
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৮:০৫
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৭:৩২
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মৃতি (কেডিসি) কলোনীর একটি বাসা থেকে গাঁজার একটি বৃহৎ চালান উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি পরিমাণের এই গাঁজার চালানটি উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় মাদকবিক্রেতা সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, কলোনীর বাসিন্দা সাইদুল ইসলামের বাসায় ব্যাপকসংখ্যক মাদক মজুত আছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে ডিবি ডিসির নেতৃত্বে হানা দেওয়া হয়। এবং সেখানকার একটি টিনের বাসার তৃতীয় তলা থেকে সর্বমোট ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ঘরের বাসিন্দা সাইদুল বা জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক (ওসি) ছগির হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, মঙ্গলবার নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়। এবং একপর্যায়ে বুধবার সকালে কেডিসি কলোনীর সাইদুলের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে এসময় সাইদুল বা তার সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়নি।
এই মাদকের সাথে জড়িত সাইদুলসহ সকলকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাপুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে, জানান ডিবি পুলিশের ওসি।’
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মৃতি (কেডিসি) কলোনীর একটি বাসা থেকে গাঁজার একটি বৃহৎ চালান উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি পরিমাণের এই গাঁজার চালানটি উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় মাদকবিক্রেতা সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, কলোনীর বাসিন্দা সাইদুল ইসলামের বাসায় ব্যাপকসংখ্যক মাদক মজুত আছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে ডিবি ডিসির নেতৃত্বে হানা দেওয়া হয়। এবং সেখানকার একটি টিনের বাসার তৃতীয় তলা থেকে সর্বমোট ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ঘরের বাসিন্দা সাইদুল বা জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক (ওসি) ছগির হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, মঙ্গলবার নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়। এবং একপর্যায়ে বুধবার সকালে কেডিসি কলোনীর সাইদুলের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে এসময় সাইদুল বা তার সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়নি।
এই মাদকের সাথে জড়িত সাইদুলসহ সকলকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাপুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে, জানান ডিবি পুলিশের ওসি।’

০৯ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন। এদিন কারাগার থেকে শাহে আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১০৯ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে শাহে আলমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শাহে আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বরিশালের আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটিতে তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাহে আলমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিকে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আটকের পর থেকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি দীর্ঘ ২১ মাস ধরে কারান্তরীণ রয়েছেন। সম্প্রতি ছাত্র হত্যা মামলায় তার জামিন হলেও আরেক হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
একের পর এক রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলায় তাকে দীর্ঘ ২১ মাস কারাগারে বন্দি রাখার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন। এদিন কারাগার থেকে শাহে আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১০৯ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে শাহে আলমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শাহে আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বরিশালের আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটিতে তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাহে আলমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিকে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আটকের পর থেকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি দীর্ঘ ২১ মাস ধরে কারান্তরীণ রয়েছেন। সম্প্রতি ছাত্র হত্যা মামলায় তার জামিন হলেও আরেক হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
একের পর এক রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলায় তাকে দীর্ঘ ২১ মাস কারাগারে বন্দি রাখার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.