
০২ অক্টোবর, ২০২৫ ০১:৩৯
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষকদের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় বরিশালের বাবুগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলন-২০২৫। ভেনিজুয়েলার গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির উদ্যোগে নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনে বুধবার (১ অক্টোবর) উপজেলার মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই বৈশ্বিক কৃষক সংহতির চতুর্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকা ও ভারতে (৪ দেশে) নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক ও বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি নেতা আলহাজ্ব নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ওই সম্মেলনে গেস্ট অব অনার ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস। চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদের সঞ্চালনায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন বৈশ্বিক কৃষক সংহতির বাংলাদেশ ক্যাম্পেইনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির সম্মেলনের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হক ফিরোজ, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম হোসেন, মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, চতুর্থ কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক কমিটির সদস্য আসাদুল করিম পিপুল, শামিল শাহরোখ তমাল, আসাদুজ্জামান মেনন প্রমুখ।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির ওই সম্মেলনে ভেনিজুয়েলা কিউবা, কোরিয়া, তিউনেশিয়া, চীন, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কৃষক প্রতিনিধিদের কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। এসময় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন মোকাবেলাসহ বিশ্বের কৃষকদের অধিকার রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সম্মেলনের প্রধান অতিথি ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেসকে এসময় বাংলাদেশের ১০ সহস্রাধিক কৃষকের গণস্বাক্ষর করা একটি সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার প্রদান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপসসহ চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আয়োজকরা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ ও ভারতসহ ৪ দেশে নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস বলেন, 'মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কারণে আজ গোটা বিশ্ব হুমকির সম্মুখীন। বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংস করার জন্য কৃষকদের কর্মহীন করার যড়যন্ত্র চলছে। আজ পৃথিবীতে যুদ্ধ এবং অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে। মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো ক্রমাগতভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে যাচ্ছে। এর প্রভাব সরাসরি বিশ্বের কৃষি এবং কৃষকের জীবন ও জীবিকার উপরে পড়ছে। এখনই সচেতন না হলে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেবে। খাবার পাবে না পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ। ভবিষ্যতের এই বিপর্যয় এড়াতে হলে বিশ্বের সকল কৃষককে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।'
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনারের বক্তৃতাকালে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, 'বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এই দেশের ৮০% মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তাই দেশ বাঁচাতে হলে আগে কৃষক বাঁচাতে হবে। বাজারে সার, বীজ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম চড়া। এদেশের কৃষকরা এখনো তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। আড়ৎদার, মজুতদার সিন্ডিকেটের কাছে কৃষক জিম্মি। তাই পেশা বদল করে ফেলছে কৃষকরা। এই জিম্মিদশা থেকে তাদের উদ্ধার করতে হবে। সরকারিভাবে কৃষি ভর্তুকি প্রদানসহ কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।'
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদ জানান, কৃষকদের এই বৈশ্বিক সংহতি সম্মেলন একটি মেলবন্ধন। গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির মাধ্যমে ভেনিজুয়েলা, কিউবা, কোরিয়া, চীন, জার্মানি, তিউনেশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃষক প্রতিনিধিদের সফর এবং আধুনিক কৃষি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করাই এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য। এছাড়াও কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিকভাবে কৃষকদের উন্নয়ন, স্বার্থ সংরক্ষণ এবং অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে ভেনিজুয়েলার সাইমন বলিভার ফার্মি একাডেমি। #
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষকদের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় বরিশালের বাবুগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলন-২০২৫। ভেনিজুয়েলার গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির উদ্যোগে নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনে বুধবার (১ অক্টোবর) উপজেলার মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই বৈশ্বিক কৃষক সংহতির চতুর্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকা ও ভারতে (৪ দেশে) নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক ও বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি নেতা আলহাজ্ব নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ওই সম্মেলনে গেস্ট অব অনার ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস। চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদের সঞ্চালনায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন বৈশ্বিক কৃষক সংহতির বাংলাদেশ ক্যাম্পেইনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির সম্মেলনের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হক ফিরোজ, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম হোসেন, মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, চতুর্থ কৃষক সংহতি সম্মেলনের আহবায়ক কমিটির সদস্য আসাদুল করিম পিপুল, শামিল শাহরোখ তমাল, আসাদুজ্জামান মেনন প্রমুখ।
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতির ওই সম্মেলনে ভেনিজুয়েলা কিউবা, কোরিয়া, তিউনেশিয়া, চীন, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কৃষক প্রতিনিধিদের কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। এসময় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন মোকাবেলাসহ বিশ্বের কৃষকদের অধিকার রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সম্মেলনের প্রধান অতিথি ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেসকে এসময় বাংলাদেশের ১০ সহস্রাধিক কৃষকের গণস্বাক্ষর করা একটি সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার প্রদান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপসসহ চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের আয়োজকরা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ ও ভারতসহ ৪ দেশে নিযুক্ত ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত ক্যাপায়া রদ্রিগেজ গনজালেস বলেন, 'মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কারণে আজ গোটা বিশ্ব হুমকির সম্মুখীন। বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংস করার জন্য কৃষকদের কর্মহীন করার যড়যন্ত্র চলছে। আজ পৃথিবীতে যুদ্ধ এবং অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে। মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো ক্রমাগতভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে যাচ্ছে। এর প্রভাব সরাসরি বিশ্বের কৃষি এবং কৃষকের জীবন ও জীবিকার উপরে পড়ছে। এখনই সচেতন না হলে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেবে। খাবার পাবে না পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ। ভবিষ্যতের এই বিপর্যয় এড়াতে হলে বিশ্বের সকল কৃষককে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।'
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনারের বক্তৃতাকালে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরএভার লিভিং সোসাইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, 'বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এই দেশের ৮০% মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তাই দেশ বাঁচাতে হলে আগে কৃষক বাঁচাতে হবে। বাজারে সার, বীজ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম চড়া। এদেশের কৃষকরা এখনো তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। আড়ৎদার, মজুতদার সিন্ডিকেটের কাছে কৃষক জিম্মি। তাই পেশা বদল করে ফেলছে কৃষকরা। এই জিম্মিদশা থেকে তাদের উদ্ধার করতে হবে। সরকারিভাবে কৃষি ভর্তুকি প্রদানসহ কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।'
চতুর্থ বৈশ্বিক কৃষক সংহতি সম্মেলনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সংগঠক সুজন আহমেদ জানান, কৃষকদের এই বৈশ্বিক সংহতি সম্মেলন একটি মেলবন্ধন। গ্লোবাল ফার্মি বলিভার একাডেমির মাধ্যমে ভেনিজুয়েলা, কিউবা, কোরিয়া, চীন, জার্মানি, তিউনেশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃষক প্রতিনিধিদের সফর এবং আধুনিক কৃষি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করাই এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য। এছাড়াও কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিকভাবে কৃষকদের উন্নয়ন, স্বার্থ সংরক্ষণ এবং অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে ভেনিজুয়েলার সাইমন বলিভার ফার্মি একাডেমি। #

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