
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৪
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। বিএনপির সাহসী এই নারী নেত্রীকে শনিবার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। কীর্তনখোলা নদীতীরের এই সিটির প্রশাসক হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় অন্তত ডজনখানে বিএনপি নেতা ছিলেন। সেখানে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিনের নামটিও আলোচনা শোনা যাচ্ছিল। সবশেষ শনিবার তাকেই প্রশাসক হিসেবে চূড়ান্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সিটি কর্পোরেশনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে নিয়ে প্রাপ্তিতে বিএনপি নেত্রীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের ব্যাপক অবদান রয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের শাসনামলে অসংখ্যবার এই নারী নেত্রী হামলা-মামলা এবং কারাবরণের শিকার হলেও হাল ছাড়েননি। বরং কী ভাবে নিজেকে আরও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মেলে ধরা যায় সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বরিশালের স্থানীয় রাজনীতিতে শিরিনের একটি শক্তপোক্ত বলয় রয়েছে। তাছাড়া সাংগঠনিক দক্ষতার বদৌলতে গোটা বরিশাল বিভাগে তার জনপ্রিয়তাও কম নয়।
তুখোড় নারী নেত্রী শিরিনকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে স্থানীয় বিভাজনকে কেন্দ্র করে একটি গ্রুপ চেপে ধরতে চেয়েছিল। অবশ্য গুটিকয়েক মিডিয়াকর্মীকে ব্যহবার করে শিরিনকে বহিস্কার করাতেও সফল হয়। কিন্তু ত্যাগি শিরিনের রাজনৈতিক কৌশল এবং কারিশমার কাছে সেই যৌথ ষড়যন্ত্র ধোপে টেকেনি। কিছুটা বিলম্বে হলেও শিরিন তার হারানো পদ ফিরে পেতে সক্ষম হন এবং ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিতও করেন।
বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা রেখে আসা শিরিনকে এবার তারেক রহমান বরিশাল সিটিতে বসিয়ে যেনো এক ধরনের পুরস্কৃত করলেন। অবশ্য শিরিন তৎসময়ে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যও ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিছুদিন পূর্বে দুটি সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার পরে বরিশালের বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়। এই আলোচনায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ ডজনখানেক রাজনৈতিকের নাম ছিল। তবে শিরিন ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং তার কর্মী-সমর্থকদের অনুমান-বিশ্বাস ছিল নেত্রীকে দল মূল্যায়ন করবে।
কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, নিন্দুকদের মুখে ছাই পড়েছে, সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে। বিএনপি এবং তারেক রহমান বরিশালে শিরিনের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন। এবং প্রতিদানস্বরুপ তাকে সিটির প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি চেয়ারে বসিয়েছেন।
শিরিনের প্রশাসক পদ প্রাপ্তিতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে নিয়ে ইতিবাচক লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
প্রশাসক পদপ্রাপ্তিতে কর্মী-সমর্থকদের ন্যায় শিরিনও বেজায় খুশি হয়েছেন। এবং শনিবার বিকালে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, তিনি বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে চির কৃতজ্ঞ। দায়িত্বগ্রহণের পরে তিনি বরিশালবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে শক্তিশালি করতে ভূমিকা রাখবেন।’
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। বিএনপির সাহসী এই নারী নেত্রীকে শনিবার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। কীর্তনখোলা নদীতীরের এই সিটির প্রশাসক হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় অন্তত ডজনখানে বিএনপি নেতা ছিলেন। সেখানে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিনের নামটিও আলোচনা শোনা যাচ্ছিল। সবশেষ শনিবার তাকেই প্রশাসক হিসেবে চূড়ান্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সিটি কর্পোরেশনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে নিয়ে প্রাপ্তিতে বিএনপি নেত্রীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের ব্যাপক অবদান রয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের শাসনামলে অসংখ্যবার এই নারী নেত্রী হামলা-মামলা এবং কারাবরণের শিকার হলেও হাল ছাড়েননি। বরং কী ভাবে নিজেকে আরও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মেলে ধরা যায় সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বরিশালের স্থানীয় রাজনীতিতে শিরিনের একটি শক্তপোক্ত বলয় রয়েছে। তাছাড়া সাংগঠনিক দক্ষতার বদৌলতে গোটা বরিশাল বিভাগে তার জনপ্রিয়তাও কম নয়।
তুখোড় নারী নেত্রী শিরিনকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে স্থানীয় বিভাজনকে কেন্দ্র করে একটি গ্রুপ চেপে ধরতে চেয়েছিল। অবশ্য গুটিকয়েক মিডিয়াকর্মীকে ব্যহবার করে শিরিনকে বহিস্কার করাতেও সফল হয়। কিন্তু ত্যাগি শিরিনের রাজনৈতিক কৌশল এবং কারিশমার কাছে সেই যৌথ ষড়যন্ত্র ধোপে টেকেনি। কিছুটা বিলম্বে হলেও শিরিন তার হারানো পদ ফিরে পেতে সক্ষম হন এবং ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিতও করেন।
বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা রেখে আসা শিরিনকে এবার তারেক রহমান বরিশাল সিটিতে বসিয়ে যেনো এক ধরনের পুরস্কৃত করলেন। অবশ্য শিরিন তৎসময়ে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যও ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিছুদিন পূর্বে দুটি সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার পরে বরিশালের বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়। এই আলোচনায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ ডজনখানেক রাজনৈতিকের নাম ছিল। তবে শিরিন ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং তার কর্মী-সমর্থকদের অনুমান-বিশ্বাস ছিল নেত্রীকে দল মূল্যায়ন করবে।
কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, নিন্দুকদের মুখে ছাই পড়েছে, সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে। বিএনপি এবং তারেক রহমান বরিশালে শিরিনের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন। এবং প্রতিদানস্বরুপ তাকে সিটির প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি চেয়ারে বসিয়েছেন।
শিরিনের প্রশাসক পদ প্রাপ্তিতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে নিয়ে ইতিবাচক লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
প্রশাসক পদপ্রাপ্তিতে কর্মী-সমর্থকদের ন্যায় শিরিনও বেজায় খুশি হয়েছেন। এবং শনিবার বিকালে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, তিনি বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে চির কৃতজ্ঞ। দায়িত্বগ্রহণের পরে তিনি বরিশালবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে শক্তিশালি করতে ভূমিকা রাখবেন।’

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।