
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪৫
নেপালে আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের আগে রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে কাঠমান্ডুর রাজপথে হাজার হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহকে স্বাগত জানাতে এবং বিলুপ্ত রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে এই জনসমাগম ঘটে। কয়েকশ দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়েই সাবেক রাজা তার গাড়ির সানরুফ থেকে হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান।
বিক্ষোভকারীরা ‘রাজা ফিরে আসুক’ এবং ‘সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তার ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত দীর্ঘ পথ সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। নেপালের পূর্বাঞ্চল সফর শেষে তার এই আগমনে সমর্থকদের এমন উচ্ছ্বাস রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্র শাহ তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ২০০৮ সালে সংসদীয় ভোটের মাধ্যমে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
গত বছরও একই ধরনের রাজতন্ত্রী সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল, যেখানে সহিংসতায় দুইজনের মৃত্যু হয়। তবে শুক্রবারের এই সমাবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। আগামী মার্চ মাসে নেপালে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে রাজতন্ত্রী দলগুলো প্রায় ৫ শতাংশ আসন পেলেও এবারের সমাবেশে তাদের শক্তির মহড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা নির্বাচনে আরও বড় প্রভাব ফেলতে চাইছে।
সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নিজে থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও তার প্রতি সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান সমর্থন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একটি বড় সংকেত।
যদিও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখনো রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ঘোর বিরোধী, তবে নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে রাজপন্থীদের এই বিশাল সমাবেশ নেপালের আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস দিচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
নেপালে আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের আগে রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে কাঠমান্ডুর রাজপথে হাজার হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহকে স্বাগত জানাতে এবং বিলুপ্ত রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে এই জনসমাগম ঘটে। কয়েকশ দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়েই সাবেক রাজা তার গাড়ির সানরুফ থেকে হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান।
বিক্ষোভকারীরা ‘রাজা ফিরে আসুক’ এবং ‘সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তার ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত দীর্ঘ পথ সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। নেপালের পূর্বাঞ্চল সফর শেষে তার এই আগমনে সমর্থকদের এমন উচ্ছ্বাস রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্র শাহ তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ২০০৮ সালে সংসদীয় ভোটের মাধ্যমে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
গত বছরও একই ধরনের রাজতন্ত্রী সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল, যেখানে সহিংসতায় দুইজনের মৃত্যু হয়। তবে শুক্রবারের এই সমাবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। আগামী মার্চ মাসে নেপালে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে রাজতন্ত্রী দলগুলো প্রায় ৫ শতাংশ আসন পেলেও এবারের সমাবেশে তাদের শক্তির মহড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা নির্বাচনে আরও বড় প্রভাব ফেলতে চাইছে।
সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নিজে থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও তার প্রতি সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান সমর্থন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একটি বড় সংকেত।
যদিও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখনো রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ঘোর বিরোধী, তবে নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে রাজপন্থীদের এই বিশাল সমাবেশ নেপালের আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস দিচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:২২
সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে একের পর ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। রোববার (৮ মার্চ) স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ খবর জানায়।
মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত এক ঘণ্টায় রাজধানী রিয়াদের পূর্ব দিকে সাতটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
এই তথ্যের প্রায় এক ঘণ্টা আগে সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তাদের আকাশসীমায় পৌঁছানোর পর ইরানের আটটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
গতকাল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছিলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ব্যবহার করে যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো হামলা না চালায় তাহলে তারা পাল্টা হামলা চালাবেন না। কিন্তু তার এ বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানে হামলা হয়। এরপর সৌদিসহ অন্যান্য দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান ফের পাল্টা হামলা শুরু করে।
সূত্র : আলজাজিরা
সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে একের পর ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। রোববার (৮ মার্চ) স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ খবর জানায়।
মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত এক ঘণ্টায় রাজধানী রিয়াদের পূর্ব দিকে সাতটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
এই তথ্যের প্রায় এক ঘণ্টা আগে সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তাদের আকাশসীমায় পৌঁছানোর পর ইরানের আটটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
গতকাল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছিলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ব্যবহার করে যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো হামলা না চালায় তাহলে তারা পাল্টা হামলা চালাবেন না। কিন্তু তার এ বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানে হামলা হয়। এরপর সৌদিসহ অন্যান্য দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান ফের পাল্টা হামলা শুরু করে।
সূত্র : আলজাজিরা

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৬
