
০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:১৭
জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে ঝালকাঠির চার উপজেলায় নির্মাণ হয়েছে ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’।জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির দিনে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে ঝালকাঠি সদর, নলছিটি উপজেলা, রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলায় পানির কর্নার নির্মাণ করা হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জুলাই যোদ্ধা ও তরুণ উদ্ভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। এই কর্নার থেকে মানুষ তাদের পিপাসা মিটানোর জন্য বিনা মূল্যে সুপেয় পানি পান করতে ও নিতে পারবেন।
এদিকে ঝালকাঠির তারুণ্যের আইডিয়ায় গণঅভ্যূত্থানের বর্ষপূতি পালন উপলক্ষ্যে ‘আমার চোখে জুলাই বিপ্লব’ প্রতিপাদ্য নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে অংশগ্রহণমূলক আইডিয়া প্রতিযোগিতার নির্দেশনা ও গাইডলাইন অনুসরণকরে ঝালকাঠি জেলা পরিষদ ৩০টি আইডিয়া প্রস্তাব পায়। প্রাপ্ত আইডিয়াসমূহের মধ্যে মূল্যায়ন কমিটি চার উপজেলায় ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’ স্থাপন আইডিয়া প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে।
জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমাম জানান,এই উদ্যোগ শুধুমাত্র শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নয় এটি একটি মানবিক ও নাগরিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন।
‘মুগ্ধ পানি কর্নার’-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণ এখন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের সহজ ও বিনামূল্য উৎস পাচ্ছেন। এটি নাগরিক কল্যাণ, শহীদ স্মরণ এবং তরুণ প্রজন্মের সৃষ্টিশীলতাকে বাস্তবমুখী রূপদানের এক অনন্য উদাহরণ।
জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে ঝালকাঠির চার উপজেলায় নির্মাণ হয়েছে ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’।জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির দিনে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে ঝালকাঠি সদর, নলছিটি উপজেলা, রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলায় পানির কর্নার নির্মাণ করা হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জুলাই যোদ্ধা ও তরুণ উদ্ভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। এই কর্নার থেকে মানুষ তাদের পিপাসা মিটানোর জন্য বিনা মূল্যে সুপেয় পানি পান করতে ও নিতে পারবেন।
এদিকে ঝালকাঠির তারুণ্যের আইডিয়ায় গণঅভ্যূত্থানের বর্ষপূতি পালন উপলক্ষ্যে ‘আমার চোখে জুলাই বিপ্লব’ প্রতিপাদ্য নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে অংশগ্রহণমূলক আইডিয়া প্রতিযোগিতার নির্দেশনা ও গাইডলাইন অনুসরণকরে ঝালকাঠি জেলা পরিষদ ৩০টি আইডিয়া প্রস্তাব পায়। প্রাপ্ত আইডিয়াসমূহের মধ্যে মূল্যায়ন কমিটি চার উপজেলায় ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’ স্থাপন আইডিয়া প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে।
জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমাম জানান,এই উদ্যোগ শুধুমাত্র শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নয় এটি একটি মানবিক ও নাগরিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন।
‘মুগ্ধ পানি কর্নার’-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণ এখন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের সহজ ও বিনামূল্য উৎস পাচ্ছেন। এটি নাগরিক কল্যাণ, শহীদ স্মরণ এবং তরুণ প্রজন্মের সৃষ্টিশীলতাকে বাস্তবমুখী রূপদানের এক অনন্য উদাহরণ।

০৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৩
ঝালকাঠিতে ২০ পিস ইয়াবাসহ সুমন চক্রবর্তী (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। তিনি শহরের কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যার দিকে ঝালকাঠি পৌরসভার বাহের রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহের রোড এলাকায় অবস্থান নেওয়া হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুমন চক্রবর্তী পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সুমন চক্রবর্তী ঝালকাঠি পৌরসভার কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দির এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত তারাপদ চক্রবর্তীর ছেলে।
এ ঘটনায় এসআই (নিরস্ত্র) মো. তারিফুল ইসলাম বাদী হয়ে সুমন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ঝালকাঠি জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
ঝালকাঠিতে ২০ পিস ইয়াবাসহ সুমন চক্রবর্তী (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। তিনি শহরের কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যার দিকে ঝালকাঠি পৌরসভার বাহের রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহের রোড এলাকায় অবস্থান নেওয়া হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুমন চক্রবর্তী পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সুমন চক্রবর্তী ঝালকাঠি পৌরসভার কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দির এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত তারাপদ চক্রবর্তীর ছেলে।
