পটুয়াখালীর কুয়াকাটার মিশ্রিপাড়ায় সীমা বৌদ্ধ বিহারের সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে মারধরের প্রতিবাদে অনিদির্ষ্টকালের জন্য সীমা বৌদ্ধ বিহারে পর্যটক দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিহার কর্তৃপক্ষ। হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বুধবার দুপুরে রাখাইন কমিউনিটি বিহার প্রাঙ্গণে এক প্রতিবাদ সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সীমা বৌদ্ধ বিহার কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেন, ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সকালে সীমা বৌদ্ধ বিহার সীমানার মধ্যে একটি দোকানঘর উত্তোলন করতে গেলে বিহারের মধ্যে জমি দাবি করেন স্থানীয় সামসুল আলম ও নাসির হাওলাদারের সাথে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এসময় নাসির হাওলাদার ও সামসুল আলম গংরা সীমা বৌদ্ধ বিহার সভাপতি মংলাচিনের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধরের অভিযোগ করেন বিহার কর্তৃপক্ষ। এ হামলার ঘটনায় ১৪ অক্টোবর (বুধবার) দুপুরে বিভিন্ন পাড়ার রাখাইনরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ সভা করেন। প্রতিবাদ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক হামলাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত সীমা বৌদ্ধ বিহার পর্যটক দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন বিহার কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে বৌদ্ধ বিহার সভাপতি মংলাচিন বলেন, বৌদ্ধ বিহারের সামনে থাকা দোকানীরা বৌদ্ধ বিহার সীমানার মধ্যে ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দুষণ করছিল৷ বিহার এলাকার পরিবেশ থেকে রক্ষা করতে সেখানে মঙ্গলবার সকালে একটি দোকানঘর নির্মাণ করছিল বিহার কর্তৃপক্ষ। এসময় সামসুল আলম ও নাসির হাওলাদার তাদের জমি দাবি করে ঘর উত্তোলনে বাধা দেয়। এ কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অতর্কিতভাবে বিহার সভাপতি মংলাচিনকে চড়থাপ্পড় সহ হামলা করে বলে এমন অভিযোগ তার। তিনি আরো দাবি করেন, মন্দিরের বাউন্ডারি ওয়ালের ভিতর তাদের নাম ভুলবশত কিছু জমি বিএস জরিপে রেকর্ডভূক্ত হয়। কাগজপত্র বিহারের নামে থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র বিএস জরিপের বলে শতবর্ষের মন্দিরের জমি দখলের হীন পায়তারা করছে।
এবিষয়ে কথা বলতে নাসির হাওলাদার এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বার বার ফোন কেটে দিচ্ছেন। যার কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালী জেলা রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন সভাপতি এমং তালুকদার বলেন, রাখাইনদের প্রার্থনা ঘর সীমা বৌদ্ধ বিহারের জমি দখলের জন্য সামসুল আলম ও নাসির গংরা দীর্ঘদিন ধরে চেস্টা চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা এর বিচার দাবি করছি। বিচার না হওয়া পর্যন্ত সীমা বৌদ্ধ বিহার পর্যটক দর্শনার্থীদের প্রবেশে বন্ধ ঘোষণা করেন তারা।
এবিষয়ে মহিপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ শামীম হাওলাদার জানান, বিহার সভাপতিকে মারধর ও হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩
পটুয়াখালী সদর থানার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক প্রধান আসামি মো. আব্বাসকে (২৭) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৮ (সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং এসআরবি-১ (সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকা)-এর একটি যৌথ অভিযানিক দল কুড়িল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আব্বাস ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে রুবেলকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আব্বাসকে আটকে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরবর্তীকালে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি এবং মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মগোপনে থাকা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ঢাকার বিমানবন্দর (এয়ারপোর্ট) থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী)-এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাঁদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালী সদর থানার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক প্রধান আসামি মো. আব্বাসকে (২৭) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৮ (সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং এসআরবি-১ (সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকা)-এর একটি যৌথ অভিযানিক দল কুড়িল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আব্বাস ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে রুবেলকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আব্বাসকে আটকে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরবর্তীকালে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি এবং মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মগোপনে থাকা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ঢাকার বিমানবন্দর (এয়ারপোর্ট) থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী)-এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাঁদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২৮
