বাবুগঞ্জে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন ইউএনও আসমা উল হুসনা।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১১
বরিশালের বানারীপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই শ্রমিক। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এসএস প্রি-ক্যাডেট স্কুলসংলগ্ন ব্যবসায়ী রিয়াজ হোসেনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এবং পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ (৪২)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সৃষ্টি শিক্ষা একাডেমির শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, দুপুরে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকের বাঁশ খুলতে গিয়ে দুই শ্রমিক ভেতরে পড়ে যান। ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণে তাঁরা বিপদে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই শ্রমিককে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্যাস অপসারণের পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
পরে তাঁদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করার সময় দুই শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লুৎফুর আজিজের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বরিশালের বানারীপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই শ্রমিক। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এসএস প্রি-ক্যাডেট স্কুলসংলগ্ন ব্যবসায়ী রিয়াজ হোসেনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এবং পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ (৪২)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সৃষ্টি শিক্ষা একাডেমির শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, দুপুরে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকের বাঁশ খুলতে গিয়ে দুই শ্রমিক ভেতরে পড়ে যান। ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণে তাঁরা বিপদে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই শ্রমিককে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্যাস অপসারণের পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
পরে তাঁদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করার সময় দুই শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লুৎফুর আজিজের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৭
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৪৭
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৪৮
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১১