Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

১৪ মে, ২০২৬ ১৯:৩২

১৪ মে, ২০২৬ ১৮:৪৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের (ভিসি) দায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৩ (সংশোধিত)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. মামুন অর রশিদকে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত তিনি ভিসির দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৪ মে, ২০২৬ ১৭:২৫
পদোন্নতির দাবীতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শিক্ষকদের শাটডাউন কর্মসূচি। প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে তালা ঝুলিয়েছিলেন তারা। দুইদিন পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তালাগুলো খুললেন উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর তৌফিকুল আলম।
শিক্ষকদের আন্দোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকদিন ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনে নেওয়া এই উদ্যোগ- জানালেন ভিসি। দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন অন্তত ৬০ জন শিক্ষক। তাদের অভিযোগ, পদোন্নতির বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো উদ্যোগ।
গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় তা বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং ওই সভায় শিক্ষকদের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব পায়নি বলে উঠেছে অভিযোগ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকরা সাধারণ সভা করে গত ১০ মে থেকে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন। উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়, একযোগে বন্ধ রাখা হয় ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। প্রশাসনিক পদ থেকে সড়ে দাঁড়ান কয়েক শিক্ষক।
এই শাটডাউনে স্থবির বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ। অনেকের আশঙ্কা, দ্রুত সমাধান না হলে তৈরি হবে সেশন জট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্র শরিফুল আলমের মত, ‘পরীক্ষা ও ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষকদের আইন বহির্ভূত দাবীর কারণে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়মনীতি অনুসরণ করে পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজন সময়।এর মধ্যে আজ সকালে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা খুললেন ভিসি। তিনি বলেছেন, ‘ইউজিসির নিয়মের বাইরে গিয়ে পদোন্নতি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি, শিক্ষকদের আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। এমন অবস্থার মধ্যে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা অপসারণের উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে। দপ্তরগুলো চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
বরিশালের রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপ ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা রাতে বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার অনুগত বাস শ্রমিকদের হামলায় বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের অন্তত ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, আরেক গ্রুপ সদর আসনের এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী ছাত্র-যুব এবং শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার রাতে বিএনপি নেতা জিয়ার শ্যালক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে অন্তত ২০/২৫ জন বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সাথে আকস্মিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে সোহাগের নেতৃত্বে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে অন্তত ৩০/৩৫টি মাহিন্দ্র-সিএনজি ভাঙচুর করাসহ ৫ শ্রমিক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। তাদের মধ্যে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন বরিশাল মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন মোল্লা, রূপাতলী শাখা কমিটির সভাপতি স্বপন মোল্লা এবং একই কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজকে উদ্ধার করে রাতেই শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে।
মাহিন্দ্র সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সরকারি অনুমোদন থাকলেও তাদেরকে মহানগর বিএনপির নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের অনুসারীরা রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ভিড়তে দিচ্ছেন না।
এই বিএনপি নেতার শ্যালক সোহাগ জোরপূর্বক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদ দখল করে রূপাতলীসহ আশপাশ এলাকাসমূহে পরিবহন সেক্টরে সকলের মাথার ওপর ছড়ি ঘুরাচ্ছেন। এবং পরিবহনগুলোতে দেদারছে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।
বুধবার রাতে সংঘাত এবং রক্তারক্তির ঘটনায় আইনি ঝামেলা থেকে নিজেদের রক্ষায় উল্টো বরিশাল-পটুয়াখালী-ঝালকাঠি সড়ক অবরোধ করে বিএনপি নেতা জিয়া সিকদারের অনুসারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ কোতয়ালি মডেল থানার ওসি ছুটে গেলেও হামলাকারী কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি পারভেজ খান মুন অভিযোগ করেন, তাদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত পরিবহনগুলো শহর থেকে বের হতে দেয় না বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এনিয়ে দুটি সংগঠনের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বুধবার রাতে অনেকটা আকস্মিক তাদের ওপর অস্ত্রসহ হামলা করে বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালকসহ কতিপয় ক্যাডার বাহিনী।
একপর্যায়ে তাদের কার্যালয় ভাঙচুর করাসহ তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখলে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও বিএনপি নেতার প্রভাব বিস্তারের কারণে আইনগত কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করছে না পুলিশ। ফলে বাধ্য অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ভুক্তভোগী সদস্যরা বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল শহরের সদর রোড অবরোধ করে। ঘণ্টাব্যাপি অবরোধের ফলে সদর রোডের দুই প্রান্তে কয়েকশ যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে বুধবার রাতের ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা রাস্তা থেকে সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে দেন।
তবে বুধবার রাতে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করছেন বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালক সোহাগ হাওলাদার। তার দাবি, তথাকথিত সংগঠনের নেতারা বাস শ্রমিক এবং মালিকদের ওপর আগে হামলা করে, তখন তারা প্রতিরোধ করেছেন। তাছাড়া এই সংগঠনের নামে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন করেন সোহাগ।
বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করে হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এসময় সড়কের দুই প্রান্তে বহু যানবাহন আটকা পড়লে ঘটনাস্থলে তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশালটাইমসকে বলেন, বাস মালিক এবং শ্রমিকদের তরফ থেকে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি শহরের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা চাওয়া হয়েছে।
বুধবার রাতে সংঘর্ষের পরে রাস্তা আটকে বিষয়টি তারা দাবি আকারে প্রশাসনের উচ্চমহলে তুলে ধরেন। এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে রাস্তা ছেড়ে দেয়। সেই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করেছিল। পরে সেখানে গিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে সদর রোড এবং রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত আছে বলে জানান ওসি।’
