
১০ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:১০
বরিশাল শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার আলোচিত ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রহমানিয়া ক্বিরাতুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী হুজুর নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাকে কেউ ফোন করে ডেকে নেয়। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তিনি যাওয়ার আগে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন মাদ্রাসায় রেখে গেছেন বলে জানা গেছে। মাদ্রাসা পরিচালকের এই রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনা উন্মেচন এবং তাকে উদ্ধারে ইতিমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশ।
বরিশাল নগরীর পলাশপুর রহমানিয়া ক্বিরাতুল কুরআন মাদ্রাসার পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকার শিরোনাম হয়েছেন। বিশেষ করে করোনাকালীন তার প্রতিষ্ঠানে খাদ্যাভাব দেখা দিলে এনিয়ে সংবাদপত্রগুলোতে লেখালেখি হয়। অবশ্য তাকে নিয়ে তখন অনেকে নৈতিবাচক খবরও প্রকাশ করে। এই আলোচিত ব্যক্তি একদিন পূর্বে বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারও ডাকে সাড়া দিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হলেন।
নুরুল ইসলাম ফিরোজীর স্ত্রী সাধারণ ডায়েরিতে কোনো ব্যক্তি ফোন করে ডেকে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ বা পুলিশকে মৌখিক অবহিত করেননি।
তবে তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে মাদ্রাসায় অবস্থানকালে একটি ফোন কল আসলে তিনি মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যান। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে শুক্রবার দুপুরে কাউনিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
পরিচালকের আকস্মিক নিখোঁজের ঘটনায় হতাশাগ্রস্ত মাদ্রাসার শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধারে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা এবং নিখোঁজের সন্ধানে ইতিমধ্যে কাজ করার বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নিখোঁজের ঘটনায় মাদ্রাসা পরিচালকের স্ত্রী শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। অভিযোগের সূত্র ধরে তার সন্ধান করছে পুলিশ। তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হলে নিখোঁজের প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।’
বরিশাল শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার আলোচিত ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রহমানিয়া ক্বিরাতুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী হুজুর নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাকে কেউ ফোন করে ডেকে নেয়। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তিনি যাওয়ার আগে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন মাদ্রাসায় রেখে গেছেন বলে জানা গেছে। মাদ্রাসা পরিচালকের এই রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনা উন্মেচন এবং তাকে উদ্ধারে ইতিমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশ।
বরিশাল নগরীর পলাশপুর রহমানিয়া ক্বিরাতুল কুরআন মাদ্রাসার পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকার শিরোনাম হয়েছেন। বিশেষ করে করোনাকালীন তার প্রতিষ্ঠানে খাদ্যাভাব দেখা দিলে এনিয়ে সংবাদপত্রগুলোতে লেখালেখি হয়। অবশ্য তাকে নিয়ে তখন অনেকে নৈতিবাচক খবরও প্রকাশ করে। এই আলোচিত ব্যক্তি একদিন পূর্বে বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারও ডাকে সাড়া দিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হলেন।
নুরুল ইসলাম ফিরোজীর স্ত্রী সাধারণ ডায়েরিতে কোনো ব্যক্তি ফোন করে ডেকে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ বা পুলিশকে মৌখিক অবহিত করেননি।
তবে তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে মাদ্রাসায় অবস্থানকালে একটি ফোন কল আসলে তিনি মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যান। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে শুক্রবার দুপুরে কাউনিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
পরিচালকের আকস্মিক নিখোঁজের ঘটনায় হতাশাগ্রস্ত মাদ্রাসার শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধারে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা এবং নিখোঁজের সন্ধানে ইতিমধ্যে কাজ করার বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নিখোঁজের ঘটনায় মাদ্রাসা পরিচালকের স্ত্রী শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। অভিযোগের সূত্র ধরে তার সন্ধান করছে পুলিশ। তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হলে নিখোঁজের প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।’

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৯
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে। ব্রিজ নির্মাণের নামে এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তবে রহস্যজনক কারণে উপজেলা এলজিইডি বিভাগ এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর বারপাইকা গ্রামের রুহুল হোসেনের বাড়ির সামনে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৫ ফুট প্রস্থের এই আয়রন ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, ব্রিজটির ঢালাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে মাত্র সাড়ে ৩ ইঞ্চি। এ ছাড়া, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে নির্দিষ্ট দূরত্বে রড দেয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদার ১ ফুট পরপর রড দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ঢালাইয়ের সময় অনিয়মের প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার নামমাত্র পাঁচটি রড নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে সিমেন্ট কম পড়লে স্থানীয়দের কাছ থেকেই ৫ ব্যাগ সিমেন্ট এনে ব্রিজের উত্তর পাড়ে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে গত মঙ্গলবার ঢালাই সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় ভুক্তভোগী হিমু মোল্লা ও ইদ্রিস মোল্লা জানান, ব্রিজটি মূলত ৫৫ ফুট দৈর্ঘ্য হওয়ার কথা থাকলেও ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা মাত্র ৪৫ ফুট ঢালাই দিয়েছেন। রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদ এই কাজের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও সোহেল মোল্লা সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ব্রিজ করে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে আরও ৮৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, বাশঁ ব্যবহার করা হয়েছে ৪৫ ফুট ব্রিজের বাহিরে। এটা আমরা করিনি, করেছে স্থানীয়রা।
রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার বলেন, ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রথম পর্যায় দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। সম্প্রতি ঢালাইয়ের জন্য এক লাখ টাকা দেয়া হয়।
উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী জানান, ব্রিজ ঢালাই দেয়ার কথা আমাদের বিভাগকে কেউ জানায়নি। কেউ এলজিইডি বিভাগকে না জানিয়ে ব্রিজের ঢালাই দিতে পারে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, আমি ব্রিজের ঢালাইয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। সরেজমিন গিয়ে ব্রিজটি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৮
বরিশাল শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদী দরগাহবাড়ি ব্রিজসংলগ্ন একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভবনটির জানালাগুলো উড়ে গেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফজরের নামাজের পর এ বিস্ফোরণে বাবা-ছেলে আহত হয়েছেন। আহত মানিক চন্দ্র শীল এবং তার ছেলে মৃদুল চন্দ্র শীলকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার পরিবর্তন করা হয়। এরপর বুধবার ফজরের নামাজের পর মানিক চন্দ্র গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার সময় বাসায় মানিক এবং তার ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এতে মানিকের হাত ও পা পুড়ে যায় এবং তার ছেলে মাথায় আঘাত পান।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস বরিশাল সদর স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বরিশালটাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে। ব্রিজ নির্মাণের নামে এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তবে রহস্যজনক কারণে উপজেলা এলজিইডি বিভাগ এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর বারপাইকা গ্রামের রুহুল হোসেনের বাড়ির সামনে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৫ ফুট প্রস্থের এই আয়রন ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, ব্রিজটির ঢালাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে মাত্র সাড়ে ৩ ইঞ্চি। এ ছাড়া, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে নির্দিষ্ট দূরত্বে রড দেয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদার ১ ফুট পরপর রড দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ঢালাইয়ের সময় অনিয়মের প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার নামমাত্র পাঁচটি রড নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে সিমেন্ট কম পড়লে স্থানীয়দের কাছ থেকেই ৫ ব্যাগ সিমেন্ট এনে ব্রিজের উত্তর পাড়ে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে গত মঙ্গলবার ঢালাই সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় ভুক্তভোগী হিমু মোল্লা ও ইদ্রিস মোল্লা জানান, ব্রিজটি মূলত ৫৫ ফুট দৈর্ঘ্য হওয়ার কথা থাকলেও ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা মাত্র ৪৫ ফুট ঢালাই দিয়েছেন। রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদ এই কাজের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও সোহেল মোল্লা সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ব্রিজ করে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে আরও ৮৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, বাশঁ ব্যবহার করা হয়েছে ৪৫ ফুট ব্রিজের বাহিরে। এটা আমরা করিনি, করেছে স্থানীয়রা।
রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার বলেন, ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রথম পর্যায় দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। সম্প্রতি ঢালাইয়ের জন্য এক লাখ টাকা দেয়া হয়।
উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী জানান, ব্রিজ ঢালাই দেয়ার কথা আমাদের বিভাগকে কেউ জানায়নি। কেউ এলজিইডি বিভাগকে না জানিয়ে ব্রিজের ঢালাই দিতে পারে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, আমি ব্রিজের ঢালাইয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। সরেজমিন গিয়ে ব্রিজটি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
বরিশাল টাইমস
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
বরিশাল টাইমস
বরিশাল শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদী দরগাহবাড়ি ব্রিজসংলগ্ন একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভবনটির জানালাগুলো উড়ে গেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফজরের নামাজের পর এ বিস্ফোরণে বাবা-ছেলে আহত হয়েছেন। আহত মানিক চন্দ্র শীল এবং তার ছেলে মৃদুল চন্দ্র শীলকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার পরিবর্তন করা হয়। এরপর বুধবার ফজরের নামাজের পর মানিক চন্দ্র গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার সময় বাসায় মানিক এবং তার ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এতে মানিকের হাত ও পা পুড়ে যায় এবং তার ছেলে মাথায় আঘাত পান।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস বরিশাল সদর স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বরিশালটাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।’
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৩৩
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৩
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৪