
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪৯
ইলিশসহ সবধরনের মাছ শিকারে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে চলছে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। ফলে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞার সাতদিন পার হয়ে গেলেও জেলেদের কাছে পৌঁছেনি ভিজিএফের চাল। আর ওই চাল না পেয়ে রমজানের মধ্যে কষ্ট ও দুশ্চিন্তায় কাটছে তাদের দিন।
ভোলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল ও ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মেঘনা নদীর পাড়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীতে কদিন আগেও ট্রলার, নৌকা ও জালসহ মাছ শিকারের উপকরণ নিয়ে দাপিয়ে বেড়াত জেলেরা। আজ নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও মৎস্য ঘাটে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে কর্মহীন হয়েছে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ভোলার ১৯০ কিলোমিটার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ নিষেধাজ্ঞা। তাই কেউ কেউ নদীর তীরে বসে জাল মেরামত করছেন। আবার কেউ কেউ ট্রলার মেরামতের কাজে সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু কারো নেই কোনো আয়-রোজগার।
শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার জেলে মো. সাদ্দাম মাঝি জানান, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার আজ সাতদিন চলছে। আমরা জেলে এখন পর্যন্ত নদীতে গিয়ে মাছ ধরিনি। কিন্তু সরকারিভাবে চাল এখনও পাইনি।
একই এলাকার মো. শাজাহান মাঝি ও মাকসুদ মাঝি জানান, সাত দিন চলে গেছে। এখনও চাল আমাদের মাঝে বিতরণ করা হয়নি। আমাদের তো কাজ-কাম নেই, রোজগারও নেই, এখন কী করব? রমজান মাস চলছে, তার মধ্যে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলছে। এখন তো আমাদের অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
শিবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে মো. রাকিব মাঝি জানান, সরকারি অভিযান মেনে তারা নদীতে যাচ্ছেন না। কিন্তু এনজিও থেকে কিস্তি আদায় বন্ধ হয়নি। সমিতির লোকজন সকাল-বিকেল আসেন কিস্তির টাকা নিতে। আমরা কী করব, আমাদের তো কোনো আয়-রোজগার নেই। এখনও যদি দুই মাসের কিস্তি আদায় বন্ধ না হয়, তাহলে কিস্তি পরিশোধের জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরতে হবে।
ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার জেলে মো. সুমন মাঝি জানান, ১০–১২ বছর ধরে নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা পরিচালনা করছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের জেলে কার্ড হয়নি। দুবার আইডি কার্ড জমা দিয়েছি। এখনও কার্ড হয়নি। অথচ জেলে না হয়েও জেলে কার্ড করছে। তারা জেলেদের চালও পায়। কিন্তু প্রকৃত জেলে হয়ে আমাদের জেলে কার্ড নেই।
একই এলাকার জেলে আরিফ মাঝি ও হাসান মাঝি জানান, আমরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই যেন আমাদের নিষেধাজ্ঞার চাল দ্রুত বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি যাদের এখনও জেলে নিবন্ধন হয়নি তাদের যাতে দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসে। আর যারা জেলে না হয়ে জেলে কার্ড করে চাল নিচ্ছে, তাদের কার্ড বাতিল করা হোক।
ভোলা জেলা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ শুরু হবে। এ চার মাস প্রতি জেলে ৪০ কেজি করে চাল পাবেন। আর জেলেদের নিবন্ধন হালনাগাদ চলছে। এতে অনিবন্ধিত জেলেদের বাদ দিয়ে প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
জেলায় সাত উপজেলার নিবন্ধিত জেলের সংখ্যাও এক লাখ ৬৭ হাজার ৯৭০ জন। এ বছর জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ-এর চাল পাবেন প্রায় ৯০ হাজার ২০০ জন জেলে।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬১ দিন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সবধরনের মাছ শিকার বন্ধ ঘোষণা করেছে মৎস্য বিভাগ।
ইলিশসহ সবধরনের মাছ শিকারে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে চলছে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। ফলে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞার সাতদিন পার হয়ে গেলেও জেলেদের কাছে পৌঁছেনি ভিজিএফের চাল। আর ওই চাল না পেয়ে রমজানের মধ্যে কষ্ট ও দুশ্চিন্তায় কাটছে তাদের দিন।
ভোলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল ও ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মেঘনা নদীর পাড়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীতে কদিন আগেও ট্রলার, নৌকা ও জালসহ মাছ শিকারের উপকরণ নিয়ে দাপিয়ে বেড়াত জেলেরা। আজ নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও মৎস্য ঘাটে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে কর্মহীন হয়েছে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ভোলার ১৯০ কিলোমিটার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ নিষেধাজ্ঞা। তাই কেউ কেউ নদীর তীরে বসে জাল মেরামত করছেন। আবার কেউ কেউ ট্রলার মেরামতের কাজে সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু কারো নেই কোনো আয়-রোজগার।
শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার জেলে মো. সাদ্দাম মাঝি জানান, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার আজ সাতদিন চলছে। আমরা জেলে এখন পর্যন্ত নদীতে গিয়ে মাছ ধরিনি। কিন্তু সরকারিভাবে চাল এখনও পাইনি।
একই এলাকার মো. শাজাহান মাঝি ও মাকসুদ মাঝি জানান, সাত দিন চলে গেছে। এখনও চাল আমাদের মাঝে বিতরণ করা হয়নি। আমাদের তো কাজ-কাম নেই, রোজগারও নেই, এখন কী করব? রমজান মাস চলছে, তার মধ্যে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলছে। এখন তো আমাদের অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
শিবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে মো. রাকিব মাঝি জানান, সরকারি অভিযান মেনে তারা নদীতে যাচ্ছেন না। কিন্তু এনজিও থেকে কিস্তি আদায় বন্ধ হয়নি। সমিতির লোকজন সকাল-বিকেল আসেন কিস্তির টাকা নিতে। আমরা কী করব, আমাদের তো কোনো আয়-রোজগার নেই। এখনও যদি দুই মাসের কিস্তি আদায় বন্ধ না হয়, তাহলে কিস্তি পরিশোধের জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরতে হবে।
ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার জেলে মো. সুমন মাঝি জানান, ১০–১২ বছর ধরে নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা পরিচালনা করছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের জেলে কার্ড হয়নি। দুবার আইডি কার্ড জমা দিয়েছি। এখনও কার্ড হয়নি। অথচ জেলে না হয়েও জেলে কার্ড করছে। তারা জেলেদের চালও পায়। কিন্তু প্রকৃত জেলে হয়ে আমাদের জেলে কার্ড নেই।
একই এলাকার জেলে আরিফ মাঝি ও হাসান মাঝি জানান, আমরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই যেন আমাদের নিষেধাজ্ঞার চাল দ্রুত বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি যাদের এখনও জেলে নিবন্ধন হয়নি তাদের যাতে দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসে। আর যারা জেলে না হয়ে জেলে কার্ড করে চাল নিচ্ছে, তাদের কার্ড বাতিল করা হোক।
ভোলা জেলা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ শুরু হবে। এ চার মাস প্রতি জেলে ৪০ কেজি করে চাল পাবেন। আর জেলেদের নিবন্ধন হালনাগাদ চলছে। এতে অনিবন্ধিত জেলেদের বাদ দিয়ে প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
জেলায় সাত উপজেলার নিবন্ধিত জেলের সংখ্যাও এক লাখ ৬৭ হাজার ৯৭০ জন। এ বছর জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ-এর চাল পাবেন প্রায় ৯০ হাজার ২০০ জন জেলে।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬১ দিন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সবধরনের মাছ শিকার বন্ধ ঘোষণা করেছে মৎস্য বিভাগ।

২১ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’

২১ জুন, ২০২৬ ১৭:৫০
বরিশালে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা। অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: তারিকুল ইসলাম পলিন্স, আখতারুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডালিয়া, শামিমা আক্তার শান্তনা, লাকি, আছমত মাষ্টার বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমা, ১৯১নং কিশোর মজলিস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলী খান, সহকারি শিক্ষক জাহিদুল হক মামুন, আনোয়ার হোসেন, ১০৫নং দোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হালিমা খাতুন, এনায়েতুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতু, নিগাল, তানিয়া, তানজিলা, উলালঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য। ব্যাচে ১৫ থেকে ২০ করে জনপ্রতি ৭০০-১০০০ টাকা নিয়ে নিজেদের বাসা বা ভাড়া বাসা নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক অভিভাবক জানান, মূল্যায়নের নম্বর ও খাতায় কম নম্বর দেওয়া এবং ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আসতে বাধ্য করছেন শিক্ষকরা।
কিছু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোচিং পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী কোচিং নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কারণে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে।
কোচিং বাণিজ্যের কারণে অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে পর্যাপ্ত মেনাযোগ না দিয়ে কোচিং কার্যক্রমে বেশি সময় ব্যয় করছেন। ফলে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তারা আরও জানান- তাছাড়া স্ব স্ব স্কুল প্রশ্ন করায় শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বাধ্য করা হচ্ছে কোচিং করতে। স্ব স্ব স্কুলের করা মানহীন প্রশ্ন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বাস্থ্যসূত্রে জানা যায়, প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার আগে বেশকিছু প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উন্নয়ন ফি বাবদ ৫০-২০০ টাকা করে উত্তোলন করা হয়।
গোপনসূত্রে আরো জানা যায়, কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা শিক্ষা কর্মকতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য, যার কারণে বার বার সংবাদ প্রকাশ হলেও বন্ধ হয়নি তাদের কোচিং বাণিজ্য। বরং অদৃশ্য ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য।
আরো জানা যায়- সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা কোচিং বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে উপজেলার প্রশ্ন বাদ দিয়ে নিজ নিজ স্কুল প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে এসব কোচিংয়ের দিকে ঝুকছে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাবিদদের মতে- এসব কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ছিটকে পরবে কোমলমতি শিশুরা। বরিশাল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখবেন বলে জানান। এ বিষয়ে জানতে জেলা শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
