ছবি:সংগৃহীত
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, তার (লতিফ সিদ্দিকী) বিরুদ্ধে এরই মধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শাপলা চত্বরে ১৩ বছর আগে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
তাদের মধ্যে পলাতক ৩১ জনের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পলাতকদের মধ্যে ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। পাশাপাশি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আদেশের পর ওইদিন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ট্রাইব্যুনাল ৪১ জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ আমলে নিয়েছেন। প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হবে।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২০ অগাস্ট শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্মমহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী। এর ভিত্তিতে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরের সেই ঘটনাপ্রবাহে মোট ৬১ জন নিহতের তথ্য পেয়েছে প্রসিকিউশনের তদন্ত দল, যার মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ মামলার আসামিদের মধ্যে আগে থেকে ১০ জন কারাগারে। তারা হলেন ড. আব্দুর রাজ্জাক, ডা. দীপু মনি, হাসানুল হক ইনু, শামসুল হক টুকু, শাহরিয়ার কবির, জিয়াউল আহসান, এ কে এম শহীদুল হক, আবদুল জলিল মণ্ডল, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা।
এ মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগ নেতা আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাবেক যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু, সাংবাদিক ফারজানা রুপা।
মামলায় সামরিক ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা হলেন, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, তৎকালীন র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মাহবুব হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মনিরুল ইসলাম, ডিএমপির তৎকালীন ডিসি (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন, ডিএমপির তৎকালীন ডিসি (ট্রাফিক-দক্ষিণ) আশরাফুজ্জামান, ডিএমপির তৎকালীন এডিসি (মতিঝিল জোন) এসএম মেহেদী হাসান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, সাবেক ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক ডিআইজি সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ডিএমপির সাবেক এডিসি (মতিঝিল বিভাগ) মো. আসাদুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শিবলী নোমান ও মতিঝিল থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিএম ফরমান আলী।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১৮
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, মদ কিনতে নিজ কার্যালয়ে বসে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কাউকে দিচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদকের বিষয়ে আলোচনা করছেন। একপর্যায়ে তাকে মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কিনতে কারও হাতে দিতে দেখা যায়। শোনা যায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নাম।
তবে ভিডিওর বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘রক্ষক যদি ভক্ষক হয়, সেটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’
বরিশাল টাইমস
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, মদ কিনতে নিজ কার্যালয়ে বসে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কাউকে দিচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদকের বিষয়ে আলোচনা করছেন। একপর্যায়ে তাকে মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কিনতে কারও হাতে দিতে দেখা যায়। শোনা যায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নাম।
তবে ভিডিওর বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘রক্ষক যদি ভক্ষক হয়, সেটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’
বরিশাল টাইমস

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:০৩
এইচএসসি পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর পর একের পর এক বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল ও অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পর এবার জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের ইংরেজি ভার্সনের নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে ভুল থাকার অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।
বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্নে কোনো ভুল প্রমাণিত হলে পরীক্ষার্থীরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
বুধবার (২৯ জুলাই) ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের মধ্যে অসামঞ্জস্য ছিল। এতে তারা পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তির মুখে পড়েন।
পরীক্ষার্থী মৃদুল রহমান জানান, ইংরেজি সংস্করণের ‘গ’ সেটের ১৫, ১৮ ও ২৫ নম্বর নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে ভুল ছিল। এসব প্রশ্নের কারণে অনেক পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু বলেন, অভিযোগ যাচাইয়ে ছয়জন বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন। ইংরেজি সংস্করণের প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেলে তারা (বুধবার) রাতের মধ্যেই প্রতিবেদন দেবেন।
তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনে প্রশ্নে ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত হলে ইংরেজি সংস্করণের পরীক্ষার্থীদের ওই তিনটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের নম্বর দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত রসায়ন প্রথম পত্রের ইংরেজি সংস্করণের সৃজনশীল অংশের চার নম্বর প্রশ্নেও অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের দুটি প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুই প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এইচএসসি পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর পর একের পর এক বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল ও অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পর এবার জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের ইংরেজি ভার্সনের নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে ভুল থাকার অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।
বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্নে কোনো ভুল প্রমাণিত হলে পরীক্ষার্থীরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
বুধবার (২৯ জুলাই) ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের মধ্যে অসামঞ্জস্য ছিল। এতে তারা পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তির মুখে পড়েন।
পরীক্ষার্থী মৃদুল রহমান জানান, ইংরেজি সংস্করণের ‘গ’ সেটের ১৫, ১৮ ও ২৫ নম্বর নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে ভুল ছিল। এসব প্রশ্নের কারণে অনেক পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু বলেন, অভিযোগ যাচাইয়ে ছয়জন বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন। ইংরেজি সংস্করণের প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেলে তারা (বুধবার) রাতের মধ্যেই প্রতিবেদন দেবেন।
তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনে প্রশ্নে ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত হলে ইংরেজি সংস্করণের পরীক্ষার্থীদের ওই তিনটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের নম্বর দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত রসায়ন প্রথম পত্রের ইংরেজি সংস্করণের সৃজনশীল অংশের চার নম্বর প্রশ্নেও অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের দুটি প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুই প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৭
চট্টগ্রাম নগরীর আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম।
তিনি বলেন, ‘ডেভিড ইমন ও রায়হানসহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। যশোর থেকে ডেভিড ইমনেক গ্রেপ্তার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। নোয়াখালীতে একটি টিম রায়হানকে গ্রেপ্তারে অভিযান করেছে। অল্পের জন্য রায়হান পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তাকেও গ্রেপ্তার করা হবে।’
ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারসহ পুরো অভিযানের বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এসপি মাসুদ আলম।
এর আগে, চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত রবিবার রাতে নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তারা হলেন— মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৪)। এর মধ্যে আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি।’
চট্টগ্রাম নগরীর আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম।
তিনি বলেন, ‘ডেভিড ইমন ও রায়হানসহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। যশোর থেকে ডেভিড ইমনেক গ্রেপ্তার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। নোয়াখালীতে একটি টিম রায়হানকে গ্রেপ্তারে অভিযান করেছে। অল্পের জন্য রায়হান পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তাকেও গ্রেপ্তার করা হবে।’
ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারসহ পুরো অভিযানের বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এসপি মাসুদ আলম।
এর আগে, চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত রবিবার রাতে নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তারা হলেন— মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৪)। এর মধ্যে আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২১:২১
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, তার (লতিফ সিদ্দিকী) বিরুদ্ধে এরই মধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শাপলা চত্বরে ১৩ বছর আগে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
তাদের মধ্যে পলাতক ৩১ জনের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পলাতকদের মধ্যে ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। পাশাপাশি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আদেশের পর ওইদিন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ট্রাইব্যুনাল ৪১ জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ আমলে নিয়েছেন। প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হবে।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২০ অগাস্ট শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্মমহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী। এর ভিত্তিতে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরের সেই ঘটনাপ্রবাহে মোট ৬১ জন নিহতের তথ্য পেয়েছে প্রসিকিউশনের তদন্ত দল, যার মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ মামলার আসামিদের মধ্যে আগে থেকে ১০ জন কারাগারে। তারা হলেন ড. আব্দুর রাজ্জাক, ডা. দীপু মনি, হাসানুল হক ইনু, শামসুল হক টুকু, শাহরিয়ার কবির, জিয়াউল আহসান, এ কে এম শহীদুল হক, আবদুল জলিল মণ্ডল, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা।
এ মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগ নেতা আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাবেক যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু, সাংবাদিক ফারজানা রুপা।
মামলায় সামরিক ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা হলেন, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, তৎকালীন র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মাহবুব হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মনিরুল ইসলাম, ডিএমপির তৎকালীন ডিসি (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন, ডিএমপির তৎকালীন ডিসি (ট্রাফিক-দক্ষিণ) আশরাফুজ্জামান, ডিএমপির তৎকালীন এডিসি (মতিঝিল জোন) এসএম মেহেদী হাসান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, সাবেক ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক ডিআইজি সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ডিএমপির সাবেক এডিসি (মতিঝিল বিভাগ) মো. আসাদুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শিবলী নোমান ও মতিঝিল থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিএম ফরমান আলী।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১৮
২৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ জুলাই, ২০২৬ ২১:২১
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০