
২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:২৪
জাতিসংঘ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সঙ্গে রীতিমতো বেঈমানি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে তারা তাদের বিভিন্ন যে সংস্থা রয়েছে এবং তাদের যেসব আন্তর্জাতিক প্রেশার গ্রুপ রয়েছে সেসব প্রেশার গ্রুপ দিয়ে সরকারের ওপর যে চাপ তৈরি করছে, এটি আমরা আশা করিনি। দ্বিতীয়ত, তারা প্রকাশ্যে এবং আকার-ইঙ্গিতে বা পর্দার অন্তরালে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার জন্য, ক্ষমতায় বসানোর জন্য এবং আওয়ামী লীগের যারা দোসর আছে তাদের নানাভাবে দেশে এবং দেশের বাইরে সাহায্য-সহযোগিতা করার জন্য যেসব কর্মকাণ্ড করছে তা এককথায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বা তার সরকারের সঙ্গে মারাত্মক বেঈমানি, মারাত্মক অসহযোগিতা।’
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গোলাম মাওলা রনি তার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিও আলোচনায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা প্রথম থেকে বলে আসছিলাম ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আগমনের পেছনে একটা ম্যাটিকুলাস ডিজাইন রয়েছে। যা মুহাম্মদ ইউনূস নিজে বলেছেন, এটার পেছনে মাস্টারমাইন্ড আছে, একাধিক মাস্টারমাইন্ড। এ রকম কয়েকজন মাস্টারমাইন্ড সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা নিজে বলেছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ড. ইউনূস পরিচয় করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পেছনে দেশে এবং বিদেশি চক্রান্ত রয়েছে—এটা রীতিমতো ওপেন সিক্রেট।
আমরা দেশের ভেতরে থেকে টুকটাক বলেছি এবং দেশের বাইরে থেকে আরো খোলাখুলিভাবে বিভিন্ন মানুষ বলার চেষ্টা করেছেন। এখানে সেই যে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় জর্জ সরোস, যিনি মার্কিন ডিপস্টেটের পক্ষে বিভিন্ন দেশের সরকার পরিবর্তনের জন্য বিনিয়োগ করেন। তারপর সেই সরকারের পতন হলে যারা ক্ষমতায় আসে তাদের কাছ থেকে কয়েক শ গুণ অর্থ আদায় করেন। তো বাংলাদেশে এ রকম জর্জ সরোসের বিনিয়োগ ছিল এই কথা সবাই সমালোচনা করছে।
বিশেষ করে তার ছেলে যখন বাংলাদেশে এলেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন তখন আমরা ধরে নিলাম যে ডালমেকুস কালা হ্যায়।’
জাতিসংঘ যা করে তা মূলত আমেরিকারই কাজ উল্লেখ করে রনি বলেন, ‘কোনো একটা দেশের যুদ্ধ বাধাতে হবে, সেখানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দিয়ে সাধারণ পরিষদ দিয়ে জাতিসংঘের যে মানবাধিকার কমিশন, সেটা দিয়ে এরপর জাতিসংঘের অন্য যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমন ইউএনএস, সিআর তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলো দিয়ে তারা বিভিন্ন দেশের নানা রকম কর্মকাণ্ড চালায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর আমরা এ রকম অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের অসাধারণ কতগুলো তৎপরতা দেখতে পেলাম। বিশ্বব্যাংক খুবই ইতিবাচক মনোভাব দেখাল ২০২৪ সালের প্রথম ৩-৪ মাস আইএমএফ এতটা কো-অপারেটিভ হলো যে ওই প্রথম ৩-৪ মাসে আইএমএফ আওয়ামী লীগ জামানাতে যে ঋণগুলো দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুত ছিল এবং সেখানে প্রায় তিনটি ঋণের কিস্তি তারা ছাড় দিয়েছিল।
