
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৯
ভোলার তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি তেলসহ একজনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন।সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ভোলার তেঁতুলিয়া নদী এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তির নাম মামুন মিজি। তার বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর এলাকায়।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদ ছিল যে বরিশাল থেকে জলপথে জ্বালানি তেলের একটি অবৈধ চালান ভোলার দিকে আসছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ডের একটি চৌকস দল তেঁতুলিয়া নদীতে অবস্থান নেয়। অভিযানকালে একটি স্টিল বডির ট্রলার তল্লাশি করে ২০টি ব্যারেলে থাকা মোট ৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ট্রলারে থাকা মামুন মিজি তেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তেলসহ ট্রলারটি জব্দ করে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট সংলগ্ন কোস্টগার্ড স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে জব্দ করা তেল স্থানীয় ডিলারের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে হস্তান্তর করেন। বিক্রয়ের পর সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।
ভোলার তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি তেলসহ একজনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন।সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ভোলার তেঁতুলিয়া নদী এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তির নাম মামুন মিজি। তার বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর এলাকায়।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদ ছিল যে বরিশাল থেকে জলপথে জ্বালানি তেলের একটি অবৈধ চালান ভোলার দিকে আসছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ডের একটি চৌকস দল তেঁতুলিয়া নদীতে অবস্থান নেয়। অভিযানকালে একটি স্টিল বডির ট্রলার তল্লাশি করে ২০টি ব্যারেলে থাকা মোট ৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ট্রলারে থাকা মামুন মিজি তেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তেলসহ ট্রলারটি জব্দ করে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট সংলগ্ন কোস্টগার্ড স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে জব্দ করা তেল স্থানীয় ডিলারের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে হস্তান্তর করেন। বিক্রয়ের পর সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১০
বাকপ্রতিবন্ধী শিশুসন্তানের সামনে থেকে কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত দাবি করে, ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতাসহ সবকিছুই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখনো সরকার সেই পথেই হাঁটছে।
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ভোলা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী বিবি সাওদাকে (৩৭) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কোনো কারণ উল্লেখ করতে পারেনি। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সারা দিন তাকে থানায় আটকে রেখে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে জেলহাজতে পাঠান। এমন অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
গোয়েন্দা শাখার এসআই জুয়েল হোসেন খান আদালতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবি সাওদা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু কী ধরনের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।
এ কারণে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৪ ধারায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ও ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করে জামায়াত।
বাকপ্রতিবন্ধী শিশুসন্তানের সামনে থেকে কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত দাবি করে, ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতাসহ সবকিছুই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখনো সরকার সেই পথেই হাঁটছে।
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ভোলা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী বিবি সাওদাকে (৩৭) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কোনো কারণ উল্লেখ করতে পারেনি। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সারা দিন তাকে থানায় আটকে রেখে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে জেলহাজতে পাঠান। এমন অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
গোয়েন্দা শাখার এসআই জুয়েল হোসেন খান আদালতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবি সাওদা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু কী ধরনের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।
এ কারণে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৪ ধারায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ও ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করে জামায়াত।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.