Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫৩
ঝালকাঠির গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পুরোনো সড়কের দুই পাশে প্রায় ২ হাজার গাছ কাটার কাজ শুরু করেছে বন বিভাগ। গত এক সপ্তাহে ইতোমধ্যে অন্তত ১২০টি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে আপাতত গাছ কাটা স্থগিত করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় নদীর পাড়ঘেঁষা পুরোনো সড়কের দুই পাশে থাকা গাছগুলো কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে এই কাজ শুরু করা হয়।
প্রকল্প অনুযায়ী মোট ৪৭টি লটে ১৮১৫টি গাছ কাটার জন্য চিহ্নিত করা হয়। প্রতিটি লটে গড়ে প্রায় ৪০টি করে গাছ ধরা হলেও বন বিভাগের একটি সূত্র জানায়, বাস্তবে প্রতি লটে প্রায় ৫০টি করে গাছ কাটার পরিকল্পনা রয়েছে। সে হিসেবে গাছের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি হতে পারে।
ইতোমধ্যে তিনটি লটের প্রায় ১২০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কাটা গাছগুলোর মধ্যে রাজ কড়ই, অর্জুন, শিশু, তুলা, নিম ও বাবলাসহ অন্তত ১৫ প্রজাতির মূল্যবান গাছ রয়েছে।
গাছ কাটার বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু হয়। পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়ে গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান।
একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন।
এরপর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে আবারও গাছ কাটার তথ্য জানানো হলে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকারকে গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি ব্লক স্থাপনের প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদীর দক্ষিণ পাড়ে নতুন ও পুরোনো দুটি সড়ক রয়েছে।
গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত বেশিরভাগ স্থানে নদীর পাড় থেকে পুরোনো সড়কের দূরত্ব গড়ে ২০ ফুটের বেশি এবং অনেক জায়গায় এর চেয়েও বেশি।
কোথাও কোথাও জিও ব্যাগ পর্যন্ত পাড়ের প্রস্থ ৫০ ফুটেরও বেশি। এত জায়গা থাকার পরও পুরোনো সড়কের অংশেও ব্লক ফেলার পরিকল্পনা নেওয়ায় সড়কের দুই পাশে থাকা গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, মোট গাছের একটি অংশের হিসাব বিশ্লেষণ করেই অন্তত ২৬ প্রজাতির গাছ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজ কড়ই, কাঞ্চন, তুলা, অর্জুন, শিশু, বাবলা, তেঁতুল, জারুল, কড়ই, জাম, নিম, কাঁঠাল, গামার ও সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
বন বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, ৪৭টি লটের মধ্যে ৩৭টি লটের ঠিকাদারি পেয়েছেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নজরুল মেম্বারসহ চারজন ঠিকাদার।
বাকি ১০টি লট পেয়েছেন ঝালকাঠি সদর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার তিনজন ঠিকাদার। ১৮১৫টি গাছের বিপরীতে প্রায় ৬০ লাখ টাকায় দরপত্র অনুমোদন করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঝালকাঠির সিনিয়র আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী নাসির উদ্দীন কবীর বলেন, সংখ্যা ২ হাজার হোক বা তার বেশি—এত বিপুল সংখ্যক গাছ কাটার চিন্তা কীভাবে করা হলো সেটিই প্রশ্ন।
এখানে সামাজিক বনায়নের একটি বড় অংশ রয়েছে। কমপক্ষে শতাধিক প্রজাতির পাখি ও নানা সরীসৃপ প্রাণীর আবাসস্থল এটি। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই গাছ কোনোভাবেই কাটা উচিত নয়। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশ পাওয়ার পর গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছে। আমি বলা ছাড়া কেউ একটি ডালও কাটতে পারবে না।
গাছের প্রতি বন বিভাগেরই সবচেয়ে বেশি মায়া। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘদিন ধরে বলার পর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ব্লক স্থাপন করা হলে গাছগুলো এমনিতেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এভাবে গাছ কাটা যাবে না। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে তাদের সুপারিশ ছাড়া কোনোভাবেই গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। গাছ কাটার সময় ওই রায়টি ছিল না। এখন আপাতত গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তী সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
ঝালকাঠির গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পুরোনো সড়কের দুই পাশে প্রায় ২ হাজার গাছ কাটার কাজ শুরু করেছে বন বিভাগ। গত এক সপ্তাহে ইতোমধ্যে অন্তত ১২০টি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে আপাতত গাছ কাটা স্থগিত করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় নদীর পাড়ঘেঁষা পুরোনো সড়কের দুই পাশে থাকা গাছগুলো কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে এই কাজ শুরু করা হয়।
প্রকল্প অনুযায়ী মোট ৪৭টি লটে ১৮১৫টি গাছ কাটার জন্য চিহ্নিত করা হয়। প্রতিটি লটে গড়ে প্রায় ৪০টি করে গাছ ধরা হলেও বন বিভাগের একটি সূত্র জানায়, বাস্তবে প্রতি লটে প্রায় ৫০টি করে গাছ কাটার পরিকল্পনা রয়েছে। সে হিসেবে গাছের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি হতে পারে।
