Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:০৬
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য পায়রা-পাণ্ডব নদীর ওপর নলুয়া - বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছিল ২০২১ সালের ৮ জুন একনেক সভায়।
এতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বরিশাল (দিনারেরপুল) লক্ষ্মীপাশা-দুমকি সড়ক (জেড-৮০৪৪) এর ২৭তম কিলোমিটারে পাণ্ডব পায়রা নদীর ওপর নলুয়া-বাহেরচর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে অনুমোদন দেয় সরকার। সেতুটি নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু চার বছর পার হলেও এখনো সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরুই হয়নি।
এলাকাবাসী জানান, সেতু নির্মাণে দেরির কারণে প্রতিদিন ফেরি দিয়ে হাজারো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তারা দ্রুত একনেকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নলুয়া-বাহেরচর এলাকায় সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রহস্যজনকভাবে নির্ধারিত স্থান নলুয়া-বাহেরচরের পরিবর্তে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যে কারণে নির্ধারিত সময়ে সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। প্রথম অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান বাদ দিয়ে নতুন করে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণ করতে হলে নতুনভাবে জমি অধিগ্রহণ, রাস্তা নির্মাণ ও ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নলুয়ার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ খান জানান, নলুয়া- বাহেরচর এলাকার নলুয়া ইউনিয়নের প্রধান সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়ে সেতুটি জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় স্থাপন করা হয় তাহলে এই এলাকার সাধারণ মানুষের যোগাযোগে আরো দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে, জলিসা-দাসপাড়া নলুয়া ইউনিয়নের পূর্ব দিকে নদীর চর এলাকা যেখানে কোন রাস্তাঘাট নেই সেতুটি যদি ওই এলাকায় নির্মাণ করা হয় সেটা লোকালয় থেকে অনেক দূরে হয়ে যাবে। এতে জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সরকারের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। এবং এলাকাবাসীও সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে সেতুটি একনেকে অনুমোদিত স্থানে নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদনও পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে সেতুর নকশা, হাইড্রোলিক ও মরফোলজিক্যাল স্টাডি সম্পন্ন হয়েছে।
নলুয়া- বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক আবু এহতেশাম রাশেদ জানান, ইতোমধ্যে সেতুটি নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের জুন জুলাই মাসের মধ্যে সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
১৩০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণ হলে বাকেরগঞ্জের ও দুমকি দুই উপজেলার মানুষ সরাসরি সংযোগ পাবে এবং এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য পায়রা-পাণ্ডব নদীর ওপর নলুয়া - বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছিল ২০২১ সালের ৮ জুন একনেক সভায়।
এতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বরিশাল (দিনারেরপুল) লক্ষ্মীপাশা-দুমকি সড়ক (জেড-৮০৪৪) এর ২৭তম কিলোমিটারে পাণ্ডব পায়রা নদীর ওপর নলুয়া-বাহেরচর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে অনুমোদন দেয় সরকার। সেতুটি নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু চার বছর পার হলেও এখনো সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরুই হয়নি।
এলাকাবাসী জানান, সেতু নির্মাণে দেরির কারণে প্রতিদিন ফেরি দিয়ে হাজারো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তারা দ্রুত একনেকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নলুয়া-বাহেরচর এলাকায় সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রহস্যজনকভাবে নির্ধারিত স্থান নলুয়া-বাহেরচরের পরিবর্তে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যে কারণে নির্ধারিত সময়ে সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। প্রথম অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান বাদ দিয়ে নতুন করে জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণ করতে হলে নতুনভাবে জমি অধিগ্রহণ, রাস্তা নির্মাণ ও ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নলুয়ার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ খান জানান, নলুয়া- বাহেরচর এলাকার নলুয়া ইউনিয়নের প্রধান সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়ে সেতুটি জলিসা-দাসপাড়া এলাকায় স্থাপন করা হয় তাহলে এই এলাকার সাধারণ মানুষের যোগাযোগে আরো দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে, জলিসা-দাসপাড়া নলুয়া ইউনিয়নের পূর্ব দিকে নদীর চর এলাকা যেখানে কোন রাস্তাঘাট নেই সেতুটি যদি ওই এলাকায় নির্মাণ করা হয় সেটা লোকালয় থেকে অনেক দূরে হয়ে যাবে। এতে জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সরকারের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। এবং এলাকাবাসীও সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে সেতুটি একনেকে অনুমোদিত স্থানে নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদনও পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে সেতুর নকশা, হাইড্রোলিক ও মরফোলজিক্যাল স্টাডি সম্পন্ন হয়েছে।
নলুয়া- বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক আবু এহতেশাম রাশেদ জানান, ইতোমধ্যে সেতুটি নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের জুন জুলাই মাসের মধ্যে সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
১৩০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণ হলে বাকেরগঞ্জের ও দুমকি দুই উপজেলার মানুষ সরাসরি সংযোগ পাবে এবং এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।