বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য পায়রা-পাণ্ডব নদীর ওপর নলুয়া - বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছিল ২০২১ সালের ৮ জুন একনেক সভায়।
এতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বরিশাল (দিনারেরপুল) লক্ষ্মীপাশা-দুমকি সড়ক (জেড-৮০৪৪) এর ২৭তম কিলোমিটারে পাণ্ডব পায়রা নদীর ওপর নলুয়া-বাহেরচর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে অনুমোদন দেয় সরকার। সেতুটি নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু চার বছর পার হলেও এখনো সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরুই হয়নি।
এলাকাবাসী জানান, সেতু নির্মাণে দেরির কারণে প্রতিদিন ফেরি দিয়ে হাজারো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তারা দ্রুত একনেকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নলুয়া-বাহেরচর এলাকায় সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রহস্যজনকভাবে নির্ধারিত স্থান নলুয়া-বাহেরচরের পরিবর্তে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যে কারণে নির্ধারিত সময়ে সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। প্রথম অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান বাদ দিয়ে নতুন করে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণ করতে হলে নতুনভাবে জমি অধিগ্রহণ, রাস্তা নির্মাণ ও ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নলুয়ার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ খান জানান, নলুয়া- বাহেরচর এলাকার নলুয়া ইউনিয়নের প্রধান সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়ে সেতুটি জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় স্থাপন করা হয় তাহলে এই এলাকার সাধারণ মানুষের যোগাযোগে আরো দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে, জলিসা-দাসপাড়া নলুয়া ইউনিয়নের পূর্ব দিকে নদীর চর এলাকা যেখানে কোন রাস্তাঘাট নেই সেতুটি যদি ওই এলাকায় নির্মাণ করা হয় সেটা লোকালয় থেকে অনেক দূরে হয়ে যাবে। এতে জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সরকারের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। এবং এলাকাবাসীও সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে সেতুটি একনেকে অনুমোদিত স্থানে নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদনও পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে সেতুর নকশা, হাইড্রোলিক ও মরফোলজিক্যাল স্টাডি সম্পন্ন হয়েছে।
নলুয়া- বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক আবু এহতেশাম রাশেদ জানান, ইতোমধ্যে সেতুটি নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের জুন জুলাই মাসের মধ্যে সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
১৩০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণ হলে বাকেরগঞ্জের ও দুমকি দুই উপজেলার মানুষ সরাসরি সংযোগ পাবে এবং এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৭
বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে ‘বিডি ক্লিন’ বরিশালের সহযোগিতায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার। এতে অংশ নেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা।
অভিযানের শুরুতে অংশগ্রহণকারীদের পরিচ্ছন্নতার শপথবাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা। পরে জেলা প্রশাসকসহ উপস্থিত কর্মকর্তারা বিডি ক্লিনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কার্যক্রমে অংশ নেন।
দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। নিজের বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পুকুর, খালসহ প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা যেন শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাসে পরিণত হয়। এ জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যদের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষ আরও উৎসাহিত হবেন।
অভিযানে জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে ‘বিডি ক্লিন’ বরিশালের সহযোগিতায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার। এতে অংশ নেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা।
অভিযানের শুরুতে অংশগ্রহণকারীদের পরিচ্ছন্নতার শপথবাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা। পরে জেলা প্রশাসকসহ উপস্থিত কর্মকর্তারা বিডি ক্লিনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কার্যক্রমে অংশ নেন।
দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। নিজের বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পুকুর, খালসহ প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা যেন শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাসে পরিণত হয়। এ জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনসংলগ্ন পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যদের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষ আরও উৎসাহিত হবেন।
অভিযানে জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৪২
