
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৩
বরিশাল শহরের পলাশপুরে মূর্তিমান আতঙ্ক রূপে প্রকাশ্যে এসেছেন মেহেদী হাসান সোহাগ শিকদার নামের ত্রিশোর্ধ্ব এক যুবক। গত বছর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রিকশাচালক এই যুবক বিএনপির নাম ভাঙিয়ে পুরো পলাশপুর এলাকায় এক ধরনের ত্রাস চালিয়ে আসছেন। মাদক ক্রয়-বিক্রয় করাসহ গত কয়েক মাসে অন্তত অর্ধডজন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে স্থানীয় সাধারণ বাসিন্দাদের ওষ্ঠাগত করে তুলেছেন ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা কেফায়েত হোসেন রনির স্নেহভাজন সোহাগ।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, মেহেদী হাসান সোহাগ শিকদার বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ নেতা কেফায়েত হোসেন রনির সাথে রাজনীতি করলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে তিনি বোল পাল্টে ফেলেছেন। নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে এলাকায় বহুমুখী অপরাধ করে বেড়াচ্ছেন।
পুলিশসহ একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মূর্তিমান আতঙ্ক সোহাগের বিরুদ্ধে বিগত সময়ে একাধিক মাদক মামলা হয়। সোহাগের বাবা প্রয়াত শাহজাহান শিকদার আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। সাবেক মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষালম্বন করে তার নির্বাচনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও করতে দেখা যায়, যার বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
সন্ত্রাসী সোহাগের অপকর্মের বেশকিছু ভিডিও চিত্র পাওয়া গেছে। এতে সোহাগকে ধারালো দা হাতে লোকজনকে ধাওয়া দিতে দেখা যায়। এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ আছে ওয়ার্ড বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ আছে, এই যুবকের অনাচারে এলাকাবাসী অস্থির থাকলেও দলীয় প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খোলাস সাহস দেখান না। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় নিরীহ বাসিন্দাদের মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সবশেষ মামুন হাওলাদার নামের এক বাসিন্দা বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে যুবক উল্লেখ করেন, সোহাগ বিএনপির নাম ভাঙিয়ে পলাশপুরে নানামুখী ত্রাস করছেন। এলাকার একটি রিকশার গ্যারেজকে তিনি মাদকের ঘাটি হিসেবে গড়ে তুলেছেন। সেখানে তিনি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান করেন এবং প্রতিপক্ষদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ার উদাহরণও আছে। এই সন্ত্রাসী এলাকায় সুদের ব্যবসার সাথেও জড়িত রয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় মাদক বাণিজ্য করাসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে চাইলে মুঠোফোনে সোহাগ সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। এবং অতীতে তার বিরুদ্ধে যে মাদক মামলা হয়েছিল, সেগুলো রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশে করা হয় বলে উল্লেখ করেন। বিএনপির কোন পদে আছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তার দলে কোন পদপদবি নেই।
মাদকবিক্রেতা সোহাগ ৫ আগস্টের পরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্মে জড়ানোর বিষয়টি নিয়ে দলটির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও এক ধরনের অস্বস্তি লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে তার একাধিক ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার বিষয়টিও অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না।
স্থানীয় বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, বহু অপকর্মের হোতা সোহাগকে নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। তিনি একের পর এক অপরাধ করে চলছেন। এবং ৫ আগস্টের পরে তিনি তার সাবেক স্ত্রীর রিকশার গ্যারেজটি দখল করে নিয়ে সেখানে মাদক বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। তার এই অপরাধ রোধে শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানাসহ গোয়েন্দা পুলিশকে ভুমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছে স্থানীয় সুশীলমহল।
এই বিষয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে অপরাধ করলে কোনো ছাড় নয়।
সন্ত্রাসী সোহাগের অপকর্মের বর্ণনা দিয়ে জানতে চাইলে কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি কামাল হোসেন বিস্ময়প্রকাশ করেন। এবং বলেন, অপরাধীর পরিচয় একটাই তিনি অপরাধী। রাজনৈতিক পরিচয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগসমূহ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
