
১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০৫
গাঁজা সেবন করায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পাঁচ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের নেতারা মাদক সেবনকালে তাদের ধরে ফেলে এবং প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ছাদ থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রক্টরিয়াল বডি তাদরকে পুলিশে দেন।
আটককৃতদের মধ্যে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের তামিম। তিনি সোহরাওয়ার্দী হল ছাত্রসংসদে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে সহকারী বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছিলেন বলে জানা গেছে।
আটককৃতদের থেকে পাওয়া তথ্য মতে অন্যরা হলেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নাঈম, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সাবিত এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সাব্বির ও ইমরান।
সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি কাউছার হাবীব বলেন, আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিনিয়ত খেয়াল রাখছি যে কারা গাঁজা সেবনের মতো জঘন্য কাজগুলো করে। আমরা বিভিন্নভাবে তাদের পেয়েছি কিন্তু হলে মাদক নিয়ে কোনো রকম বিজ্ঞপ্তি না থাকাই আমরা কিছু করতে পারিনি। গতকালকে হল প্রশাসন থেকে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে মাদকের বিষয়ে। আমরা আজ হল সংসদের সদস্যরা মিলে দেখতে গিয়েছিলাম কেউ আছে কি না। হঠাৎ আমাদের দেখে তিন-চার জন দৌড় মারতে থাকে। তখন আমরা তাদের ধরি এবং পরে প্রভোস্ট স্যারকে কল দেই। এরপর সহকারী প্রক্টর স্যার আসেন এবং আমরা তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, সোহরাওয়ার্দী হলের ভিপিসহ কয়েকজন কিছু শিক্ষার্থীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করে এবং প্রক্টর অফিসে বিষয়টা অবগত করেন। এরপর সেখানে আমরা কয়েকজন যাই এবং আটককৃত সবাইকে ওই হলের প্রাধ্যক্ষের কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও অন্যান্য নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়।
তাদের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেই প্রশ্নে তিনি জানান, এটা গুরুতর অপরাধ, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
গাঁজা সেবন করায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পাঁচ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের নেতারা মাদক সেবনকালে তাদের ধরে ফেলে এবং প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ছাদ থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রক্টরিয়াল বডি তাদরকে পুলিশে দেন।
আটককৃতদের মধ্যে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের তামিম। তিনি সোহরাওয়ার্দী হল ছাত্রসংসদে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে সহকারী বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছিলেন বলে জানা গেছে।
আটককৃতদের থেকে পাওয়া তথ্য মতে অন্যরা হলেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নাঈম, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সাবিত এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সাব্বির ও ইমরান।
সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি কাউছার হাবীব বলেন, আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিনিয়ত খেয়াল রাখছি যে কারা গাঁজা সেবনের মতো জঘন্য কাজগুলো করে। আমরা বিভিন্নভাবে তাদের পেয়েছি কিন্তু হলে মাদক নিয়ে কোনো রকম বিজ্ঞপ্তি না থাকাই আমরা কিছু করতে পারিনি। গতকালকে হল প্রশাসন থেকে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে মাদকের বিষয়ে। আমরা আজ হল সংসদের সদস্যরা মিলে দেখতে গিয়েছিলাম কেউ আছে কি না। হঠাৎ আমাদের দেখে তিন-চার জন দৌড় মারতে থাকে। তখন আমরা তাদের ধরি এবং পরে প্রভোস্ট স্যারকে কল দেই। এরপর সহকারী প্রক্টর স্যার আসেন এবং আমরা তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, সোহরাওয়ার্দী হলের ভিপিসহ কয়েকজন কিছু শিক্ষার্থীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করে এবং প্রক্টর অফিসে বিষয়টা অবগত করেন। এরপর সেখানে আমরা কয়েকজন যাই এবং আটককৃত সবাইকে ওই হলের প্রাধ্যক্ষের কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও অন্যান্য নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়।
তাদের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেই প্রশ্নে তিনি জানান, এটা গুরুতর অপরাধ, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০২
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি উঠেছে। এছাড়া সব স্তরের সিগারেটে প্রতি প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর বৃদ্ধি: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাংবাদিকদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মসূচি পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন।
এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩ শতাংশ)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব (৪০ হাজার কোটি টাকা)-এর দ্বিগুণের বেশি।
প্রবন্ধে প্রস্তাব করা হয়, সিগারেটের বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা হোক। এ ছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সস্তা হওয়ায় ধূমপায়ীরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সরে গিয়ে ধূমপান অব্যাহত রাখেন। এই দুটি স্তর একত্র করে দাম বাড়ানো হলে ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক কর বৃদ্ধি করা হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি উঠেছে। এছাড়া সব স্তরের সিগারেটে প্রতি প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর বৃদ্ধি: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাংবাদিকদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মসূচি পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন।
এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩ শতাংশ)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব (৪০ হাজার কোটি টাকা)-এর দ্বিগুণের বেশি।
প্রবন্ধে প্রস্তাব করা হয়, সিগারেটের বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা হোক। এ ছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সস্তা হওয়ায় ধূমপায়ীরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সরে গিয়ে ধূমপান অব্যাহত রাখেন। এই দুটি স্তর একত্র করে দাম বাড়ানো হলে ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক কর বৃদ্ধি করা হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৫
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে শাকিল নামে এক পথচারী বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশে ফুয়েল কার্ড চালু করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর সেই কার্ডের প্রিন্ট তার গেঞ্জিতে। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড ।
ব্যবসায়ী শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা ঝামেলা মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে শাকিল নামে এক পথচারী বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশে ফুয়েল কার্ড চালু করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর সেই কার্ডের প্রিন্ট তার গেঞ্জিতে। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড ।
ব্যবসায়ী শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা ঝামেলা মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০২