Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২০:৪৮
চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে ব্যাহত করতে হঠাৎই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ইন্টারনেট পুনরায় চালু করে আন্দোলন বিরোধী প্রোপাগান্ডা চালাতে পরামর্শ দেন সাবেক মন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তবে ক্ষোভে শেখ হাসিনা তখন বলেন, তিনি আর জীবনে ইন্টারনেট সংযোগ দেবেন না।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপের অডিও রেকর্ডের বরাত দিয়ে এসব জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।
এদিন জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ৫৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মামলার বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা।
জবানবন্দিতে তিনি জানান, শেখ হাসিনার কথোপকথনের ৬৯টি অডিও ক্লিপ এবং তিনটি মোবাইল নম্বরের কল রেকর্ড জব্দ করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা ও ইনুর সেই ফোনরেকর্ডে শোনা যায়-
হাসানুল হক ইনু: হ্যালো, জি জি স্লামালাইকুম।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ, ওয়ালাইকুমস্লাম, কী হইছে?
হাসানুল হক ইনু: বলছিলাম... না একটা কথা... আমি মনে করি যে আপনার পদক্ষেপটা সঠিকই হয়েছে। এখন পর্যন্ত যা রিপোর্ট বাংলাদেশে পাচ্ছি আরকি। খালি ঢাকাতে আপনার রামপুরার দিকে এবং...।
শেখ হাসিনা: না রামপুরা ক্লিয়ার, শনির আখড়ায় একটু ঝামেলা এখন আছে...।
হাসানুল হক ইনু: শনির আখড়ায় কিছু মোল্লারাই...।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ জানি, না খালি মোল্লা না, ওইখানে অনেক মাদ্রাসা।
হাসানুল হক ইনু: মাদ্রাসা আছে ওই...।
শেখ হাসিনা: ... ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে... মাইকিং করতে হচ্ছে আরকি... নারায়ণগঞ্জে ঢুকতে দিচ্ছে না আর্মিকে, আমরা... নামাচ্ছি।
হাসানুল হক ইনু: ও আচ্ছা...।
শেখ হাসিনা: না, আমি বলছি ক্যাজুয়াল্টির দরকার নাই। ওরা ব্যারিকেড দিয়ে আছে তো, ঠিক আছে, আকাশ থেকে নামবে, তখন দুপাশ দিয়ে ধরবে... মেসেজটা দিয়ে দিতে পারেন যে... সেনা পাঠানো হচ্ছে... আর হেলিকপ্টার দিয়ে সোজা বোম্বিং করা হবে... র্যাবের হেলিকপ্টার দিয়ে ওপর দিয়ে মারবে।
হাসানুল হক ইনু: আচ্ছা ওপর দিয়ে সাউন্ড বোম যাবে আরকি, ঠিকাছে... আমি একটা পয়েন্ট আপনাকে একটু নজরে আনার জন্য রিকোয়েস্ট করতেছি যে, কারফিউ ধরেন দুই-পাঁচ দিন যা চলল, চলল; কিন্তু কারফিউয়ের পর যেন আর মিছিল না নামতে পারে সেজন্য একট হোমওয়ার্ক করতে, করা দরকার যেরকম আমি উত্তরা, বাড্ডা, গুলশান, যাত্রাবাড়ীতে যারা মিছিল লিড করছে সেইগুলা চিহ্নিত আরকি... ছাত্রদল, বিএনপির ছেলে-মেয়ে, ছেলেরা, শিবিরের... মানে ধরেন রিজভীকে এরেস্ট করা বা রুহুলকে এরেস্ট করা ইম্পর্টেন্ট না, ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে ওইখানে গ্রাউন্ডে যে মিছিলটা লিড করেছে, আমি কুষ্টিয়া জেলাতে, ওখানে এসপি সেভাবে অলরেডি তালিকা করে ফেলছে। ওখানে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। একটা ছররা গুলি খালি একজনের পায়ে লাগছে, উনি ম্যানেজ করছে। ম্যানেজ করছে। উনি অলরেডি কম্পিউটারে ছবি দেখে দেখে ছেলেগুলার তালিকা করছে। তা আমি বললাম যে ছেলেগুলাকে আজকে রাত্রের ভেতরে পিকআপ করে নাও।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ শিওর।