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থন প্রত্যাশা করছেন সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান আকন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে অতীতের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এবারও নির্বাচনী আলোচনায় উঠে এসেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আব্দুল মান্নান আকন রত্নপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক নির্বাচিত সভাপতি। বর্তমানে তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর পরিচিতি ও অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় সমর্থন কার পক্ষে যায়, তা নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আব্দুল মান্নান আকনের সমর্থকদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা বিবেচনায় নিয়ে দল তাঁকে চেয়ারম্যান পদে সমর্থন দেবে। তাঁদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নির্বাচনে তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য হতে পারে।
তবে দলীয় মনোনয়ন বা সমর্থন পাওয়ার বিষয়টি এখনো বিএনপির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। ফলে শেষ পর্যন্ত রত্নপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দল কাকে সমর্থন দেবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল রয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, নাগরিক সেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এ কারণে সম্ভাব্য প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তাঁদের অতীতের কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং উন্নয়নসংক্রান্ত পরিকল্পনাও ভোটারদের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
রত্নপুর ইউনিয়নের নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা বাড়লেও ভোটের মাঠে চূড়ান্ত পরিস্থিতি নির্ভর করবে নির্বাচনের সময়সূচি, দলীয় সিদ্ধান্ত, প্রার্থীদের অবস্থান এবং ভোটারদের মনোভাবের ওপর।
আব্দুল মান্নান আকনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত দলীয় সমর্থন আদায়ে কতটা ভূমিকা রাখবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বিএনপির সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তাঁর নির্বাচনী অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে।
সব মিলিয়ে, রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী হিসেবে সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান আকন স্থানীয় রাজনৈতিক আলোচনায় রয়েছেন। তবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারিত হবে দলীয় সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থন প্রত্যাশা করছেন সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান আকন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে অতীতের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এবারও নির্বাচনী আলোচনায় উঠে এসেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আব্দুল মান্নান আকন রত্নপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক নির্বাচিত সভাপতি। বর্তমানে তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর পরিচিতি ও অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় সমর্থন কার পক্ষে যায়, তা নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আব্দুল মান্নান আকনের সমর্থকদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা বিবেচনায় নিয়ে দল তাঁকে চেয়ারম্যান পদে সমর্থন দেবে। তাঁদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নির্বাচনে তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য হতে পারে।
তবে দলীয় মনোনয়ন বা সমর্থন পাওয়ার বিষয়টি এখনো বিএনপির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। ফলে শেষ পর্যন্ত রত্নপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দল কাকে সমর্থন দেবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল রয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, নাগরিক সেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এ কারণে সম্ভাব্য প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তাঁদের অতীতের কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং উন্নয়নসংক্রান্ত পরিকল্পনাও ভোটারদের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
রত্নপুর ইউনিয়নের নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা বাড়লেও ভোটের মাঠে চূড়ান্ত পরিস্থিতি নির্ভর করবে নির্বাচনের সময়সূচি, দলীয় সিদ্ধান্ত, প্রার্থীদের অবস্থান এবং ভোটারদের মনোভাবের ওপর।
আব্দুল মান্নান আকনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত দলীয় সমর্থন আদায়ে কতটা ভূমিকা রাখবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বিএনপির সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তাঁর নির্বাচনী অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে।
সব মিলিয়ে, রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী হিসেবে সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান আকন স্থানীয় রাজনৈতিক আলোচনায় রয়েছেন। তবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারিত হবে দলীয় সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে।’

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৪৮
