Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৬
মাদারীপুরের ডাসারে জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনশনরত স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্রের ঘরে ফিরেছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। শনিবার (০৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রাম থেকে স্বামীর বাড়িতে ফিরে যান তিনি। এর আগে গত চার দিন ধরে স্ত্রীর বাড়িতে অনশন করছিলেন স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্র।
জানা গেছে, ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ বছর আগে প্রেমিক বিশ্বজিৎ পাত্রকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অনুশীলা বাড়ৈ। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তার ভালবাসার মানুষটির সকল আবদার পূরণ করেন বিশ্বজিৎ। নার্সিংয়ে পড়ান স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈকে।
কিন্তু চাকরি পাওয়ার পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন স্ত্রী। এক সপ্তাহ আগে বিশ্বজিৎ পাত্র জানতে পারেন, তাকে না জানিয়ে তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। এমনই এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন তিনি।
এরপরই ভালোবাসার মানুষটিকে ফিরে পেতে স্ত্রীর বাড়িতে গত চারদিন ধরে অবস্থান নেন। এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবার মিলে স্থানীয়দের নিয়ে পারিবারিকভাবে মীমাংসায় বসেন। এরপরই নিজের ভুল বুঝতে পারেন অনুশীলা বাড়ৈ। স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। সবাই মিলে বসে ব্যাপারটি সুন্দরভাবে সমাধান করে দিয়েছে।
বিশ্বজিৎ পাত্র বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে ঘরে ফিরতে পেরেছি, এটাই আমার বড় পাওয়া। ওকে আমি অনেক ভালোবাসি। আমাদের এই ভালবাসার বন্ধন যাতে সামনে অটুট থাকে সেই আশীর্বাদ করবেন সবাই।
মাদারীপুরের ডাসারে জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনশনরত স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্রের ঘরে ফিরেছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। শনিবার (০৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রাম থেকে স্বামীর বাড়িতে ফিরে যান তিনি। এর আগে গত চার দিন ধরে স্ত্রীর বাড়িতে অনশন করছিলেন স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্র।
জানা গেছে, ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ বছর আগে প্রেমিক বিশ্বজিৎ পাত্রকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অনুশীলা বাড়ৈ। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তার ভালবাসার মানুষটির সকল আবদার পূরণ করেন বিশ্বজিৎ। নার্সিংয়ে পড়ান স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈকে।
কিন্তু চাকরি পাওয়ার পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন স্ত্রী। এক সপ্তাহ আগে বিশ্বজিৎ পাত্র জানতে পারেন, তাকে না জানিয়ে তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। এমনই এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন তিনি।
এরপরই ভালোবাসার মানুষটিকে ফিরে পেতে স্ত্রীর বাড়িতে গত চারদিন ধরে অবস্থান নেন। এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবার মিলে স্থানীয়দের নিয়ে পারিবারিকভাবে মীমাংসায় বসেন। এরপরই নিজের ভুল বুঝতে পারেন অনুশীলা বাড়ৈ। স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। সবাই মিলে বসে ব্যাপারটি সুন্দরভাবে সমাধান করে দিয়েছে।
বিশ্বজিৎ পাত্র বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে ঘরে ফিরতে পেরেছি, এটাই আমার বড় পাওয়া। ওকে আমি অনেক ভালোবাসি। আমাদের এই ভালবাসার বন্ধন যাতে সামনে অটুট থাকে সেই আশীর্বাদ করবেন সবাই।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৬
বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়ার ‘খ’ সার্কেলের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আরিফ হোসেন (২৯) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বড়-আখিরা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফ হোসেন আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির বড়-আখিরা গ্রামের রশিদ আলীর ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সান্তাহার সার্কেলের পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গ্রামের আরিফ হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় তার শয়নঘর থেকে তাকে আটক করা হয় এবং দেহ তল্লাশি করে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:১৬
কুমিল্লায় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টার পর বাস স্ট্যান্ডের আকাশে কালো ধোঁয়া দেখে ঘটনাস্থলে এসে তিনটি বাস জ্বলতে দেখেন পরিবহন শ্রমিকরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসিন্দারা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের আগে কয়েকজন মাদকসেবীকে বাস থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছেন তারা। মাদক সেবনের পর বাসে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। বাসগুলো পরিত্যক্ত ছিল বলে ধারণা।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ও কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক বলতে পারেননি তিনি। এই তিনটি বাসের ভেতরের অংশ পুরোপুরি জ্বলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
স্কুল জীবন থেকে পুরুষে পুরুষে প্রেম। দীর্ঘ ১৭ বছরের সেই প্রেম বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে প্রলোভনে পড়ে হরমন পরিবর্তন করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়েছেন ২৯ বছর বয়সী নৃত্যশিল্পী ফিরোজ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কথা রাখেননি প্রেমিক বিপ্লব হোসেন।
