
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ অক্টোবর, ২০২৫ ০১:৩৯
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষকদের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় বরিশালের বাবুগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলন-২০২৫। ভেনিজুয়েলার গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির উদ্যোগে নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনে বুধবার (১ অক্টোবর) উপজেলার মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই বৈশ্বিক কৃষক সংহতির চতুর্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকা ও ভারতে (৪ দেশে) নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক ও বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি নেতা আলহাজ্ব নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ওই সম্মেলনে গেস্ট অব অনার ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস। চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদের সঞ্চালনায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন বৈশ্বিক কৃষক সংহতির বাংলাদেশ ক্যাম্পেইনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির সম্মেলনের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হক ফিরোজ, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম হোসেন, মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, চতুর্থ কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক কমিটির সদস্য আসাদুল করিম পিপুল, শামিল শাহরোখ তমাল, আসাদুজ্জামান মেনন প্রমুখ।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির ওই সম্মেলনে ভেনিজুয়েলা কিউবা, কোরিয়া, তিউনেশিয়া, চীন, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কৃষক প্রতিনিধিদের কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। এসময় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন মোকাবেলাসহ বিশ্বের কৃষকদের অধিকার রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সম্মেলনের প্রধান অতিথি ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেসকে এসময় বাংলাদেশের ১০ সহস্রাধিক কৃষকের গণস্বাক্ষর করা একটি সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার প্রদান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপসসহ চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আয়োজকরা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ ও ভারতসহ ৪ দেশে নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস বলেন, 'মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কারণে আজ গোটা বিশ্ব হুমকির সম্মুখীন। বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংস করার জন্য কৃষকদের কর্মহীন করার যড়যন্ত্র চলছে। আজ পৃথিবীতে যুদ্ধ এবং অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে। মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো ক্রমাগতভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে যাচ্ছে। এর প্রভাব সরাসরি বিশ্বের কৃষি এবং কৃষকের জীবন ও জীবিকার উপরে পড়ছে। এখনই সচেতন না হলে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেবে। খাবার পাবে না পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ। ভবিষ্যতের এই বিপর্যয় এড়াতে হলে বিশ্বের সকল কৃষককে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।'
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনারের বক্তৃতাকালে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, 'বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এই দেশের ৮০% মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তাই দেশ বাঁচাতে হলে আগে কৃষক বাঁচাতে হবে। বাজারে সার, বীজ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম চড়া। এদেশের কৃষকরা এখনো তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। আড়ৎদার, মজুতদার সিন্ডিকেটের কাছে কৃষক জিম্মি। তাই পেশা বদল করে ফেলছে কৃষকরা। এই জিম্মিদশা থেকে তাদের উদ্ধার করতে হবে। সরকারিভাবে কৃষি ভর্তুকি প্রদানসহ কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।'
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদ জানান, কৃষকদের এই বৈশ্বিক সংহতি সম্মেলন একটি মেলবন্ধন। গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির মাধ্যমে ভেনিজুয়েলা, কিউবা, কোরিয়া, চীন, জার্মানি, তিউনেশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃষক প্রতিনিধিদের সফর এবং আধুনিক কৃষি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করাই এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য। এছাড়াও কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিকভাবে কৃষকদের উন্নয়ন, স্বার্থ সংরক্ষণ এবং অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে ভেনিজুয়েলার সাইমন বলিভার ফার্মি একাডেমি। #
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষকদের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় বরিশালের বাবুগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলন-২০২৫। ভেনিজুয়েলার গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির উদ্যোগে নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনে বুধবার (১ অক্টোবর) উপজেলার মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই বৈশ্বিক কৃষক সংহতির চতুর্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকা ও ভারতে (৪ দেশে) নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক ও বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি নেতা আলহাজ্ব নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ওই সম্মেলনে গেস্ট অব অনার ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস। চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদের সঞ্চালনায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন বৈশ্বিক কৃষক সংহতির বাংলাদেশ ক্যাম্পেইনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির সম্মেলনের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হক ফিরোজ, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম হোসেন, মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, চতুর্থ কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক কমিটির সদস্য আসাদুল করিম পিপুল, শামিল শাহরোখ তমাল, আসাদুজ্জামান মেনন প্রমুখ।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির ওই সম্মেলনে ভেনিজুয়েলা কিউবা, কোরিয়া, তিউনেশিয়া, চীন, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কৃষক প্রতিনিধিদের কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। এসময় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন মোকাবেলাসহ বিশ্বের কৃষকদের অধিকার রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সম্মেলনের প্রধান অতিথি ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেসকে এসময় বাংলাদেশের ১০ সহস্রাধিক কৃষকের গণস্বাক্ষর করা একটি সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার প্রদান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপসসহ চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আয়োজকরা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ ও ভারতসহ ৪ দেশে নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস বলেন, 'মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কারণে আজ গোটা বিশ্ব হুমকির সম্মুখীন। বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংস করার জন্য কৃষকদের কর্মহীন করার যড়যন্ত্র চলছে। আজ পৃথিবীতে যুদ্ধ এবং অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে। মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো ক্রমাগতভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে যাচ্ছে। এর প্রভাব সরাসরি বিশ্বের কৃষি এবং কৃষকের জীবন ও জীবিকার উপরে পড়ছে। এখনই সচেতন না হলে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেবে। খাবার পাবে না পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ। ভবিষ্যতের এই বিপর্যয় এড়াতে হলে বিশ্বের সকল কৃষককে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।'
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনারের বক্তৃতাকালে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, 'বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এই দেশের ৮০% মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তাই দেশ বাঁচাতে হলে আগে কৃষক বাঁচাতে হবে। বাজারে সার, বীজ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম চড়া। এদেশের কৃষকরা এখনো তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। আড়ৎদার, মজুতদার সিন্ডিকেটের কাছে কৃষক জিম্মি। তাই পেশা বদল করে ফেলছে কৃষকরা। এই জিম্মিদশা থেকে তাদের উদ্ধার করতে হবে। সরকারিভাবে কৃষি ভর্তুকি প্রদানসহ কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।'
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদ জানান, কৃষকদের এই বৈশ্বিক সংহতি সম্মেলন একটি মেলবন্ধন। গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির মাধ্যমে ভেনিজুয়েলা, কিউবা, কোরিয়া, চীন, জার্মানি, তিউনেশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃষক প্রতিনিধিদের সফর এবং আধুনিক কৃষি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করাই এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য। এছাড়াও কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিকভাবে কৃষকদের উন্নয়ন, স্বার্থ সংরক্ষণ এবং অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে ভেনিজুয়েলার সাইমন বলিভার ফার্মি একাডেমি। #

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।