ড. মুহম্মদ ইউনূসের জামানাতে তারা ইমিডিয়েটলি সব কিস্তির সুদ নেবেই না, আরো নতুন হয়তো ১০-১৫ বিলিয়ন ডলার তারা দিতে পারে আর বিশ্বব্যাংক হয়তো ৪০-৪৫ বিলিয়ন ডলার দেবে চায়না থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে ইত্যাদি মিলে আমরা প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের দেশি-বিদেশি সাহায্য গ্র্যান্ড ঋণ আশা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল যে ২০০ বিলিয়ন ডলার তো দূরের কথা, ২ বিলিয়ন ডলারও আসছে না বরং আওয়ামী লীগ জামানাতে যেসব চুক্তি ছিল। সেই চুক্তির অধীনে যেসব ঋণ আসার কথা ছিল সেসব ঋণের বিরাট অংশ ফেরত গেল।’
রাজনৈতিক এ বিশ্লেষক বলেন, ‘যখন রোহিঙ্গাদের বিষয়টি এলো, দেখলাম জাতিসংঘ মহাসচিব এলেন—তিনি পাঞ্জাবি পরে সেই ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণ করলেন। লাখ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বক্তব্য দিলেন এবং তিনি ঘোষণা করলেন, আগামী যে ঈদুল ফিতর মানে এই যে ২০২৬ সালের যে ঈদ, এই ঈদের উৎসবটি রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে গিয়ে করতে পারবেন। আমরা তো মহাখুশি যেখানে মহাসচিব এসেছেন জাতিসংঘের, যেখানে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা কথাবার্তা বলেছেন, এরপর আর কথা থাকে না। কিন্তু পরিস্থিতি দেখা গেল উল্টো। একজন রোহিঙ্গা সেখানে তো গেলই না, উল্টো আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ নতুন রোহিঙ্গা আমাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করল এবং সীমান্তের ওপারে আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা নো ম্যানস জোনে বা কাছাকাছি জায়গাতে তারা অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায়, এমনকি জাতিসংঘ চেষ্টা করছে বাংলাদেশের বাকি রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য এটা রীতিমতো আত্মহত্যার মতো রীতিমতো বেঈমানি।’
গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘জাতিসংঘ এই বাংলাদেশ থেকে কী অর্জন করতে চেয়েছিল বা তাদের কী উদ্দেশ্য ছিল, আমরা বলতে পারব না। কিন্তু ইদানীং যেটা হচ্ছে যে পুরো জাতির সঙ্গে এবং আমেরিকা বলতে গেলে এই সরকারের সঙ্গে তাদের যে দহরম-মহরম সম্পর্ক ছিল সেটা তো নেই বরং উল্টো আচরণ করছে। এখন তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চাচ্ছে। স্পষ্ট তারা আওয়ামী লীগকে চাচ্ছে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করুক তারা চাচ্ছে। এই কথা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন শুনছেন, এনসিপি নেতৃবৃন্দ যখন শুনছেন, জামায়াতের লোক, যারা এই জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মূল মাস্টারমাইন্ড ছিলেন এটি তাদের জন্য ভীষণ রকম অপমান।’
সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ নিয়ে যদি কোনো কথা বলা হয় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে তারপর আওয়ামী লীগকে নিয়ে নির্বাচন করতে বলা হয় আওয়ামী লীগের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা হয়, শেখ হাসিনার বিচারের সুষ্ঠুতা, বিচারের স্বচ্ছতা ইত্যাদি নিয়ে যখন প্রশ্ন করা হয়—এটা অনেকটা হেমলক পান করা মানে বিষ পান করা বা গলায় দড়িয়ে দিয়ে মরার আগে মানুষের যে দুঃখ হয়—এ রকম দুঃখের চেয়ে কোনো অংশে কম বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে না। এটা কী ধরনের কথা? যে কাজগুলো আমেরিকা এখন করছে। অতিরিক্ত পশ্চিমারা এখন বাংলাদেশের ঘন ঘন আসছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের যারা লোকজন তারা আসছে।’
