
২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:২৪
জাতিসংঘ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সঙ্গে রীতিমতো বেঈমানি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে তারা তাদের বিভিন্ন যে সংস্থা রয়েছে এবং তাদের যেসব আন্তর্জাতিক প্রেশার গ্রুপ রয়েছে সেসব প্রেশার গ্রুপ দিয়ে সরকারের ওপর যে চাপ তৈরি করছে, এটি আমরা আশা করিনি। দ্বিতীয়ত, তারা প্রকাশ্যে এবং আকার-ইঙ্গিতে বা পর্দার অন্তরালে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার জন্য, ক্ষমতায় বসানোর জন্য এবং আওয়ামী লীগের যারা দোসর আছে তাদের নানাভাবে দেশে এবং দেশের বাইরে সাহায্য-সহযোগিতা করার জন্য যেসব কর্মকাণ্ড করছে তা এককথায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বা তার সরকারের সঙ্গে মারাত্মক বেঈমানি, মারাত্মক অসহযোগিতা।’
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গোলাম মাওলা রনি তার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিও আলোচনায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা প্রথম থেকে বলে আসছিলাম ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আগমনের পেছনে একটা ম্যাটিকুলাস ডিজাইন রয়েছে। যা মুহাম্মদ ইউনূস নিজে বলেছেন, এটার পেছনে মাস্টারমাইন্ড আছে, একাধিক মাস্টারমাইন্ড। এ রকম কয়েকজন মাস্টারমাইন্ড সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা নিজে বলেছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ড. ইউনূস পরিচয় করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পেছনে দেশে এবং বিদেশি চক্রান্ত রয়েছে—এটা রীতিমতো ওপেন সিক্রেট।
আমরা দেশের ভেতরে থেকে টুকটাক বলেছি এবং দেশের বাইরে থেকে আরো খোলাখুলিভাবে বিভিন্ন মানুষ বলার চেষ্টা করেছেন। এখানে সেই যে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় জর্জ সরোস, যিনি মার্কিন ডিপস্টেটের পক্ষে বিভিন্ন দেশের সরকার পরিবর্তনের জন্য বিনিয়োগ করেন। তারপর সেই সরকারের পতন হলে যারা ক্ষমতায় আসে তাদের কাছ থেকে কয়েক শ গুণ অর্থ আদায় করেন। তো বাংলাদেশে এ রকম জর্জ সরোসের বিনিয়োগ ছিল এই কথা সবাই সমালোচনা করছে।
বিশেষ করে তার ছেলে যখন বাংলাদেশে এলেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন তখন আমরা ধরে নিলাম যে ডালমেকুস কালা হ্যায়।’
জাতিসংঘ যা করে তা মূলত আমেরিকারই কাজ উল্লেখ করে রনি বলেন, ‘কোনো একটা দেশের যুদ্ধ বাধাতে হবে, সেখানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দিয়ে সাধারণ পরিষদ দিয়ে জাতিসংঘের যে মানবাধিকার কমিশন, সেটা দিয়ে এরপর জাতিসংঘের অন্য যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমন ইউএনএস, সিআর তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলো দিয়ে তারা বিভিন্ন দেশের নানা রকম কর্মকাণ্ড চালায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর আমরা এ রকম অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের অসাধারণ কতগুলো তৎপরতা দেখতে পেলাম। বিশ্বব্যাংক খুবই ইতিবাচক মনোভাব দেখাল ২০২৪ সালের প্রথম ৩-৪ মাস আইএমএফ এতটা কো-অপারেটিভ হলো যে ওই প্রথম ৩-৪ মাসে আইএমএফ আওয়ামী লীগ জামানাতে যে ঋণগুলো দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুত ছিল এবং সেখানে প্রায় তিনটি ঋণের কিস্তি তারা ছাড় দিয়েছিল।
ড. মুহম্মদ ইউনূসের জামানাতে তারা ইমিডিয়েটলি সব কিস্তির সুদ নেবেই না, আরো নতুন হয়তো ১০-১৫ বিলিয়ন ডলার তারা দিতে পারে আর বিশ্বব্যাংক হয়তো ৪০-৪৫ বিলিয়ন ডলার দেবে চায়না থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে ইত্যাদি মিলে আমরা প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের দেশি-বিদেশি সাহায্য গ্র্যান্ড ঋণ আশা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল যে ২০০ বিলিয়ন ডলার তো দূরের কথা, ২ বিলিয়ন ডলারও আসছে না বরং আওয়ামী লীগ জামানাতে যেসব চুক্তি ছিল। সেই চুক্তির অধীনে যেসব ঋণ আসার কথা ছিল সেসব ঋণের বিরাট অংশ ফেরত গেল।’
