Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
রাষ্ট্রীয় নৌ বানিজ্য প্রতিষ্ঠান-বিআইডব্লিউটিসি প্রায় কোটি টাকা ব্যায়ে মেরামত শেষে ঐতিহ্যবাহী ‘পিএস মাহসুদ’ জাহাজটি বরিশাল-ঢাকা নৌপথে ‘পর্যটক সার্ভিস’ হিসেব চালুর পরে আর দেখা নেই। প্রায় ৫ বছর বানিজ্যিক পরিচালন থেকে বাইরে রেখে কোটি টাকা ব্যায়ে মেরামত ও সংরক্ষন কাজ সমাপ্ত করে পিএস মাহসুদ গত ২৮ নভেম্বর ‘পর্যটক সার্ভিস’ হিসেবে ঢাকা থেকে বরিশালে এবং ২৯ নভম্বর ঢাকায় ফেরত যায়। এর আগে ১৫ নভেম্বর মেরামতকৃত নৌযানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা। এমনকি মেরামতকৃত নৌযানটির পরিক্ষামূলক পরিচালনেও উপদেষ্টা ঢাকা-চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে ভ্রমন করেছিলেন।
কিন্তু ৫ ডিসেম্বর নৌযানটির দ্বিতীয় বানিজ্যিক পরিচালনে বরিশালে এসে ৬ ডিসেম্বর ফেরত যাবার পরে আর বরিশাল মুখি হয়নি। গত ১২ ডিসেম্বর কয়েকজন বিদেশী কুটনীতিককে নিয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘পিএস মাহসুদ’এ ঢাকা-চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে ভ্রমনের পরে তা ইজারাদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ‘গ্রীন টুর এন্ড ট্রাভেলস’ মাসে ১ লাখ ৪১ হাজার টাকার বিনিময়ে পিএস মাহসুদ ইজারা গ্রহন করার পরে আর বরিশালমুখি হয়নি। এমনকি ইজারা প্রদানের আগে নৌযানটি ‘সপ্তাহে অন্তত ১দিন বরিশাল-ঢাকা নৌপথে চরাচল করবে’ বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হলেও সে কথা রাখেনি ইজারাদার সহ নৌ বানিজ্য প্রতিষ্ঠানটিও। গত দু মাসে একবারও বরিশালবাসী পিএস মাহসুদ’র হুইসাল শোনেনি। তবে এখন সংস্থার দায়িত্বশীল সূত্র বলছে ‘ইজারাদার তার বানিজ্যিক সুবিধার বিবেচনায়ই নৌযানটি পরিচালন করছে। ফলে বিআইডব্লিউটিসি নৌযানটি সপ্তাহে অন্তত ১দিন ঢাকা ও বরিশাল থেকে, যথাক্রমে শুক্র ও শণিবার পরিচালন’র যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছিল, তা তা আর কার্যকর রইল না।
ইজারাদার নৌযানটিতে কর্মরত সংস্থার ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বাবদ ২ লাখ টাকা এবং ইজারামূল্য বাবদ ১ লাখ ৪১ হাজার টাকা পরিশোধ করছে বলে জানা গেছে। ৬ মাসের ভাড়া আগাম পরিশোধের বিনিময়ে দু বছরের জন্য নৌযানটি ইজারা চুক্তি করেছে বিআইডব্লিউটিসি। এব্যপারে বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ সলিম উল্লাহ ইতোপূর্বে জানিয়েছিলন, ‘আমরা পর্যটন বিকাশের স্বার্থেই পিএস মাহসদু’কে একটি দক্ষ ট্যুর অপারেটরকে দায়িত্ব দিচ্ছি। তবে ‘কোন বিশ^ ঐতিহ্য ইজারা দেয়া যায় কিনা’, এমন প্রশ্নের জবাবে এড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নৌযানটির সঠিক ব্যবহার ও দেশের পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।
উল্লেখ্য, নৌ পরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন গত ১২ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস’র সাথে সাক্ষাত করে পিএস মাহসুদ পুনরায় চালুর বিষয়টি অবহিত করলে তিনি এ বিষয়ে যথেষ্ঠ উচ্ছাস প্রকাশ করে ‘কোন ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে দেয়া হবে না’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। এসময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের বৈচিত্রপূর্ণ নৌকার ডিজাইন পুরো পৃথিবীতে বিখ্যাত। অথচ এসম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানে না’ । এসময় প্রধান উপদেষ্টা ‘আমাদের এই ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে দেয়া যাবে না’ বলে মন্তব্য করে ‘প্যাডেল স্টিমার সহ যত পুরনো নৌযান আছে সবকটিই সংরক্ষনের ব্যবস্থা নিতে হবে’ বলেও জানিয়েছিলেন।
