Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪২
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সিভিল জজ (বরিশাল) সাব্বির মো. খালিদ এ নোটিশ জারি করেন।
জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি প্রার্থী নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন অ্যাডভোকেট এনামুল হক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি রাতে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলা বাজারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং তার কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনা বিধিমালার ৬(ক) ধারার পরিপন্থী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, প্রার্থী নুরুল হক নূর তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৫(ক) এবং ১৬(গ)(ছ) ধারা লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় দশমিনায় স্বাক্ষরকারীর অস্থায়ী কার্যালয়ে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
নুরুল হক নূরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবু নাঈম বলেন, ‘গত ২৬ জানুয়ারি রাতে চরবোরহানের ঘটনায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকেরাই প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে হাসান মামুনই এগিয়ে। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। আমরা শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দেব।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সিভিল জজ (বরিশাল) সাব্বির মো. খালিদ এ নোটিশ জারি করেন।
জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি প্রার্থী নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন অ্যাডভোকেট এনামুল হক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি রাতে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলা বাজারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং তার কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনা বিধিমালার ৬(ক) ধারার পরিপন্থী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, প্রার্থী নুরুল হক নূর তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৫(ক) এবং ১৬(গ)(ছ) ধারা লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় দশমিনায় স্বাক্ষরকারীর অস্থায়ী কার্যালয়ে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
নুরুল হক নূরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবু নাঈম বলেন, ‘গত ২৬ জানুয়ারি রাতে চরবোরহানের ঘটনায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকেরাই প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে হাসান মামুনই এগিয়ে। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। আমরা শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দেব।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২