রাজনৈতিক এ বিশ্লেষক বলেন, ‘যখন রোহিঙ্গাদের বিষয়টি এলো, দেখলাম জাতিসংঘ মহাসচিব এলেন—তিনি পাঞ্জাবি পরে সেই ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণ করলেন। লাখ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বক্তব্য দিলেন এবং তিনি ঘোষণা করলেন, আগামী যে ঈদুল ফিতর মানে এই যে ২০২৬ সালের যে ঈদ, এই ঈদের উৎসবটি রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে গিয়ে করতে পারবেন। আমরা তো মহাখুশি যেখানে মহাসচিব এসেছেন জাতিসংঘের, যেখানে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা কথাবার্তা বলেছেন, এরপর আর কথা থাকে না। কিন্তু পরিস্থিতি দেখা গেল উল্টো। একজন রোহিঙ্গা সেখানে তো গেলই না, উল্টো আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ নতুন রোহিঙ্গা আমাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করল এবং সীমান্তের ওপারে আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা নো ম্যানস জোনে বা কাছাকাছি জায়গাতে তারা অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায়, এমনকি জাতিসংঘ চেষ্টা করছে বাংলাদেশের বাকি রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য এটা রীতিমতো আত্মহত্যার মতো রীতিমতো বেঈমানি।’
গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘জাতিসংঘ এই বাংলাদেশ থেকে কী অর্জন করতে চেয়েছিল বা তাদের কী উদ্দেশ্য ছিল, আমরা বলতে পারব না। কিন্তু ইদানীং যেটা হচ্ছে যে পুরো জাতির সঙ্গে এবং আমেরিকা বলতে গেলে এই সরকারের সঙ্গে তাদের যে দহরম-মহরম সম্পর্ক ছিল সেটা তো নেই বরং উল্টো আচরণ করছে। এখন তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চাচ্ছে। স্পষ্ট তারা আওয়ামী লীগকে চাচ্ছে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করুক তারা চাচ্ছে। এই কথা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন শুনছেন, এনসিপি নেতৃবৃন্দ যখন শুনছেন, জামায়াতের লোক, যারা এই জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মূল মাস্টারমাইন্ড ছিলেন এটি তাদের জন্য ভীষণ রকম অপমান।’
সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ নিয়ে যদি কোনো কথা বলা হয় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে তারপর আওয়ামী লীগকে নিয়ে নির্বাচন করতে বলা হয় আওয়ামী লীগের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা হয়, শেখ হাসিনার বিচারের সুষ্ঠুতা, বিচারের স্বচ্ছতা ইত্যাদি নিয়ে যখন প্রশ্ন করা হয়—এটা অনেকটা হেমলক পান করা মানে বিষ পান করা বা গলায় দড়িয়ে দিয়ে মরার আগে মানুষের যে দুঃখ হয়—এ রকম দুঃখের চেয়ে কোনো অংশে কম বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে না। এটা কী ধরনের কথা? যে কাজগুলো আমেরিকা এখন করছে। অতিরিক্ত পশ্চিমারা এখন বাংলাদেশের ঘন ঘন আসছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের যারা লোকজন তারা আসছে।’
জাতিসংঘ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সঙ্গে রীতিমতো বেঈমানি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে তারা তাদের বিভিন্ন যে সংস্থা রয়েছে এবং তাদের যেসব আন্তর্জাতিক প্রেশার গ্রুপ রয়েছে সেসব প্রেশার গ্রুপ দিয়ে সরকারের ওপর যে চাপ তৈরি করছে, এটি আমরা আশা করিনি। দ্বিতীয়ত, তারা প্রকাশ্যে এবং আকার-ইঙ্গিতে বা পর্দার অন্তরালে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার জন্য, ক্ষমতায় বসানোর জন্য এবং আওয়ামী লীগের যারা দোসর আছে তাদের নানাভাবে দেশে এবং দেশের বাইরে সাহায্য-সহযোগিতা করার জন্য যেসব কর্মকাণ্ড করছে তা এককথায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বা তার সরকারের সঙ্গে মারাত্মক বেঈমানি, মারাত্মক অসহযোগিতা।’
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গোলাম মাওলা রনি তার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিও আলোচনায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা প্রথম থেকে বলে আসছিলাম ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আগমনের পেছনে একটা ম্যাটিকুলাস ডিজাইন রয়েছে। যা মুহাম্মদ ইউনূস নিজে বলেছেন, এটার পেছনে মাস্টারমাইন্ড আছে, একাধিক মাস্টারমাইন্ড। এ রকম কয়েকজন মাস্টারমাইন্ড সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা নিজে বলেছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ড. ইউনূস পরিচয় করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পেছনে দেশে এবং বিদেশি চক্রান্ত রয়েছে—এটা রীতিমতো ওপেন সিক্রেট।
