
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:১৭
দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সংগঠিত সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং দ্য ডেইলি নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবিরকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ঘটনার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানবন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার ভবনের সামনের সড়কে এক ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়।
বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাউফল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ভোরের কাগজের অতুল চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানবকণ্ঠের মো. জসিম উদ্দিন, সমকালের জিতেন্দ্র নাথ রায়, ইত্তেফাকের কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইটিভির অহিদুজ্জামান ডিউক,ইনকিলাবের নূরুল ইসলাম ছিদ্দিকী মাসুম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. অলিয়ার রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বাউফল উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন, বাউফল পৌরসভা বস্ত্র সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য তরিকুল ইসলাম মোস্তফা, জুয়েলারি সমিতির বাউফল পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুমার দাস প্রমুখ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন,‘সাংবাদ মাধ্যম হল আলো। আলো কখনো পোড়ে না, পোড়ানো যায় না। আগুনে আলো আলোকিত হয় বহুগুনে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সেই আলো,আগুনের আলো হয়ে ফিরেছে সবার মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে। অতুল চন্দ্র পাল বলেন,‘ সংবাদপত্রের কারণে যে কোনো সরকার স্বৈরাচার হতে ভয় পায়। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংবাদপত্রের কারণে। সেখানে শীর্ষ সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর আক্রমন স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যাবে না।’
সুজনের সহ-সভাপতি অহিদুজ্জামান সুপন বলেন,হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম আলোকে সরকারি দপ্তরে নিষিদ্ধ করেছিল। সংসদে পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন,প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু দেশের শত্রু। সেই দুটি পত্রিকার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া খুবই দুঃখ ও ন্যক্কারজনক।
ব্যবসায়ী পলাশ কুমার দাস বলেন,‘ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিল। অথচ একটি উগ্রগোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে মব সৃষ্টি করে এ ধরনের হামলা করে যাচ্ছে।
অহিদুজ্জামান ডিউক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ও কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালায়। ঢাকার কার্যালয় ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন এলাকায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ওই রাতে হামলা, লুটপাট ও অগুন দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর যেভাবে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত উগ্রগোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়।
দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সংগঠিত সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং দ্য ডেইলি নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবিরকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ঘটনার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানবন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার ভবনের সামনের সড়কে এক ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়।
বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাউফল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ভোরের কাগজের অতুল চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানবকণ্ঠের মো. জসিম উদ্দিন, সমকালের জিতেন্দ্র নাথ রায়, ইত্তেফাকের কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইটিভির অহিদুজ্জামান ডিউক,ইনকিলাবের নূরুল ইসলাম ছিদ্দিকী মাসুম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. অলিয়ার রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বাউফল উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন, বাউফল পৌরসভা বস্ত্র সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য তরিকুল ইসলাম মোস্তফা, জুয়েলারি সমিতির বাউফল পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুমার দাস প্রমুখ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন,‘সাংবাদ মাধ্যম হল আলো। আলো কখনো পোড়ে না, পোড়ানো যায় না। আগুনে আলো আলোকিত হয় বহুগুনে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সেই আলো,আগুনের আলো হয়ে ফিরেছে সবার মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে। অতুল চন্দ্র পাল বলেন,‘ সংবাদপত্রের কারণে যে কোনো সরকার স্বৈরাচার হতে ভয় পায়। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংবাদপত্রের কারণে। সেখানে শীর্ষ সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর আক্রমন স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যাবে না।’
সুজনের সহ-সভাপতি অহিদুজ্জামান সুপন বলেন,হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম আলোকে সরকারি দপ্তরে নিষিদ্ধ করেছিল। সংসদে পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন,প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু দেশের শত্রু। সেই দুটি পত্রিকার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া খুবই দুঃখ ও ন্যক্কারজনক।
ব্যবসায়ী পলাশ কুমার দাস বলেন,‘ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিল। অথচ একটি উগ্রগোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে মব সৃষ্টি করে এ ধরনের হামলা করে যাচ্ছে।
অহিদুজ্জামান ডিউক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ও কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালায়। ঢাকার কার্যালয় ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন এলাকায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ওই রাতে হামলা, লুটপাট ও অগুন দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর যেভাবে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত উগ্রগোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০২
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।