ফিরোজ হরমন পরিবর্তনের জন্য ভারতে চিকিৎসাধীন থাকার সুযোগে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন প্রেমিক বিপ্লব। দেশে ফিরে এমন খবরে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে ফিরোজের।
তার অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানিয়ে শুধু জীবন ধ্বংস করার পাশাপাশি তার জীবনের অর্জন প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। সেই টাকা দিয়ে বাড়ি-গাড়ি করেছে বিপ্লব ও তার পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোত কাদিরপুর গ্রামে। ভুক্তভোগী ফিরোজ আহমেদ ওই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। তিনি সাভার শিল্পকলা একাডেমি এবং শিশু একাডেমির নাচের শিক্ষক।
এছাড়া নাচের পুতুল একাডেমি নামের একটি নৃত্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তিনি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নৃত্য শেখানোর পাশাপাশি তাদের জীবন মান উন্নয়নে ‘কর্ন’ সংগঠন নিয়ে কাজও করেন ফিরোজ।
অন্যদিকে প্রতারক প্রেমিক বিপ্লব হোসেন (৩০) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার উজ্জল হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি বরিশালে আবুল খায়ের গ্রুপের কয়লা ঘাটে সুপারভাইজার পদে কর্মরত আছেন।
প্রতারণার শিকার ফিরোজ জানান, বিপ্লব এবং তিনি বাঘা উপজেলার ইসলামী একাডেমিতে একই ক্লাসে লেখাপড়া করেছেন। যখন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন প্রেম হয় দু’জনের মধ্যে। বিপ্লবদের পারিবারিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় ফিরোজের বাড়িতেই থাকতো বিপ্লব। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক ছিল তাদের। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবার, এমনকি এলাকাবাসীও জানে। ভবিষ্যৎ সম্পর্কের কারণে ফিরোজের নৃত্য শিখিয়ে যত উপার্জন হয় সবটুকুই তুলে দেন বিপ্লবের হাতে।
ফিরোজ জানান, এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে ২০১৩ সালে ঢাকায় ওঠেন ফিরোজ এবং বিপ্লব। সেখানে রুম ভাড়া নিয়ে একই সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। পাশাপাশি আকিজ গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে চাকরিও করেন তারা। ২০১৪ সালে নৃত্য প্রতিষ্ঠান চালু করেন ফিরোজ।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিপ্লবকে নিয়ে এক ছাদের নিচে স্বামী-স্ত্রীর মতই বসবাস করেছেন তারা। এর মধ্যেই আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি হয় বিপ্লবের। চাকরির সুবাদে বদলি হয়ে যশোর চলে যান বিপ্লব। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহে যোগাযোগ হতো তাদের।
ফিরোজ বলেন, আমাদের সম্পর্ক বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে চেয়েছিল বিপ্লব। এজন্য আমাকে হরমন পরিবর্তন করে মেয়ে হতে বলে সে। আমি তার প্রতিশ্রুতিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভারতে গিয়ে অস্ত্রপচার করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাই। তখনও আমাদের দু’জনের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। ভারতে যাওয়ার আগে দু’জন শ্রীমঙ্গল ঘুরতেও গিয়েছি। তাছাড়া ভারতে যাওয়ার সময় বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত আমাকে এগিয়ে দিয়ে আসে বিপ্লব।
এদিকে ফিরোজ ভারতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় বরিশালে বদলি হন বিপ্লব। ভারতে টানা এক বছর চিকিৎসা শেষে ২০২৫ সালে দেশে ফেরেন ফিরোজ। এরপর বরিশালে তাকে নতুন করে প্রেম নিবেদন করে বিপ্লব। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে ফিরোজ জানতে পারেন বিপ্লব অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করছে।
ফিরোজ অভিযোগ করেন, শুধু প্রতারণা করে গত ১৭ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে বিপ্লব। সেই টাকা দিয়ে তার বাবা গ্রামে বাড়ি করেছে। তার সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা লেনদের দালিলিক প্রমাণপত্রও আছে। এখন পুরো টাকা আত্মসাত করতে ফিরোজকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি শুরু করেছে বিপ্লব। সম্প্রতি জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগ তুলে ফিরোজের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দেন তিনি। এ কারণে বরিশালে আসেন ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া ফিরোজ। মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানানো এবং অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বিপ্লবের বিচার দাবি করেছেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিপ্লব হোসেন। ফিরোজ তাকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি। তবে ইতোপূর্বে ফিরোজের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন তিনি।
স্কুল জীবন থেকে পুরুষে পুরুষে প্রেম। দীর্ঘ ১৭ বছরের সেই প্রেম বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে প্রলোভনে পড়ে হরমন পরিবর্তন করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়েছেন ২৯ বছর বয়সী নৃত্যশিল্পী ফিরোজ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কথা রাখেননি প্রেমিক বিপ্লব হোসেন।
ফিরোজ হরমন পরিবর্তনের জন্য ভারতে চিকিৎসাধীন থাকার সুযোগে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন প্রেমিক বিপ্লব। দেশে ফিরে এমন খবরে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে ফিরোজের।
তার অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানিয়ে শুধু জীবন ধ্বংস করার পাশাপাশি তার জীবনের অর্জন প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। সেই টাকা দিয়ে বাড়ি-গাড়ি করেছে বিপ্লব ও তার পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোত কাদিরপুর গ্রামে। ভুক্তভোগী ফিরোজ আহমেদ ওই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। তিনি সাভার শিল্পকলা একাডেমি এবং শিশু একাডেমির নাচের শিক্ষক।
