Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ জুন, ২০২৬ ১৫:০৩
গোপনে বড় বোনের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে ছোট বোন ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার পিরোজপুর মধ্যরাস্তা এলাকার বাসিন্দা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার এসআই রবিউল ইসলাম বলেন, টাকা লেনদেন নিয়ে দুই বোনের স্বামীর মধ্যে বিরোধ ছিল। বড় বোনের স্বামী রাজশাহীর মতিহার থানায় প্রতারণা মামলাও করেন। ওই মামলায় ২৮ এপ্রিল ছোট বোন ও তার স্বামী জেল খাটেন। জামিনে বের হয়ে গত ১৯ মে রাতে বড় বোনের নগ্ন ছবি এবং ভিডিও এডিট করে তার মায়ের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে হুমকি দেন ছোট বোন। এ ঘটনায় ২১ মে বোয়ালিয়া থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন বড় বোন।’
ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘আমার শ্যালিকা ও তার স্বামী ১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। টাকা না দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয় তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলা করি। মামলা থেকে বাঁচতে আমার স্ত্রীর নগ্ন ছবি বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় তারা।’
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, স্বামী-স্ত্রী নগরীর রূপাতলী হাউজিংয়ের একটি বাসায় আশ্রয় নিয়েছিল। পরে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
গোপনে বড় বোনের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে ছোট বোন ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার পিরোজপুর মধ্যরাস্তা এলাকার বাসিন্দা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার এসআই রবিউল ইসলাম বলেন, টাকা লেনদেন নিয়ে দুই বোনের স্বামীর মধ্যে বিরোধ ছিল। বড় বোনের স্বামী রাজশাহীর মতিহার থানায় প্রতারণা মামলাও করেন। ওই মামলায় ২৮ এপ্রিল ছোট বোন ও তার স্বামী জেল খাটেন। জামিনে বের হয়ে গত ১৯ মে রাতে বড় বোনের নগ্ন ছবি এবং ভিডিও এডিট করে তার মায়ের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে হুমকি দেন ছোট বোন। এ ঘটনায় ২১ মে বোয়ালিয়া থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন বড় বোন।’
ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘আমার শ্যালিকা ও তার স্বামী ১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। টাকা না দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয় তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলা করি। মামলা থেকে বাঁচতে আমার স্ত্রীর নগ্ন ছবি বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় তারা।’
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, স্বামী-স্ত্রী নগরীর রূপাতলী হাউজিংয়ের একটি বাসায় আশ্রয় নিয়েছিল। পরে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

০৮ জুন, ২০২৬ ২০:৩৯

০৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা এলাকায় চাঁদা না দেওয়ার জেরে দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় মিজানুর রহমান রিবু বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কথিত ‘ইউনুচ বাহিনীর’ সদস্যরা মিজানুর রহমান রিবুদের ক্রয়কৃত জমিতে নির্মিত দোকানে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। রিবুর দাবি, পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ইউনুচ খানের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ক্রয়কৃত জমি দখল নিয়ে গোলাম মস্তফা গংদের সাথে কাসেম খান গংদের দীর্ঘদিনের বিরোধে এ ঘটনার সূত্রপাত। বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে। আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন নাকচ করার পর দোকান পুনর্নির্মাণ শুরু হলে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাসেম খার বখাটে ছেলে ইউনুচ খানের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল ও বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযুক্ত ইউনুচ খানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল টাইমস

০৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০০
"চলো করি বৃক্ষরোপণ, গড়ে তুলি সবুজ ভুবন" -এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এসময় প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত জাতের আম্রপালি আমের চারা বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সুধী সমাবেশ সময় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না। বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা মোসাঃ আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহ আলম।
এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ মডেল দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা এনায়েতুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার নূরে আলম বাপ্পী প্রমুখ। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে উন্নত জাতের আম্রপালি আমের চারা তুলে দেন অতিথিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম বলেন, 'গাছ আমাদের জীবনধারণের জন্য অক্সিজেন দেয়, ফল দেয়, ফুল দেয়, ছায়া দেয়, আসবাবপত্র দেয়, জ্বালানি দেয়, সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এই গাছ। গাছ না থাকলে জীবনের অস্তিত্ব কল্পনা করা যাবে না। তাই বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করতে হবে। তবে শুধু রোপণ করলেই হবে না, এর পরিচর্যাও করতে হবে। গাছ বায়ুমন্ডল থেকে ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং আমাদের জীবন বাঁচানোর জন্য অক্সিজেন ত্যাগ করে। জীববৈচিত্র্যকে টিকিয়ে রেখে পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে গাছের কোনো বিকল্প নেই।'