হাসানুল হক ইনু: যেন মিছিলটা লিড না করতে পারে। তা আমি ঢাকা শহরের জন্য বলছি যে আপনার গোয়েন্দারা নিশ্চয়ই তালিকা করতে পারবে যে উত্তরায় কারা।
শেখ হাসিনা: ... খালি গোয়েন্দারটা না, লোকাল লিডারদেরও করা উচিত।
হাসানুল হক ইনু: লোকাল লিডার ওইখানে এমপি খসরু ও হাসান হাবিব আছে। আমার কালকের যে রিপোর্ট তা হাসান হাবিবের কিন্তু ও রাগ করে খসরুর ওপর ছেড়ে দিছে যে এমপি সাহেব মোকাবিলা করুক...।
শেখ হাসিনা: খসরু তো পারবে না, খসরু তো লোকাল না, হাসান তো লোকাল, ওদের তো লোকজন আছে।
হাসানুল হক ইনু: লোকাল না তো। রাইট, হাসান হাবিব নামেনি। আর এখানে ওয়াকিলও সামলাইতে পারেনি, ও দুই লাইনে পা দিয়ে চলে। তো আমার কথা হচ্ছে যে একটু লোকাল লিডারদের সাহায্যে তালিকাটা করে নিয়ে আজকের রাত্রের ভেতরে সব কাস্টডিতে নিতে পারেন তাহলে কোনো জায়গায়... আর মোহাম্মদপুরে একটা পাঁয়তারা ছিল। কালকে আপনি রাত ১২ টায় যেয়ে খুব ভালো করছেন। আজ কিন্তু গণভবন ঘেরাও করতো। কিন্তু মোহাম্মদপুরে ওইখান থেকে রেডি হচ্ছিল কালকে, মানে এইটা, সুতরাং...।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ, এইটা কয়েক দিন ধরে করছে।
হাসানুল হক ইনু: ডিসিশনটা খুবই কারেক্ট হইছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা: থ্যাংকিউ, থ্যাংকিউ... আমরা হলাম রণক্ষেত্রের সাথী।
হাসানুল হক ইনু: রণক্ষেত্রের সাথী। তা আপনি একটু দয়া করে...এই পিকআপটা করতে বলেন...।
শেখ হাসিনা: না এইটা বলা আছে, বলতেছি, বলতেছি।
হাসানুল হক ইনু: ওইটা একটু হোমওয়ার্ক করতে বলেন, করে এরেস্ট করে ফেলতে বলেন আজকে। মানে সবাইকে এরেস্ট করে ফেললে আর মিছিল করার লোক থাকবে না।
শেখ হাসিনা: লিসেন, দাঁড়ান, দাঁড়ান। এরেস্ট করে...।
হাসানুল হক ইনু: আরেকটা রিকোয়েস্ট আমার যে ইন্টারনেট আমার মনে হয় চালু করতে পারেন, এটা আমাদেরই কাজে লাগবে।
শেখ হাসিনা: ভাই কি যে চালু করব সব তো পোড়াই দিছে। ডাটা সেন্টারও পোড়ায় দিছে। এখন ওই নতুন তারতুর কিনে জোড়া লাগাতে হবে।
হাসানুল হক ইনু: ... আমি যে কথাটা বলার চেষ্টা... আমি একাত্তরে রাত আটটার সময় যাব একা কথা বলব। আমি বলব যে, সরকারের সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীর কোনো বিরোধ নাই। সরকারের সঙ্গে বিরোধ হচ্ছে নাশকতাকারী বিএনপি-জামায়াতের।
শেখ হাসিনা: না ওইটা তো বলা হয়েছে। ওইটা আমি নিজেও বলছি...।
হাসানুল হক ইনু: ... এই জিনিসটা প্রোপাগান্ডায় আনতে হবে যদি ইন্টারনেট থাকে, গণমাধ্যম দিয়ে আমরা পুরা নিউজে ফ্লাড করে দিলাম...।
শেখ হাসিনা: ইন্টারনেট পাবো কোথায়? ইন্টারনেট পোড়ায় দিছে। জীবনে... আমি তো আর আনবো না, যদি অন্য সরকার আসে তাহলে আনবে... আমি দিছি ইন্টারনেট, ওরা পোড়াইতে থাকুক, ওইটা চলতে হবে...