জাতিসংঘ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সঙ্গে রীতিমতো বেঈমানি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে তারা তাদের বিভিন্ন যে সংস্থা রয়েছে এবং তাদের যেসব আন্তর্জাতিক প্রেশার গ্রুপ রয়েছে সেসব প্রেশার গ্রুপ দিয়ে সরকারের ওপর যে চাপ তৈরি করছে, এটি আমরা আশা করিনি। দ্বিতীয়ত, তারা প্রকাশ্যে এবং আকার-ইঙ্গিতে বা পর্দার অন্তরালে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার জন্য, ক্ষমতায় বসানোর জন্য এবং আওয়ামী লীগের যারা দোসর আছে তাদের নানাভাবে দেশে এবং দেশের বাইরে সাহায্য-সহযোগিতা করার জন্য যেসব কর্মকাণ্ড করছে তা এককথায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বা তার সরকারের সঙ্গে মারাত্মক বেঈমানি, মারাত্মক অসহযোগিতা।’
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গোলাম মাওলা রনি তার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিও আলোচনায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা প্রথম থেকে বলে আসছিলাম ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আগমনের পেছনে একটা ম্যাটিকুলাস ডিজাইন রয়েছে। যা মুহাম্মদ ইউনূস নিজে বলেছেন, এটার পেছনে মাস্টারমাইন্ড আছে, একাধিক মাস্টারমাইন্ড। এ রকম কয়েকজন মাস্টারমাইন্ড সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা নিজে বলেছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ড. ইউনূস পরিচয় করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পেছনে দেশে এবং বিদেশি চক্রান্ত রয়েছে—এটা রীতিমতো ওপেন সিক্রেট।
আমরা দেশের ভেতরে থেকে টুকটাক বলেছি এবং দেশের বাইরে থেকে আরো খোলাখুলিভাবে বিভিন্ন মানুষ বলার চেষ্টা করেছেন। এখানে সেই যে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় জর্জ সরোস, যিনি মার্কিন ডিপস্টেটের পক্ষে বিভিন্ন দেশের সরকার পরিবর্তনের জন্য বিনিয়োগ করেন। তারপর সেই সরকারের পতন হলে যারা ক্ষমতায় আসে তাদের কাছ থেকে কয়েক শ গুণ অর্থ আদায় করেন। তো বাংলাদেশে এ রকম জর্জ সরোসের বিনিয়োগ ছিল এই কথা সবাই সমালোচনা করছে।
বিশেষ করে তার ছেলে যখন বাংলাদেশে এলেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন তখন আমরা ধরে নিলাম যে ডালমেকুস কালা হ্যায়।’
জাতিসংঘ যা করে তা মূলত আমেরিকারই কাজ উল্লেখ করে রনি বলেন, ‘কোনো একটা দেশের যুদ্ধ বাধাতে হবে, সেখানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দিয়ে সাধারণ পরিষদ দিয়ে জাতিসংঘের যে মানবাধিকার কমিশন, সেটা দিয়ে এরপর জাতিসংঘের অন্য যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমন ইউএনএস, সিআর তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলো দিয়ে তারা বিভিন্ন দেশের নানা রকম কর্মকাণ্ড চালায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর আমরা এ রকম অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের অসাধারণ কতগুলো তৎপরতা দেখতে পেলাম। বিশ্বব্যাংক খুবই ইতিবাচক মনোভাব দেখাল ২০২৪ সালের প্রথম ৩-৪ মাস আইএমএফ এতটা কো-অপারেটিভ হলো যে ওই প্রথম ৩-৪ মাসে আইএমএফ আওয়ামী লীগ জামানাতে যে ঋণগুলো দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুত ছিল এবং সেখানে প্রায় তিনটি ঋণের কিস্তি তারা ছাড় দিয়েছিল।
