
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০০
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৩:৪৬
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।

২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০
বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আবারও রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার মধ্যরাতে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসকরা গতকাল রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা। এ নিয়ে গত ১৫ দিনে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান (৪০) নামে এক রোগীকে শনিবার রাত ১২টার পর শেবাচিম হাসপাতালে আনা হয়। তিনি পটুয়াখালী সদরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকার বাসিন্দা। চতুর্থ তলার সার্জারি ওয়ার্ডে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃতের ছোট ভাই রুবেল হাওলাদার বলেন, রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় লিমন ব্যবস্থাপত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় আমাদের সঙ্গে থাকা বিএম কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদ সরোয়ার কারণ জানতে চাইলে বচসা হয়। এক পর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও কর্মচারীরা নাহিদসহ রোগীর স্বজনদের মারধর করে আটকে রাখেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে জড়ো হন। ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও পাল্টা অবস্থান নিলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
বরিশালের কোতোয়ালি থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হয়েছিল। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার রাতের ঘটনার জের ধরে নিরাপত্তার অজুহাতে গতকাল সকাল থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের প্রায় আড়াইশ ইন্টার্ন চিকিৎসক রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার মূল দায়িত্ব পালন করেন। তারা ধর্মঘটে যাওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইন্টার্ন ডা. তানভীর হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে সার্জারি ওয়ার্ডে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর এক মৃতের স্বজনরা হামলা করেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে হামলা হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ওয়ার্ডে ডিউটি করব না।’
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীম বলেন, শনিবার রাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এবং তিনি ইন্টার্নদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। পরিচালক দাবি করেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই বারবার রোগীর স্বজনদের হাতে মার খাচ্ছেন।’
হাসপাতালে গত ১৫ দিনে এই নিয়ে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবজাতক ওয়ার্ডে এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলায় শিশুটির মামা জয়দেবকে মারধর করেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় আরেকজনকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
গত ১৩ মে মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসাধীন দীপালি রাণী সিকদারের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনের অভিযোগ, এক ট্রলিম্যান অন্য রোগীর কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে দীপালির অক্সিজেনের নল খুলে ফেলে। এতে দীপালির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মিলন সিকদার প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের কর্মচারীরা একজোট হয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় আউটসোর্সিং কর্মচারী সোহেলকে বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ওপর চিকিৎসকদের হামলা ও পাল্টা হামলার অভিযোগ নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ ধরনের প্রতিটি ঘটনার পর তদন্ত কমিটি হলেও তার ফলাফল বা শাস্তি সবসময় অজানা থেকে যায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের মুখপাত্র সহকারী পরিচালক (ভাণ্ডার) ডা. মুনেম সাদ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বজনরা অভিযোগ দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন; পরে সাক্ষ্য দিতে আসেন না। এ ছাড়া ইন্টার্নরা যেহেতু চাকরি করেন না, তাই তদন্তে অপরাধী প্রমাণিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে বড় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।’
আগের ঘটনাগুলোর তদন্ত ও শাস্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য না দিয়ে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহমুদুল হাসান দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগেরই তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল মহানগরের সম্পাদক রফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ধস নামছে এবং চিকিৎসকদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। রোগী ও স্বজনদের ওপর হামলাকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং এই দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও নিতে হবে।’
বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আবারও রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার মধ্যরাতে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসকরা গতকাল রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা। এ নিয়ে গত ১৫ দিনে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান (৪০) নামে এক রোগীকে শনিবার রাত ১২টার পর শেবাচিম হাসপাতালে আনা হয়। তিনি পটুয়াখালী সদরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকার বাসিন্দা। চতুর্থ তলার সার্জারি ওয়ার্ডে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃতের ছোট ভাই রুবেল হাওলাদার বলেন, রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় লিমন ব্যবস্থাপত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় আমাদের সঙ্গে থাকা বিএম কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদ সরোয়ার কারণ জানতে চাইলে বচসা হয়। এক পর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও কর্মচারীরা নাহিদসহ রোগীর স্বজনদের মারধর করে আটকে রাখেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে জড়ো হন। ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও পাল্টা অবস্থান নিলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
বরিশালের কোতোয়ালি থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হয়েছিল। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার রাতের ঘটনার জের ধরে নিরাপত্তার অজুহাতে গতকাল সকাল থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের প্রায় আড়াইশ ইন্টার্ন চিকিৎসক রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার মূল দায়িত্ব পালন করেন। তারা ধর্মঘটে যাওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইন্টার্ন ডা. তানভীর হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে সার্জারি ওয়ার্ডে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর এক মৃতের স্বজনরা হামলা করেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে হামলা হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ওয়ার্ডে ডিউটি করব না।’
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীম বলেন, শনিবার রাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এবং তিনি ইন্টার্নদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। পরিচালক দাবি করেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই বারবার রোগীর স্বজনদের হাতে মার খাচ্ছেন।’
হাসপাতালে গত ১৫ দিনে এই নিয়ে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবজাতক ওয়ার্ডে এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলায় শিশুটির মামা জয়দেবকে মারধর করেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় আরেকজনকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
গত ১৩ মে মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসাধীন দীপালি রাণী সিকদারের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনের অভিযোগ, এক ট্রলিম্যান অন্য রোগীর কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে দীপালির অক্সিজেনের নল খুলে ফেলে। এতে দীপালির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মিলন সিকদার প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের কর্মচারীরা একজোট হয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় আউটসোর্সিং কর্মচারী সোহেলকে বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ওপর চিকিৎসকদের হামলা ও পাল্টা হামলার অভিযোগ নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ ধরনের প্রতিটি ঘটনার পর তদন্ত কমিটি হলেও তার ফলাফল বা শাস্তি সবসময় অজানা থেকে যায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের মুখপাত্র সহকারী পরিচালক (ভাণ্ডার) ডা. মুনেম সাদ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বজনরা অভিযোগ দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন; পরে সাক্ষ্য দিতে আসেন না। এ ছাড়া ইন্টার্নরা যেহেতু চাকরি করেন না, তাই তদন্তে অপরাধী প্রমাণিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে বড় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।’
আগের ঘটনাগুলোর তদন্ত ও শাস্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য না দিয়ে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহমুদুল হাসান দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগেরই তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল মহানগরের সম্পাদক রফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ধস নামছে এবং চিকিৎসকদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। রোগী ও স্বজনদের ওপর হামলাকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং এই দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও নিতে হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.