হাসানুল হক ইনু: অন্য সরকার, বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ অন্য সরকার আসবে না।
শেখ হাসিনা: আসুক....না আমি আর পারবো না... যাচ্ছি এখন।
হাসানুল হক ইনু: না না... যাওয়ার দরকার নাই।
শেখ হাসিনা: জামায়াত শায়েস্তা করে ধুয়ে যেতে হবে।
হাসানুল হক ইনু: ...।
শেখ হাসিনা: ... আপনার যেখানে যেখানে লোক আছে তালিকাগুলো আপনারা করান, আমরাও করাচ্ছি।
হাসানুল হক ইনু: ...আপনি এই... জামায়াত শিবিরের মেরুদণ্ডটা আবার ভেঙে দেন ঢাকা শহরে।
শেখ হাসিনা: একেবারে...।
হাসানুল হক ইনু: ... এক্সপোজ হইছে আরকি, একটু দেখেন, আর আমি বাদবাকি আমাকে যেটা বলবেন আমি ইনশাআল্লাহ করব, কোনো অসুবিধা নাই।
শেখ হাসিনা: না ওই তালিকাগুলো একটু করায় ফালান...এই ইস্যুতে যা পারেন, শিবির যে কয়টা আছে, যা আছে সব বের করেন...।
হাসানুল হক ইনু: বুঝছি আমি বুঝছি। জি স্লামুয়ালাইকুম
শেখ হাসিনা: ঠিকাছে আচ্ছা।
হাসানুল হক ইনু: জি স্লামুয়ালাইকুম
শেখ হাসিনা: থ্যাংকিউ, থ্যাংকিউ...।
চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে ব্যাহত করতে হঠাৎই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ইন্টারনেট পুনরায় চালু করে আন্দোলন বিরোধী প্রোপাগান্ডা চালাতে পরামর্শ দেন সাবেক মন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তবে ক্ষোভে শেখ হাসিনা তখন বলেন, তিনি আর জীবনে ইন্টারনেট সংযোগ দেবেন না।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপের অডিও রেকর্ডের বরাত দিয়ে এসব জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।
এদিন জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ৫৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মামলার বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা।
জবানবন্দিতে তিনি জানান, শেখ হাসিনার কথোপকথনের ৬৯টি অডিও ক্লিপ এবং তিনটি মোবাইল নম্বরের কল রেকর্ড জব্দ করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা ও ইনুর সেই ফোনরেকর্ডে শোনা যায়-
হাসানুল হক ইনু: হ্যালো, জি জি স্লামালাইকুম।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ, ওয়ালাইকুমস্লাম, কী হইছে?
হাসানুল হক ইনু: বলছিলাম... না একটা কথা... আমি মনে করি যে আপনার পদক্ষেপটা সঠিকই হয়েছে। এখন পর্যন্ত যা রিপোর্ট বাংলাদেশে পাচ্ছি আরকি। খালি ঢাকাতে আপনার রামপুরার দিকে এবং...।
শেখ হাসিনা: না রামপুরা ক্লিয়ার, শনির আখড়ায় একটু ঝামেলা এখন আছে...।
হাসানুল হক ইনু: শনির আখড়ায় কিছু মোল্লারাই...।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ জানি, না খালি মোল্লা না, ওইখানে অনেক মাদ্রাসা।
হাসানুল হক ইনু: মাদ্রাসা আছে ওই...।
শেখ হাসিনা: ... ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে... মাইকিং করতে হচ্ছে আরকি... নারায়ণগঞ্জে ঢুকতে দিচ্ছে না আর্মিকে, আমরা... নামাচ্ছি।
হাসানুল হক ইনু: ও আচ্ছা...।
শেখ হাসিনা: না, আমি বলছি ক্যাজুয়াল্টির দরকার নাই। ওরা ব্যারিকেড দিয়ে আছে তো, ঠিক আছে, আকাশ থেকে নামবে, তখন দুপাশ দিয়ে ধরবে... মেসেজটা দিয়ে দিতে পারেন যে... সেনা পাঠানো হচ্ছে... আর হেলিকপ্টার দিয়ে সোজা বোম্বিং করা হবে... র্যাবের হেলিকপ্টার দিয়ে ওপর দিয়ে মারবে।