পটুয়াখালীর বাউফলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জেরে স্থানীয় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো: মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা সিআইডি (CID) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী মো: মাসুম বিল্লাহ জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন এবং স্থানীয়ভাবে 'Bauphal News 24' পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করে থাকেন। সম্প্রতি বাউফলের শৌলা এলাকায় জোরপূর্বক শিবির নেতার বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তারই জের ধরে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এই শিরোনামের সংবাদটি খবর বাউফল ও বাউফল টুডের ফেইসবুকেও প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ রাত ১০টা ৪৯ মিনিটের দিকে ২নং আসামি মো আমিনুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র নম্বরে ফোন করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এরপর ৩নং আসামি মো: ইমরান খানের ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন পেজ থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র বিরুদ্ধে ১ ও ২ নং আসামি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অশালীন মন্তব্য ও হুমকি সহ “পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ করেন ১ নং আসামি তরিকুল ইসলাম ফাহিম” এই ভিডিওটি চাদাঁবাজির শিরোনাম দিয়ে তিনি তার বক্তব্য প্রচার করেন। যাহা মিথ্যা বানোয়াট সাজানো মানহানিকর ভিডিও বক্তব্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় বাদীর পেশাগত সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ায় তিনি প্রথমে বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯৭০, তাং- ১৯/০৮/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল আলামত সুরক্ষার মাধ্যমে গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে এই মামলা (সাইবার পিটিশন মামলা নং- ২৬২/২০২৬) দায়ের করা হয়।
মামলায় চারজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. তরিকুল ইসলাম ফাহিম (২৬), মো. আমিনুল ইসলাম (৩২), মো. ইমরান খান (৩৫) এবং প্রধান প্ররোচণাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে মো. আবুল কালাম হাওলাদার (কালু) (৬৫)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ, ফেসবুক আইডির প্রকৃত ব্যবহারকারী শনাক্তকরণ (IP log, login history ও metadata বিশ্লেষণ) এবং অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার জন্য মামলাটি বর্তমানে সিআইডির নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জেরে স্থানীয় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো: মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা সিআইডি (CID) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী মো: মাসুম বিল্লাহ জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন এবং স্থানীয়ভাবে 'Bauphal News 24' পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করে থাকেন। সম্প্রতি বাউফলের শৌলা এলাকায় জোরপূর্বক শিবির নেতার বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তারই জের ধরে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এই শিরোনামের সংবাদটি খবর বাউফল ও বাউফল টুডের ফেইসবুকেও প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ রাত ১০টা ৪৯ মিনিটের দিকে ২নং আসামি মো আমিনুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র নম্বরে ফোন করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এরপর ৩নং আসামি মো: ইমরান খানের ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন পেজ থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র বিরুদ্ধে ১ ও ২ নং আসামি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অশালীন মন্তব্য ও হুমকি সহ “পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ করেন ১ নং আসামি তরিকুল ইসলাম ফাহিম” এই ভিডিওটি চাদাঁবাজির শিরোনাম দিয়ে তিনি তার বক্তব্য প্রচার করেন। যাহা মিথ্যা বানোয়াট সাজানো মানহানিকর ভিডিও বক্তব্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় বাদীর পেশাগত সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ায় তিনি প্রথমে বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯৭০, তাং- ১৯/০৮/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল আলামত সুরক্ষার মাধ্যমে গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে এই মামলা (সাইবার পিটিশন মামলা নং- ২৬২/২০২৬) দায়ের করা হয়।
মামলায় চারজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. তরিকুল ইসলাম ফাহিম (২৬), মো. আমিনুল ইসলাম (৩২), মো. ইমরান খান (৩৫) এবং প্রধান প্ররোচণাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে মো. আবুল কালাম হাওলাদার (কালু) (৬৫)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ, ফেসবুক আইডির প্রকৃত ব্যবহারকারী শনাক্তকরণ (IP log, login history ও metadata বিশ্লেষণ) এবং অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার জন্য মামলাটি বর্তমানে সিআইডির নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৩৩
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাবার সঙ্গে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় রায়হান নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
নিখোঁজ রায়হান ঘুটাবাছা গ্রামের রাসেল খান ও রুমা বেগম দম্পতির সন্তান। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বাবার সঙ্গে ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিল শিশুটি। এ সময় তার মা রুমা বেগম ঘরের বাইরে গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ঘরে ফিরে ছেলেকে দেখতে না পেয়ে তিনি তার স্বামীকে ঘুম থেকে জাগান।
পরে রাসেল খানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ির আশপাশে শিশুটির খোঁজ শুরু করেন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে পুকুরের পানি সেচ দিয়ে খোঁজাখুঁজি করা হয়। পাশাপাশি শিশুটির সন্ধান পেতে স্থানীয় এলাকায় মাইকিংও করা হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের পরও রায়হানের খোঁজ না মেলায় পরিবারে উৎকণ্ঠা বাড়ছে।
