
০১ জুন, ২০২৫ ১০:২৮
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ও অন্যান্য বিষয়ে দলটির করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল মঞ্জুর করে রোববার (১ জুন) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ।
একই সঙ্গে আদালত এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সনদ দেন, যা একই বছর আপিল হিসেবে রূপান্তরিত হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে দলটি।
তবে হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পরপরই তা স্থগিত চেয়ে জামায়াত আবেদন করে, যা ২০১৩ সালের ৫ আগস্ট খারিজ করে দেন আপিল বিভাগের তৎকালীন বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর চেম্বার জজ আদালত। এরপর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ১ আগস্ট জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে জারি করা আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ও অন্যান্য বিষয়ে দলটির করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল মঞ্জুর করে রোববার (১ জুন) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ।
একই সঙ্গে আদালত এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সনদ দেন, যা একই বছর আপিল হিসেবে রূপান্তরিত হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে দলটি।
তবে হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পরপরই তা স্থগিত চেয়ে জামায়াত আবেদন করে, যা ২০১৩ সালের ৫ আগস্ট খারিজ করে দেন আপিল বিভাগের তৎকালীন বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর চেম্বার জজ আদালত। এরপর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ১ আগস্ট জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে জারি করা আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।

১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২৫
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ যদি মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান গোয়েন্দা প্রধান শফিকুল ইসলাম। অনলাইন জুয়াবিরোধী বিশেষ অভিযানের সাফল্য তুলে ধরতে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে ডিবি প্রধান বলেন, জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত মোট ৫৯টি মামলা বর্তমানে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি মামলার তদন্তই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি ১৫ দিন পরপর এই মামলাগুলো নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভা করা হচ্ছে। এছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরেও এই মামলাগুলো তদারকির জন্য একটি আলাদা মনিটরিং সেল কাজ করছে বলে তিনি জানান।
ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি মামলার তথ্য-উপাত্ত অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করেই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই কোনো নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানি করা হবে না।
এদিকে অনলাইন জুয়াবিরোধী অভিযানের বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, সম্প্রতি ডিবি পুলিশ একটি বড়ো চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে সাড়ে ছয় হাজার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট সংবলিত সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। এই অবৈধ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। চক্রটি অবৈধ অনলাইন জুয়ার লেনদেনে এসব সিম ব্যবহার করে আসছিলো।
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ যদি মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান গোয়েন্দা প্রধান শফিকুল ইসলাম। অনলাইন জুয়াবিরোধী বিশেষ অভিযানের সাফল্য তুলে ধরতে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে ডিবি প্রধান বলেন, জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত মোট ৫৯টি মামলা বর্তমানে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি মামলার তদন্তই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি ১৫ দিন পরপর এই মামলাগুলো নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভা করা হচ্ছে। এছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরেও এই মামলাগুলো তদারকির জন্য একটি আলাদা মনিটরিং সেল কাজ করছে বলে তিনি জানান।
ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি মামলার তথ্য-উপাত্ত অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করেই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই কোনো নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানি করা হবে না।
এদিকে অনলাইন জুয়াবিরোধী অভিযানের বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, সম্প্রতি ডিবি পুলিশ একটি বড়ো চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে সাড়ে ছয় হাজার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট সংবলিত সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। এই অবৈধ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। চক্রটি অবৈধ অনলাইন জুয়ার লেনদেনে এসব সিম ব্যবহার করে আসছিলো।

২৪ জুন, ২০২৬ ১৮:৪৩
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ ১৬ ব্যবসা খাত যুক্ত হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। এদিন সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মহিলা আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বিগত অর্থ বছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনীবার পরিকল্পনা আছে কিনা, থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?
জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।”
মন্ত্রী জানান, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেগুলো হলো— মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ ১৬ ব্যবসা খাত যুক্ত হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। এদিন সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মহিলা আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বিগত অর্থ বছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনীবার পরিকল্পনা আছে কিনা, থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?
জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।”
মন্ত্রী জানান, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেগুলো হলো— মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:২১
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