
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪৫
নেপালে আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের আগে রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে কাঠমান্ডুর রাজপথে হাজার হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহকে স্বাগত জানাতে এবং বিলুপ্ত রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে এই জনসমাগম ঘটে। কয়েকশ দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়েই সাবেক রাজা তার গাড়ির সানরুফ থেকে হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান।
বিক্ষোভকারীরা ‘রাজা ফিরে আসুক’ এবং ‘সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তার ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত দীর্ঘ পথ সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। নেপালের পূর্বাঞ্চল সফর শেষে তার এই আগমনে সমর্থকদের এমন উচ্ছ্বাস রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্র শাহ তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ২০০৮ সালে সংসদীয় ভোটের মাধ্যমে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
গত বছরও একই ধরনের রাজতন্ত্রী সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল, যেখানে সহিংসতায় দুইজনের মৃত্যু হয়। তবে শুক্রবারের এই সমাবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। আগামী মার্চ মাসে নেপালে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে রাজতন্ত্রী দলগুলো প্রায় ৫ শতাংশ আসন পেলেও এবারের সমাবেশে তাদের শক্তির মহড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা নির্বাচনে আরও বড় প্রভাব ফেলতে চাইছে।
সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নিজে থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও তার প্রতি সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান সমর্থন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একটি বড় সংকেত।
যদিও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখনো রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ঘোর বিরোধী, তবে নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে রাজপন্থীদের এই বিশাল সমাবেশ নেপালের আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস দিচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
নেপালে আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের আগে রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে কাঠমান্ডুর রাজপথে হাজার হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহকে স্বাগত জানাতে এবং বিলুপ্ত রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে এই জনসমাগম ঘটে। কয়েকশ দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়েই সাবেক রাজা তার গাড়ির সানরুফ থেকে হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান।
বিক্ষোভকারীরা ‘রাজা ফিরে আসুক’ এবং ‘সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তার ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত দীর্ঘ পথ সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। নেপালের পূর্বাঞ্চল সফর শেষে তার এই আগমনে সমর্থকদের এমন উচ্ছ্বাস রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্র শাহ তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ২০০৮ সালে সংসদীয় ভোটের মাধ্যমে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
গত বছরও একই ধরনের রাজতন্ত্রী সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল, যেখানে সহিংসতায় দুইজনের মৃত্যু হয়। তবে শুক্রবারের এই সমাবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। আগামী মার্চ মাসে নেপালে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে রাজতন্ত্রী দলগুলো প্রায় ৫ শতাংশ আসন পেলেও এবারের সমাবেশে তাদের শক্তির মহড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা নির্বাচনে আরও বড় প্রভাব ফেলতে চাইছে।
সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নিজে থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও তার প্রতি সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান সমর্থন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একটি বড় সংকেত।
যদিও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখনো রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ঘোর বিরোধী, তবে নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে রাজপন্থীদের এই বিশাল সমাবেশ নেপালের আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস দিচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:২৭
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের ছেলে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তবে তিনি ঠিক কীভাবে আহত হয়েছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ইসরায়েল একসঙ্গে দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরানে হামলার প্রতিবাদে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে তারা।
জানা গেছে, লেবানন সীমান্তে এখন তুমুল যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন ও রাজধানী বৈরুতে নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
হিজবুল্লাহও পিছু হটছে না। সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও চৌকিগুলোতে তারা একের পর এক রকেট ছুড়ছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে সংগঠনটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে হিব্রু ভাষায় একটি বার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ইসরায়েলি বাসিন্দাদের লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার (প্রায় ৩ মাইল) এলাকার মধ্যে থাকা শহরগুলো খালি করার আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় হিজবুল্লাহ জানায়, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর যে সামরিক আগ্রাসন, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস এবং উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের ছেলে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তবে তিনি ঠিক কীভাবে আহত হয়েছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ইসরায়েল একসঙ্গে দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরানে হামলার প্রতিবাদে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে তারা।
জানা গেছে, লেবানন সীমান্তে এখন তুমুল যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন ও রাজধানী বৈরুতে নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