বরিশালে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা। অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: তারিকুল ইসলাম পলিন্স, আখতারুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডালিয়া, শামিমা আক্তার শান্তনা, লাকি, আছমত মাষ্টার বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমা, ১৯১নং কিশোর মজলিস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলী খান, সহকারি শিক্ষক জাহিদুল হক মামুন, আনোয়ার হোসেন, ১০৫নং দোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হালিমা খাতুন, এনায়েতুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতু, নিগাল, তানিয়া, তানজিলা, উলালঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য। ব্যাচে ১৫ থেকে ২০ করে জনপ্রতি ৭০০-১০০০ টাকা নিয়ে নিজেদের বাসা বা ভাড়া বাসা নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক অভিভাবক জানান, মূল্যায়নের নম্বর ও খাতায় কম নম্বর দেওয়া এবং ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আসতে বাধ্য করছেন শিক্ষকরা।
কিছু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোচিং পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী কোচিং নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কারণে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে।
কোচিং বাণিজ্যের কারণে অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে পর্যাপ্ত মেনাযোগ না দিয়ে কোচিং কার্যক্রমে বেশি সময় ব্যয় করছেন। ফলে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তারা আরও জানান- তাছাড়া স্ব স্ব স্কুল প্রশ্ন করায় শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বাধ্য করা হচ্ছে কোচিং করতে। স্ব স্ব স্কুলের করা মানহীন প্রশ্ন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বাস্থ্যসূত্রে জানা যায়, প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার আগে বেশকিছু প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উন্নয়ন ফি বাবদ ৫০-২০০ টাকা করে উত্তোলন করা হয়।
গোপনসূত্রে আরো জানা যায়, কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা শিক্ষা কর্মকতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য, যার কারণে বার বার সংবাদ প্রকাশ হলেও বন্ধ হয়নি তাদের কোচিং বাণিজ্য। বরং অদৃশ্য ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য।
আরো জানা যায়- সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা কোচিং বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে উপজেলার প্রশ্ন বাদ দিয়ে নিজ নিজ স্কুল প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে এসব কোচিংয়ের দিকে ঝুকছে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাবিদদের মতে- এসব কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ছিটকে পরবে কোমলমতি শিশুরা। বরিশাল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখবেন বলে জানান। এ বিষয়ে জানতে জেলা শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি।

২১ জুন, ২০২৬ ১৭:০৯
বাসার সম্মুখে পুলিশ আসছে- এমন খবর পেয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে রাশেদ খান মেনন নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি এই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং সিটির সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী।
বরিশাল নগরীর ওয়ার্ডপর্যায়ের নেতা মেননের এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ক্ষোভপ্রকাশ করাসহ পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ এনেছেন।
যদিও সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশ বলছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ খান মেনন রাজনৈতিক একাধিক মামলায় অভিযুক্ত। এবং তিনি সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিলেন। রোববার দুপুরে শহরের ১ নং ওয়ার্ডে তার বাসায় পুলিশের একটি টিম যায়। কিন্তু সেখানে পৌছানোর আগেই রাশেদ খান মেনন লুকিয়ে পড়েন। ফলে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত নাথ জানান, পুলিশ তার বাসার সামনে গিয়ে ফিরে আসে। তার কিছুক্ষণ পরে খবর আসে আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ খান মেনন বাসার ছাদ পড়ে গেছেন এবং তাকে উদ্ধার করে স্বজনেরা শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পুলিশ যাওয়ার খবরে আওয়ামী লীগ নেতা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ছাদে ওঠেন এবং সেখান থেকে লাফ দিয়েছেন। এতে তার মৃত্যু হতে পারে মন্তব্য করেন ওসি।’
বাসার সম্মুখে পুলিশ আসছে- এমন খবর পেয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে রাশেদ খান মেনন নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি এই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং সিটির সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী।
বরিশাল নগরীর ওয়ার্ডপর্যায়ের নেতা মেননের এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ক্ষোভপ্রকাশ করাসহ পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ এনেছেন।
যদিও সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশ বলছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ খান মেনন রাজনৈতিক একাধিক মামলায় অভিযুক্ত। এবং তিনি সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিলেন। রোববার দুপুরে শহরের ১ নং ওয়ার্ডে তার বাসায় পুলিশের একটি টিম যায়। কিন্তু সেখানে পৌছানোর আগেই রাশেদ খান মেনন লুকিয়ে পড়েন। ফলে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত নাথ জানান, পুলিশ তার বাসার সামনে গিয়ে ফিরে আসে। তার কিছুক্ষণ পরে খবর আসে আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ খান মেনন বাসার ছাদ পড়ে গেছেন এবং তাকে উদ্ধার করে স্বজনেরা শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পুলিশ যাওয়ার খবরে আওয়ামী লীগ নেতা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ছাদে ওঠেন এবং সেখান থেকে লাফ দিয়েছেন। এতে তার মৃত্যু হতে পারে মন্তব্য করেন ওসি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.