এছাড়া নাচের পুতুল একাডেমি নামের একটি নৃত্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তিনি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নৃত্য শেখানোর পাশাপাশি তাদের জীবন মান উন্নয়নে ‘কর্ন’ সংগঠন নিয়ে কাজও করেন ফিরোজ।
অন্যদিকে প্রতারক প্রেমিক বিপ্লব হোসেন (৩০) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার উজ্জল হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি বরিশালে আবুল খায়ের গ্রুপের কয়লা ঘাটে সুপারভাইজার পদে কর্মরত আছেন।
প্রতারণার শিকার ফিরোজ জানান, বিপ্লব এবং তিনি বাঘা উপজেলার ইসলামী একাডেমিতে একই ক্লাসে লেখাপড়া করেছেন। যখন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন প্রেম হয় দু’জনের মধ্যে। বিপ্লবদের পারিবারিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় ফিরোজের বাড়িতেই থাকতো বিপ্লব। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক ছিল তাদের। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবার, এমনকি এলাকাবাসীও জানে। ভবিষ্যৎ সম্পর্কের কারণে ফিরোজের নৃত্য শিখিয়ে যত উপার্জন হয় সবটুকুই তুলে দেন বিপ্লবের হাতে।
ফিরোজ জানান, এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে ২০১৩ সালে ঢাকায় ওঠেন ফিরোজ এবং বিপ্লব। সেখানে রুম ভাড়া নিয়ে একই সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। পাশাপাশি আকিজ গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে চাকরিও করেন তারা। ২০১৪ সালে নৃত্য প্রতিষ্ঠান চালু করেন ফিরোজ।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিপ্লবকে নিয়ে এক ছাদের নিচে স্বামী-স্ত্রীর মতই বসবাস করেছেন তারা। এর মধ্যেই আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি হয় বিপ্লবের। চাকরির সুবাদে বদলি হয়ে যশোর চলে যান বিপ্লব। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহে যোগাযোগ হতো তাদের।
ফিরোজ বলেন, আমাদের সম্পর্ক বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে চেয়েছিল বিপ্লব। এজন্য আমাকে হরমন পরিবর্তন করে মেয়ে হতে বলে সে। আমি তার প্রতিশ্রুতিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভারতে গিয়ে অস্ত্রপচার করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাই। তখনও আমাদের দু’জনের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। ভারতে যাওয়ার আগে দু’জন শ্রীমঙ্গল ঘুরতেও গিয়েছি। তাছাড়া ভারতে যাওয়ার সময় বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত আমাকে এগিয়ে দিয়ে আসে বিপ্লব।
এদিকে ফিরোজ ভারতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় বরিশালে বদলি হন বিপ্লব। ভারতে টানা এক বছর চিকিৎসা শেষে ২০২৫ সালে দেশে ফেরেন ফিরোজ। এরপর বরিশালে তাকে নতুন করে প্রেম নিবেদন করে বিপ্লব। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে ফিরোজ জানতে পারেন বিপ্লব অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করছে।
ফিরোজ অভিযোগ করেন, শুধু প্রতারণা করে গত ১৭ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে বিপ্লব। সেই টাকা দিয়ে তার বাবা গ্রামে বাড়ি করেছে। তার সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা লেনদের দালিলিক প্রমাণপত্রও আছে। এখন পুরো টাকা আত্মসাত করতে ফিরোজকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি শুরু করেছে বিপ্লব। সম্প্রতি জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগ তুলে ফিরোজের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দেন তিনি। এ কারণে বরিশালে আসেন ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া ফিরোজ। মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানানো এবং অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বিপ্লবের বিচার দাবি করেছেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিপ্লব হোসেন। ফিরোজ তাকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি। তবে ইতোপূর্বে ফিরোজের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন তিনি।
বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়ার ‘খ’ সার্কেলের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আরিফ হোসেন (২৯) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বড়-আখিরা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফ হোসেন আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির বড়-আখিরা গ্রামের রশিদ আলীর ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সান্তাহার সার্কেলের পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গ্রামের আরিফ হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় তার শয়নঘর থেকে তাকে আটক করা হয় এবং দেহ তল্লাশি করে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কুমিল্লায় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টার পর বাস স্ট্যান্ডের আকাশে কালো ধোঁয়া দেখে ঘটনাস্থলে এসে তিনটি বাস জ্বলতে দেখেন পরিবহন শ্রমিকরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসিন্দারা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের আগে কয়েকজন মাদকসেবীকে বাস থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছেন তারা। মাদক সেবনের পর বাসে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। বাসগুলো পরিত্যক্ত ছিল বলে ধারণা।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ও কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক বলতে পারেননি তিনি। এই তিনটি বাসের ভেতরের অংশ পুরোপুরি জ্বলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।