Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪২
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সিভিল জজ (বরিশাল) সাব্বির মো. খালিদ এ নোটিশ জারি করেন।
জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি প্রার্থী নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন অ্যাডভোকেট এনামুল হক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি রাতে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলা বাজারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং তার কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনা বিধিমালার ৬(ক) ধারার পরিপন্থী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, প্রার্থী নুরুল হক নূর তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৫(ক) এবং ১৬(গ)(ছ) ধারা লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় দশমিনায় স্বাক্ষরকারীর অস্থায়ী কার্যালয়ে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
নুরুল হক নূরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবু নাঈম বলেন, ‘গত ২৬ জানুয়ারি রাতে চরবোরহানের ঘটনায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকেরাই প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে হাসান মামুনই এগিয়ে। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। আমরা শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দেব।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সিভিল জজ (বরিশাল) সাব্বির মো. খালিদ এ নোটিশ জারি করেন।
জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি প্রার্থী নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন অ্যাডভোকেট এনামুল হক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি রাতে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলা বাজারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং তার কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনা বিধিমালার ৬(ক) ধারার পরিপন্থী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, প্রার্থী নুরুল হক নূর তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৫(ক) এবং ১৬(গ)(ছ) ধারা লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় দশমিনায় স্বাক্ষরকারীর অস্থায়ী কার্যালয়ে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
নুরুল হক নূরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবু নাঈম বলেন, ‘গত ২৬ জানুয়ারি রাতে চরবোরহানের ঘটনায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকেরাই প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে হাসান মামুনই এগিয়ে। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। আমরা শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দেব।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:২৪

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৩১
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’