
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৪
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চরম অভাবের তাড়নায় তিন শিশু সন্তানকে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রেখে নিখোঁজ হওয়া মা মুক্তা বেগমকে (২৭) খুঁজে পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ওই নারীর কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন সন্তানকে রেখে চলে যান মুক্তা। মাকে ফিরে পেয়ে ছয় বছরের আরজিনি, তিন বছরের আছিয়া ও সাত মাস বয়সী খাদিজা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ নেননি।
চরম অনটনের মধ্যে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা। বুধবার সকালে তিনি সন্তানদের নিয়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। সেখানে চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করলে তিনি সুযোগ বুঝে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশুদের রেখে চলে যান। শিশুদের কান্নাকাটি শুনে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু মাত্র এক হাজার টাকা দেনার দায়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম সেটি কেড়ে নিয়ে যান। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিলো।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, স্বামী আলাদা থাকায় এবং আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটি ছিনিয়ে নেওয়ায় মুক্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে সন্তানদের বুঝিয়ে দিয়েছি। তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অভাবের তাড়নায় মা চলে যাওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই।
তাকে খুঁজে বের করে শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ যে সেলাই মেশিনটি আটকে রেখেছে সেটি দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই নারীর টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চরম অভাবের তাড়নায় তিন শিশু সন্তানকে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রেখে নিখোঁজ হওয়া মা মুক্তা বেগমকে (২৭) খুঁজে পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ওই নারীর কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন সন্তানকে রেখে চলে যান মুক্তা। মাকে ফিরে পেয়ে ছয় বছরের আরজিনি, তিন বছরের আছিয়া ও সাত মাস বয়সী খাদিজা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ নেননি।
চরম অনটনের মধ্যে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা। বুধবার সকালে তিনি সন্তানদের নিয়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। সেখানে চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করলে তিনি সুযোগ বুঝে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশুদের রেখে চলে যান। শিশুদের কান্নাকাটি শুনে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু মাত্র এক হাজার টাকা দেনার দায়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম সেটি কেড়ে নিয়ে যান। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিলো।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, স্বামী আলাদা থাকায় এবং আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটি ছিনিয়ে নেওয়ায় মুক্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে সন্তানদের বুঝিয়ে দিয়েছি। তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অভাবের তাড়নায় মা চলে যাওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই।
তাকে খুঁজে বের করে শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ যে সেলাই মেশিনটি আটকে রেখেছে সেটি দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই নারীর টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

০৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৮
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

০২ মে, ২০২৬ ১২:৩০
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের ১৫ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের আরামবাগ এলাকার মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আরামবাগ এলাকার ওই বাড়িতে মাদক কেনাবেচা চলছে এমন গোপন সংবাদ ছিল পুলিশের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে মঠবাড়িয়া থানার একটি বিশেষ টিম মো. নাসিরের মালিকানাধীন মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া সাজেদুল রহমান মজিদের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় গাঁজাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আমরা প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। মাদক ব্যবসায়ীদের আটকে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মঠবাড়িয়াকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের ১৫ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের আরামবাগ এলাকার মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আরামবাগ এলাকার ওই বাড়িতে মাদক কেনাবেচা চলছে এমন গোপন সংবাদ ছিল পুলিশের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে মঠবাড়িয়া থানার একটি বিশেষ টিম মো. নাসিরের মালিকানাধীন মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া সাজেদুল রহমান মজিদের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় গাঁজাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আমরা প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। মাদক ব্যবসায়ীদের আটকে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মঠবাড়িয়াকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.