মহতী এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শাহ আলম বলেন, 'হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন মানবহিতৈষী ও জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কিছুদিন আগে তারা 'মাদক ছাড়ো মাঠে আসো' স্লোগানে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান, ওয়াজ-মাহফিল ছাড়াও একটি দৃষ্টিনন্দন আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে তারা। আমি তাদের জনকল্যাণমুখী কাজের পৃষ্ঠপোষকতা এবং সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। আমাদের সবার উচিত হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের ভালো কাজকে উৎসাহিত করা।'
হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ বলেন, 'সমাজ এবং মানুষের জন্য কিছু কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে বাবুগঞ্জে যাত্রা শুরু করেছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকেই মানবসেবা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতাসহ তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতেও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের এই জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এজন্য সকল রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

"চলো করি বৃক্ষরোপণ, গড়ে তুলি সবুজ ভুবন" -এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এসময় প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত জাতের আম্রপালি আমের চারা বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সুধী সমাবেশ সময় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না। বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা মোসাঃ আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহ আলম।
এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ মডেল দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা এনায়েতুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার নূরে আলম বাপ্পী প্রমুখ। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে উন্নত জাতের আম্রপালি আমের চারা তুলে দেন অতিথিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম বলেন, 'গাছ আমাদের জীবনধারণের জন্য অক্সিজেন দেয়, ফল দেয়, ফুল দেয়, ছায়া দেয়, আসবাবপত্র দেয়, জ্বালানি দেয়, সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এই গাছ। গাছ না থাকলে জীবনের অস্তিত্ব কল্পনা করা যাবে না। তাই বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করতে হবে। তবে শুধু রোপণ করলেই হবে না, এর পরিচর্যাও করতে হবে। গাছ বায়ুমন্ডল থেকে ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং আমাদের জীবন বাঁচানোর জন্য অক্সিজেন ত্যাগ করে। জীববৈচিত্র্যকে টিকিয়ে রেখে পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে গাছের কোনো বিকল্প নেই।'
মহতী এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শাহ আলম বলেন, 'হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন মানবহিতৈষী ও জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কিছুদিন আগে তারা 'মাদক ছাড়ো মাঠে আসো' স্লোগানে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান, ওয়াজ-মাহফিল ছাড়াও একটি দৃষ্টিনন্দন আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে তারা। আমি তাদের জনকল্যাণমুখী কাজের পৃষ্ঠপোষকতা এবং সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। আমাদের সবার উচিত হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের ভালো কাজকে উৎসাহিত করা।'
হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ বলেন, 'সমাজ এবং মানুষের জন্য কিছু কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে বাবুগঞ্জে যাত্রা শুরু করেছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকেই মানবসেবা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতাসহ তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতেও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের এই জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এজন্য সকল রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা এলাকায় চাঁদা না দেওয়ার জেরে দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় মিজানুর রহমান রিবু বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কথিত ‘ইউনুচ বাহিনীর’ সদস্যরা মিজানুর রহমান রিবুদের ক্রয়কৃত জমিতে নির্মিত দোকানে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। রিবুর দাবি, পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ইউনুচ খানের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ক্রয়কৃত জমি দখল নিয়ে গোলাম মস্তফা গংদের সাথে কাসেম খান গংদের দীর্ঘদিনের বিরোধে এ ঘটনার সূত্রপাত। বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে। আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন নাকচ করার পর দোকান পুনর্নির্মাণ শুরু হলে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাসেম খার বখাটে ছেলে ইউনুচ খানের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল ও বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযুক্ত ইউনুচ খানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল টাইমস
মাদক-চাঁদাবাজিসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড রুখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা
বরিশাল মেট্রোপলিটনের আওতাধীন এলাকাসমূহের অপরাধমূলক কর্মকান্ড রুখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার আলোকে খুব শিগগিরই অপরাধ দমনে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামতে যাচ্ছে বিএমপি পুলিশ। বিশেষ করে চার থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বিমানবন্দর এবং বন্দর পুলিশের কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব এলাকার মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া, অনলাইন জুয়া, অসামাজিক কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই রোধকল্পে অপরাধীদের লাগাম টেনে ধরতে চাইছে স্থানীয় পুলিশের শীর্ষমহল। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আশিক সাঈদ রোববার (০৭ জুন) বিকেলে অধীনস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠককালে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। মে মাসের শুরুতে বিএমপিতে যোগদানের পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সম্ভবত এবারই প্রথম কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন ডিআইজি পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা।
বিএমপি সূত্র জানিয়েছে, আশিক সাঈদ কমিশনার হিসেবে মে মাসের সাত তারিখে যোগদান করলেও পরবর্তীতে তিনি হজ পালনের উদ্দেশে সৌদিতে যান। সেখান থেকে ফিরে এসেই তিনি বরিশালের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ে ৭ জুন অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে বসেন। সকলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে তিনি বরিশাল শহরের অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধে মাঠপুলিশকে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিশেষ করে কেউ যদি মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া, অনলাইন জুয়া, অসামাজিক কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি, চুরি এবং ছিনতাইয়ের মতো ঘটনায় জড়িত থাকে, সেক্ষেত্রে তাদের লাগাম টেনে ধরতে বলেছেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পলাশ কান্তি নাথ প্রমুখ।
ওই বৈঠকে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা নামপ্রকাশ না করার শর্তে দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে জানান, নতুন পুলিশ কমিশনার বেশ কয়েকটি বিষয়ে শক্ত পদক্ষেপ রাখতে বলেছেন। তার মধ্যে বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পেয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের কী ভাবে দৌড়ের ওপর রাখা যায়। অবশ্য সেই পন্থাও শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা বাতলে দিয়েছেন। বিশেষ করে কমিশনার অপরাধ এবং অপরাধীদের ক্ষেত্রে জিরো ট্রলারেন্স নীতি অনুসরণের পরামর্শও দেন।
বিএমপি সূত্র জানিয়েছে, কীর্তনখোলা নদীতীরের এই জনপদে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির পাশাপাশি কিশোর গ্যাংগ্রুপ যে ক্রমাগত সন্ত্রাস চালিয়ে তা নয়া পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ ইতিমধ্যে আঁচ করতে পেরেছেন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় কলোনীসমূহের এই অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধ করতে তিনি বেশ আন্তরিকও বটে। এসব অপরাধে জড়িতরা যে দল বা মতের হোক না কেনো তাদের ছাড়া না দেওয়ারও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
অবশ্য বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে নাগরিকসমাজ। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদক-সন্ত্রাসসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধে পুলিশের তরফ থেকে কার্যকরী ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তাদের পদক্ষেপ লক্ষ্যণীয় নয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন আসার পরে অপরাধমূলক কর্মকান্ড আরও বৃদ্ধি পায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিস্ক্রিয়তায় শহরের প্রতিটি গলিগলিতে মাদক ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি মাদক বেচাবিক্রি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে মারমারি থেকে খুনের ঘটনাও ঘটে।
সর্বশেষ ১৫ মে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জড়িয়ে প্রাণ হারিয়েছেন কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর এলাকার জসিম সিকদার বাবু নামের ত্রিশোর্ধ্ব যুবক। গভীর রাতে বাসার অদূরে ১০/১৫ যুবক তাকে ধাওয়া করে এবং একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। আলোচিত এই হত্যাকান্ডে মূলহোতা মধুসহ কজনকে পুলিশ স্বল্পসময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে, বর্তমানে তারা কারাভ্যন্তরে আছেন।
মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার বিষয়ে জানতে সোমবার অপরাহ্ণে পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদকে ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার সরকারি নম্বরটি উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. আব্দুল হান্নান রিসিভ করেন। এবং এই পুলিশ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, মাঠপুলিশকে রোববার বৈঠকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের ওসিদের আওতাধীন এলাকাসমূহের অপরাধ দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ রয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নানের সাথে নাতিদীর্ঘ আলোচনায়ও কিছুটা আভাস মিলেছে যে মাঠপুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলে রাখতে কঠোর পন্থা অবলম্বন করবে। অবশ্য এই ধরনের অভিযান পরিচালনার জন্য পুলিশের তরফ থেকে শহরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করা হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশপ্রশাসন অপরাধীদের দমনে কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।’
বরিশাল টাইমস
মাদক-চাঁদাবাজিসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড রুখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা
