
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৫
নানামুখি সংকট আর সীমাবদ্ধতার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব সহ উদাসীনতায় বরিশালে সংক্রামক রোগের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমশ মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করলেও বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই। ফলে ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগব্যাধীর বিস্তার অনেকটাই খারাপ পরিস্থিতি তৈরী করলেও তা থেকে উত্তরণের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। সদ্য সমাপ্ত বছরে বরিশাল বিভাগের শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী ছাড়াও ভর্তিকৃত প্রায় ২২ হাজার ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয় বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এসময়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগব্যাধীতে আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর মধ্যে শুধু সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। এরমধ্যে গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই সরকারি হাসপাতালে সাড়ে ৮ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয় বলে জানাগেছে। সরকারি হাসপাতালে এখনো এধরনের রোগীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।
কিন্তু চিকিৎসকের অভাবে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান কষ্টকর হয়ে পড়ছে। বর্তমানে বরিশাল বিভাগের জেলা সদর সহ ৪২টি উপজেলায় ১২ শতাধিক চিকিৎসক পদের বিপরিতে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৭০ জনের মত। যা অনুমোদিত জনবলের এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৩১শয্যা থেকে ৫০শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক ও নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মীর মঞ্জুরী এখনো আগের অবস্থানেই আছে। উপরন্তু কয়েকটি জেলা সদরের হাসপাতালগুলোকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক সহ অন্যসব জনবল পূর্বের অবস্থানেই রয়ে গেছে। কিন্তু পূর্বের জনবলেরও দুই-তৃতীয়াংশ চিকিৎসক নেই। খোদ বরিশাল বিভাগীয় সদরের জেনারেল হাসপাতালটি কাগজেপত্রে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেখানে চিকিৎসক ও নার্স সহ জনবল মঞ্জুরী এখনো ৫০ শয্যার। এক-তৃতীয়াংশ পদে চিকিৎসক নেই।
পুরনো জনবল দিয়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে বাড়তি রোগী ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের পদতো বাড়েইনি, উল্টো আগের জনবলের দুই-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য থাকায় পুরো বরিশাল অঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে।
এরসাথে প্রতিবছরই ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। একদিকে চিকিৎসক সংকট, অপরদিকে জনসচেতনতার অভাব সহ স্বাস্থ্য বিধি প্রয়োগে প্রশাসনিক উদাসীনতায় এসব রোগব্যাধী চরম সংকট তৈরী করছে। গত বছরজুড়েই বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগীর ভীড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরী পরিস্থিতির তৈরী করে। এর সাথে সেখানে হাজার হাজার ডায়রিয়া রোগী পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তোলে। শীত মৌসুম শুরুর সাথেই নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর ভীড় শুরু হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলাতে। ফলে এ অঞ্চলের কোন হাসপাতালের মেঝেতেও এখন রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না।
বছরজুড়ে এডিস মশা পুরো বরিশালে দাপিয়ে বেড়ালেও এ অঞ্চলে মশক নিধনে কোন নিবিড় কর্মসূচী গ্রহণ করেনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো । এমনকি গত বছরজুড়ে বরিশালের গ্রাম-গঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও ছিলো অনেক। শুধু সরকারি হাসপাতালেই ২২ হাজার ভর্তিকৃত রোগীর ৫১ জনের মৃত্যু হয়। তবে প্রকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো কয়েকগুন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
গতবছর বরিশালে সাম্প্রতিককালের সর্বোচ্চ প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও এ অঞ্চলে এখনো ডায়রিয়া প্রতিরোধে তেমন কোন কর্মকান্ড দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। মূলত পথ খাবারের দোকান আর বিশুদ্ধ পানির সংকট পুরো বরিশাল অঞ্চলে ডায়রিয়া সহ পেটের পীড়ার বিস্তৃতিকে আরো তড়ান্বিত করলেও তা থেকে উত্তরণের কোন উদ্যোগ নেই। পথ খাবারের দোকান বরিশাল মহানগরী সহ এ অঞ্চলের সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও সেখানে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগে সিটি করপোরেশন সহ পৌরসভাগুলো এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরও তেমন কোন উদ্যোগ নেই।
অপরদিকে, গতবছরের শুরু থেকে মার্চের শেষভাগ পর্যন্ত পুরো বরিশাল অঞ্চলজুড়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের সাথে ডায়রিয়ার বিস্তৃতি ছিল ব্যাপক। আবার শীত মৌসুম শুরুর সাথে নভেম্বর থেকেই এসব রোগ পুনরায় জেকে বসে। শুধু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে। এসব বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যমল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন-চিকিৎসকদের পদ শূন্য থাকার মধ্যেও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি হাসপাতাল থেকে যেন কেউ বিনা চিকিৎসায় ফিরে না যায়। ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের বিষয়ে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন-জনসচেতনতা এসব সংক্রমক ও অসংক্রমক রোগ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি সমাজকেও রক্ষা করতে সক্ষম।
