
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে আকাশপথে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৪ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে ২৩৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সর্বশেষ ১ ও ২ এপ্রিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির আরও অবনতির কারণে নতুন করে বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্য রুটের ৩টি আগমন ও ৪টি প্রস্থানসহ মোট ৭টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস বাতিল করেছে ৪টি ফ্লাইট। এছাড়া এয়ার আরাবিয়া শারজাহ রুটের ৪টি এবং সালাম এয়ার ২টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।
তবে ফ্লাইট বাতিলের মাঝেও গত দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্য রুটে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৪টি আগমন ও ১৩টি প্রস্থান ফ্লাইট সীমিত আকারে চালু ছিল। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে ফ্লাইট চলাচলে এখনো অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
ফ্লাইট শিডিউল ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মী ও সাধারণ যাত্রীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে আকাশপথে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৪ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে ২৩৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সর্বশেষ ১ ও ২ এপ্রিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির আরও অবনতির কারণে নতুন করে বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্য রুটের ৩টি আগমন ও ৪টি প্রস্থানসহ মোট ৭টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস বাতিল করেছে ৪টি ফ্লাইট। এছাড়া এয়ার আরাবিয়া শারজাহ রুটের ৪টি এবং সালাম এয়ার ২টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।
তবে ফ্লাইট বাতিলের মাঝেও গত দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্য রুটে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৪টি আগমন ও ১৩টি প্রস্থান ফ্লাইট সীমিত আকারে চালু ছিল। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে ফ্লাইট চলাচলে এখনো অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
ফ্লাইট শিডিউল ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মী ও সাধারণ যাত্রীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫২
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৬
গণভোট বাতিল হলেও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান আসাদ।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান।
তিনি আরও জানান, চলতি মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শৈলকুপা সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে এলাকাকে ‘তারেকময়’ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৩৮ লাখ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে আরও প্রায় সাড়ে চার কোটি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জ্বালানি বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে এর প্রভাব কম রাখতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে অনিয়মের মাধ্যমে বারবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ছায়ভাঙা–দলিলপুর–আলফাপুর এলাকায় ১১ দশমিক ২২ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এটি দেশব্যাপী নদীনালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় আরও বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শৈলকুপার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল আল মাসউদ। সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিস অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এই প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
গণভোট বাতিল হলেও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান আসাদ।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান।
তিনি আরও জানান, চলতি মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শৈলকুপা সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে এলাকাকে ‘তারেকময়’ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৩৮ লাখ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে আরও প্রায় সাড়ে চার কোটি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জ্বালানি বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে এর প্রভাব কম রাখতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে অনিয়মের মাধ্যমে বারবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ছায়ভাঙা–দলিলপুর–আলফাপুর এলাকায় ১১ দশমিক ২২ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এটি দেশব্যাপী নদীনালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় আরও বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শৈলকুপার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল আল মাসউদ। সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিস অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এই প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.