হিজবুল্লাহও পিছু হটছে না। সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও চৌকিগুলোতে তারা একের পর এক রকেট ছুড়ছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে সংগঠনটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে হিব্রু ভাষায় একটি বার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ইসরায়েলি বাসিন্দাদের লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার (প্রায় ৩ মাইল) এলাকার মধ্যে থাকা শহরগুলো খালি করার আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় হিজবুল্লাহ জানায়, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর যে সামরিক আগ্রাসন, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস এবং উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে ‘লুজার’ বলে উল্লেখ করেছেন, এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজে দরজার আড়ালে ট্রাম্প স্টারমারকে ‘লুজার’ বলে মন্তব্য করেন।
টেলিগ্রাফকে সূত্র জানায়, ট্রাম্প মনে করেন স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই বলেই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
গত মঙ্গলবার জনসমক্ষেও ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল’ নন- এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্র–যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছেন।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে সমালোচনা করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে ‘শরিয়া আদালত’ অপসারণ এবং উত্তর সাগরকে নতুন করে তেল ও গ্যাস খননের জন্য উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা চালানোর বিষয়ে স্টারমারের প্রাথমিক অনীহাও ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ‘স্টারমারের মন পরিবর্তন করতে অনেক সময় লেগেছে।’
পরে স্টারমার শেষ পর্যন্ত ডিয়েগো গার্সিয়া থেকে হামলা চালানোর অনুমতি দেন। তিনি যুক্তি দেন, ইরান সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি আরএএফ আক্রোতিরিতে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, ওই বিমানঘাঁটিতে যে ড্রোন হামলা হয়েছিল, সেটি ইরান থেকে ছোড়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ওই ঘাঁটি থেকেই গাজার ওপর নজরদারি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছিল, যখন সেখানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছিল।
সোফিয়া শিরা নোভারা মিডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া টিমের একজন সাংবাদিক।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে ‘লুজার’ বলে উল্লেখ করেছেন, এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজে দরজার আড়ালে ট্রাম্প স্টারমারকে ‘লুজার’ বলে মন্তব্য করেন।
টেলিগ্রাফকে সূত্র জানায়, ট্রাম্প মনে করেন স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই বলেই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
গত মঙ্গলবার জনসমক্ষেও ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল’ নন- এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্র–যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছেন।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে সমালোচনা করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে ‘শরিয়া আদালত’ অপসারণ এবং উত্তর সাগরকে নতুন করে তেল ও গ্যাস খননের জন্য উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা চালানোর বিষয়ে স্টারমারের প্রাথমিক অনীহাও ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ‘স্টারমারের মন পরিবর্তন করতে অনেক সময় লেগেছে।’
পরে স্টারমার শেষ পর্যন্ত ডিয়েগো গার্সিয়া থেকে হামলা চালানোর অনুমতি দেন। তিনি যুক্তি দেন, ইরান সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি আরএএফ আক্রোতিরিতে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, ওই বিমানঘাঁটিতে যে ড্রোন হামলা হয়েছিল, সেটি ইরান থেকে ছোড়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ওই ঘাঁটি থেকেই গাজার ওপর নজরদারি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছিল, যখন সেখানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছিল।
সোফিয়া শিরা নোভারা মিডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া টিমের একজন সাংবাদিক।

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪১
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়বে, এটা নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই দাম দ্রুত কমে যাবে এবং বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তেলের সামান্য মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসে ২০ সেন্ট বা প্রায় ৭ শতাংশ দাম বেড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের ভূগর্ভস্থ লবণের গুহায় সংরক্ষিত বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুদ বা 'স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ' ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তেলের দাম বাড়ার চাপের মুখেও তিনি জাতীয় এই জরুরি ভাণ্ডার উন্মুক্ত করতে আগ্রহী নন। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি দেশে তেলের দাম কমার সাফল্যের কথা গর্বভরে প্রচার করেছিলেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়েও আত্মবিশ্বাসী অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের দক্ষিণ উপকূলের এই কৌশলগত জলপথটি খোলা থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বিদ্রূপের সুরে বলেন, এটি অবশ্যই খোলা থাকবে কারণ ইরানের নৌবাহিনী এখন 'সমুদ্রের তলদেশে' রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়বে, এটা নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই দাম দ্রুত কমে যাবে এবং বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তেলের সামান্য মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসে ২০ সেন্ট বা প্রায় ৭ শতাংশ দাম বেড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের ভূগর্ভস্থ লবণের গুহায় সংরক্ষিত বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুদ বা 'স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ' ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তেলের দাম বাড়ার চাপের মুখেও তিনি জাতীয় এই জরুরি ভাণ্ডার উন্মুক্ত করতে আগ্রহী নন। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি দেশে তেলের দাম কমার সাফল্যের কথা গর্বভরে প্রচার করেছিলেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়েও আত্মবিশ্বাসী অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের দক্ষিণ উপকূলের এই কৌশলগত জলপথটি খোলা থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বিদ্রূপের সুরে বলেন, এটি অবশ্যই খোলা থাকবে কারণ ইরানের নৌবাহিনী এখন 'সমুদ্রের তলদেশে' রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.