ইতোমধ্যে তিনটি লটের প্রায় ১২০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কাটা গাছগুলোর মধ্যে রাজ কড়ই, অর্জুন, শিশু, তুলা, নিম ও বাবলাসহ অন্তত ১৫ প্রজাতির মূল্যবান গাছ রয়েছে।
গাছ কাটার বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু হয়। পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়ে গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান।
একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন।
এরপর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে আবারও গাছ কাটার তথ্য জানানো হলে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকারকে গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি ব্লক স্থাপনের প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদীর দক্ষিণ পাড়ে নতুন ও পুরোনো দুটি সড়ক রয়েছে।
গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত বেশিরভাগ স্থানে নদীর পাড় থেকে পুরোনো সড়কের দূরত্ব গড়ে ২০ ফুটের বেশি এবং অনেক জায়গায় এর চেয়েও বেশি।
কোথাও কোথাও জিও ব্যাগ পর্যন্ত পাড়ের প্রস্থ ৫০ ফুটেরও বেশি। এত জায়গা থাকার পরও পুরোনো সড়কের অংশেও ব্লক ফেলার পরিকল্পনা নেওয়ায় সড়কের দুই পাশে থাকা গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, মোট গাছের একটি অংশের হিসাব বিশ্লেষণ করেই অন্তত ২৬ প্রজাতির গাছ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজ কড়ই, কাঞ্চন, তুলা, অর্জুন, শিশু, বাবলা, তেঁতুল, জারুল, কড়ই, জাম, নিম, কাঁঠাল, গামার ও সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
বন বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, ৪৭টি লটের মধ্যে ৩৭টি লটের ঠিকাদারি পেয়েছেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নজরুল মেম্বারসহ চারজন ঠিকাদার।
বাকি ১০টি লট পেয়েছেন ঝালকাঠি সদর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার তিনজন ঠিকাদার। ১৮১৫টি গাছের বিপরীতে প্রায় ৬০ লাখ টাকায় দরপত্র অনুমোদন করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঝালকাঠির সিনিয়র আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী নাসির উদ্দীন কবীর বলেন, সংখ্যা ২ হাজার হোক বা তার বেশি—এত বিপুল সংখ্যক গাছ কাটার চিন্তা কীভাবে করা হলো সেটিই প্রশ্ন।
এখানে সামাজিক বনায়নের একটি বড় অংশ রয়েছে। কমপক্ষে শতাধিক প্রজাতির পাখি ও নানা সরীসৃপ প্রাণীর আবাসস্থল এটি। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই গাছ কোনোভাবেই কাটা উচিত নয়। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশ পাওয়ার পর গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছে। আমি বলা ছাড়া কেউ একটি ডালও কাটতে পারবে না।
গাছের প্রতি বন বিভাগেরই সবচেয়ে বেশি মায়া। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘদিন ধরে বলার পর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ব্লক স্থাপন করা হলে গাছগুলো এমনিতেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এভাবে গাছ কাটা যাবে না। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে তাদের সুপারিশ ছাড়া কোনোভাবেই গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। গাছ কাটার সময় ওই রায়টি ছিল না। এখন আপাতত গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তী সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫

১৯ মে, ২০২৬ ১৩:০৬
ঝালকাঠির নলছিটিতে লাশ বহনের সময় খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
সোমবার (১৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের বকুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাফনের জন্য একটি মৃতদেহ খাটিয়ায় করে নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি পিকআপ এসে খাটিয়া ও বহনকারীদের ধাক্কা দেয়। এতে খাটিয়া থেকে লাশ পড়ে যায় এবং চারজন আহত হন।
আহতরা হলেন মৃত ব্যক্তির ছেলে মো. অলিউর ইসলাম, শ্যালক নাছির হোসেন, ভাগ্নে মো. রেজা এবং নাতি। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে যান চলাচল পুনরায় চালু করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে লাশ বহনের সময় খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
সোমবার (১৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের বকুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাফনের জন্য একটি মৃতদেহ খাটিয়ায় করে নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি পিকআপ এসে খাটিয়া ও বহনকারীদের ধাক্কা দেয়। এতে খাটিয়া থেকে লাশ পড়ে যায় এবং চারজন আহত হন।
আহতরা হলেন মৃত ব্যক্তির ছেলে মো. অলিউর ইসলাম, শ্যালক নাছির হোসেন, ভাগ্নে মো. রেজা এবং নাতি। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে যান চলাচল পুনরায় চালু করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০