Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৪০
বরগুনায় মাকে হত্যার অভিযোগে ছেলের দায়ের করা মামলায় বাবাসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১৯ সালের ২৫ অক্টোবর বরগুনার পাথারঘাটা উপজেলায় পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের শক দিয়ে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম লায়লাতুল ফেরদৌস এ আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মৃত মাজেদ তালুকদারের ছেলে কবির তালুকদার, তার দ্বিতীয় স্ত্রী এলাচী বেগম এবং এলাচী বেগমের ছেলে সুজন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কবিরর তালুকদার প্রায় ৩০ বছর আগে মহিমা বেগমকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে দুই ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে তাদের সংসার চলছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন কবির।
মেয়ে রেখা বেগমকে বিয়ে দেওয়ার পর কবির মেয়ের শাশুড়ি এলাচী বেগমের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে রেখা বাবা ও তার শাশুড়িকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করে। ফলে শাশুড়ি এলাচী বেগম এবং স্বামী সুজন রেখার ওপর নির্যাতন শুরু করেন।
একপর্যায়ে রেখা ক্ষোভে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার চার বছরের মাথায় প্রথম স্ত্রী মহিমার অমতে মৃত মেয়ের শাশুড়ি এলাচী বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন কবির। তবে বিয়ে করলেও কবির প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিজের বাড়িতে নিতে পারেননি।
আর এ কারণেই প্রথম স্ত্রী মহিমা বেগমকে বিভিন্ন দাবিতে নির্যাতন করতে শুরু করে করিব তালুকদার। একপর্যায়ে কবিরসহ দ্বিতীয় স্ত্রী এলাচী বেগম ও তার ছেলে সুজন মহিমা বেগমকে বিদ্যুতের শক দিয়ে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন।
এরপর ২০১৯ সালের ২৫ অক্টোবর শুক্রবার সকালে পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা মহিমা বেগমের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যা করেন। পরে এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের শিকার মহিমা বেগমের ছেলে হেলাল তালুকদার বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দায়েরকৃত ওই মামলায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে কবির তালুকদার, তার দ্বিতীয় স্ত্রী এলাচী বেগম এবং তার ছেলে সুজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন আদালত।
মামলার বাদী হেলাল তালুকদার বলেন, ঘটনার দিন আমার অসুস্থ শ্বশুরকে দেখতে যেতে বলেন আমার বাবা কবির তালুকদার। পরে আমার ছোট ভাইসহ আমি সেখানে গেলে খবর পাই বিদ্যুতের শক লেগে আমার মা মারা গেছেন।
তবে বাড়িতে গিয়ে শুনতে পাই মাকে বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় মামলা করলে আদালত আমার বাবাসহ তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে। মায়ের হত্যায় জড়িত আমার বাবার ফাঁসির আদেশ হলেও সঠিক বিচার হওয়ায় আমি খুশি। আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই ছেলে হয়ে আর কারো যেন কখনো কোনো বাবার বিরুদ্ধে যেতে না হয়।
এ বিষয়ে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রনজুয়ারা সিপু বলেন, ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
বিজ্ঞ আদালতে বিভিন্ন সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিচারক আসামিদেরকে মৃত্যদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। এছাড়া প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ রায়ে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমি সন্তুষ্ট।
বরগুনায় মাকে হত্যার অভিযোগে ছেলের দায়ের করা মামলায় বাবাসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১৯ সালের ২৫ অক্টোবর বরগুনার পাথারঘাটা উপজেলায় পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের শক দিয়ে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম লায়লাতুল ফেরদৌস এ আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মৃত মাজেদ তালুকদারের ছেলে কবির তালুকদার, তার দ্বিতীয় স্ত্রী এলাচী বেগম এবং এলাচী বেগমের ছেলে সুজন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কবিরর তালুকদার প্রায় ৩০ বছর আগে মহিমা বেগমকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে দুই ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে তাদের সংসার চলছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন কবির।
মেয়ে রেখা বেগমকে বিয়ে দেওয়ার পর কবির মেয়ের শাশুড়ি এলাচী বেগমের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে রেখা বাবা ও তার শাশুড়িকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করে। ফলে শাশুড়ি এলাচী বেগম এবং স্বামী সুজন রেখার ওপর নির্যাতন শুরু করেন।
একপর্যায়ে রেখা ক্ষোভে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার চার বছরের মাথায় প্রথম স্ত্রী মহিমার অমতে মৃত মেয়ের শাশুড়ি এলাচী বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন কবির। তবে বিয়ে করলেও কবির প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিজের বাড়িতে নিতে পারেননি।