শিশুটির বাবা রাসেল খান জানান, রাতে ছেলেকে নিয়ে ঘরের মধ্যেই ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। ঘুম থেকে উঠে পাশে সন্তানকে না পেয়ে প্রথমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও ছেলের সন্ধান না পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। এ অবস্থায় শিশুটিকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, রায়হানের মা রুমা বেগম বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঘরের বাইরে কাজ করছিলেন। পরে ঘরে ফিরে সন্তানকে দেখতে না পেয়ে তার বাবাকে ডেকে তোলেন। এরপর পরিবারের সবাই মিলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও শিশুটিকে পাননি। ছেলেকে ফিরে পেতে আকুতি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, শিশুটিকে উদ্ধারে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে কীভাবে শিশুটি নিখোঁজ হলো, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাবার সঙ্গে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় রায়হান নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
নিখোঁজ রায়হান ঘুটাবাছা গ্রামের রাসেল খান ও রুমা বেগম দম্পতির সন্তান। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বাবার সঙ্গে ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিল শিশুটি। এ সময় তার মা রুমা বেগম ঘরের বাইরে গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ঘরে ফিরে ছেলেকে দেখতে না পেয়ে তিনি তার স্বামীকে ঘুম থেকে জাগান।
পরে রাসেল খানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ির আশপাশে শিশুটির খোঁজ শুরু করেন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে পুকুরের পানি সেচ দিয়ে খোঁজাখুঁজি করা হয়। পাশাপাশি শিশুটির সন্ধান পেতে স্থানীয় এলাকায় মাইকিংও করা হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের পরও রায়হানের খোঁজ না মেলায় পরিবারে উৎকণ্ঠা বাড়ছে।
শিশুটির বাবা রাসেল খান জানান, রাতে ছেলেকে নিয়ে ঘরের মধ্যেই ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। ঘুম থেকে উঠে পাশে সন্তানকে না পেয়ে প্রথমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও ছেলের সন্ধান না পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। এ অবস্থায় শিশুটিকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, রায়হানের মা রুমা বেগম বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঘরের বাইরে কাজ করছিলেন। পরে ঘরে ফিরে সন্তানকে দেখতে না পেয়ে তার বাবাকে ডেকে তোলেন। এরপর পরিবারের সবাই মিলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও শিশুটিকে পাননি। ছেলেকে ফিরে পেতে আকুতি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, শিশুটিকে উদ্ধারে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে কীভাবে শিশুটি নিখোঁজ হলো, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৪৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার মিশ্রিপাড়ায় সীমা বৌদ্ধ বিহারের সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে মারধরের প্রতিবাদে অনিদির্ষ্টকালের জন্য সীমা বৌদ্ধ বিহারে পর্যটক দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিহার কর্তৃপক্ষ। হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বুধবার দুপুরে রাখাইন কমিউনিটি বিহার প্রাঙ্গণে এক প্রতিবাদ সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সীমা বৌদ্ধ বিহার কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেন, ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সকালে সীমা বৌদ্ধ বিহার সীমানার মধ্যে একটি দোকানঘর উত্তোলন করতে গেলে বিহারের মধ্যে জমি দাবি করেন স্থানীয় সামসুল আলম ও নাসির হাওলাদারের সাথে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এসময় নাসির হাওলাদার ও সামসুল আলম গংরা সীমা বৌদ্ধ বিহার সভাপতি মংলাচিনের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধরের অভিযোগ করেন বিহার কর্তৃপক্ষ। এ হামলার ঘটনায় ১৪ অক্টোবর (বুধবার) দুপুরে বিভিন্ন পাড়ার রাখাইনরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ সভা করেন। প্রতিবাদ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক হামলাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত সীমা বৌদ্ধ বিহার পর্যটক দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন বিহার কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে বৌদ্ধ বিহার সভাপতি মংলাচিন বলেন, বৌদ্ধ বিহারের সামনে থাকা দোকানীরা বৌদ্ধ বিহার সীমানার মধ্যে ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দুষণ করছিল৷ বিহার এলাকার পরিবেশ থেকে রক্ষা করতে সেখানে মঙ্গলবার সকালে একটি দোকানঘর নির্মাণ করছিল বিহার কর্তৃপক্ষ। এসময় সামসুল আলম ও নাসির হাওলাদার তাদের জমি দাবি করে ঘর উত্তোলনে বাধা দেয়। এ কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অতর্কিতভাবে বিহার সভাপতি মংলাচিনকে চড়থাপ্পড় সহ হামলা করে বলে এমন অভিযোগ তার। তিনি আরো দাবি করেন, মন্দিরের বাউন্ডারি ওয়ালের ভিতর তাদের নাম ভুলবশত কিছু জমি বিএস জরিপে রেকর্ডভূক্ত হয়। কাগজপত্র বিহারের নামে থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র বিএস জরিপের বলে শতবর্ষের মন্দিরের জমি দখলের হীন পায়তারা করছে।
এবিষয়ে কথা বলতে নাসির হাওলাদার এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বার বার ফোন কেটে দিচ্ছেন। যার কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালী জেলা রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন সভাপতি এমং তালুকদার বলেন, রাখাইনদের প্রার্থনা ঘর সীমা বৌদ্ধ বিহারের জমি দখলের জন্য সামসুল আলম ও নাসির গংরা দীর্ঘদিন ধরে চেস্টা চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা এর বিচার দাবি করছি। বিচার না হওয়া পর্যন্ত সীমা বৌদ্ধ বিহার পর্যটক দর্শনার্থীদের প্রবেশে বন্ধ ঘোষণা করেন তারা।
এবিষয়ে মহিপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ শামীম হাওলাদার জানান, বিহার সভাপতিকে মারধর ও হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৫
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