
২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি আটটি দফতরের কার্যক্রম চলছে পরিত্যক্ত ভবনে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই পরিত্যক্ত ভবনে দায়িত্ব পালন করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের জন্য একটি নতুন ভবণ নির্মাণ করা হয়। এরপর কিছু অফিস নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় পরিত্যক্ত ভবনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে আটটি সরকারি দপ্তরের।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর, তথ্য সেবা কেন্দ্র, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে পরিত্যক্ত ভবনে। ওই পরিত্যক্ত ভবনের প্রতিটি কলাম ফেটে রড বেড়িয়ে গেছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। ছাদ ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরাতন ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি বানিয়ে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অফিস করছেন প্রতিটি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। ভবন ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরানো ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি তৈরি করে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ হওয়ায় কম্পিউটারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ভূমিকম্পের মতো অঘটন ঘটলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।
এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, অনেক আগেই উপজেলা পরিষদের ৩টি ভবন ও ৩টি ডরমেটরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন ভবনে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়েকটি দপ্তরের কার্যক্রম চলছে।
বাউফলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি আটটি দফতরের কার্যক্রম চলছে পরিত্যক্ত ভবনে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই পরিত্যক্ত ভবনে দায়িত্ব পালন করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের জন্য একটি নতুন ভবণ নির্মাণ করা হয়। এরপর কিছু অফিস নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় পরিত্যক্ত ভবনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে আটটি সরকারি দপ্তরের।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর, তথ্য সেবা কেন্দ্র, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে পরিত্যক্ত ভবনে। ওই পরিত্যক্ত ভবনের প্রতিটি কলাম ফেটে রড বেড়িয়ে গেছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। ছাদ ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরাতন ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি বানিয়ে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অফিস করছেন প্রতিটি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। ভবন ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরানো ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি তৈরি করে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ হওয়ায় কম্পিউটারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ভূমিকম্পের মতো অঘটন ঘটলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।
এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, অনেক আগেই উপজেলা পরিষদের ৩টি ভবন ও ৩টি ডরমেটরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন ভবনে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়েকটি দপ্তরের কার্যক্রম চলছে।
বাউফলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.