আর এ কারণেই প্রথম স্ত্রী মহিমা বেগমকে বিভিন্ন দাবিতে নির্যাতন করতে শুরু করে করিব তালুকদার। একপর্যায়ে কবিরসহ দ্বিতীয় স্ত্রী এলাচী বেগম ও তার ছেলে সুজন মহিমা বেগমকে বিদ্যুতের শক দিয়ে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন।
এরপর ২০১৯ সালের ২৫ অক্টোবর শুক্রবার সকালে পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা মহিমা বেগমের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যা করেন। পরে এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের শিকার মহিমা বেগমের ছেলে হেলাল তালুকদার বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দায়েরকৃত ওই মামলায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে কবির তালুকদার, তার দ্বিতীয় স্ত্রী এলাচী বেগম এবং তার ছেলে সুজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন আদালত।
মামলার বাদী হেলাল তালুকদার বলেন, ঘটনার দিন আমার অসুস্থ শ্বশুরকে দেখতে যেতে বলেন আমার বাবা কবির তালুকদার। পরে আমার ছোট ভাইসহ আমি সেখানে গেলে খবর পাই বিদ্যুতের শক লেগে আমার মা মারা গেছেন।
তবে বাড়িতে গিয়ে শুনতে পাই মাকে বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় মামলা করলে আদালত আমার বাবাসহ তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে। মায়ের হত্যায় জড়িত আমার বাবার ফাঁসির আদেশ হলেও সঠিক বিচার হওয়ায় আমি খুশি। আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই ছেলে হয়ে আর কারো যেন কখনো কোনো বাবার বিরুদ্ধে যেতে না হয়।
এ বিষয়ে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রনজুয়ারা সিপু বলেন, ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
বিজ্ঞ আদালতে বিভিন্ন সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিচারক আসামিদেরকে মৃত্যদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। এছাড়া প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ রায়ে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমি সন্তুষ্ট।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৬
পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে দেশের বৃহত্তম পাইকারি ইলিশ বাজার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দেখা দিয়েছে চরম ইলিশ সংকট।
জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছে না অধিকাংশ ফিশিং বোট। ফলে বাজারে সামুদ্রিক ইলিশের সরবরাহ প্রায় নেই বললেই চলে। ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি বছর এই সময়টিতে বাজারে ইলিশের ব্যাপক সরবরাহ থাকলেও এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
বৈশাখ উপলক্ষে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়েছে, কিন্তু সরবরাহ প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। এতে করে নদীর ইলিশই এখন একমাত্র ভরসা, আর সেই ইলিশ বিক্রি হচ্ছে অস্বাভাবিক উচ্চ দামে।
বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশের মণ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম উঠেছে ১ লাখ ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। এমনকি জাটকাও বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা মণ দরে।
পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আড়ৎদার ও ফিশিং মার্চেন্ট মোস্তফা আলম জানান, সকালে সাগর থেকে আসা একটি ট্রলারে কিছু ছোট আকারের ইলিশ পাওয়া গেলেও সেগুলো কয়েকদিন আগে ধরা হওয়ায় তুলনামূলক কম দামে, প্রতি মণ ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ব্যবসায়ী ইমরান খান বলেন, বৈশাখকে ঘিরে বাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সরবরাহ না থাকায় যে অল্প মাছ আসছে, তা পাইকাররা খোলা ডাকেই কিনে নিচ্ছেন এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন বড় শহরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। স্থানীয় বাজারে কার্যত কোনো ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না।
বিএফডিসি মার্কেটের একাধিক আড়তদার জানান, সরবরাহ সংকটের কারণে তাদের বেচাকেনা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিবছর এই সময়ে যেখানে জমজমাট ব্যবসা থাকে, সেখানে এবার তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব আগামী ইলিশ মৌসুমেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই মাছের বাজারে সংকট আরও তীব্র হতে পারে। বৈশাখের আমেজেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৫

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৭
আমতলীতে বাসচাপায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খানকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কসংলগ্ন আমড়াগাছিয়া নামক স্থানে অবস্থিত খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স। সড়কে চলাচল করা গাড়ি থেকে চাঁদা/সহায়তা নিয়ে খানকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, থাকা-খাওয়া চলে। খানকার খাদেমরা ওই সহায়তার টাকা সড়ক থেকে তুলে নেন। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ে খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা সড়কে ফেলে রাখা সহায়তার টাকা তুলছিলেন। এ সময় একটি বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন খাদেম।