ড. মুহম্মদ ইউনূসের জামানাতে তারা ইমিডিয়েটলি সব কিস্তির সুদ নেবেই না, আরো নতুন হয়তো ১০-১৫ বিলিয়ন ডলার তারা দিতে পারে আর বিশ্বব্যাংক হয়তো ৪০-৪৫ বিলিয়ন ডলার দেবে চায়না থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে ইত্যাদি মিলে আমরা প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের দেশি-বিদেশি সাহায্য গ্র্যান্ড ঋণ আশা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল যে ২০০ বিলিয়ন ডলার তো দূরের কথা, ২ বিলিয়ন ডলারও আসছে না বরং আওয়ামী লীগ জামানাতে যেসব চুক্তি ছিল। সেই চুক্তির অধীনে যেসব ঋণ আসার কথা ছিল সেসব ঋণের বিরাট অংশ ফেরত গেল।’
রাজনৈতিক এ বিশ্লেষক বলেন, ‘যখন রোহিঙ্গাদের বিষয়টি এলো, দেখলাম জাতিসংঘ মহাসচিব এলেন—তিনি পাঞ্জাবি পরে সেই ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণ করলেন। লাখ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বক্তব্য দিলেন এবং তিনি ঘোষণা করলেন, আগামী যে ঈদুল ফিতর মানে এই যে ২০২৬ সালের যে ঈদ, এই ঈদের উৎসবটি রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে গিয়ে করতে পারবেন। আমরা তো মহাখুশি যেখানে মহাসচিব এসেছেন জাতিসংঘের, যেখানে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা কথাবার্তা বলেছেন, এরপর আর কথা থাকে না। কিন্তু পরিস্থিতি দেখা গেল উল্টো। একজন রোহিঙ্গা সেখানে তো গেলই না, উল্টো আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ নতুন রোহিঙ্গা আমাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করল এবং সীমান্তের ওপারে আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা নো ম্যানস জোনে বা কাছাকাছি জায়গাতে তারা অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায়, এমনকি জাতিসংঘ চেষ্টা করছে বাংলাদেশের বাকি রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য এটা রীতিমতো আত্মহত্যার মতো রীতিমতো বেঈমানি।’
গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘জাতিসংঘ এই বাংলাদেশ থেকে কী অর্জন করতে চেয়েছিল বা তাদের কী উদ্দেশ্য ছিল, আমরা বলতে পারব না। কিন্তু ইদানীং যেটা হচ্ছে যে পুরো জাতির সঙ্গে এবং আমেরিকা বলতে গেলে এই সরকারের সঙ্গে তাদের যে দহরম-মহরম সম্পর্ক ছিল সেটা তো নেই বরং উল্টো আচরণ করছে। এখন তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চাচ্ছে। স্পষ্ট তারা আওয়ামী লীগকে চাচ্ছে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করুক তারা চাচ্ছে। এই কথা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন শুনছেন, এনসিপি নেতৃবৃন্দ যখন শুনছেন, জামায়াতের লোক, যারা এই জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মূল মাস্টারমাইন্ড ছিলেন এটি তাদের জন্য ভীষণ রকম অপমান।’
সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ নিয়ে যদি কোনো কথা বলা হয় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে তারপর আওয়ামী লীগকে নিয়ে নির্বাচন করতে বলা হয় আওয়ামী লীগের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা হয়, শেখ হাসিনার বিচারের সুষ্ঠুতা, বিচারের স্বচ্ছতা ইত্যাদি নিয়ে যখন প্রশ্ন করা হয়—এটা অনেকটা হেমলক পান করা মানে বিষ পান করা বা গলায় দড়িয়ে দিয়ে মরার আগে মানুষের যে দুঃখ হয়—এ রকম দুঃখের চেয়ে কোনো অংশে কম বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে না। এটা কী ধরনের কথা? যে কাজগুলো আমেরিকা এখন করছে। অতিরিক্ত পশ্চিমারা এখন বাংলাদেশের ঘন ঘন আসছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের যারা লোকজন তারা আসছে।’
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

১৯ মে, ২০২৬ ১৫:৩৫
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’

০১ মে, ২০২৬ ১৭:২৬
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.