নানামুখি সংকট আর সীমাবদ্ধতার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব সহ উদাসীনতায় বরিশালে সংক্রামক রোগের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমশ মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করলেও বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই। ফলে ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগব্যাধীর বিস্তার অনেকটাই খারাপ পরিস্থিতি তৈরী করলেও তা থেকে উত্তরণের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। সদ্য সমাপ্ত বছরে বরিশাল বিভাগের শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী ছাড়াও ভর্তিকৃত প্রায় ২২ হাজার ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয় বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এসময়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগব্যাধীতে আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর মধ্যে শুধু সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। এরমধ্যে গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই সরকারি হাসপাতালে সাড়ে ৮ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয় বলে জানাগেছে। সরকারি হাসপাতালে এখনো এধরনের রোগীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।
কিন্তু চিকিৎসকের অভাবে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান কষ্টকর হয়ে পড়ছে। বর্তমানে বরিশাল বিভাগের জেলা সদর সহ ৪২টি উপজেলায় ১২ শতাধিক চিকিৎসক পদের বিপরিতে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৭০ জনের মত। যা অনুমোদিত জনবলের এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৩১শয্যা থেকে ৫০শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক ও নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মীর মঞ্জুরী এখনো আগের অবস্থানেই আছে। উপরন্তু কয়েকটি জেলা সদরের হাসপাতালগুলোকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক সহ অন্যসব জনবল পূর্বের অবস্থানেই রয়ে গেছে। কিন্তু পূর্বের জনবলেরও দুই-তৃতীয়াংশ চিকিৎসক নেই। খোদ বরিশাল বিভাগীয় সদরের জেনারেল হাসপাতালটি কাগজেপত্রে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেখানে চিকিৎসক ও নার্স সহ জনবল মঞ্জুরী এখনো ৫০ শয্যার। এক-তৃতীয়াংশ পদে চিকিৎসক নেই।
পুরনো জনবল দিয়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে বাড়তি রোগী ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের পদতো বাড়েইনি, উল্টো আগের জনবলের দুই-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য থাকায় পুরো বরিশাল অঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে।
এরসাথে প্রতিবছরই ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। একদিকে চিকিৎসক সংকট, অপরদিকে জনসচেতনতার অভাব সহ স্বাস্থ্য বিধি প্রয়োগে প্রশাসনিক উদাসীনতায় এসব রোগব্যাধী চরম সংকট তৈরী করছে। গত বছরজুড়েই বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগীর ভীড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরী পরিস্থিতির তৈরী করে। এর সাথে সেখানে হাজার হাজার ডায়রিয়া রোগী পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তোলে। শীত মৌসুম শুরুর সাথেই নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর ভীড় শুরু হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলাতে। ফলে এ অঞ্চলের কোন হাসপাতালের মেঝেতেও এখন রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না।
বছরজুড়ে এডিস মশা পুরো বরিশালে দাপিয়ে বেড়ালেও এ অঞ্চলে মশক নিধনে কোন নিবিড় কর্মসূচী গ্রহণ করেনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো । এমনকি গত বছরজুড়ে বরিশালের গ্রাম-গঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও ছিলো অনেক। শুধু সরকারি হাসপাতালেই ২২ হাজার ভর্তিকৃত রোগীর ৫১ জনের মৃত্যু হয়। তবে প্রকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো কয়েকগুন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
গতবছর বরিশালে সাম্প্রতিককালের সর্বোচ্চ প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও এ অঞ্চলে এখনো ডায়রিয়া প্রতিরোধে তেমন কোন কর্মকান্ড দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। মূলত পথ খাবারের দোকান আর বিশুদ্ধ পানির সংকট পুরো বরিশাল অঞ্চলে ডায়রিয়া সহ পেটের পীড়ার বিস্তৃতিকে আরো তড়ান্বিত করলেও তা থেকে উত্তরণের কোন উদ্যোগ নেই। পথ খাবারের দোকান বরিশাল মহানগরী সহ এ অঞ্চলের সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও সেখানে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগে সিটি করপোরেশন সহ পৌরসভাগুলো এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরও তেমন কোন উদ্যোগ নেই।
অপরদিকে, গতবছরের শুরু থেকে মার্চের শেষভাগ পর্যন্ত পুরো বরিশাল অঞ্চলজুড়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের সাথে ডায়রিয়ার বিস্তৃতি ছিল ব্যাপক। আবার শীত মৌসুম শুরুর সাথে নভেম্বর থেকেই এসব রোগ পুনরায় জেকে বসে। শুধু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে। এসব বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যমল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন-চিকিৎসকদের পদ শূন্য থাকার মধ্যেও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি হাসপাতাল থেকে যেন কেউ বিনা চিকিৎসায় ফিরে না যায়। ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের বিষয়ে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন-জনসচেতনতা এসব সংক্রমক ও অসংক্রমক রোগ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি সমাজকেও রক্ষা করতে সক্ষম।