বরিশালের উজিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে এক শয্যাশায়ী ব্যক্তির বসতঘর থেকে চিকিৎসার জন্য রাখা ১৫ হাজার টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) গৌরনদী সার্কেলের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে গত এক মাসে দুই দফায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত বিলাঞ্চল ওড়াবাশবাড়ি গ্রামের কামরুজ্জামান কালুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযানে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন সাদা পোশাকে আসা ডিএনসি সদস্যরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী কামরুজ্জামান কালুর চিকিৎসার জন্য বালিশের নিচে ১৫ হাজার টাকা রাখা ছিল। ঘরে তল্লাশির সময় ওই টাকা নিয়ে যান অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের শাস্তি দাবি করেছেন কালুর স্ত্রী সুখী বেগম।
সুখী বেগমের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে ফাইজুল ইসলাম ও হৃদয়সহ চার থেকে পাঁচজন সাদা পোশাকধারী ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে আসেন। শুরুতে নিজেদের পরিচয় না দিয়ে তাঁর স্বামীকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন তাঁরা।
সুখী বেগম বলেন, অভিযানে আসা ব্যক্তিরা তাঁকে বলেন, তাঁর স্বামী মাদক সেবন ছেড়ে দিলেও ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আগের মাদক সেবনের বিষয়টি বের করে মামলা দেওয়া হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁর ও মেয়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন বাড়িতে জড়ো হন। পরে গ্রাম পুলিশ নাজির হোসেনকে খবর দেওয়া হয়। তাঁর উপস্থিতিতে বসতঘরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি বলে জানান স্থানীয়রা।
সুখী বেগমের অভিযোগ, তল্লাশির একপর্যায়ে বালিশের নিচে রাখা চিকিৎসার ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, স্বামী কোনো মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। অথচ তাঁকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএনসি গৌরনদী সার্কেলের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার। তাঁর নেতৃত্বে অভিযানে রুবেল হোসেন, ফয়সাল হোসেনসহ কয়েকজন সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।
ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, কামরুজ্জামান কালুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা যায়নি। এটি তাঁদের একটি ‘নিষ্ফল অভিযান’ ছিল।
তবে তল্লাশির সময় টাকা চুরি এবং এর আগে দুই দফায় টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী গ্রাম পুলিশ নাজির হোসেন বলেন, সাদা পোশাকে ডিএনসি কর্মকর্তারা কালুর বাড়িতে এসেছিলেন। স্থানীয়দের ফোন পেয়ে তিনি সেখানে যান। তবে বাড়ি থেকে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. তানভীর হোসেন খান বলেন, গৌরনদী সার্কেল থেকে সকালে একটি অভিযান পরিচালনার তথ্য তাঁর জানা আছে। তবে সেটি উজিরপুরে হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নন।
টাকা চুরি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, খোঁজখবর নিয়ে পরে বিস্তারিত জানাবেন। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এসআই ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার দীর্ঘ সাত বছর ধরে গৌরনদী সার্কেলে দায়িত্ব পালন করছেন। একই স্টেশনে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের সুযোগে তিনি ও তাঁর নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরা মাদকবিরোধী অভিযানের নামে আগৈলঝাড়া ও উজিরপুরের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে অর্থ আদায় করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য জমানো টাকা হারানোর অভিযোগ তুলে সুখী বেগম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, অভিযোগের বিষয়ে ডিএনসি কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয় এবং তদন্তে কী উঠে আসে।
বরিশালের উজিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে এক শয্যাশায়ী ব্যক্তির বসতঘর থেকে চিকিৎসার জন্য রাখা ১৫ হাজার টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) গৌরনদী সার্কেলের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে গত এক মাসে দুই দফায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত বিলাঞ্চল ওড়াবাশবাড়ি গ্রামের কামরুজ্জামান কালুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযানে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন সাদা পোশাকে আসা ডিএনসি সদস্যরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী কামরুজ্জামান কালুর চিকিৎসার জন্য বালিশের নিচে ১৫ হাজার টাকা রাখা ছিল। ঘরে তল্লাশির সময় ওই টাকা নিয়ে যান অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের শাস্তি দাবি করেছেন কালুর স্ত্রী সুখী বেগম।
সুখী বেগমের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে ফাইজুল ইসলাম ও হৃদয়সহ চার থেকে পাঁচজন সাদা পোশাকধারী ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে আসেন। শুরুতে নিজেদের পরিচয় না দিয়ে তাঁর স্বামীকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন তাঁরা।
সুখী বেগম বলেন, অভিযানে আসা ব্যক্তিরা তাঁকে বলেন, তাঁর স্বামী মাদক সেবন ছেড়ে দিলেও ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আগের মাদক সেবনের বিষয়টি বের করে মামলা দেওয়া হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁর ও মেয়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন বাড়িতে জড়ো হন। পরে গ্রাম পুলিশ নাজির হোসেনকে খবর দেওয়া হয়। তাঁর উপস্থিতিতে বসতঘরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি বলে জানান স্থানীয়রা।