বরিশাল মেট্রোপলিটনের আওতাধীন এলাকাসমূহের অপরাধমূলক কর্মকান্ড রুখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার আলোকে খুব শিগগিরই অপরাধ দমনে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামতে যাচ্ছে বিএমপি পুলিশ। বিশেষ করে চার থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বিমানবন্দর এবং বন্দর পুলিশের কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব এলাকার মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া, অনলাইন জুয়া, অসামাজিক কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই রোধকল্পে অপরাধীদের লাগাম টেনে ধরতে চাইছে স্থানীয় পুলিশের শীর্ষমহল। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আশিক সাঈদ রোববার (০৭ জুন) বিকেলে অধীনস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠককালে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। মে মাসের শুরুতে বিএমপিতে যোগদানের পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সম্ভবত এবারই প্রথম কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন ডিআইজি পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা।
বিএমপি সূত্র জানিয়েছে, আশিক সাঈদ কমিশনার হিসেবে মে মাসের সাত তারিখে যোগদান করলেও পরবর্তীতে তিনি হজ পালনের উদ্দেশে সৌদিতে যান। সেখান থেকে ফিরে এসেই তিনি বরিশালের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ে ৭ জুন অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে বসেন। সকলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে তিনি বরিশাল শহরের অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধে মাঠপুলিশকে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিশেষ করে কেউ যদি মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া, অনলাইন জুয়া, অসামাজিক কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি, চুরি এবং ছিনতাইয়ের মতো ঘটনায় জড়িত থাকে, সেক্ষেত্রে তাদের লাগাম টেনে ধরতে বলেছেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পলাশ কান্তি নাথ প্রমুখ।
ওই বৈঠকে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা নামপ্রকাশ না করার শর্তে দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে জানান, নতুন পুলিশ কমিশনার বেশ কয়েকটি বিষয়ে শক্ত পদক্ষেপ রাখতে বলেছেন। তার মধ্যে বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পেয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের কী ভাবে দৌড়ের ওপর রাখা যায়। অবশ্য সেই পন্থাও শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা বাতলে দিয়েছেন। বিশেষ করে কমিশনার অপরাধ এবং অপরাধীদের ক্ষেত্রে জিরো ট্রলারেন্স নীতি অনুসরণের পরামর্শও দেন।
বিএমপি সূত্র জানিয়েছে, কীর্তনখোলা নদীতীরের এই জনপদে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির পাশাপাশি কিশোর গ্যাংগ্রুপ যে ক্রমাগত সন্ত্রাস চালিয়ে তা নয়া পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ ইতিমধ্যে আঁচ করতে পেরেছেন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় কলোনীসমূহের এই অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধ করতে তিনি বেশ আন্তরিকও বটে। এসব অপরাধে জড়িতরা যে দল বা মতের হোক না কেনো তাদের ছাড়া না দেওয়ারও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
অবশ্য বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে নাগরিকসমাজ। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদক-সন্ত্রাসসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধে পুলিশের তরফ থেকে কার্যকরী ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তাদের পদক্ষেপ লক্ষ্যণীয় নয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন আসার পরে অপরাধমূলক কর্মকান্ড আরও বৃদ্ধি পায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিস্ক্রিয়তায় শহরের প্রতিটি গলিগলিতে মাদক ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি মাদক বেচাবিক্রি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে মারমারি থেকে খুনের ঘটনাও ঘটে।
সর্বশেষ ১৫ মে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জড়িয়ে প্রাণ হারিয়েছেন কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর এলাকার জসিম সিকদার বাবু নামের ত্রিশোর্ধ্ব যুবক। গভীর রাতে বাসার অদূরে ১০/১৫ যুবক তাকে ধাওয়া করে এবং একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। আলোচিত এই হত্যাকান্ডে মূলহোতা মধুসহ কজনকে পুলিশ স্বল্পসময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে, বর্তমানে তারা কারাভ্যন্তরে আছেন।
মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার বিষয়ে জানতে সোমবার অপরাহ্ণে পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদকে ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার সরকারি নম্বরটি উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. আব্দুল হান্নান রিসিভ করেন। এবং এই পুলিশ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, মাঠপুলিশকে রোববার বৈঠকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের ওসিদের আওতাধীন এলাকাসমূহের অপরাধ দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ রয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নানের সাথে নাতিদীর্ঘ আলোচনায়ও কিছুটা আভাস মিলেছে যে মাঠপুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলে রাখতে কঠোর পন্থা অবলম্বন করবে। অবশ্য এই ধরনের অভিযান পরিচালনার জন্য পুলিশের তরফ থেকে শহরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করা হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশপ্রশাসন অপরাধীদের দমনে কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।’
বরিশাল টাইমস
০৮ জুন, ২০২৬ ২০:৩৯
০৮ জুন, ২০২৬ ২০:০৮
০৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২৭
০৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০০