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৪
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২২:৩৬
ইসলাম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)। ঈদের দিন বরিশালসহ দেশের আট বিভাগেই কোনো না কোনো অঞ্চলে বৃষ্টি এবং সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২ ধরে সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে কালবৈশাখি ঝড়। এ ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়ে সাবাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়েও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আরিচায়, ৫৮ মিলিমিটার। ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাঙ্গামাটিতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’
ইসলাম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)। ঈদের দিন বরিশালসহ দেশের আট বিভাগেই কোনো না কোনো অঞ্চলে বৃষ্টি এবং সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২ ধরে সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে কালবৈশাখি ঝড়। এ ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়ে সাবাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়েও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আরিচায়, ৫৮ মিলিমিটার। ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাঙ্গামাটিতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারে মতো এবারে এখানে মেয়েদের নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এজন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন প্রধান ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে কাজের অগ্রগতি দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এ সময় সিটি প্রশাসক বলেন, বরিশালের সব থেকে বড় ঈদের জামায়াত হেমায়েতউদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ৫-৭ হাজার লোকের সমাগম হবে। সরকারি কর্মকর্তাসহ সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নগরীর প্রধান ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। সুষ্ঠুভাবে নামাজ অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে খাবার পানি, টয়লেট ও মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া জেলায় হাজারের বেশি মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফ ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে হবে সকাল আটটায়।
নগরীর কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে প্রথম জামাত সকাল আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ১০টায়, জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত ১০টায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম সকাল সাড়ে ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৯টায়। মডেল মসজিদে সকাল আটটায়।
পোর্ট রোডের কেরামতিয়া জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়, পুলিশ রাইন্স জামে মসজিদে প্রথম জামাত সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে আটটায়, নুরিয়া স্কুল ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম (গোরস্থান) ঈদগা ময়দানে সকাল সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে।
বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারে মতো এবারে এখানে মেয়েদের নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এজন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন প্রধান ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে কাজের অগ্রগতি দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এ সময় সিটি প্রশাসক বলেন, বরিশালের সব থেকে বড় ঈদের জামায়াত হেমায়েতউদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ৫-৭ হাজার লোকের সমাগম হবে। সরকারি কর্মকর্তাসহ সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নগরীর প্রধান ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। সুষ্ঠুভাবে নামাজ অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে খাবার পানি, টয়লেট ও মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া জেলায় হাজারের বেশি মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফ ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে হবে সকাল আটটায়।
নগরীর কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে প্রথম জামাত সকাল আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ১০টায়, জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত ১০টায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম সকাল সাড়ে ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৯টায়। মডেল মসজিদে সকাল আটটায়।
পোর্ট রোডের কেরামতিয়া জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়, পুলিশ রাইন্স জামে মসজিদে প্রথম জামাত সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে আটটায়, নুরিয়া স্কুল ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম (গোরস্থান) ঈদগা ময়দানে সকাল সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.