হাসানুল হক ইনু: আচ্ছা ওপর দিয়ে সাউন্ড বোম যাবে আরকি, ঠিকাছে... আমি একটা পয়েন্ট আপনাকে একটু নজরে আনার জন্য রিকোয়েস্ট করতেছি যে, কারফিউ ধরেন দুই-পাঁচ দিন যা চলল, চলল; কিন্তু কারফিউয়ের পর যেন আর মিছিল না নামতে পারে সেজন্য একট হোমওয়ার্ক করতে, করা দরকার যেরকম আমি উত্তরা, বাড্ডা, গুলশান, যাত্রাবাড়ীতে যারা মিছিল লিড করছে সেইগুলা চিহ্নিত আরকি... ছাত্রদল, বিএনপির ছেলে-মেয়ে, ছেলেরা, শিবিরের... মানে ধরেন রিজভীকে এরেস্ট করা বা রুহুলকে এরেস্ট করা ইম্পর্টেন্ট না, ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে ওইখানে গ্রাউন্ডে যে মিছিলটা লিড করেছে, আমি কুষ্টিয়া জেলাতে, ওখানে এসপি সেভাবে অলরেডি তালিকা করে ফেলছে। ওখানে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। একটা ছররা গুলি খালি একজনের পায়ে লাগছে, উনি ম্যানেজ করছে। ম্যানেজ করছে। উনি অলরেডি কম্পিউটারে ছবি দেখে দেখে ছেলেগুলার তালিকা করছে। তা আমি বললাম যে ছেলেগুলাকে আজকে রাত্রের ভেতরে পিকআপ করে নাও।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ শিওর।
হাসানুল হক ইনু: যেন মিছিলটা লিড না করতে পারে। তা আমি ঢাকা শহরের জন্য বলছি যে আপনার গোয়েন্দারা নিশ্চয়ই তালিকা করতে পারবে যে উত্তরায় কারা।
শেখ হাসিনা: ... খালি গোয়েন্দারটা না, লোকাল লিডারদেরও করা উচিত।
হাসানুল হক ইনু: লোকাল লিডার ওইখানে এমপি খসরু ও হাসান হাবিব আছে। আমার কালকের যে রিপোর্ট তা হাসান হাবিবের কিন্তু ও রাগ করে খসরুর ওপর ছেড়ে দিছে যে এমপি সাহেব মোকাবিলা করুক...।
শেখ হাসিনা: খসরু তো পারবে না, খসরু তো লোকাল না, হাসান তো লোকাল, ওদের তো লোকজন আছে।
হাসানুল হক ইনু: লোকাল না তো। রাইট, হাসান হাবিব নামেনি। আর এখানে ওয়াকিলও সামলাইতে পারেনি, ও দুই লাইনে পা দিয়ে চলে। তো আমার কথা হচ্ছে যে একটু লোকাল লিডারদের সাহায্যে তালিকাটা করে নিয়ে আজকের রাত্রের ভেতরে সব কাস্টডিতে নিতে পারেন তাহলে কোনো জায়গায়... আর মোহাম্মদপুরে একটা পাঁয়তারা ছিল। কালকে আপনি রাত ১২ টায় যেয়ে খুব ভালো করছেন। আজ কিন্তু গণভবন ঘেরাও করতো। কিন্তু মোহাম্মদপুরে ওইখান থেকে রেডি হচ্ছিল কালকে, মানে এইটা, সুতরাং...।
শেখ হাসিনা: হ্যাঁ, এইটা কয়েক দিন ধরে করছে।
হাসানুল হক ইনু: ডিসিশনটা খুবই কারেক্ট হইছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা: থ্যাংকিউ, থ্যাংকিউ... আমরা হলাম রণক্ষেত্রের সাথী।
হাসানুল হক ইনু: রণক্ষেত্রের সাথী। তা আপনি একটু দয়া করে...এই পিকআপটা করতে বলেন...।
শেখ হাসিনা: না এইটা বলা আছে, বলতেছি, বলতেছি।
হাসানুল হক ইনু: ওইটা একটু হোমওয়ার্ক করতে বলেন, করে এরেস্ট করে ফেলতে বলেন আজকে। মানে সবাইকে এরেস্ট করে ফেললে আর মিছিল করার লোক থাকবে না।
শেখ হাসিনা: লিসেন, দাঁড়ান, দাঁড়ান। এরেস্ট করে...।
হাসানুল হক ইনু: আরেকটা রিকোয়েস্ট আমার যে ইন্টারনেট আমার মনে হয় চালু করতে পারেন, এটা আমাদেরই কাজে লাগবে।
শেখ হাসিনা: ভাই কি যে চালু করব সব তো পোড়াই দিছে। ডাটা সেন্টারও পোড়ায় দিছে। এখন ওই নতুন তারতুর কিনে জোড়া লাগাতে হবে।
হাসানুল হক ইনু: ... আমি যে কথাটা বলার চেষ্টা... আমি একাত্তরে রাত আটটার সময় যাব একা কথা বলব। আমি বলব যে, সরকারের সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীর কোনো বিরোধ নাই। সরকারের সঙ্গে বিরোধ হচ্ছে নাশকতাকারী বিএনপি-জামায়াতের।
শেখ হাসিনা: না ওইটা তো বলা হয়েছে। ওইটা আমি নিজেও বলছি...।
হাসানুল হক ইনু: ... এই জিনিসটা প্রোপাগান্ডায় আনতে হবে যদি ইন্টারনেট থাকে, গণমাধ্যম দিয়ে আমরা পুরা নিউজে ফ্লাড করে দিলাম...।
শেখ হাসিনা: ইন্টারনেট পাবো কোথায়? ইন্টারনেট পোড়ায় দিছে। জীবনে... আমি তো আর আনবো না, যদি অন্য সরকার আসে তাহলে আনবে... আমি দিছি ইন্টারনেট, ওরা পোড়াইতে থাকুক, ওইটা চলতে হবে...
