Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ মে, ২০২৬ ১৩:৫২
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৪৭
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আলোচিত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (সি.এ) মো. ইয়াসির আরাফাতকে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি কার্যকর করা হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদে কর্মরত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. ইয়াসির আরাফাতকে জিয়ানগর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদে একই পদে কর্মরত শাহারিয়ারকে নাজিরপুর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— সরকারি কাজে অনিয়ম, ফাইল গায়েবের অভিযোগ, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাদ্য বরাদ্দে অনিয়ম, বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পন্ন না করেই প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ এবং বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার তথ্য।
এসব অভিযোগ নিয়ে টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে মো. ইয়াসির আরাফাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১২ মে, ২০২৬ ১৩:১৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

১২ মে, ২০২৬ ১২:৩৬
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলায় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের দায়ে এক দোকানিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহারের প্রবণতা ঠেকাতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী তিনটি দোকান পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানকালে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া অন্যান্য দোকানদারদের স্টেরয়েডজাত ঔষধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং গবাদিপশুর জন্য এ ধরনের ঔষধ বিক্রি ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয় বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আলোচিত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (সি.এ) মো. ইয়াসির আরাফাতকে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি কার্যকর করা হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদে কর্মরত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. ইয়াসির আরাফাতকে জিয়ানগর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদে একই পদে কর্মরত শাহারিয়ারকে নাজিরপুর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— সরকারি কাজে অনিয়ম, ফাইল গায়েবের অভিযোগ, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাদ্য বরাদ্দে অনিয়ম, বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পন্ন না করেই প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ এবং বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার তথ্য।
এসব অভিযোগ নিয়ে টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে মো. ইয়াসির আরাফাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলায় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের দায়ে এক দোকানিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহারের প্রবণতা ঠেকাতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী তিনটি দোকান পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানকালে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া অন্যান্য দোকানদারদের স্টেরয়েডজাত ঔষধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং গবাদিপশুর জন্য এ ধরনের ঔষধ বিক্রি ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয় বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।