সুখী বেগমের অভিযোগ, তল্লাশির একপর্যায়ে বালিশের নিচে রাখা চিকিৎসার ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, স্বামী কোনো মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। অথচ তাঁকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএনসি গৌরনদী সার্কেলের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার। তাঁর নেতৃত্বে অভিযানে রুবেল হোসেন, ফয়সাল হোসেনসহ কয়েকজন সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।
ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, কামরুজ্জামান কালুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা যায়নি। এটি তাঁদের একটি ‘নিষ্ফল অভিযান’ ছিল।
তবে তল্লাশির সময় টাকা চুরি এবং এর আগে দুই দফায় টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী গ্রাম পুলিশ নাজির হোসেন বলেন, সাদা পোশাকে ডিএনসি কর্মকর্তারা কালুর বাড়িতে এসেছিলেন। স্থানীয়দের ফোন পেয়ে তিনি সেখানে যান। তবে বাড়ি থেকে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. তানভীর হোসেন খান বলেন, গৌরনদী সার্কেল থেকে সকালে একটি অভিযান পরিচালনার তথ্য তাঁর জানা আছে। তবে সেটি উজিরপুরে হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নন।
টাকা চুরি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, খোঁজখবর নিয়ে পরে বিস্তারিত জানাবেন। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এসআই ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার দীর্ঘ সাত বছর ধরে গৌরনদী সার্কেলে দায়িত্ব পালন করছেন। একই স্টেশনে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের সুযোগে তিনি ও তাঁর নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরা মাদকবিরোধী অভিযানের নামে আগৈলঝাড়া ও উজিরপুরের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে অর্থ আদায় করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য জমানো টাকা হারানোর অভিযোগ তুলে সুখী বেগম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, অভিযোগের বিষয়ে ডিএনসি কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয় এবং তদন্তে কী উঠে আসে।

১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:০৬
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য পায়রা-পাণ্ডব নদীর ওপর নলুয়া - বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছিল ২০২১ সালের ৮ জুন একনেক সভায়।
এতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বরিশাল (দিনারেরপুল) লক্ষ্মীপাশা-দুমকি সড়ক (জেড-৮০৪৪) এর ২৭তম কিলোমিটারে পাণ্ডব পায়রা নদীর ওপর নলুয়া-বাহেরচর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে অনুমোদন দেয় সরকার। সেতুটি নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু চার বছর পার হলেও এখনো সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরুই হয়নি।
এলাকাবাসী জানান, সেতু নির্মাণে দেরির কারণে প্রতিদিন ফেরি দিয়ে হাজারো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তারা দ্রুত একনেকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নলুয়া-বাহেরচর এলাকায় সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রহস্যজনকভাবে নির্ধারিত স্থান নলুয়া-বাহেরচরের পরিবর্তে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যে কারণে নির্ধারিত সময়ে সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। প্রথম অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান বাদ দিয়ে নতুন করে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণ করতে হলে নতুনভাবে জমি অধিগ্রহণ, রাস্তা নির্মাণ ও ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নলুয়ার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ খান জানান, নলুয়া- বাহেরচর এলাকার নলুয়া ইউনিয়নের প্রধান সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়ে সেতুটি জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় স্থাপন করা হয় তাহলে এই এলাকার সাধারণ মানুষের যোগাযোগে আরো দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে, জলিসা-দাসপাড়া নলুয়া ইউনিয়নের পূর্ব দিকে নদীর চর এলাকা যেখানে কোন রাস্তাঘাট নেই সেতুটি যদি ওই এলাকায় নির্মাণ করা হয় সেটা লোকালয় থেকে অনেক দূরে হয়ে যাবে। এতে জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সরকারের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। এবং এলাকাবাসীও সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে সেতুটি একনেকে অনুমোদিত স্থানে নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদনও পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে সেতুর নকশা, হাইড্রোলিক ও মরফোলজিক্যাল স্টাডি সম্পন্ন হয়েছে।
নলুয়া- বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক আবু এহতেশাম রাশেদ জানান, ইতোমধ্যে সেতুটি নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের জুন জুলাই মাসের মধ্যে সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
১৩০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণ হলে বাকেরগঞ্জের ও দুমকি দুই উপজেলার মানুষ সরাসরি সংযোগ পাবে এবং এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৪
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৭
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৪২