আমরা দেশের ভেতরে থেকে টুকটাক বলেছি এবং দেশের বাইরে থেকে আরো খোলাখুলিভাবে বিভিন্ন মানুষ বলার চেষ্টা করেছেন। এখানে সেই যে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় জর্জ সরোস, যিনি মার্কিন ডিপস্টেটের পক্ষে বিভিন্ন দেশের সরকার পরিবর্তনের জন্য বিনিয়োগ করেন। তারপর সেই সরকারের পতন হলে যারা ক্ষমতায় আসে তাদের কাছ থেকে কয়েক শ গুণ অর্থ আদায় করেন। তো বাংলাদেশে এ রকম জর্জ সরোসের বিনিয়োগ ছিল এই কথা সবাই সমালোচনা করছে।
বিশেষ করে তার ছেলে যখন বাংলাদেশে এলেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন তখন আমরা ধরে নিলাম যে ডালমেকুস কালা হ্যায়।’
জাতিসংঘ যা করে তা মূলত আমেরিকারই কাজ উল্লেখ করে রনি বলেন, ‘কোনো একটা দেশের যুদ্ধ বাধাতে হবে, সেখানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দিয়ে সাধারণ পরিষদ দিয়ে জাতিসংঘের যে মানবাধিকার কমিশন, সেটা দিয়ে এরপর জাতিসংঘের অন্য যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমন ইউএনএস, সিআর তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলো দিয়ে তারা বিভিন্ন দেশের নানা রকম কর্মকাণ্ড চালায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর আমরা এ রকম অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের অসাধারণ কতগুলো তৎপরতা দেখতে পেলাম। বিশ্বব্যাংক খুবই ইতিবাচক মনোভাব দেখাল ২০২৪ সালের প্রথম ৩-৪ মাস আইএমএফ এতটা কো-অপারেটিভ হলো যে ওই প্রথম ৩-৪ মাসে আইএমএফ আওয়ামী লীগ জামানাতে যে ঋণগুলো দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুত ছিল এবং সেখানে প্রায় তিনটি ঋণের কিস্তি তারা ছাড় দিয়েছিল।
ড. মুহম্মদ ইউনূসের জামানাতে তারা ইমিডিয়েটলি সব কিস্তির সুদ নেবেই না, আরো নতুন হয়তো ১০-১৫ বিলিয়ন ডলার তারা দিতে পারে আর বিশ্বব্যাংক হয়তো ৪০-৪৫ বিলিয়ন ডলার দেবে চায়না থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে ইত্যাদি মিলে আমরা প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের দেশি-বিদেশি সাহায্য গ্র্যান্ড ঋণ আশা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল যে ২০০ বিলিয়ন ডলার তো দূরের কথা, ২ বিলিয়ন ডলারও আসছে না বরং আওয়ামী লীগ জামানাতে যেসব চুক্তি ছিল। সেই চুক্তির অধীনে যেসব ঋণ আসার কথা ছিল সেসব ঋণের বিরাট অংশ ফেরত গেল।’
রাজনৈতিক এ বিশ্লেষক বলেন, ‘যখন রোহিঙ্গাদের বিষয়টি এলো, দেখলাম জাতিসংঘ মহাসচিব এলেন—তিনি পাঞ্জাবি পরে সেই ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণ করলেন। লাখ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বক্তব্য দিলেন এবং তিনি ঘোষণা করলেন, আগামী যে ঈদুল ফিতর মানে এই যে ২০২৬ সালের যে ঈদ, এই ঈদের উৎসবটি রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে গিয়ে করতে পারবেন। আমরা তো মহাখুশি যেখানে মহাসচিব এসেছেন জাতিসংঘের, যেখানে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা কথাবার্তা বলেছেন, এরপর আর কথা থাকে না। কিন্তু পরিস্থিতি দেখা গেল উল্টো। একজন রোহিঙ্গা সেখানে তো গেলই না, উল্টো আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ নতুন রোহিঙ্গা আমাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করল এবং সীমান্তের ওপারে আরো প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা নো ম্যানস জোনে বা কাছাকাছি জায়গাতে তারা অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায়, এমনকি জাতিসংঘ চেষ্টা করছে বাংলাদেশের বাকি রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য এটা রীতিমতো আত্মহত্যার মতো রীতিমতো বেঈমানি।’
গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘জাতিসংঘ এই বাংলাদেশ থেকে কী অর্জন করতে চেয়েছিল বা তাদের কী উদ্দেশ্য ছিল, আমরা বলতে পারব না। কিন্তু ইদানীং যেটা হচ্ছে যে পুরো জাতির সঙ্গে এবং আমেরিকা বলতে গেলে এই সরকারের সঙ্গে তাদের যে দহরম-মহরম সম্পর্ক ছিল সেটা তো নেই বরং উল্টো আচরণ করছে। এখন তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চাচ্ছে। স্পষ্ট তারা আওয়ামী লীগকে চাচ্ছে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করুক তারা চাচ্ছে। এই কথা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন শুনছেন, এনসিপি নেতৃবৃন্দ যখন শুনছেন, জামায়াতের লোক, যারা এই জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মূল মাস্টারমাইন্ড ছিলেন এটি তাদের জন্য ভীষণ রকম অপমান।’
সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ নিয়ে যদি কোনো কথা বলা হয় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে তারপর আওয়ামী লীগকে নিয়ে নির্বাচন করতে বলা হয় আওয়ামী লীগের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা হয়, শেখ হাসিনার বিচারের সুষ্ঠুতা, বিচারের স্বচ্ছতা ইত্যাদি নিয়ে যখন প্রশ্ন করা হয়—এটা অনেকটা হেমলক পান করা মানে বিষ পান করা বা গলায় দড়িয়ে দিয়ে মরার আগে মানুষের যে দুঃখ হয়—এ রকম দুঃখের চেয়ে কোনো অংশে কম বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে না। এটা কী ধরনের কথা? যে কাজগুলো আমেরিকা এখন করছে। অতিরিক্ত পশ্চিমারা এখন বাংলাদেশের ঘন ঘন আসছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের যারা লোকজন তারা আসছে।’

২৪ জুন, ২০২৬ ০০:২১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'

২২ জুন, ২০২৬ ২২:৩১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #

১৫ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
সাবেক সংসদ সদস্য ও লোকসংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত দুটি হত্যা ও একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে আদালত তিনটি পৃথক রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, মিরপুর ও আশুলিয়া থানায় দায়ের করা এসব মামলায় কেন মমতাজ বেগমকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না।
সোমবার (১৫ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি একেএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
তবে আরও তিন মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় মমতাজ কারামুক্ত হতে পারবেন না বলে জানান তার আইনজীবী মো. মোতাহের হোসেন সাজু।
জামিন আবেদনের শুনানিতে মমতাজের পক্ষে তিনি ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট মোসাম্মৎ খায়রুন নেছা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নাহিদ হোসেন লিজা।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল লিজা বলেন, ‘হাইকোর্টের এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবে।’
গত বছরের ১২ মে মানিকগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বরিশাল টাইমস
সাবেক সংসদ সদস্য ও লোকসংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত দুটি হত্যা ও একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে আদালত তিনটি পৃথক রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, মিরপুর ও আশুলিয়া থানায় দায়ের করা এসব মামলায় কেন মমতাজ বেগমকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না।
সোমবার (১৫ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি একেএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
তবে আরও তিন মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় মমতাজ কারামুক্ত হতে পারবেন না বলে জানান তার আইনজীবী মো. মোতাহের হোসেন সাজু।
জামিন আবেদনের শুনানিতে মমতাজের পক্ষে তিনি ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট মোসাম্মৎ খায়রুন নেছা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নাহিদ হোসেন লিজা।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল লিজা বলেন, ‘হাইকোর্টের এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবে।’
গত বছরের ১২ মে মানিকগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.