাড়তি রোগী ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের পদতো বাড়েইনি, উল্টো আগের জনবলের দুই-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য থাকায় পুরো বরিশাল অঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে।
এরসাথে প্রতিবছরই ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। একদিকে চিকিৎসক সংকট, অপরদিকে জনসচেতনতার অভাব সহ স্বাস্থ্য বিধি প্রয়োগে প্রশাসনিক উদাসীনতায় এসব রোগব্যাধী চরম সংকট তৈরী করছে। গত বছরজুড়েই বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগীর ভীড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরী পরিস্থিতির তৈরী করে। এর সাথে সেখানে হাজার হাজার ডায়রিয়া রোগী পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তোলে। শীত মৌসুম শুরুর সাথেই নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর ভীড় শুরু হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলাতে। ফলে এ অঞ্চলের কোন হাসপাতালের মেঝেতেও এখন রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না।
বছরজুড়ে এডিস মশা পুরো বরিশালে দাপিয়ে বেড়ালেও এ অঞ্চলে মশক নিধনে কোন নিবিড় কর্মসূচী গ্রহণ করেনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো । এমনকি গত বছরজুড়ে বরিশালের গ্রাম-গঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও ছিলো অনেক। শুধু সরকারি হাসপাতালেই ২২ হাজার ভর্তিকৃত রোগীর ৫১ জনের মৃত্যু হয়। তবে প্রকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো কয়েকগুন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
গতবছর বরিশালে সাম্প্রতিককালের সর্বোচ্চ প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও এ অঞ্চলে এখনো ডায়রিয়া প্রতিরোধে তেমন কোন কর্মকান্ড দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। মূলত পথ খাবারের দোকান আর বিশুদ্ধ পানির সংকট পুরো বরিশাল অঞ্চলে ডায়রিয়া সহ পেটের পীড়ার বিস্তৃতিকে আরো তড়ান্বিত করলেও তা থেকে উত্তরণের কোন উদ্যোগ নেই। পথ খাবারের দোকান বরিশাল মহানগরী সহ এ অঞ্চলের সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও সেখানে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগে সিটি করপোরেশন সহ পৌরসভাগুলো এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরও তেমন কোন উদ্যোগ নেই।
অপরদিকে, গতবছরের শুরু থেকে মার্চের শেষভাগ পর্যন্ত পুরো বরিশাল অঞ্চলজুড়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের সাথে ডায়রিয়ার বিস্তৃতি ছিল ব্যাপক। আবার শীত মৌসুম শুরুর সাথে নভেম্বর থেকেই এসব রোগ পুনরায় জেকে বসে। শুধু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে। এসব বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যমল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন-চিকিৎসকদের পদ শূন্য থাকার মধ্যেও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি হাসপাতাল থেকে যেন কেউ বিনা চিকিৎসায় ফিরে না যায়। ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের বিষয়ে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন-জনসচেতনতা এসব সংক্রমক ও অসংক্রমক রোগ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি সমাজকেও রক্ষা করতে সক্ষম।

১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