এসময় নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত বলেন, ‘পিএস মাহসুদ কেবল একটি নৌযান নয়, এটি বাংলাদেশের নদীজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতিক, আমরা চাই নতুন প্রজন্ম কাছে থেকে জানুক, দেখুক। এক সময় নদীপথই ছিল যোগাযোগ ও সংস্কৃতির প্রাণ’। তিনি ‘পিএস মাহসুদ’র পাশাপাশি পিএস অস্ট্রিচ ও পিএস লেপচা সহ অন্য পুরনো স্টিমারগুলোও সংস্কারের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে’ বলে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলেন।
কিন্তু ইতোমধ্যে পিএস মাহসুদ ইজারাদারের কাছে হস্তান্তরের পরে পিএস অস্ট্রিচ’র ইজারাও চুড়ান্ত হয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহেই ব্যাংক গ্যরান্টি পরিষোধ সাপেক্ষে নৌযানটি ৫ বছরের জন্য ইাজারাদারের কাছে চুড়ান্ত হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংস্থার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। ইতোপূর্বে ২০১৮ সালে ‘পিএস অস্ট্রিচ’ বেআইনীভাবে বিনা দরপত্রে ইজারা দেয়া হয় বিগত সরকারের নৌ পরিবহন মন্ত্রীর নির্দেশে। ইজারাদার নৌযানটির উপরিকাঠামোর প্রায় পুরোটাই ভেঙে তছনছ করে দেয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত ভাড়াও পরিরেশাধ করেনি। দীর্ঘদিন ইজারাদারের হাতে ‘আটক’ থাকার পরে ম্যজিষ্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে পিএস অস্ট্রিচ উদ্ধার করা হলেও বকেয়া আদায়ে আদালতে মামলা চলছে।
অপরদিকে সংস্থার হাতে থাকা ‘পিএস লেপচা’ ও পিএস টার্ণ’ নামের অপর দুটি নৌযানও মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনহীন অবস্থায় অযতœ অবহেলায় পড়ে আছে। সংস্থাটির দায়িত্বশীল মহলের কেউ এসব নৌযানের মেরামত ও পূনর্বাশনের বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না।
ফলে প্রধান উপদেষ্টার সামনে নৌ পরিবহন উপদেষ্টার ‘পিএস অস্ট্রিচ সহ সবগুলো প্যডেল নৌযানই ঐতিহ্য হিসেব সংরক্ষন করা হবে’ বলে যে ঘোষনা দিয়েছিলন, তা কতটুকু কার্যকর হবে, সে বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে ওয়াকিবাহাল মহলে। এমনকি গত অক্টোবরে নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বরিশালে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে ‘নভেম্বর থেকে বরিশাল-ঢাকা নৌপথে পিএস মাহসুদ যাত্রী পরিবহন করবে’ বলে জানিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ইয়ার্ডে নির্মিত পিএস মাহসুদ সহ বিআইডব্লিউটিসি’র হাতে থাকা ৪টি প্যডেল জাহাজই বিযুক্ত অবস্থায় এনে ১৯৩৮ থেকে ’৪৮ সালে কোলকাতার গার্ডেনরীচ শিপবিল্ডার্সে সংযোজন করা হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় অন্য আরো অন্তত ২৫টি প্যাডেল জাহাজের সাথে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হিস্যায় পরে ‘পিএস গাজী, পিএস মাহসুদ,পিএস অস্ট্রিচ, পিএস লেপচা ও পিএস টার্ণ’ নামের নৌযানগুলো। এসব নৌযান ১৯৪৮ সালে গঠিত ‘পাকিস্তান রিভার স্টিমার্স-পিআরএস’র তত্বাবধানে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে মেইল সার্ভিস এবং নারায়গঞ্জ-বরিশাল-খুলনা নৌপথে রকেট সার্ভিসেও দীর্ঘদিন চলাচল করে।
১৯৭৮ থেকে ’৮২ সালে বেলজীয় সরকারের আর্থিক ও কারিগড়ি সহায়তায় পিএস মাহসুদ, পিএস অষ্ট্রিাচ ও পিএএস লেপচা’ কয়লা চালিত ইঞ্জিনের পরিবর্তে মেরিন ডিজেল ইঞ্জিন সংযোজন সহ পরিপূর্ণ পূণর্বাশন করা হয়। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ হাইড্রোলিক গীয়ারের কারণে মাত্র ৩ হাজার ঘন্টা চলাচলের পরেই পূণর্বাশনকৃত ৩টি নৌযানই বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তিতে ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে সবগুলো নৌযানেই হাইড্রোলিক গীয়ারের পরিবর্তে মেকানিক্যাল গীয়ার সংযোজন সহ আরেক দফা পূনর্বাশন শেষে চালু করা হয়।
