Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৪
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন মাসের ব্যবধানে সাত শিশুর মৃত্যু, ক্রমগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের সখ্যা
হাম বা রুবিওলা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বরিশালে ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভাগের ৬টি জেলার সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৭৭ শিশুকে চিকিৎসা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। মর্মান্তিক বিষয় হচ্ছে, ভাইরাসজনিত এই রোগে গত তিন মাসে বরিশালে সাত শিশু মৃত্যুবরণ করে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক-ভীতি এবং শঙ্কা বিরাজ করছে। বিশেষ করে হাম প্রাণঘাতী রোগে পরিণত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ নড়েচড়ে বসে এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্রস্তুতি নেয়। তবে দ্বীপ ভোলা জেলায় হামের টিকা সংকট রয়েছে বলে জানা গেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম (Measles) বা রুবিওলা একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে। এটি মিজলস মর্বিলিভাইরাস নামক এক প্রকার ভাইরাসের কারণে হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা ব্যবহৃত জিনিসের মাধ্যমে তড়িৎ গতিতে ছড়ায়। এবং এই ভাইরাসে শিশুরাই বেশিমাত্রায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, অনেকের প্রাণহানিরও কারণ হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগজুড়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৭ শিশু। একই সময়ে বিভাগজুড়ে ২০৬ শিশুর দেহে অত্যন্ত সংক্রামক হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। সোমবার বিকেল পর্যন্ত বিভাগের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয় ৭৭ শিশু। এবং প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ভিড় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বরিশাল বিভাগের বাসিন্দাদের চিকিৎসার ভরসাস্থল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে এই তিন মাসে ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসে আক্রান্ত হয় ৮৯ জন। সোমবার দুপুরে এই হাসপাতালে ৩৪ জন হাম আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসাধীন দেখা গেছে। এর আগে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) শেবাচিম হাসপাতালে বানারীপাড়ার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া সোমবার সকালে হামে আক্রান্ত হয়ে আরেক শিশু মারা যায়।
ভাইরাসজনিত এই রোগে আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে আছেন বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার। তিনি জানান, ‘সাত দিন আগে তার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করান। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বা রুবিওলা বলে শনাক্ত করেন। অনুরূপভাবে প্রতিদিনই হাম আক্রান্ত শিশু সংখ্যা হাসপাতালে বাড়ছে। বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালগুলোতেও আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে আসার পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ শনাক্ত করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির বলেন, শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এই ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। এবং আক্রান্ত শিশুদের সেবা দিয়ে দ্রুত সুস্থ করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন চিকিৎসকেরা।
হামে আক্রান্ত হয়ে সাত শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক-উদ্বেগ-ভীতি তৈরি হয়েছে তা খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলও স্বীকার করেনে। এই চিকিৎসক জানান, হাম বা রুবিওলা (Measles) একটি অত্যন্ত ছোয়াঁচে ও তীব্র ভাইরাসঘটিত রোগ। প্যারামক্সিভাইরাস গোত্রের মর্বিলিভাইরাস গণের অন্তর্গত একটি ভাইরাসের কারণে রোগটি ঘটে থাকে; ভাইরাসটির পূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম মিজল্স মর্বিলিভাইরাস (Measles morbillivirus)। বিশেষ করে ছোঁয়াচে এই রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে খুব দ্রুত ছড়ায়। রোগীর সঙ্গে একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে। তবে এতে আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে। এছাড়া যেকোনো বয়সের মানুষের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রাণঘাতী এই রোগের টিকা বরিশালের ৫টি জেলায় মজুত থাকলেও দ্বীপ জেলা ভোলায় সংকট রয়েছে? এমন প্রশ্নে বিভাগের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শ্যামল বলেন, সোমবার সেখানে টিকা সরবরাহ করা হয়। এবং কোথাও সংকট দেখা দিলে সেখানে তাৎক্ষণিক প্রেরণ করা হচ্ছে। এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে হাম বা রুবিওলা প্রতিরোধে প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি সর্বসাধারণকে এই রোগ থেকে নিরাপদ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে অধিক সুরক্ষার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন মাসের ব্যবধানে সাত শিশুর মৃত্যু, ক্রমগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের সখ্যা