এ ঘটনায় এসআই (নিরস্ত্র) মো. তারিফুল ইসলাম বাদী হয়ে সুমন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ঝালকাঠি জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

০৭ জুন, ২০২৬ ১৪:১৯
একসময় ছিল জনবসতিপূর্ণ একটি গ্রাম। বিস্তীর্ণ কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি আর স্বাভাবিক গ্রামীণ জীবনের চিত্র ছিল চারদিকে। কিন্তু বিষখালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সেই চিত্র এখন অতীত। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের চর ইসলামাবাদ গ্রামের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়ে বর্তমানে বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপে পরিণত হয়েছে। নদীর বুকের মাঝে টিকে থাকা এই ছোট্ট জনপদটি এখন অস্তিত্ব সংকটে। প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে জীবনযাপন করছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৬ সালে ভয়াবহ নদীভাঙনের ফলে ইসলামাবাদ গ্রামের এই অংশটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে গ্রামটির চারপাশে বিষখালী নদীর পানি বেষ্টিত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে নৌকা ও ট্রলারই এখানকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা সদর কিংবা জেলা শহরে যেতে হলে তাদের নদীপথেই নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, একসময় এই এলাকায় শত শত একর আবাদি জমি ছিল। নদীভাঙনে ধীরে ধীরে সেই জমি হারিয়ে গেছে। অনেক পরিবার একাধিকবার ভাঙনের শিকার হয়ে বসতভিটা হারিয়েছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অন্যত্র চলে গেলেও যারা এখনো টিকে আছেন, তারা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা নিয়ে বসবাস করছেন।
বর্তমানে দ্বীপটিতে প্রায় ৫৪টি পরিবার বসবাস করছে। জনসংখ্যা আনুমানিক ৫২০ জন। উত্তর-দক্ষিণে প্রায় দুই কিলোমিটারের বেশি এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় এক কিলোমিটার বিস্তৃত এই দ্বীপের আয়তনও বছর বছর কমে আসছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে পুরো জনপদটিই নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।
চর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কাইউম বাদশাহ বলেন, ‘একসময় আমাদের বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী ছিল। এখন শিক্ষার্থী সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৪০ জনে। শিক্ষকও ছিল পর্যাপ্ত। বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুজন। এলাকার মানুষ একের পর এক ভাঙনের শিকার হওয়ায় অনেকে অন্যত্র চলে গেছেন। ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে গেছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুস ছালাম বলেন, ‘আমরা সবসময় ভাঙনের ভয় নিয়ে থাকি। কখন ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই আতঙ্কে রাত কাটে। নদীভাঙনের কারণে বহু মানুষ এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। যারা আছি, তারাও জানি না কতদিন টিকে থাকতে পারব।
রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও বর্তমানে দ্বীপের বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, ‘নদীভাঙনে এই এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। একসময় যাদের অনেক জমিজমা ছিল, এখন তাদের অনেকেই ভূমিহীন হয়ে পড়েছেন। আমরা বারবার ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেও কার্যকর উদ্যোগ দেখতে পাইনি।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলন ভাঙনের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় তীরবর্তী এলাকায় স্রোতের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রিজভী আহমেদ সবুজ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। নদীভাঙন রোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
বরিশাল টাইমস
একসময় ছিল জনবসতিপূর্ণ একটি গ্রাম। বিস্তীর্ণ কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি আর স্বাভাবিক গ্রামীণ জীবনের চিত্র ছিল চারদিকে। কিন্তু বিষখালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সেই চিত্র এখন অতীত। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের চর ইসলামাবাদ গ্রামের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়ে বর্তমানে বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপে পরিণত হয়েছে। নদীর বুকের মাঝে টিকে থাকা এই ছোট্ট জনপদটি এখন অস্তিত্ব সংকটে। প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে জীবনযাপন করছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৬ সালে ভয়াবহ নদীভাঙনের ফলে ইসলামাবাদ গ্রামের এই অংশটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে গ্রামটির চারপাশে বিষখালী নদীর পানি বেষ্টিত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে নৌকা ও ট্রলারই এখানকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা সদর কিংবা জেলা শহরে যেতে হলে তাদের নদীপথেই নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, একসময় এই এলাকায় শত শত একর আবাদি জমি ছিল। নদীভাঙনে ধীরে ধীরে সেই জমি হারিয়ে গেছে। অনেক পরিবার একাধিকবার ভাঙনের শিকার হয়ে বসতভিটা হারিয়েছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অন্যত্র চলে গেলেও যারা এখনো টিকে আছেন, তারা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা নিয়ে বসবাস করছেন।