চলমান ইরান যুদ্ধের উত্তাপ বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যুক্তরাজ্যজুড়ে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ রয়েছে, তা দিয়ে মাত্র দুই দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে এক ধরণের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ন্যাশনাল গ্যাসের প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাজ্যের গ্যাসের মজুদ ছিল ১৮,০০০ গিগাওয়াট আওয়ার (জিডাব্লিউএইচ), যা বর্তমানে কমে ৬,৭০০ গিগাওয়াট আওয়ারে নেমে এসেছে। এই পরিমাণ গ্যাস দেশটির মাত্র দেড় দিনের চাহিদার সমান। তবে একই পরিমাণ গ্যাস তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবে সংরক্ষিত আছে। তুলনায় ইউরোপের দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহের অস্থিরতা সামাল দেওয়ার জন্য অনেক বেশি প্রস্তুত; তাদের কাছে কয়েক সপ্তাহের গ্যাস মজুদ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এই দুর্বল পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দেশটির কোনো উপায় নেই জেনেই ব্যবসায়ীরা ইউরোপীয় প্রতিযোগীদের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। ফলে বর্তমানে যুক্তরাজ্য ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যে পাইকারি গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
জ্বালানি বাজারে এই অস্থিরতার অন্যতম কারণ হলো হরমুজ প্রণালীর প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া, যে পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল পরিবহন করা হয়। এছাড়া কিছু অঞ্চলে উৎপাদন বন্ধ থাকায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
ইরানি বোমাবর্ষণের শিকার হওয়ার পর, কাতার এই সপ্তাহের শুরুতে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র 'রাস লাফান'-এ উৎপাদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।এ বিষয়ে কমোডিটি ডেটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'আর্গাস মিডিয়া'-এর গ্যাস প্রাইসিং বিভাগের প্রধান নাতাশা ফিল্ডিং বলেন, ‘ইউরোপের প্রায় যেকোনো জায়গার তুলনায় যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।’
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় ব্রিটেনের মতো দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যাপ্ত গ্যাসের মজুদ না থাকায় এবং নতুন সরবরাহের অনিশ্চয়তায় আগামী দিনগুলোতে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে পারে দেশটি।
বরিশাল টাইমস
চলমান ইরান যুদ্ধের উত্তাপ বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যুক্তরাজ্যজুড়ে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ রয়েছে, তা দিয়ে মাত্র দুই দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে এক ধরণের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ন্যাশনাল গ্যাসের প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাজ্যের গ্যাসের মজুদ ছিল ১৮,০০০ গিগাওয়াট আওয়ার (জিডাব্লিউএইচ), যা বর্তমানে কমে ৬,৭০০ গিগাওয়াট আওয়ারে নেমে এসেছে। এই পরিমাণ গ্যাস দেশটির মাত্র দেড় দিনের চাহিদার সমান। তবে একই পরিমাণ গ্যাস তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবে সংরক্ষিত আছে। তুলনায় ইউরোপের দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহের অস্থিরতা সামাল দেওয়ার জন্য অনেক বেশি প্রস্তুত; তাদের কাছে কয়েক সপ্তাহের গ্যাস মজুদ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এই দুর্বল পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দেশটির কোনো উপায় নেই জেনেই ব্যবসায়ীরা ইউরোপীয় প্রতিযোগীদের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। ফলে বর্তমানে যুক্তরাজ্য ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যে পাইকারি গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
জ্বালানি বাজারে এই অস্থিরতার অন্যতম কারণ হলো হরমুজ প্রণালীর প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া, যে পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল পরিবহন করা হয়। এছাড়া কিছু অঞ্চলে উৎপাদন বন্ধ থাকায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
ইরানি বোমাবর্ষণের শিকার হওয়ার পর, কাতার এই সপ্তাহের শুরুতে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র 'রাস লাফান'-এ উৎপাদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।এ বিষয়ে কমোডিটি ডেটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'আর্গাস মিডিয়া'-এর গ্যাস প্রাইসিং বিভাগের প্রধান নাতাশা ফিল্ডিং বলেন, ‘ইউরোপের প্রায় যেকোনো জায়গার তুলনায় যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।’
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় ব্রিটেনের মতো দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যাপ্ত গ্যাসের মজুদ না থাকায় এবং নতুন সরবরাহের অনিশ্চয়তায় আগামী দিনগুলোতে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে পারে দেশটি।
বরিশাল টাইমস

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:০৭
গণহত্যাকারী ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে প্রতিবেশী লেবাননের গ্রামের পর গ্রাম। ইতোমধ্যে রাজধানী বৈরুতসহ একাধিক শহরের বহু ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেসামরিক নাগরিক এবং স্থাপনা। এ পর্যন্ত অবৈধ দেশটির হামলায় ৮৩ শিশুসহ প্রায় ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
রোববার (৮ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে ৮৩টি শিশু আছে। প্রাণ হারানোর ব্যক্তিদের মধ্যে ৪২ নারীও আছেন।
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় আরও জানায়, ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ১ হাজার ১৩০ জন আহত হয়েছেন।
এর আগে শনিবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ছিল ২৯৪ জন; মাত্র এক দিনের ব্যবধানে ১০০ জন বেড়েছে।
এদিকে গণহত্যাকারী ইসরায়েল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এর পর সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। এ যুদ্ধ চলমান থাকাবস্থায়ই লেবাননে হামলা চালায় ইসরায়েল। এরপর থেকে লেবাননের শিয়া সমর্থিত ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে।
বরিশাল টাইমস
গণহত্যাকারী ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে প্রতিবেশী লেবাননের গ্রামের পর গ্রাম। ইতোমধ্যে রাজধানী বৈরুতসহ একাধিক শহরের বহু ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেসামরিক নাগরিক এবং স্থাপনা। এ পর্যন্ত অবৈধ দেশটির হামলায় ৮৩ শিশুসহ প্রায় ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
রোববার (৮ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে ৮৩টি শিশু আছে। প্রাণ হারানোর ব্যক্তিদের মধ্যে ৪২ নারীও আছেন।
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় আরও জানায়, ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ১ হাজার ১৩০ জন আহত হয়েছেন।
এর আগে শনিবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ছিল ২৯৪ জন; মাত্র এক দিনের ব্যবধানে ১০০ জন বেড়েছে।
এদিকে গণহত্যাকারী ইসরায়েল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এর পর সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। এ যুদ্ধ চলমান থাকাবস্থায়ই লেবাননে হামলা চালায় ইসরায়েল। এরপর থেকে লেবাননের শিয়া সমর্থিত ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.