
০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৪৭
সারাদেশের মত বরিশালেও আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকা প্রদানের কার্যক্রম চলমান। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বরিশাল অঞ্চলে টিকা প্রদানের অগ্রগতি ছিল ৯৭.৭২ ভাগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক জানান, নির্ধারিত সময়ে চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
গত ১২ অক্টোবর থেকে ১৮ কর্মদিবসে বরিশালের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরিশাল মহানগরীতেও প্রায় এক লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে, জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম-বীর প্রতিক বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বরিশালের ৬টি জেলার ৪২টি উপজেলায় ২৭ লাখ শিশুর মধ্যে ১৯ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বরিশাল জেলায় টিকা প্রদানের হার লক্ষ্যমাত্রার শতভাগেরও বেশি। তবে বরিশাল মহানগরীর হার ৯৪.৮২%, যা আগের দিনের ৯৫.৩৯%-এর তুলনায় সামান্য কম। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছব, ইনশাআল্লাহ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ইউনিসেফসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তা সংস্থার সমর্থনে সরকার প্রথমবারের মতো টাইফয়েড কনজুগেট টিকা সংগ্রহ করে শিশুদের বিনামূল্যে প্রদান করছে। বাংলাদেশে ব্যবহৃত এই টিকা কোনো প্রাণীজ উৎস থেকে সংগৃহীত নয় এবং এতে কোনো নেশাজাত পদার্থ নেই, ফলে সম্পূর্ণ হালাল।
ইতোপূর্বে সারা দেশের মতো বরিশালেও কন্যাশিশুদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা প্রদান করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে, বিনামূল্যে টিকা প্রদানের ফলে বিপুল সংখ্যক কন্যাশিশু ভবিষ্যতে জরায়ুমুখ ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণীর সব শিক্ষার্থীকে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘টাইফয়েড জ¦র’ প্রতিরোধী টিকা প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে সমবয়সী শিশুরাও ইপিআই কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ করতে পারছে। জন্ম নিবন্ধন সনদের ১৭ সংখ্যা ব্যবহার করে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করলে যে কোনো শিশু বিনামূল্যে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।
‘দ্যা গ্লোবাল বার্ডেন অফ ডিজিজ’ অনুযায়ী, ২০২১ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৪ লাখ ৭৮ হাজার মানুষ টাইফয়েড জ¦রে আক্রান্ত হয়ে ৮ হাজার জনের মৃত্যু হয়। আক্রান্ত ও মৃতদের ৬৮% শিশু এবং তাদের অধিকাংশই ১৫ বছরের নিচে। টাইফয়েড জ¦র মূলত দুষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। WHO-এর ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর ৯০ লাখ মানুষ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং অন্তত ১ লাখ ১০ হাজার জন মারা যায়। আক্রান্ত ও মৃতদের অধিকাংশই দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে।
পাকিস্তান ২০১৯ সাল থেকেই নিয়মিত টিকাদানে টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকা ব্যবহার করছে এবং প্রাথমিক প্রচারণার হার ছিল ৯৫%।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, টাইফয়েডের মতো প্রাণঘাতি রোগ থেকে শিশু ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করার একমাত্র বিকল্প হলো এক ডোজ টিকা গ্রহণ।
সারাদেশের মত বরিশালেও আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকা প্রদানের কার্যক্রম চলমান। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বরিশাল অঞ্চলে টিকা প্রদানের অগ্রগতি ছিল ৯৭.৭২ ভাগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক জানান, নির্ধারিত সময়ে চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
গত ১২ অক্টোবর থেকে ১৮ কর্মদিবসে বরিশালের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরিশাল মহানগরীতেও প্রায় এক লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে, জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম-বীর প্রতিক বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বরিশালের ৬টি জেলার ৪২টি উপজেলায় ২৭ লাখ শিশুর মধ্যে ১৯ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বরিশাল জেলায় টিকা প্রদানের হার লক্ষ্যমাত্রার শতভাগেরও বেশি। তবে বরিশাল মহানগরীর হার ৯৪.৮২%, যা আগের দিনের ৯৫.৩৯%-এর তুলনায় সামান্য কম। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছব, ইনশাআল্লাহ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ইউনিসেফসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তা সংস্থার সমর্থনে সরকার প্রথমবারের মতো টাইফয়েড কনজুগেট টিকা সংগ্রহ করে শিশুদের বিনামূল্যে প্রদান করছে। বাংলাদেশে ব্যবহৃত এই টিকা কোনো প্রাণীজ উৎস থেকে সংগৃহীত নয় এবং এতে কোনো নেশাজাত পদার্থ নেই, ফলে সম্পূর্ণ হালাল।
ইতোপূর্বে সারা দেশের মতো বরিশালেও কন্যাশিশুদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা প্রদান করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে, বিনামূল্যে টিকা প্রদানের ফলে বিপুল সংখ্যক কন্যাশিশু ভবিষ্যতে জরায়ুমুখ ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণীর সব শিক্ষার্থীকে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘টাইফয়েড জ¦র’ প্রতিরোধী টিকা প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে সমবয়সী শিশুরাও ইপিআই কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ করতে পারছে। জন্ম নিবন্ধন সনদের ১৭ সংখ্যা ব্যবহার করে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করলে যে কোনো শিশু বিনামূল্যে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।
‘দ্যা গ্লোবাল বার্ডেন অফ ডিজিজ’ অনুযায়ী, ২০২১ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৪ লাখ ৭৮ হাজার মানুষ টাইফয়েড জ¦রে আক্রান্ত হয়ে ৮ হাজার জনের মৃত্যু হয়। আক্রান্ত ও মৃতদের ৬৮% শিশু এবং তাদের অধিকাংশই ১৫ বছরের নিচে। টাইফয়েড জ¦র মূলত দুষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। WHO-এর ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর ৯০ লাখ মানুষ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং অন্তত ১ লাখ ১০ হাজার জন মারা যায়। আক্রান্ত ও মৃতদের অধিকাংশই দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে।
পাকিস্তান ২০১৯ সাল থেকেই নিয়মিত টিকাদানে টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকা ব্যবহার করছে এবং প্রাথমিক প্রচারণার হার ছিল ৯৫%।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, টাইফয়েডের মতো প্রাণঘাতি রোগ থেকে শিশু ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করার একমাত্র বিকল্প হলো এক ডোজ টিকা গ্রহণ।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