বরিশাল টাইমস
বরিশালের রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপ ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা রাতে বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার অনুগত বাস শ্রমিকদের হামলায় বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের অন্তত ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, আরেক গ্রুপ সদর আসনের এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী ছাত্র-যুব এবং শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার রাতে বিএনপি নেতা জিয়ার শ্যালক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে অন্তত ২০/২৫ জন বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সাথে আকস্মিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে সোহাগের নেতৃত্বে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে অন্তত ৩০/৩৫টি মাহিন্দ্র-সিএনজি ভাঙচুর করাসহ ৫ শ্রমিক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। তাদের মধ্যে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন বরিশাল মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন মোল্লা, রূপাতলী শাখা কমিটির সভাপতি স্বপন মোল্লা এবং একই কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজকে উদ্ধার করে রাতেই শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে।
মাহিন্দ্র সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সরকারি অনুমোদন থাকলেও তাদেরকে মহানগর বিএনপির নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের অনুসারীরা রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ভিড়তে দিচ্ছেন না।
এই বিএনপি নেতার শ্যালক সোহাগ জোরপূর্বক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদ দখল করে রূপাতলীসহ আশপাশ এলাকাসমূহে পরিবহন সেক্টরে সকলের মাথার ওপর ছড়ি ঘুরাচ্ছেন। এবং পরিবহনগুলোতে দেদারছে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।
বুধবার রাতে সংঘাত এবং রক্তারক্তির ঘটনায় আইনি ঝামেলা থেকে নিজেদের রক্ষায় উল্টো বরিশাল-পটুয়াখালী-ঝালকাঠি সড়ক অবরোধ করে বিএনপি নেতা জিয়া সিকদারের অনুসারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ কোতয়ালি মডেল থানার ওসি ছুটে গেলেও হামলাকারী কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি পারভেজ খান মুন অভিযোগ করেন, তাদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত পরিবহনগুলো শহর থেকে বের হতে দেয় না বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এনিয়ে দুটি সংগঠনের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বুধবার রাতে অনেকটা আকস্মিক তাদের ওপর অস্ত্রসহ হামলা করে বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালকসহ কতিপয় ক্যাডার বাহিনী।
একপর্যায়ে তাদের কার্যালয় ভাঙচুর করাসহ তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখলে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও বিএনপি নেতার প্রভাব বিস্তারের কারণে আইনগত কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করছে না পুলিশ। ফলে বাধ্য অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ভুক্তভোগী সদস্যরা বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল শহরের সদর রোড অবরোধ করে। ঘণ্টাব্যাপি অবরোধের ফলে সদর রোডের দুই প্রান্তে কয়েকশ যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে বুধবার রাতের ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা রাস্তা থেকে সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে দেন।
তবে বুধবার রাতে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করছেন বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালক সোহাগ হাওলাদার। তার দাবি, তথাকথিত সংগঠনের নেতারা বাস শ্রমিক এবং মালিকদের ওপর আগে হামলা করে, তখন তারা প্রতিরোধ করেছেন। তাছাড়া এই সংগঠনের নামে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন করেন সোহাগ।
বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করে হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এসময় সড়কের দুই প্রান্তে বহু যানবাহন আটকা পড়লে ঘটনাস্থলে তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশালটাইমসকে বলেন, বাস মালিক এবং শ্রমিকদের তরফ থেকে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি শহরের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা চাওয়া হয়েছে।
বুধবার রাতে সংঘর্ষের পরে রাস্তা আটকে বিষয়টি তারা দাবি আকারে প্রশাসনের উচ্চমহলে তুলে ধরেন। এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে রাস্তা ছেড়ে দেয়। সেই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করেছিল। পরে সেখানে গিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে সদর রোড এবং রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত আছে বলে জানান ওসি।’
বরিশাল টাইমস
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের (ভিসি) দায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৩ (সংশোধিত)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. মামুন অর রশিদকে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত তিনি ভিসির দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পদোন্নতির দাবীতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শিক্ষকদের শাটডাউন কর্মসূচি। প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে তালা ঝুলিয়েছিলেন তারা। দুইদিন পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তালাগুলো খুললেন উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর তৌফিকুল আলম।
শিক্ষকদের আন্দোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকদিন ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনে নেওয়া এই উদ্যোগ- জানালেন ভিসি। দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন অন্তত ৬০ জন শিক্ষক। তাদের অভিযোগ, পদোন্নতির বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো উদ্যোগ।
গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় তা বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং ওই সভায় শিক্ষকদের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব পায়নি বলে উঠেছে অভিযোগ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকরা সাধারণ সভা করে গত ১০ মে থেকে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন। উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়, একযোগে বন্ধ রাখা হয় ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। প্রশাসনিক পদ থেকে সড়ে দাঁড়ান কয়েক শিক্ষক।
এই শাটডাউনে স্থবির বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ। অনেকের আশঙ্কা, দ্রুত সমাধান না হলে তৈরি হবে সেশন জট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্র শরিফুল আলমের মত, ‘পরীক্ষা ও ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষকদের আইন বহির্ভূত দাবীর কারণে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়মনীতি অনুসরণ করে পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজন সময়।এর মধ্যে আজ সকালে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা খুললেন ভিসি। তিনি বলেছেন, ‘ইউজিসির নিয়মের বাইরে গিয়ে পদোন্নতি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি, শিক্ষকদের আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। এমন অবস্থার মধ্যে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা অপসারণের উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে। দপ্তরগুলো চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।’