
১১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:০৫
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, যদি আমাদের শাপলা প্রতীক না দেওয়া হয়, তাহলে ধানের শীষও বাদ দিতে হবে। শাপলা কেউ ঠেকাতে পারবে না।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া এলাকায় এনসিপি আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না, তাদের রিমোট কন্ট্রোল অন্য জায়গায়। নির্বাচন কমিশন আগারগাঁও থেকে পরিচালিত হওয়ার কথা, কিন্তু সেটি এখন অন্য কোথাও থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা এখন এই কমিশনকে স্বৈরাচার কমিশন হিসেবে দেখতে পাচ্ছি। আওয়াল কমিশনের চেয়েও নিচু স্তরের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বর্তমান কমিশন।
দায়িত্ব অবহেলার পরিণতি কী হতে পারে, তা আগের অভিজ্ঞতা থেকেই জানা উচিত। নির্বাচন কমিশনকে বলব—আইন মেনে সিদ্ধান্ত নিন, কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানই স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আমাদেরকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, যেন আমরা শাপলা চাওয়া থেকে পিছিয়ে আসি। কিন্তু শাপলা জাতীয় প্রতীক হওয়ার কারণে যদি এনসিপিকে না দেওয়া হয়, তাহলে ধানের শীষও বাতিল করতে হবে কারণ সেটিও জাতীয় প্রতীকের অন্তর্ভুক্ত। আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যদি শাপলা না দেয়, তাহলে আমাদের নিবন্ধনও প্রয়োজন নেই।
দেবিদ্বার উপজেলা এনসিপির ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা এনসিপি সদস্য রবিউল মনির চৌধুরী, মজিবুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, যদি আমাদের শাপলা প্রতীক না দেওয়া হয়, তাহলে ধানের শীষও বাদ দিতে হবে। শাপলা কেউ ঠেকাতে পারবে না।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া এলাকায় এনসিপি আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না, তাদের রিমোট কন্ট্রোল অন্য জায়গায়। নির্বাচন কমিশন আগারগাঁও থেকে পরিচালিত হওয়ার কথা, কিন্তু সেটি এখন অন্য কোথাও থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা এখন এই কমিশনকে স্বৈরাচার কমিশন হিসেবে দেখতে পাচ্ছি। আওয়াল কমিশনের চেয়েও নিচু স্তরের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বর্তমান কমিশন।
দায়িত্ব অবহেলার পরিণতি কী হতে পারে, তা আগের অভিজ্ঞতা থেকেই জানা উচিত। নির্বাচন কমিশনকে বলব—আইন মেনে সিদ্ধান্ত নিন, কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানই স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আমাদেরকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, যেন আমরা শাপলা চাওয়া থেকে পিছিয়ে আসি। কিন্তু শাপলা জাতীয় প্রতীক হওয়ার কারণে যদি এনসিপিকে না দেওয়া হয়, তাহলে ধানের শীষও বাতিল করতে হবে কারণ সেটিও জাতীয় প্রতীকের অন্তর্ভুক্ত। আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যদি শাপলা না দেয়, তাহলে আমাদের নিবন্ধনও প্রয়োজন নেই।
দেবিদ্বার উপজেলা এনসিপির ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা এনসিপি সদস্য রবিউল মনির চৌধুরী, মজিবুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৪
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৩৫
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭

১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:২২
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ও ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ও ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৯:০৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। পরে জামিনের আবেদন করবেন। ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) স্বাভাবিক যে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটিই অনুসরণ করবেন।’
বিরোধী দলের ঘোষিত ছায়া মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদলের ছায়া মন্ত্রিসভাকেও আমি ওয়েলকাম জানাই।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। পরে জামিনের আবেদন করবেন। ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) স্বাভাবিক যে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটিই অনুসরণ করবেন।’
বিরোধী দলের ঘোষিত ছায়া মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদলের ছায়া মন্ত্রিসভাকেও আমি ওয়েলকাম জানাই।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
ওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আ. লীগের ভূমিকা নিয়েও কড়া বক্তব্য দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত ও নির্মূল হয়েছে, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের বিচার দাবি করা হয়েছে, তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তাদের মধ্যে দোষ স্বীকারের কোনো চিন্তা নেই। এমনকি তারা জুলাই যোদ্ধাদের অপরাধী এবং অভ্যুত্থানকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দিচ্ছে।
তাদের ভাষ্য মতে, দেশে নাকি জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু নেই। অনুশোচনা ও দোষ স্বীকারের ইতিহাস তাদের নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে কোনো ধরনের ফায়দা না তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলত, তারা এখন দিল্লিতে চলে গেছে। সুতরাং যারা চেতনা বিক্রি করবে, তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন তারেক রহমান ও আমি নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে আমরা কোনো দিন ঘুমাইনি। ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।’
ওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আ. লীগের ভূমিকা নিয়েও কড়া বক্তব্য দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত ও নির্মূল হয়েছে, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের বিচার দাবি করা হয়েছে, তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তাদের মধ্যে দোষ স্বীকারের কোনো চিন্তা নেই। এমনকি তারা জুলাই যোদ্ধাদের অপরাধী এবং অভ্যুত্থানকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দিচ্ছে।
তাদের ভাষ্য মতে, দেশে নাকি জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু নেই। অনুশোচনা ও দোষ স্বীকারের ইতিহাস তাদের নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে কোনো ধরনের ফায়দা না তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলত, তারা এখন দিল্লিতে চলে গেছে। সুতরাং যারা চেতনা বিক্রি করবে, তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন তারেক রহমান ও আমি নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে আমরা কোনো দিন ঘুমাইনি। ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।’