সে থেকে টানা ২৫ বছর মাহসুদ সহ এসব নৌযান ঢাকা-বরিশাল-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল-মোড়েলগঞ্জ নৌপথে যাত্রী পরিবহন করলেও দীর্ঘ অবহেলা ও উদাশীনতায় ২০২০ সালে সবগুলো প্যডেল জাহাজের মত ‘পিএস মাহসুদ’কেও বসিয়ে রাখা হয়।
রাষ্ট্রীয় নৌ বানিজ্য প্রতিষ্ঠান-বিআইডব্লিউটিসি প্রায় কোটি টাকা ব্যায়ে মেরামত শেষে ঐতিহ্যবাহী ‘পিএস মাহসুদ’ জাহাজটি বরিশাল-ঢাকা নৌপথে ‘পর্যটক সার্ভিস’ হিসেব চালুর পরে আর দেখা নেই। প্রায় ৫ বছর বানিজ্যিক পরিচালন থেকে বাইরে রেখে কোটি টাকা ব্যায়ে মেরামত ও সংরক্ষন কাজ সমাপ্ত করে পিএস মাহসুদ গত ২৮ নভেম্বর ‘পর্যটক সার্ভিস’ হিসেবে ঢাকা থেকে বরিশালে এবং ২৯ নভম্বর ঢাকায় ফেরত যায়। এর আগে ১৫ নভেম্বর মেরামতকৃত নৌযানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা। এমনকি মেরামতকৃত নৌযানটির পরিক্ষামূলক পরিচালনেও উপদেষ্টা ঢাকা-চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে ভ্রমন করেছিলেন।
কিন্তু ৫ ডিসেম্বর নৌযানটির দ্বিতীয় বানিজ্যিক পরিচালনে বরিশালে এসে ৬ ডিসেম্বর ফেরত যাবার পরে আর বরিশাল মুখি হয়নি। গত ১২ ডিসেম্বর কয়েকজন বিদেশী কুটনীতিককে নিয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘পিএস মাহসুদ’এ ঢাকা-চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে ভ্রমনের পরে তা ইজারাদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ‘গ্রীন টুর এন্ড ট্রাভেলস’ মাসে ১ লাখ ৪১ হাজার টাকার বিনিময়ে পিএস মাহসুদ ইজারা গ্রহন করার পরে আর বরিশালমুখি হয়নি। এমনকি ইজারা প্রদানের আগে নৌযানটি ‘সপ্তাহে অন্তত ১দিন বরিশাল-ঢাকা নৌপথে চরাচল করবে’ বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হলেও সে কথা রাখেনি ইজারাদার সহ নৌ বানিজ্য প্রতিষ্ঠানটিও। গত দু মাসে একবারও বরিশালবাসী পিএস মাহসুদ’র হুইসাল শোনেনি। তবে এখন সংস্থার দায়িত্বশীল সূত্র বলছে ‘ইজারাদার তার বানিজ্যিক সুবিধার বিবেচনায়ই নৌযানটি পরিচালন করছে। ফলে বিআইডব্লিউটিসি নৌযানটি সপ্তাহে অন্তত ১দিন ঢাকা ও বরিশাল থেকে, যথাক্রমে শুক্র ও শণিবার পরিচালন’র যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছিল, তা তা আর কার্যকর রইল না।
ইজারাদার নৌযানটিতে কর্মরত সংস্থার ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বাবদ ২ লাখ টাকা এবং ইজারামূল্য বাবদ ১ লাখ ৪১ হাজার টাকা পরিশোধ করছে বলে জানা গেছে। ৬ মাসের ভাড়া আগাম পরিশোধের বিনিময়ে দু বছরের জন্য নৌযানটি ইজারা চুক্তি করেছে বিআইডব্লিউটিসি। এব্যপারে বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ সলিম উল্লাহ ইতোপূর্বে জানিয়েছিলন, ‘আমরা পর্যটন বিকাশের স্বার্থেই পিএস মাহসদু’কে একটি দক্ষ ট্যুর অপারেটরকে দায়িত্ব দিচ্ছি। তবে ‘কোন বিশ^ ঐতিহ্য ইজারা দেয়া যায় কিনা’, এমন প্রশ্নের জবাবে এড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নৌযানটির সঠিক ব্যবহার ও দেশের পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।
উল্লেখ্য, নৌ পরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন গত ১২ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস’র সাথে সাক্ষাত করে পিএস মাহসুদ পুনরায় চালুর বিষয়টি অবহিত করলে তিনি এ বিষয়ে যথেষ্ঠ উচ্ছাস প্রকাশ করে ‘কোন ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে দেয়া হবে না’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। এসময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের বৈচিত্রপূর্ণ নৌকার ডিজাইন পুরো পৃথিবীতে বিখ্যাত। অথচ এসম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানে না’ । এসময় প্রধান উপদেষ্টা ‘আমাদের এই ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে দেয়া যাবে না’ বলে মন্তব্য করে ‘প্যাডেল স্টিমার সহ যত পুরনো নৌযান আছে সবকটিই সংরক্ষনের ব্যবস্থা নিতে হবে’ বলেও জানিয়েছিলেন।
