বরিশালের বাকেরগঞ্জে একই দিন একই স্থানে ও প্রায় একই সময়ে দুটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি সমাবেশ ডেকেছে স্বস্ব দলের নেতাকর্মীরা। এতে সংঘাতের আশঙ্কা করছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আলা আমিন চৌধুরী বলেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রতীকের সমর্থনে পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি সমাবেশ করবে।
এ কর্মসূচির জন্য তারা ৪ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এমনকি ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ বিষয় থানা অফিসার থানা অফিসার ইনচার্জকেও দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
সে অনুযায়ী তারা প্রচারও চালাচ্ছেন। অথচ একই দিন বিকেল ৩টায় একই স্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান নির্বাচনি মহাসমাবেশ ডেকেছেন। এতে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
অপরদিকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৩ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে নির্বাচনি মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। এ বিষয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনি সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব মো. ওমর সানী স্বাক্ষরিত একটি পত্র অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ শনিবার রাত ১২ টার নিজেই তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।
এনিয়ে উপজেলাজুড়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। একই দিন একই স্থানে একই সময়ে দুই প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ ঘিরে আতংক তৈরি হয়েছে। শেষ সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ছোট শহরে একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে একাধিক দলের জনসভা করা সম্ভব নয়। যে দল আগে অনুমতি নেবে, তাকেই ছাড় দেওয়া হবে। আমাদের আগে অনুমতি নেওয়ার পরও কীভাবে বিএনপি ওই স্থানে মহাসমাবেশর আয়োজন করলো– তা আমাদের বোধগম্য নয়।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনী সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি এটি। পরবর্তীতে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, একই দিনে একই সময় দুই দলের নির্বাচনী সমাবেশের বিষয় তিনি জানেন না। যে দল আগে সমাবেশ করার অনুমতি নিয়েছে তারাই ওই স্থানে সমাবেশ করতে পারবে। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, কোনো সংঘাত হবে না।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানার শাস্তি আরোপ করা হয়েছে এবং ৬ শিক্ষার্থীকে অফিসিয়াল শোকজ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে এসব শাস্তি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মার্কেটিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইন বিভাগ:
১৫ জুলাই আইন বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জয়শ্রী রাণী বিশ্বাসকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রুবাইয়া সুলতানা রাবা, মো. রিদোয়ান চৌধুরী, মো. মানজারুল হক ও রেসবুল হাসান আবিরকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ:
২২ জুলাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. কাজী নাবির, সুমাইয়া আক্তার রিয়া, ইয়ামিন হোসেন, ফারিয়া বিনতে হোসেনইলমা, মো. ওয়েদুজ্জামান রিফাত, মো. আরিফুল ইসলাম, সাদিয়া ইসলাম ও মো. নাইম ইসলামকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মাহি আনোয়ারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার এবং মো. রাকিবুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
মার্কেটিং বিভাগ:
১৯ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সুরাইয়া আক্তার, সৌরভ মালী, মো. মেহেদী হাসান অমি, আজিজুল ইসলাম চয়ন, ঐশী মহন্ত, এসএম সাইফুজ্জামান, মো. খালেদ হোসেন, জান্নাতুল বুশরা জুনি, আলিফ হোসেন নয়ন, নূর নবী, কিশোর কুমার দত্ত, রিফাত হাওলাদার ও হাসিব শেখকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. সবুজ মিয়াকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সাদিয়া বেগম, স্নেহা আক্তার, ফারিয়া শিমুল কলি, দিদারুল ইসলাম ও তাশফিক কবির রাফিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সিএসই বিভাগ:
৯ আগস্ট সিএসই বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. মুজাহিদ হাওলাদার, অনিন্দা সাহা অর্ঘ্য, চন্দন মিস্ত্রি, কাউসার হোসেন সৌরভ, সুস্ময় তরুয়া, সাফায়েত ইসলাম শিহাব, অয়ন দাস দ্বীপ ও সিদ্ধার্থ সরকারকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. মাসুম বিল্লাহ ও মুবিনুল ইসলাম নোবেলকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মো. রবিউল ইসলাম, মো. মইনুল ইসলাম সাকিব, মো. রেজুয়ান আজাদ ওয়াসি ও মো. মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বরের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এসব শাস্তি আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ এবং প্রতিবেদনের আলোকে অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হয়।
একই সাথে বলা হয়েছে জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ০১ (এক) মাস। উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দ্বিগুনহারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন," শিক্ষার্থীরা যেন সংশোধন হয় সেজন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে এ শাস্তি দিয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।"
