
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:১৩
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) প্রথমবারের মতো চালু হলো ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি (ইইজি) পরীক্ষা। এর ফলে মৃগী, মস্তিষ্কের টিউমার, মেনিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, স্ট্রোক ও অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীরা গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষা স্বল্প খরচে শেবাচিম হাসপাতালেই করতে পারবেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি (ইইজি) পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি (ইইজি) মেশিন সরবরাহ করা হয়। মেশিনটি চালু ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর সিলেট জিএম ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই প্রশিক্ষণে অংশ নেন শেবাচিম হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞসহ ২ জন মেডিকেল টেকনিশিয়ান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিউরোমেডিসিন ও স্নায়ু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাজী এম. মনিরুল ইসলাম বলেন, ইইজি পরীক্ষাটি হলো হয় মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন স্নায়বিক রোগ নির্ণয় করা হয়। বিশেষ করে মৃগী, ঘুমের ব্যাধি ও মস্তিষ্কের টিউমার, মস্তিষ্কের আঘাত, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের কার্যকারিতার পরিবর্তন শনাক্ত করতেও সাহায্য করে।
তিনি বলেন, মেশিনটি গরিব রোগীদের জন্য অনেকাংশে উপকার হবে। কারণ এই পরীক্ষা বেসরকারিভাবে করতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা কিংবা এর আরও বেশি টাকা খরচ হতো। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে খরচ হবে মাত্র ৬শ’ টাকা।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বলেন, এই মেশিনটি রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এটি আমাদের হাসপাতালে আগে ছিল না। আমরা মেশিনটি ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করি, কিন্তু এরই মাঝে বিনামূল্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটি করে মেশিন বরিশাল, সিলেট ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়।
ইইজি মেশিন উদ্বোধনীকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের সহকারি পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মাহমুদ হাসান, সিনিয়র ক্লিনিক্যাল প্যাথোলজিস্ট ডা. আশিক দত্ত প্রমুখ।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) প্রথমবারের মতো চালু হলো ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি (ইইজি) পরীক্ষা। এর ফলে মৃগী, মস্তিষ্কের টিউমার, মেনিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, স্ট্রোক ও অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীরা গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষা স্বল্প খরচে শেবাচিম হাসপাতালেই করতে পারবেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি (ইইজি) পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি (ইইজি) মেশিন সরবরাহ করা হয়। মেশিনটি চালু ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর সিলেট জিএম ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই প্রশিক্ষণে অংশ নেন শেবাচিম হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞসহ ২ জন মেডিকেল টেকনিশিয়ান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিউরোমেডিসিন ও স্নায়ু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাজী এম. মনিরুল ইসলাম বলেন, ইইজি পরীক্ষাটি হলো হয় মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন স্নায়বিক রোগ নির্ণয় করা হয়। বিশেষ করে মৃগী, ঘুমের ব্যাধি ও মস্তিষ্কের টিউমার, মস্তিষ্কের আঘাত, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের কার্যকারিতার পরিবর্তন শনাক্ত করতেও সাহায্য করে।
তিনি বলেন, মেশিনটি গরিব রোগীদের জন্য অনেকাংশে উপকার হবে। কারণ এই পরীক্ষা বেসরকারিভাবে করতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা কিংবা এর আরও বেশি টাকা খরচ হতো। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে খরচ হবে মাত্র ৬শ’ টাকা।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বলেন, এই মেশিনটি রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এটি আমাদের হাসপাতালে আগে ছিল না। আমরা মেশিনটি ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করি, কিন্তু এরই মাঝে বিনামূল্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটি করে মেশিন বরিশাল, সিলেট ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়।
ইইজি মেশিন উদ্বোধনীকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের সহকারি পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মাহমুদ হাসান, সিনিয়র ক্লিনিক্যাল প্যাথোলজিস্ট ডা. আশিক দত্ত প্রমুখ।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.