
০১ জুন, ২০২৫ ১২:২০
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত একটি বিতর্কিত সংস্থার পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। এ সময় দখলদার বাহিনীর গুলিতে ত্রাণ নিতে যাওয়া ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজায় মার্কিন-সমর্থিত একটি সংস্থার ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী গুলি চালায়। এতে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত এবং ১২০ জন আহত হন।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। গোষ্ঠীটি বলেছে, ‘আমরা গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চাই। যুদ্ধবিরতির জন্য গাজা থেকে সব ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।’
শনিবার (৩১ মে) হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, চুক্তিতে উল্লিখিত নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির বিনিময়ে তারা ১০ জন জীবিত ইসরাইলি জিম্মি এবং ১৮ জন মৃত জিম্মির মৃতদেহ হস্তান্তরে প্রস্তুত।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই প্রস্তাবের লক্ষ্য স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সব ইসরাইল সেনা প্রত্যাহার এবং আমাদের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সরাসরি কোনো সংশোধনীর কথা বলা হয়নি।তবে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানান, হামাস প্রস্তাবে কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। তা সত্ত্বেও সামগ্রিকভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক।
হোয়াইট হাউসও জানিয়েছে, প্রস্তাবিত খসড়া সম্পর্কে হামাস তাদের আপত্তিও তুলে ধরেছে। বিস্তারিত প্রতিক্রিয়ায় হামাস তাদের সুপরিচিত শর্তগুলো পুনরাবৃত্তি করেছে: একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সম্পূর্ণ ইসরাইলি প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তার অব্যাহত প্রবাহের নিশ্চয়তা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এদিন তারা ১২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলের হামলায় অন্তত ৫৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত একটি বিতর্কিত সংস্থার পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। এ সময় দখলদার বাহিনীর গুলিতে ত্রাণ নিতে যাওয়া ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজায় মার্কিন-সমর্থিত একটি সংস্থার ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী গুলি চালায়। এতে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত এবং ১২০ জন আহত হন।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। গোষ্ঠীটি বলেছে, ‘আমরা গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চাই। যুদ্ধবিরতির জন্য গাজা থেকে সব ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।’
শনিবার (৩১ মে) হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, চুক্তিতে উল্লিখিত নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির বিনিময়ে তারা ১০ জন জীবিত ইসরাইলি জিম্মি এবং ১৮ জন মৃত জিম্মির মৃতদেহ হস্তান্তরে প্রস্তুত।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই প্রস্তাবের লক্ষ্য স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সব ইসরাইল সেনা প্রত্যাহার এবং আমাদের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সরাসরি কোনো সংশোধনীর কথা বলা হয়নি।তবে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানান, হামাস প্রস্তাবে কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। তা সত্ত্বেও সামগ্রিকভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক।
হোয়াইট হাউসও জানিয়েছে, প্রস্তাবিত খসড়া সম্পর্কে হামাস তাদের আপত্তিও তুলে ধরেছে। বিস্তারিত প্রতিক্রিয়ায় হামাস তাদের সুপরিচিত শর্তগুলো পুনরাবৃত্তি করেছে: একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সম্পূর্ণ ইসরাইলি প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তার অব্যাহত প্রবাহের নিশ্চয়তা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এদিন তারা ১২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলের হামলায় অন্তত ৫৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫১
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কৌশলগত পদক্ষেপ জোরদার করেছে। সরকারের অনুরোধে ইরান আশ্বাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না। তবে জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের আগে তাদের তথ্য ইরানকে জানাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেলবাহী একটি জাহাজ সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
চীন ও ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তার আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির সুযোগও রয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল মজুত আছে, যা প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। সম্ভাব্য কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে সরকার সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কৌশলগত পদক্ষেপ জোরদার করেছে। সরকারের অনুরোধে ইরান আশ্বাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না। তবে জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের আগে তাদের তথ্য ইরানকে জানাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেলবাহী একটি জাহাজ সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
চীন ও ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তার আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির সুযোগও রয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল মজুত আছে, যা প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। সম্ভাব্য কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে সরকার সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩২
কানাডায় মার্কিন দূতাবাসে গোলাগুলি হয়েছে। টরেন্টোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টরন্টো পুলিশ অপারেশনস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো সন্দেহভাজনকেও শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশ দূতাবাসের আশপাশের কয়েকটি সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বাইরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে। হামলায় তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সঙ্গে এসব ঘটনার সম্ভাব্য কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর পর টরন্টোতে কয়েকটি স্থাপনায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে শহরের ৩টি ইহুদি সিনাগগেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ইরান সরকারের সমালোচক একজন ইরানিয়ান-কানাডিয়ানের মালিকানাধীন একটি বক্সিং জিমেও গত সোমবার গুলি চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়ের পুলিশ ইতোমধ্যে অসলোতে দূতাবাসের বাইরে হওয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। ওই বিস্ফোরণে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।
কানাডায় মার্কিন দূতাবাসে গোলাগুলি হয়েছে। টরেন্টোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টরন্টো পুলিশ অপারেশনস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো সন্দেহভাজনকেও শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশ দূতাবাসের আশপাশের কয়েকটি সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বাইরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে। হামলায় তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সঙ্গে এসব ঘটনার সম্ভাব্য কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর পর টরন্টোতে কয়েকটি স্থাপনায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে শহরের ৩টি ইহুদি সিনাগগেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ইরান সরকারের সমালোচক একজন ইরানিয়ান-কানাডিয়ানের মালিকানাধীন একটি বক্সিং জিমেও গত সোমবার গুলি চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়ের পুলিশ ইতোমধ্যে অসলোতে দূতাবাসের বাইরে হওয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। ওই বিস্ফোরণে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩০
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের এক্সপোস্টের বরাত ছাড়া আর কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এক্সে গতকাল সোমবার স্কট রিটার বলেছিলেন, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেন-গিভর। তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্ট করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি না, কিংবা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি না —এখনও নিশ্চিত নয়।
ফার্সি ভাষার সংবাদমাদ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর উপর হামলার প্রমাণ বা কোনো ক্ষতির নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তার পরিবর্তে, বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় একত্রিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপগুলির অনুপস্থিতি, ইসরায়েলি মিডিয়ায় তার বাড়ির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন, জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি কথিত সফর স্থগিত করা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ড, যেখানে কথোপকথনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে অবশ্য নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য ‘নিছকই গুজব’।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের এক্সপোস্টের বরাত ছাড়া আর কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এক্সে গতকাল সোমবার স্কট রিটার বলেছিলেন, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেন-গিভর। তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্ট করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি না, কিংবা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি না —এখনও নিশ্চিত নয়।
ফার্সি ভাষার সংবাদমাদ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর উপর হামলার প্রমাণ বা কোনো ক্ষতির নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তার পরিবর্তে, বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় একত্রিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপগুলির অনুপস্থিতি, ইসরায়েলি মিডিয়ায় তার বাড়ির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন, জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি কথিত সফর স্থগিত করা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ড, যেখানে কথোপকথনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে অবশ্য নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য ‘নিছকই গুজব’।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