হাম বা রুবিওলা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বরিশালে ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভাগের ৬টি জেলার সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৭৭ শিশুকে চিকিৎসা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। মর্মান্তিক বিষয় হচ্ছে, ভাইরাসজনিত এই রোগে গত তিন মাসে বরিশালে সাত শিশু মৃত্যুবরণ করে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক-ভীতি এবং শঙ্কা বিরাজ করছে। বিশেষ করে হাম প্রাণঘাতী রোগে পরিণত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ নড়েচড়ে বসে এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্রস্তুতি নেয়। তবে দ্বীপ ভোলা জেলায় হামের টিকা সংকট রয়েছে বলে জানা গেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম (Measles) বা রুবিওলা একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে। এটি মিজলস মর্বিলিভাইরাস নামক এক প্রকার ভাইরাসের কারণে হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা ব্যবহৃত জিনিসের মাধ্যমে তড়িৎ গতিতে ছড়ায়। এবং এই ভাইরাসে শিশুরাই বেশিমাত্রায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, অনেকের প্রাণহানিরও কারণ হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগজুড়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৭ শিশু। একই সময়ে বিভাগজুড়ে ২০৬ শিশুর দেহে অত্যন্ত সংক্রামক হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। সোমবার বিকেল পর্যন্ত বিভাগের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয় ৭৭ শিশু। এবং প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ভিড় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বরিশাল বিভাগের বাসিন্দাদের চিকিৎসার ভরসাস্থল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে এই তিন মাসে ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসে আক্রান্ত হয় ৮৯ জন। সোমবার দুপুরে এই হাসপাতালে ৩৪ জন হাম আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসাধীন দেখা গেছে। এর আগে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) শেবাচিম হাসপাতালে বানারীপাড়ার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া সোমবার সকালে হামে আক্রান্ত হয়ে আরেক শিশু মারা যায়।
ভাইরাসজনিত এই রোগে আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে আছেন বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার। তিনি জানান, ‘সাত দিন আগে তার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করান। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বা রুবিওলা বলে শনাক্ত করেন। অনুরূপভাবে প্রতিদিনই হাম আক্রান্ত শিশু সংখ্যা হাসপাতালে বাড়ছে। বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালগুলোতেও আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে আসার পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ শনাক্ত করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির বলেন, শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এই ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। এবং আক্রান্ত শিশুদের সেবা দিয়ে দ্রুত সুস্থ করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন চিকিৎসকেরা।
হামে আক্রান্ত হয়ে সাত শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক-উদ্বেগ-ভীতি তৈরি হয়েছে তা খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলও স্বীকার করেনে। এই চিকিৎসক জানান, হাম বা রুবিওলা (Measles) একটি অত্যন্ত ছোয়াঁচে ও তীব্র ভাইরাসঘটিত রোগ। প্যারামক্সিভাইরাস গোত্রের মর্বিলিভাইরাস গণের অন্তর্গত একটি ভাইরাসের কারণে রোগটি ঘটে থাকে; ভাইরাসটির পূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম মিজল্স মর্বিলিভাইরাস (Measles morbillivirus)। বিশেষ করে ছোঁয়াচে এই রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে খুব দ্রুত ছড়ায়। রোগীর সঙ্গে একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে। তবে এতে আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে। এছাড়া যেকোনো বয়সের মানুষের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রাণঘাতী এই রোগের টিকা বরিশালের ৫টি জেলায় মজুত থাকলেও দ্বীপ জেলা ভোলায় সংকট রয়েছে? এমন প্রশ্নে বিভাগের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শ্যামল বলেন, সোমবার সেখানে টিকা সরবরাহ করা হয়। এবং কোথাও সংকট দেখা দিলে সেখানে তাৎক্ষণিক প্রেরণ করা হচ্ছে। এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে হাম বা রুবিওলা প্রতিরোধে প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি সর্বসাধারণকে এই রোগ থেকে নিরাপদ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে অধিক সুরক্ষার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।