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানার শাস্তি আরোপ করা হয়েছে এবং ৬ শিক্ষার্থীকে অফিসিয়াল শোকজ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে এসব শাস্তি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মার্কেটিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইন বিভাগ:
১৫ জুলাই আইন বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জয়শ্রী রাণী বিশ্বাসকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রুবাইয়া সুলতানা রাবা, মো. রিদোয়ান চৌধুরী, মো. মানজারুল হক ও রেসবুল হাসান আবিরকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ:
২২ জুলাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. কাজী নাবির, সুমাইয়া আক্তার রিয়া, ইয়ামিন হোসেন, ফারিয়া বিনতে হোসেনইলমা, মো. ওয়েদুজ্জামান রিফাত, মো. আরিফুল ইসলাম, সাদিয়া ইসলাম ও মো. নাইম ইসলামকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মাহি আনোয়ারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার এবং মো. রাকিবুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
মার্কেটিং বিভাগ:
১৯ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সুরাইয়া আক্তার, সৌরভ মালী, মো. মেহেদী হাসান অমি, আজিজুল ইসলাম চয়ন, ঐশী মহন্ত, এসএম সাইফুজ্জামান, মো. খালেদ হোসেন, জান্নাতুল বুশরা জুনি, আলিফ হোসেন নয়ন, নূর নবী, কিশোর কুমার দত্ত, রিফাত হাওলাদার ও হাসিব শেখকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. সবুজ মিয়াকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সাদিয়া বেগম, স্নেহা আক্তার, ফারিয়া শিমুল কলি, দিদারুল ইসলাম ও তাশফিক কবির রাফিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সিএসই বিভাগ:
৯ আগস্ট সিএসই বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. মুজাহিদ হাওলাদার, অনিন্দা সাহা অর্ঘ্য, চন্দন মিস্ত্রি, কাউসার হোসেন সৌরভ, সুস্ময় তরুয়া, সাফায়েত ইসলাম শিহাব, অয়ন দাস দ্বীপ ও সিদ্ধার্থ সরকারকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. মাসুম বিল্লাহ ও মুবিনুল ইসলাম নোবেলকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মো. রবিউল ইসলাম, মো. মইনুল ইসলাম সাকিব, মো. রেজুয়ান আজাদ ওয়াসি ও মো. মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বরের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এসব শাস্তি আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ এবং প্রতিবেদনের আলোকে অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হয়।
একই সাথে বলা হয়েছে জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ০১ (এক) মাস। উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দ্বিগুনহারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন," শিক্ষার্থীরা যেন সংশোধন হয় সেজন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে এ শাস্তি দিয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।"

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫১
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০২
বরিশালের বাকেরগঞ্জে একই দিন একই স্থানে ও প্রায় একই সময়ে দুটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি সমাবেশ ডেকেছে স্বস্ব দলের নেতাকর্মীরা। এতে সংঘাতের আশঙ্কা করছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আলা আমিন চৌধুরী বলেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রতীকের সমর্থনে পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি সমাবেশ করবে।
এ কর্মসূচির জন্য তারা ৪ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এমনকি ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ বিষয় থানা অফিসার থানা অফিসার ইনচার্জকেও দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
সে অনুযায়ী তারা প্রচারও চালাচ্ছেন। অথচ একই দিন বিকেল ৩টায় একই স্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান নির্বাচনি মহাসমাবেশ ডেকেছেন। এতে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
অপরদিকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৩ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে নির্বাচনি মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। এ বিষয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনি সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব মো. ওমর সানী স্বাক্ষরিত একটি পত্র অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ শনিবার রাত ১২ টার নিজেই তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।
এনিয়ে উপজেলাজুড়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। একই দিন একই স্থানে একই সময়ে দুই প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ ঘিরে আতংক তৈরি হয়েছে। শেষ সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ছোট শহরে একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে একাধিক দলের জনসভা করা সম্ভব নয়। যে দল আগে অনুমতি নেবে, তাকেই ছাড় দেওয়া হবে। আমাদের আগে অনুমতি নেওয়ার পরও কীভাবে বিএনপি ওই স্থানে মহাসমাবেশর আয়োজন করলো– তা আমাদের বোধগম্য নয়।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনী সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি এটি। পরবর্তীতে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, একই দিনে একই সময় দুই দলের নির্বাচনী সমাবেশের বিষয় তিনি জানেন না। যে দল আগে সমাবেশ করার অনুমতি নিয়েছে তারাই ওই স্থানে সমাবেশ করতে পারবে। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, কোনো সংঘাত হবে না।