
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৪
বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন এখন লিবিয়ায় বন্দি হয়ে পড়েছে। মানব পাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে তারা ওয়ার্ক পারমিটের আশ্বাসে ইউরোপের পথে রওনা হয়ে লিবিয়ায় আটকে মানববেতর দিন কাটাচ্ছেন।
এদের মধ্যে গত চার মাসে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে লিবিয়ার জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন ১৫ যুবক। দেশে ফিরে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান ও একই উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা মাদারীপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ এবং পশ্চিম সমরসিংহ গ্রামের আব্দুর রহিম সরদার বাদি হয়ে মানব পাচার চক্রের ৫ সদস্যের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নালিশী অভিযোগ তিনটি আমলে নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলা রুজু (নথিভুক্ত) করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামের জামাল মোল্লা এবং তার ইতালি প্রবাসী দুই ছেলে জাকির মোল্লা ও সাকিব মোল্লা, জামাল মোল্লার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী ও ইউপি সদস্য হাবুল বেপারীকে আসামি করা হয়েছে।
গৌরনদী থানায় তদন্তাধীন দুটি মানব পাচার মামলার আসামি জামাল মোল্লা ও তার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী, হাবুল বেপারীকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে করেছে পুলিশ।
মামলার বাদী মেহেদী হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা বাংলাদেশ থেকে গত বছরের ২৬ আগস্ট তাকে ইতালির উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে প্রথমে সৌদি আরব নিয়ে যান।
এরপর সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে আটকে রাখেন। তাকে ঠিকমত খাবার না দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লিবিয়ার পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে বেনগাজির একটি কারাগারে পাঠানো হয়।
সেখানে মেহেদী প্রায় দেড় মাস কারাবন্দী ছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন লোকের মোবাইল দিয়ে মেহেদী ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে তার করুণ অবস্থার কথা জানান।
এরপর মেহেদীর অভিভাবকরা আসামি জামাল, বাবুল বেপারি, হাবুল বেপারির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে মেহেদী লাশ হয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঋণ করে দাবিকৃত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে গত ৪ জানুয়ারি মেহেদীকে দেশে ফেরত আনা হয়।
মামলার বাদী মেহেদী অভিযোগ করে বলেন, দেশে ফিরে জানতে পারি আমার মতো আরও ১৫ যুবক দেশে ফিরে এসেছে। তাদের অনেকের কাছ থেকে চক্রটি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
লিবিয়ায় বন্দি গৌরনদীর একাধিক যুবকের অভিভাবকরা জানিয়েছেন— গৌরনদী উপজেলার ৬০ জন ও আগৈলঝাড়ার ১০ জন যুবকের প্রত্যেকে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালির পথে পা বাড়ান। তারা ঋণ ও জমি বিক্রি করে ইতালি প্রবাসী জাকির মোল্লা, সাজু ও লিটনের কাছে এসব টাকা দেন।
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আরও জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দালালরা তাদের ৪/৫ জন সহযোগীর মাধ্যমে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে ৩টি স্পিডবোটে ইতালির উদ্দেশে পাঠালে সাগরপথেই ধরা পড়ে ৭০ জন।
এরপর তাদের ঠাই হয় লিবিয়ার কারাগারে। পরবর্তীতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা জাকির মোল্লা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার তাদের কারাগার থেকে বের করে দালালের জিম্মায় রাখেন। এরমধ্যে ১৫ যুবক মুক্তিপন দিয়ে দেশে ফিরে আসলেও অর্ধশতাধিক যুবক এখনও লিবিয়ায় দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, থানায় দুইটি মানব পাচার মামলার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি বর্তমানে বরিশাল কারাগারে এবং দুই আসামি বিদেশে পলাতাক রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন এখন লিবিয়ায় বন্দি হয়ে পড়েছে। মানব পাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে তারা ওয়ার্ক পারমিটের আশ্বাসে ইউরোপের পথে রওনা হয়ে লিবিয়ায় আটকে মানববেতর দিন কাটাচ্ছেন।
এদের মধ্যে গত চার মাসে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে লিবিয়ার জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন ১৫ যুবক। দেশে ফিরে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান ও একই উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা মাদারীপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ এবং পশ্চিম সমরসিংহ গ্রামের আব্দুর রহিম সরদার বাদি হয়ে মানব পাচার চক্রের ৫ সদস্যের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নালিশী অভিযোগ তিনটি আমলে নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলা রুজু (নথিভুক্ত) করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামের জামাল মোল্লা এবং তার ইতালি প্রবাসী দুই ছেলে জাকির মোল্লা ও সাকিব মোল্লা, জামাল মোল্লার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী ও ইউপি সদস্য হাবুল বেপারীকে আসামি করা হয়েছে।
গৌরনদী থানায় তদন্তাধীন দুটি মানব পাচার মামলার আসামি জামাল মোল্লা ও তার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী, হাবুল বেপারীকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে করেছে পুলিশ।
মামলার বাদী মেহেদী হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা বাংলাদেশ থেকে গত বছরের ২৬ আগস্ট তাকে ইতালির উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে প্রথমে সৌদি আরব নিয়ে যান।
এরপর সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে আটকে রাখেন। তাকে ঠিকমত খাবার না দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লিবিয়ার পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে বেনগাজির একটি কারাগারে পাঠানো হয়।
সেখানে মেহেদী প্রায় দেড় মাস কারাবন্দী ছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন লোকের মোবাইল দিয়ে মেহেদী ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে তার করুণ অবস্থার কথা জানান।
এরপর মেহেদীর অভিভাবকরা আসামি জামাল, বাবুল বেপারি, হাবুল বেপারির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে মেহেদী লাশ হয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঋণ করে দাবিকৃত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে গত ৪ জানুয়ারি মেহেদীকে দেশে ফেরত আনা হয়।
মামলার বাদী মেহেদী অভিযোগ করে বলেন, দেশে ফিরে জানতে পারি আমার মতো আরও ১৫ যুবক দেশে ফিরে এসেছে। তাদের অনেকের কাছ থেকে চক্রটি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
লিবিয়ায় বন্দি গৌরনদীর একাধিক যুবকের অভিভাবকরা জানিয়েছেন— গৌরনদী উপজেলার ৬০ জন ও আগৈলঝাড়ার ১০ জন যুবকের প্রত্যেকে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালির পথে পা বাড়ান। তারা ঋণ ও জমি বিক্রি করে ইতালি প্রবাসী জাকির মোল্লা, সাজু ও লিটনের কাছে এসব টাকা দেন।
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আরও জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দালালরা তাদের ৪/৫ জন সহযোগীর মাধ্যমে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে ৩টি স্পিডবোটে ইতালির উদ্দেশে পাঠালে সাগরপথেই ধরা পড়ে ৭০ জন।
এরপর তাদের ঠাই হয় লিবিয়ার কারাগারে। পরবর্তীতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা জাকির মোল্লা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার তাদের কারাগার থেকে বের করে দালালের জিম্মায় রাখেন। এরমধ্যে ১৫ যুবক মুক্তিপন দিয়ে দেশে ফিরে আসলেও অর্ধশতাধিক যুবক এখনও লিবিয়ায় দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, থানায় দুইটি মানব পাচার মামলার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি বর্তমানে বরিশাল কারাগারে এবং দুই আসামি বিদেশে পলাতাক রয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.