বর্তমানে দ্বীপটিতে প্রায় ৫৪টি পরিবার বসবাস করছে। জনসংখ্যা আনুমানিক ৫২০ জন। উত্তর-দক্ষিণে প্রায় দুই কিলোমিটারের বেশি এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় এক কিলোমিটার বিস্তৃত এই দ্বীপের আয়তনও বছর বছর কমে আসছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে পুরো জনপদটিই নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।
চর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কাইউম বাদশাহ বলেন, ‘একসময় আমাদের বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী ছিল। এখন শিক্ষার্থী সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৪০ জনে। শিক্ষকও ছিল পর্যাপ্ত। বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুজন। এলাকার মানুষ একের পর এক ভাঙনের শিকার হওয়ায় অনেকে অন্যত্র চলে গেছেন। ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে গেছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুস ছালাম বলেন, ‘আমরা সবসময় ভাঙনের ভয় নিয়ে থাকি। কখন ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই আতঙ্কে রাত কাটে। নদীভাঙনের কারণে বহু মানুষ এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। যারা আছি, তারাও জানি না কতদিন টিকে থাকতে পারব।
রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও বর্তমানে দ্বীপের বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, ‘নদীভাঙনে এই এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। একসময় যাদের অনেক জমিজমা ছিল, এখন তাদের অনেকেই ভূমিহীন হয়ে পড়েছেন। আমরা বারবার ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেও কার্যকর উদ্যোগ দেখতে পাইনি।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলন ভাঙনের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় তীরবর্তী এলাকায় স্রোতের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রিজভী আহমেদ সবুজ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। নদীভাঙন রোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
বরিশাল টাইমস

০৫ জুন, ২০২৬ ১৮:০৩
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠি শহরের লিচুবাগানে মানববৃক্ষ তৈরি করলো ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলন। ৫ জুন শুক্রবার বেলা ১২টায় সংগঠনটি জেলার পরিবেশপ্রেমী নাগরিকদের নিয়ে হাতে-হাত মিলিয়ে একটি বৃক্ষের আদলে মানববৃক্ষ তৈরি করে।
মানববৃক্ষ থেকে লিচুবাগানের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। ঝালকাঠি শহরের ফুসফুস-খ্যাত লিচুবাগান এলাকার জায়গা দুইটি কলেজের নামে হওয়া বরাদ্দ বাতিল করে আবারও লিচুবাগানের প্রকৃতি ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। এ সময় পরিবেশবাদীরা স্লোগান দেন "এক দফা এক দাবি- দুই কলেজ সরে যাবি" ; আমরা চাই আমরা চাই- লিচুবাগান ফিরে চাই"
গাছ লাগানোর উপযোগী সময় না হওয়ায় একটি লিচুগাছকে প্রতিকী হিসেবে দাঁড় করিয়ে শিগগিরই লিচুসহ পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের উপদেষ্টা মল্লিক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন কবির, ইলিয়াস সিকদার ফরহাদ, সাকিনা আলম লীজা, ফাইয়াজ ইফতেখার রনি, সহসভাপতি আজমীর হোসেন তালুকদার, মুনশি রেজাউল হক আজিম ও নির্বাহী সদস্য শফিউল আজম টুটুলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ৫০ জন সদস্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার।
ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল মুসাফির বলেন, সারাদেশে সবুজ বেষ্টনীতে ঝালকাঠি জেলা এক নম্বরে আছে, এটি ধরে রাখতে হবে। পরিবেশের বিরুদ্ধে আসা যেকোনো উদ্যোগকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠি শহরের লিচুবাগানে মানববৃক্ষ তৈরি করলো ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলন। ৫ জুন শুক্রবার বেলা ১২টায় সংগঠনটি জেলার পরিবেশপ্রেমী নাগরিকদের নিয়ে হাতে-হাত মিলিয়ে একটি বৃক্ষের আদলে মানববৃক্ষ তৈরি করে।
মানববৃক্ষ থেকে লিচুবাগানের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। ঝালকাঠি শহরের ফুসফুস-খ্যাত লিচুবাগান এলাকার জায়গা দুইটি কলেজের নামে হওয়া বরাদ্দ বাতিল করে আবারও লিচুবাগানের প্রকৃতি ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। এ সময় পরিবেশবাদীরা স্লোগান দেন "এক দফা এক দাবি- দুই কলেজ সরে যাবি" ; আমরা চাই আমরা চাই- লিচুবাগান ফিরে চাই"
গাছ লাগানোর উপযোগী সময় না হওয়ায় একটি লিচুগাছকে প্রতিকী হিসেবে দাঁড় করিয়ে শিগগিরই লিচুসহ পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের উপদেষ্টা মল্লিক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন কবির, ইলিয়াস সিকদার ফরহাদ, সাকিনা আলম লীজা, ফাইয়াজ ইফতেখার রনি, সহসভাপতি আজমীর হোসেন তালুকদার, মুনশি রেজাউল হক আজিম ও নির্বাহী সদস্য শফিউল আজম টুটুলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ৫০ জন সদস্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার।
ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল মুসাফির বলেন, সারাদেশে সবুজ বেষ্টনীতে ঝালকাঠি জেলা এক নম্বরে আছে, এটি ধরে রাখতে হবে। পরিবেশের বিরুদ্ধে আসা যেকোনো উদ্যোগকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
১৭ জুন, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:৪১
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