
২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি আটটি দফতরের কার্যক্রম চলছে পরিত্যক্ত ভবনে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই পরিত্যক্ত ভবনে দায়িত্ব পালন করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের জন্য একটি নতুন ভবণ নির্মাণ করা হয়। এরপর কিছু অফিস নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় পরিত্যক্ত ভবনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে আটটি সরকারি দপ্তরের।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর, তথ্য সেবা কেন্দ্র, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে পরিত্যক্ত ভবনে। ওই পরিত্যক্ত ভবনের প্রতিটি কলাম ফেটে রড বেড়িয়ে গেছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। ছাদ ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরাতন ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি বানিয়ে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অফিস করছেন প্রতিটি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। ভবন ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরানো ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি তৈরি করে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ হওয়ায় কম্পিউটারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ভূমিকম্পের মতো অঘটন ঘটলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।
এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, অনেক আগেই উপজেলা পরিষদের ৩টি ভবন ও ৩টি ডরমেটরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন ভবনে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়েকটি দপ্তরের কার্যক্রম চলছে।
বাউফলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি আটটি দফতরের কার্যক্রম চলছে পরিত্যক্ত ভবনে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই পরিত্যক্ত ভবনে দায়িত্ব পালন করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের জন্য একটি নতুন ভবণ নির্মাণ করা হয়। এরপর কিছু অফিস নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় পরিত্যক্ত ভবনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে আটটি সরকারি দপ্তরের।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর, তথ্য সেবা কেন্দ্র, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে পরিত্যক্ত ভবনে। ওই পরিত্যক্ত ভবনের প্রতিটি কলাম ফেটে রড বেড়িয়ে গেছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। ছাদ ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরাতন ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি বানিয়ে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অফিস করছেন প্রতিটি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। ভবন ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরানো ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি তৈরি করে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ হওয়ায় কম্পিউটারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ভূমিকম্পের মতো অঘটন ঘটলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।
এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, অনেক আগেই উপজেলা পরিষদের ৩টি ভবন ও ৩টি ডরমেটরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন ভবনে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়েকটি দপ্তরের কার্যক্রম চলছে।
বাউফলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:০৪
পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. মুসা গাজীর পক্ষে তার দাদি মোসা. ফাতিমা বেগম। তিনি জানান, তার ছেলে মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের অংশ থেকে ১.২৮ একর জমি ক্রয় করে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ফাতিমা বেগম দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।
এবিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি ওই ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।
মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল ইসলাম গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. মুসা গাজীর পক্ষে তার দাদি মোসা. ফাতিমা বেগম। তিনি জানান, তার ছেলে মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের অংশ থেকে ১.২৮ একর জমি ক্রয় করে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ফাতিমা বেগম দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।
এবিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি ওই ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।
মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল ইসলাম গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.