এসময় নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত বলেন, ‘পিএস মাহসুদ কেবল একটি নৌযান নয়, এটি বাংলাদেশের নদীজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতিক, আমরা চাই নতুন প্রজন্ম কাছে থেকে জানুক, দেখুক। এক সময় নদীপথই ছিল যোগাযোগ ও সংস্কৃতির প্রাণ’। তিনি ‘পিএস মাহসুদ’র পাশাপাশি পিএস অস্ট্রিচ ও পিএস লেপচা সহ অন্য পুরনো স্টিমারগুলোও সংস্কারের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে’ বলে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলেন।
কিন্তু ইতোমধ্যে পিএস মাহসুদ ইজারাদারের কাছে হস্তান্তরের পরে পিএস অস্ট্রিচ’র ইজারাও চুড়ান্ত হয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহেই ব্যাংক গ্যরান্টি পরিষোধ সাপেক্ষে নৌযানটি ৫ বছরের জন্য ইাজারাদারের কাছে চুড়ান্ত হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংস্থার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। ইতোপূর্বে ২০১৮ সালে ‘পিএস অস্ট্রিচ’ বেআইনীভাবে বিনা দরপত্রে ইজারা দেয়া হয় বিগত সরকারের নৌ পরিবহন মন্ত্রীর নির্দেশে। ইজারাদার নৌযানটির উপরিকাঠামোর প্রায় পুরোটাই ভেঙে তছনছ করে দেয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত ভাড়াও পরিরেশাধ করেনি। দীর্ঘদিন ইজারাদারের হাতে ‘আটক’ থাকার পরে ম্যজিষ্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে পিএস অস্ট্রিচ উদ্ধার করা হলেও বকেয়া আদায়ে আদালতে মামলা চলছে।
অপরদিকে সংস্থার হাতে থাকা ‘পিএস লেপচা’ ও পিএস টার্ণ’ নামের অপর দুটি নৌযানও মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনহীন অবস্থায় অযতœ অবহেলায় পড়ে আছে। সংস্থাটির দায়িত্বশীল মহলের কেউ এসব নৌযানের মেরামত ও পূনর্বাশনের বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না।
ফলে প্রধান উপদেষ্টার সামনে নৌ পরিবহন উপদেষ্টার ‘পিএস অস্ট্রিচ সহ সবগুলো প্যডেল নৌযানই ঐতিহ্য হিসেব সংরক্ষন করা হবে’ বলে যে ঘোষনা দিয়েছিলন, তা কতটুকু কার্যকর হবে, সে বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে ওয়াকিবাহাল মহলে। এমনকি গত অক্টোবরে নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বরিশালে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে ‘নভেম্বর থেকে বরিশাল-ঢাকা নৌপথে পিএস মাহসুদ যাত্রী পরিবহন করবে’ বলে জানিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ইয়ার্ডে নির্মিত পিএস মাহসুদ সহ বিআইডব্লিউটিসি’র হাতে থাকা ৪টি প্যডেল জাহাজই বিযুক্ত অবস্থায় এনে ১৯৩৮ থেকে ’৪৮ সালে কোলকাতার গার্ডেনরীচ শিপবিল্ডার্সে সংযোজন করা হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় অন্য আরো অন্তত ২৫টি প্যাডেল জাহাজের সাথে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হিস্যায় পরে ‘পিএস গাজী, পিএস মাহসুদ,পিএস অস্ট্রিচ, পিএস লেপচা ও পিএস টার্ণ’ নামের নৌযানগুলো। এসব নৌযান ১৯৪৮ সালে গঠিত ‘পাকিস্তান রিভার স্টিমার্স-পিআরএস’র তত্বাবধানে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে মেইল সার্ভিস এবং নারায়গঞ্জ-বরিশাল-খুলনা নৌপথে রকেট সার্ভিসেও দীর্ঘদিন চলাচল করে।
