Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ মে, ২০২৬ ১৭:২৮
বরিশাল শহর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ শিশু শিক্ষার্থী সৌরভ দাসকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের চারদিনের মাথায় বুধবার সকালে তাকে কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। কিছুটা বিলম্বে হলেও সন্তানের উদ্ধার খবব পরিবার-পরিজনদের স্বস্তি দিয়েছে, বিশেষ করে সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মা-বাবা অনেকাংশে দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছেন। এর আগে শনিবার রাতে শহরের ভাটিখানা এলাকার বাসা থেকে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় শিশু সৌরভ।
গত শনিবার রাতে খিচুড়ি খেতে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল সৌরভ। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এই ঘটনায় একদিন বাদে রোববার সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এদিকে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিভিন্ন ব্যক্তি বিশেষের ফেসবুক থেকে পোস্ট করা হলে তা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। এবং এনিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকগুলো একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হন্য হয়ে শিশুটির অনুসন্ধান শুরু করে।
পরিবারের লোকজনের অনুমান ছিল, শিশু সৌরভকে কেউ বা কারা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এবং পরবর্তীতে তারা মুক্তিপণও দাবি করতে পারে, অবশ্য এর জন্য তার পিতা-মাতা প্রস্তুত ছিলেন বলে জানা গেছে।
অবশ্য কাউনিয়া থানা পুলিশ এই বিষয়ে কোনোরূপ মন্তব্য না করে শিশুটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল শহর থেকে শিশু সৌরভ কিভাবে কক্সবাজার গেল বা তাকে কারা নিয়ে যায় তা এখন রহস্যবৃত্ত।
ভুক্তভোগী শিশুটির ভাষায় পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সৌরভ মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা তুলে খাবার অর্ডার করেছিল। পরে বাড়িতে ফেরার পথে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তার কাছে একটি কাগজে লেখা ঠিকানা দেখিয়ে কিছু জানতে চায়। এরপর তার আর কিছু মনে নেই। সেক্ষেত্রে পুলিশের প্রাথমিক ধারনা বা অনুমান, শিশুটিকে চেতনানাশক প্রয়োগ করে প্রথমে অচেতন করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে নির্ধারিত কোনো গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
কিন্তু অপরাধীদের সেই ছকে জল ঢেলে দিয়েছে ফেসবুক এবং সংবাদমাধ্যমগুলো। ভিডিও-ছবিসংবলিত লেখালেখি সরগরম হয়ে ওঠে সমাজপাতা, যা গোটা দেশের পুলিশ বাহিনীকে এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানার কর্মকর্তা এটিএম শিফাতুল মজুমদার বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে জানান, বুধবার খুব সকালে স্থানীয়রা ঈদগাঁও এলাকার ব্রিজের নিচে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরক্ষণে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার বাড়ি বরিশালে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ইতোমধ্যে বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এবং পরিবারের সদস্যদেরও কক্সবাজারে আসতে বলা হয়। পুলিশ এবং স্বজনেরা পৌছানোর পরেই শিশুকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, জানান ওসি।
বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সন্জিত চন্দ্র নাথ জানান, শিশুটিকে আনতে তাদের পুলিশ কক্সবাজার গেছে। এর আগে তার সাথে কি হয়েছে, সেই বিষয়টি এখনও পরিস্কার নয়। তবে শিশুটিকে আনার পরে তার বক্তব্য শুনলে পুরো ঘটনা বুঝতে সুবিধা হবে।’
বরিশাল শহর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ শিশু শিক্ষার্থী সৌরভ দাসকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের চারদিনের মাথায় বুধবার সকালে তাকে কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। কিছুটা বিলম্বে হলেও সন্তানের উদ্ধার খবব পরিবার-পরিজনদের স্বস্তি দিয়েছে, বিশেষ করে সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মা-বাবা অনেকাংশে দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছেন। এর আগে শনিবার রাতে শহরের ভাটিখানা এলাকার বাসা থেকে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় শিশু সৌরভ।
গত শনিবার রাতে খিচুড়ি খেতে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল সৌরভ। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এই ঘটনায় একদিন বাদে রোববার সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এদিকে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিভিন্ন ব্যক্তি বিশেষের ফেসবুক থেকে পোস্ট করা হলে তা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। এবং এনিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকগুলো একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হন্য হয়ে শিশুটির অনুসন্ধান শুরু করে।
পরিবারের লোকজনের অনুমান ছিল, শিশু সৌরভকে কেউ বা কারা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এবং পরবর্তীতে তারা মুক্তিপণও দাবি করতে পারে, অবশ্য এর জন্য তার পিতা-মাতা প্রস্তুত ছিলেন বলে জানা গেছে।
অবশ্য কাউনিয়া থানা পুলিশ এই বিষয়ে কোনোরূপ মন্তব্য না করে শিশুটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল শহর থেকে শিশু সৌরভ কিভাবে কক্সবাজার গেল বা তাকে কারা নিয়ে যায় তা এখন রহস্যবৃত্ত।
ভুক্তভোগী শিশুটির ভাষায় পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সৌরভ মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা তুলে খাবার অর্ডার করেছিল। পরে বাড়িতে ফেরার পথে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তার কাছে একটি কাগজে লেখা ঠিকানা দেখিয়ে কিছু জানতে চায়। এরপর তার আর কিছু মনে নেই। সেক্ষেত্রে পুলিশের প্রাথমিক ধারনা বা অনুমান, শিশুটিকে চেতনানাশক প্রয়োগ করে প্রথমে অচেতন করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে নির্ধারিত কোনো গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
কিন্তু অপরাধীদের সেই ছকে জল ঢেলে দিয়েছে ফেসবুক এবং সংবাদমাধ্যমগুলো। ভিডিও-ছবিসংবলিত লেখালেখি সরগরম হয়ে ওঠে সমাজপাতা, যা গোটা দেশের পুলিশ বাহিনীকে এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানার কর্মকর্তা এটিএম শিফাতুল মজুমদার বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে জানান, বুধবার খুব সকালে স্থানীয়রা ঈদগাঁও এলাকার ব্রিজের নিচে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরক্ষণে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার বাড়ি বরিশালে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ইতোমধ্যে বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এবং পরিবারের সদস্যদেরও কক্সবাজারে আসতে বলা হয়। পুলিশ এবং স্বজনেরা পৌছানোর পরেই শিশুকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, জানান ওসি।
বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সন্জিত চন্দ্র নাথ জানান, শিশুটিকে আনতে তাদের পুলিশ কক্সবাজার গেছে। এর আগে তার সাথে কি হয়েছে, সেই বিষয়টি এখনও পরিস্কার নয়। তবে শিশুটিকে আনার পরে তার বক্তব্য শুনলে পুরো ঘটনা বুঝতে সুবিধা হবে।’

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫২
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।