হাসানুল হক ইনু: অন্য সরকার, বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ অন্য সরকার আসবে না।
শেখ হাসিনা: আসুক....না আমি আর পারবো না... যাচ্ছি এখন।
হাসানুল হক ইনু: না না... যাওয়ার দরকার নাই।
শেখ হাসিনা: জামায়াত শায়েস্তা করে ধুয়ে যেতে হবে।
হাসানুল হক ইনু: ...।
শেখ হাসিনা: ... আপনার যেখানে যেখানে লোক আছে তালিকাগুলো আপনারা করান, আমরাও করাচ্ছি।
হাসানুল হক ইনু: ...আপনি এই... জামায়াত শিবিরের মেরুদণ্ডটা আবার ভেঙে দেন ঢাকা শহরে।
শেখ হাসিনা: একেবারে...।
হাসানুল হক ইনু: ... এক্সপোজ হইছে আরকি, একটু দেখেন, আর আমি বাদবাকি আমাকে যেটা বলবেন আমি ইনশাআল্লাহ করব, কোনো অসুবিধা নাই।
শেখ হাসিনা: না ওই তালিকাগুলো একটু করায় ফালান...এই ইস্যুতে যা পারেন, শিবির যে কয়টা আছে, যা আছে সব বের করেন...।
হাসানুল হক ইনু: বুঝছি আমি বুঝছি। জি স্লামুয়ালাইকুম
শেখ হাসিনা: ঠিকাছে আচ্ছা।
হাসানুল হক ইনু: জি স্লামুয়ালাইকুম
শেখ হাসিনা: থ্যাংকিউ, থ্যাংকিউ...।

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
টানা ৮ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গতকাল বুধবার (২৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিষয়টি জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের (সংযুক্ত) ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদার গত বছরের ৬ অক্টোবর থেকে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি অনুসারে যথাক্রমে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ কারণে বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী যে তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত সেই তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
বিপ্লব বিজয় তালুকদার ২০০১ সালে ২০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০২৩ সালে তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।
বরিশাল টাইমস

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৪৪
বরিশালসহ দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্র বৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার দেওয়া সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
টানা ৮ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গতকাল বুধবার (২৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিষয়টি জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের (সংযুক্ত) ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদার গত বছরের ৬ অক্টোবর থেকে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি অনুসারে যথাক্রমে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ কারণে বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী যে তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত সেই তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
বিপ্লব বিজয় তালুকদার ২০০১ সালে ২০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০২৩ সালে তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্র বৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার দেওয়া সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
৩০ জুন, ২০২৬ ২৩:২৭
৩০ জুন, ২০২৬ ২২:৪৩
৩০ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮
৩০ জুন, ২০২৬ ১৯:০৯