বরিশাল শহরের পলাশপুরে মূর্তিমান আতঙ্ক রূপে প্রকাশ্যে এসেছেন মেহেদী হাসান সোহাগ শিকদার নামের ত্রিশোর্ধ্ব এক যুবক। গত বছর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রিকশাচালক এই যুবক বিএনপির নাম ভাঙিয়ে পুরো পলাশপুর এলাকায় এক ধরনের ত্রাস চালিয়ে আসছেন। মাদক ক্রয়-বিক্রয় করাসহ গত কয়েক মাসে অন্তত অর্ধডজন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে স্থানীয় সাধারণ বাসিন্দাদের ওষ্ঠাগত করে তুলেছেন ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা কেফায়েত হোসেন রনির স্নেহভাজন সোহাগ।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, মেহেদী হাসান সোহাগ শিকদার বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ নেতা কেফায়েত হোসেন রনির সাথে রাজনীতি করলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে তিনি বোল পাল্টে ফেলেছেন। নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে এলাকায় বহুমুখী অপরাধ করে বেড়াচ্ছেন।
পুলিশসহ একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মূর্তিমান আতঙ্ক সোহাগের বিরুদ্ধে বিগত সময়ে একাধিক মাদক মামলা হয়। সোহাগের বাবা প্রয়াত শাহজাহান শিকদার আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। সাবেক মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষালম্বন করে তার নির্বাচনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও করতে দেখা যায়, যার বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
সন্ত্রাসী সোহাগের অপকর্মের বেশকিছু ভিডিও চিত্র পাওয়া গেছে। এতে সোহাগকে ধারালো দা হাতে লোকজনকে ধাওয়া দিতে দেখা যায়। এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ আছে ওয়ার্ড বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ আছে, এই যুবকের অনাচারে এলাকাবাসী অস্থির থাকলেও দলীয় প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খোলাস সাহস দেখান না। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় নিরীহ বাসিন্দাদের মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সবশেষ মামুন হাওলাদার নামের এক বাসিন্দা বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে যুবক উল্লেখ করেন, সোহাগ বিএনপির নাম ভাঙিয়ে পলাশপুরে নানামুখী ত্রাস করছেন। এলাকার একটি রিকশার গ্যারেজকে তিনি মাদকের ঘাটি হিসেবে গড়ে তুলেছেন। সেখানে তিনি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান করেন এবং প্রতিপক্ষদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ার উদাহরণও আছে। এই সন্ত্রাসী এলাকায় সুদের ব্যবসার সাথেও জড়িত রয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় মাদক বাণিজ্য করাসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে চাইলে মুঠোফোনে সোহাগ সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। এবং অতীতে তার বিরুদ্ধে যে মাদক মামলা হয়েছিল, সেগুলো রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশে করা হয় বলে উল্লেখ করেন। বিএনপির কোন পদে আছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তার দলে কোন পদপদবি নেই।
মাদকবিক্রেতা সোহাগ ৫ আগস্টের পরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্মে জড়ানোর বিষয়টি নিয়ে দলটির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও এক ধরনের অস্বস্তি লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে তার একাধিক ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার বিষয়টিও অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না।
স্থানীয় বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, বহু অপকর্মের হোতা সোহাগকে নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। তিনি একের পর এক অপরাধ করে চলছেন। এবং ৫ আগস্টের পরে তিনি তার সাবেক স্ত্রীর রিকশার গ্যারেজটি দখল করে নিয়ে সেখানে মাদক বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। তার এই অপরাধ রোধে শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানাসহ গোয়েন্দা পুলিশকে ভুমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছে স্থানীয় সুশীলমহল।
এই বিষয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে অপরাধ করলে কোনো ছাড় নয়।
সন্ত্রাসী সোহাগের অপকর্মের বর্ণনা দিয়ে জানতে চাইলে কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি কামাল হোসেন বিস্ময়প্রকাশ করেন। এবং বলেন, অপরাধীর পরিচয় একটাই তিনি অপরাধী। রাজনৈতিক পরিচয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগসমূহ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।