খবর পেয়ে আমতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিনা ইয়াসমিন স্বর্ণা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন নুরুল হক মৃধা।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিহত নুরুল হক মৃধার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামে। নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে দেশের বৃহত্তম পাইকারি ইলিশ বাজার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দেখা দিয়েছে চরম ইলিশ সংকট।
জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছে না অধিকাংশ ফিশিং বোট। ফলে বাজারে সামুদ্রিক ইলিশের সরবরাহ প্রায় নেই বললেই চলে। ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি বছর এই সময়টিতে বাজারে ইলিশের ব্যাপক সরবরাহ থাকলেও এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
বৈশাখ উপলক্ষে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়েছে, কিন্তু সরবরাহ প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। এতে করে নদীর ইলিশই এখন একমাত্র ভরসা, আর সেই ইলিশ বিক্রি হচ্ছে অস্বাভাবিক উচ্চ দামে।
বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশের মণ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম উঠেছে ১ লাখ ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। এমনকি জাটকাও বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা মণ দরে।
পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আড়ৎদার ও ফিশিং মার্চেন্ট মোস্তফা আলম জানান, সকালে সাগর থেকে আসা একটি ট্রলারে কিছু ছোট আকারের ইলিশ পাওয়া গেলেও সেগুলো কয়েকদিন আগে ধরা হওয়ায় তুলনামূলক কম দামে, প্রতি মণ ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ব্যবসায়ী ইমরান খান বলেন, বৈশাখকে ঘিরে বাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সরবরাহ না থাকায় যে অল্প মাছ আসছে, তা পাইকাররা খোলা ডাকেই কিনে নিচ্ছেন এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন বড় শহরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। স্থানীয় বাজারে কার্যত কোনো ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না।
বিএফডিসি মার্কেটের একাধিক আড়তদার জানান, সরবরাহ সংকটের কারণে তাদের বেচাকেনা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিবছর এই সময়ে যেখানে জমজমাট ব্যবসা থাকে, সেখানে এবার তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব আগামী ইলিশ মৌসুমেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই মাছের বাজারে সংকট আরও তীব্র হতে পারে। বৈশাখের আমেজেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বরগুনার মাঠজুড়ে এখন তরমুজের সমারোহ। পরিপুষ্ট তরমুজ যেন হাসিমুখে উঁকি দিচ্ছে মাঠের চারদিকে। আবহাওয়ায় অনুকূল হওয়ায় এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্নে নেমেছে অনিশ্চয়তার ছায়া। উদ্বেগ আর হতাশা ঘিরে ধরছে উপকূলীয় জেলা বরগুনার হাজারো তরমুজ চাষিদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদনও হয়েছে ব্যাপক। তবে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারজাতকরণে সংকট তৈরি হওয়ায় লাভের মুখ দেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা জানান, রমজান মাসে আগাম তরমুজ বিক্রি করতে পারা কিছু কৃষক লাভবান হলেও বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক পড়েছেন বিপাকে। জ্বালানি সংকটের অজুহাতে পরিবহন সংকট দেখা দেওয়ায় ক্ষেতের তরমুজ সময়মতো বাজারজাত করতে পারছেন না তারা। এতে একদিকে যেমন ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দামও কমে গেছে।
তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের কৃষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, চলতি বছরে প্রায় আট একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতি একরে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন পরিবহন সংকটে তরমুজ বাজারে নিতে পারছি না। অনেক তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব।
আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কৃষক মো. আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, ধারদেনা করে তরমুজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু পরিবহন সংকটে এখন বিনিয়োগের টাকা ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার তরমুজ চাষি হাবিবুর রহমান বলেন, আগে সহজেই ট্রাক পাওয়া গেলেও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। যে অল্পসংখ্যক পরিবহন পাওয়া যাচ্ছে, তার ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ। আগে ঢাকায় তরমুজ পাঠাতে যেখানে ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাগত, এখন সেখানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে তরমুজ ক্রয়ে পাইকাররাও আগ্রহ হারাচ্ছেন।
বরগুনা শহরের আড়তদার মো. শাহীন বলেন, পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে তরমুজের চাপ বেড়ে গিয়ে দাম কমে গেছে।
আরেক আড়তদার মো. মনিরুল আলম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজার আবার চাঙ্গা হতে পারে। কিন্তু এখন চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতির মুখে।
স্থানীয় সমাজসেবক আবু সালেহ শান্ত বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পরিবহন সংকট প্রকট। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিপুল পরিমাণ তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে।
বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা মিছ ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। চাষিরা স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে পাম্প থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার অনেক চাষি ও পাইকারকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য প্রত্যায়ন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী কৃষকরা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিশেষ করে তরমুজ পরিবহনের জন্য পাম্প ও পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল সংগ্রহের প্রত্যায়ন সংগ্রহ করতে পারবেন।
বরগুনার মাঠজুড়ে এখন তরমুজের সমারোহ। পরিপুষ্ট তরমুজ যেন হাসিমুখে উঁকি দিচ্ছে মাঠের চারদিকে। আবহাওয়ায় অনুকূল হওয়ায় এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্নে নেমেছে অনিশ্চয়তার ছায়া। উদ্বেগ আর হতাশা ঘিরে ধরছে উপকূলীয় জেলা বরগুনার হাজারো তরমুজ চাষিদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদনও হয়েছে ব্যাপক। তবে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারজাতকরণে সংকট তৈরি হওয়ায় লাভের মুখ দেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা জানান, রমজান মাসে আগাম তরমুজ বিক্রি করতে পারা কিছু কৃষক লাভবান হলেও বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক পড়েছেন বিপাকে। জ্বালানি সংকটের অজুহাতে পরিবহন সংকট দেখা দেওয়ায় ক্ষেতের তরমুজ সময়মতো বাজারজাত করতে পারছেন না তারা। এতে একদিকে যেমন ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দামও কমে গেছে।
তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের কৃষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, চলতি বছরে প্রায় আট একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতি একরে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন পরিবহন সংকটে তরমুজ বাজারে নিতে পারছি না। অনেক তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব।
আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কৃষক মো. আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, ধারদেনা করে তরমুজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু পরিবহন সংকটে এখন বিনিয়োগের টাকা ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার তরমুজ চাষি হাবিবুর রহমান বলেন, আগে সহজেই ট্রাক পাওয়া গেলেও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। যে অল্পসংখ্যক পরিবহন পাওয়া যাচ্ছে, তার ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ। আগে ঢাকায় তরমুজ পাঠাতে যেখানে ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাগত, এখন সেখানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে তরমুজ ক্রয়ে পাইকাররাও আগ্রহ হারাচ্ছেন।
বরগুনা শহরের আড়তদার মো. শাহীন বলেন, পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে তরমুজের চাপ বেড়ে গিয়ে দাম কমে গেছে।
আরেক আড়তদার মো. মনিরুল আলম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজার আবার চাঙ্গা হতে পারে। কিন্তু এখন চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতির মুখে।
স্থানীয় সমাজসেবক আবু সালেহ শান্ত বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পরিবহন সংকট প্রকট। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিপুল পরিমাণ তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে।
বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা মিছ ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। চাষিরা স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে পাম্প থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার অনেক চাষি ও পাইকারকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য প্রত্যায়ন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী কৃষকরা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিশেষ করে তরমুজ পরিবহনের জন্য পাম্প ও পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল সংগ্রহের প্রত্যায়ন সংগ্রহ করতে পারবেন।
আমতলীতে বাসচাপায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খানকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কসংলগ্ন আমড়াগাছিয়া নামক স্থানে অবস্থিত খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স। সড়কে চলাচল করা গাড়ি থেকে চাঁদা/সহায়তা নিয়ে খানকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, থাকা-খাওয়া চলে। খানকার খাদেমরা ওই সহায়তার টাকা সড়ক থেকে তুলে নেন। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ে খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা সড়কে ফেলে রাখা সহায়তার টাকা তুলছিলেন। এ সময় একটি বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন খাদেম।
খবর পেয়ে আমতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিনা ইয়াসমিন স্বর্ণা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন নুরুল হক মৃধা।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিহত নুরুল হক মৃধার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামে। নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