১৯৭৮ থেকে ’৮২ সালে বেলজীয় সরকারের আর্থিক ও কারিগড়ি সহায়তায় পিএস মাহসুদ, পিএস অষ্ট্রিাচ ও পিএএস লেপচা’ কয়লা চালিত ইঞ্জিনের পরিবর্তে মেরিন ডিজেল ইঞ্জিন সংযোজন সহ পরিপূর্ণ পূণর্বাশন করা হয়। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ হাইড্রোলিক গীয়ারের কারণে মাত্র ৩ হাজার ঘন্টা চলাচলের পরেই পূণর্বাশনকৃত ৩টি নৌযানই বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তিতে ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে সবগুলো নৌযানেই হাইড্রোলিক গীয়ারের পরিবর্তে মেকানিক্যাল গীয়ার সংযোজন সহ আরেক দফা পূনর্বাশন শেষে চালু করা হয়।
সে থেকে টানা ২৫ বছর মাহসুদ সহ এসব নৌযান ঢাকা-বরিশাল-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল-মোড়েলগঞ্জ নৌপথে যাত্রী পরিবহন করলেও দীর্ঘ অবহেলা ও উদাশীনতায় ২০২০ সালে সবগুলো প্যডেল জাহাজের মত ‘পিএস মাহসুদ’কেও বসিয়ে রাখা হয়।

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৯ জুন, ২০২৬ ১৮:০৫
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৭:৩২
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মৃতি (কেডিসি) কলোনীর একটি বাসা থেকে গাঁজার একটি বৃহৎ চালান উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি পরিমাণের এই গাঁজার চালানটি উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় মাদকবিক্রেতা সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, কলোনীর বাসিন্দা সাইদুল ইসলামের বাসায় ব্যাপকসংখ্যক মাদক মজুত আছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে ডিবি ডিসির নেতৃত্বে হানা দেওয়া হয়। এবং সেখানকার একটি টিনের বাসার তৃতীয় তলা থেকে সর্বমোট ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ঘরের বাসিন্দা সাইদুল বা জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক (ওসি) ছগির হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, মঙ্গলবার নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়। এবং একপর্যায়ে বুধবার সকালে কেডিসি কলোনীর সাইদুলের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে এসময় সাইদুল বা তার সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়নি।
এই মাদকের সাথে জড়িত সাইদুলসহ সকলকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাপুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে, জানান ডিবি পুলিশের ওসি।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মৃতি (কেডিসি) কলোনীর একটি বাসা থেকে গাঁজার একটি বৃহৎ চালান উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি পরিমাণের এই গাঁজার চালানটি উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় মাদকবিক্রেতা সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, কলোনীর বাসিন্দা সাইদুল ইসলামের বাসায় ব্যাপকসংখ্যক মাদক মজুত আছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে ডিবি ডিসির নেতৃত্বে হানা দেওয়া হয়। এবং সেখানকার একটি টিনের বাসার তৃতীয় তলা থেকে সর্বমোট ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ঘরের বাসিন্দা সাইদুল বা জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক (ওসি) ছগির হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, মঙ্গলবার নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়। এবং একপর্যায়ে বুধবার সকালে কেডিসি কলোনীর সাইদুলের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে এসময় সাইদুল বা তার সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়নি।
এই মাদকের সাথে জড়িত সাইদুলসহ সকলকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাপুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে, জানান ডিবি পুলিশের ওসি।’