
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩২
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ একটা পরিবর্তান চায় এবং ১৩ তারিখ থেকে মানুষ পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে। ১৩ তারিখ যে পরিবর্তনটা আসবে এটি আসবে যুব সমাজের ওপর ভর করে।
আমাদের মায়েদের নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। গোটা দেশের ইজ্জতের ওপর ভর করে। আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদকে মানবো না, কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশের মানুষ, আলেম ওলামা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন, সিভিল সোসাইটির সদস্য, সাংবাদিক বন্ধু, এক কথায় দেশবাসী মজলুম ছিলেন, আমরাও মজুলুম ছিলাম। আমরা আশা করছি এখনো যারা মজুলুম, তাদের পক্ষে এই বাংলাদেশ থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একটা কথা পরিষ্কার করতে বলতে চাই আমরা দলীয় কোনো শাসন এ দেশে দেখতে চাচ্ছি না, জামায়াতের বিজয় চাচ্ছি না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে আমাদের ১১ দলের সবার বিজয়।
আপনারা যদি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ওপর আস্থা রাখেন, আপনাদের পবিত্র ভোটের মাধ্যমে তাকে যদি বেছে নেন মন্ত্রিপরিষদে একজন সিনিয়র সদস্য এই চৌদ্দগ্রামবাসী পাবে, ইনশাআল্লাহ। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের। চৌদ্দগ্রামবাসী এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কিনা এটা চৌদ্দগ্রাম বাসীর সিদ্ধান্ত।
অন্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ৫ তারিখের পর আপনারা দেখেছেন কার কী কর্মকাণ্ড, কার কী চরিত্র। আগেরটা রাখলাম, অতীতের খাতায়, বর্তমান বিবেচনায় নিলে দেশের মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে না। যারা আমার সম্পদেও হাত দেয়, যারা আমার জীবনেও হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেও শেষ করে দেয় এবং যারা আমাদের মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, আমার মায়ের পেটে লাথি মারে, আমার মায়ের কাপড় খুলে নেয়ার হুঙ্কার দেয় তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা কি নিরাপদ?
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজিসহ যত দুর্নীতি আছে, এগুলার গোড়া কেটে দিতে চাই। এতে কারও ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। এই অপকর্ম ছেড়ে দেন, জাতীকে আর কষ্ট দিয়েন না। এক সময় আপনারাও মজলুম ছিলেন, কেন এখন জালিম হতে গেলেন? আমরা আশা করবো সংসধন হবেন।
জুলাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছিল তারা কি বেকার ভাতার জন্য যুদ্ধ করেছিল? তারা তাদের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছিল।
এই জন্যই তো আবু সাইদ রাস্তায় নেমে বলেছিল হয় আমার অধিকার দে, না হয় একটা গুলি দে। সে ডানা মেলে বলেছিল বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুকের পেতেছি গুলি কর।
অধিকারের জন্য গুলি খেয়েছে। জীবন উপহার দিয়ে আমাদের মুক্তি এনে দিয়েছে। আমরা সেই জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাড়ে ১৫ বছর ধরে যারা লড়াই করে মজলুম হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে এবং নির্যাতিত হয়েছেন আমরা করো অবদানকে অস্বীকার করতে চাই না।
কওমি মাদরাসা বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের সুযোগ দেন তাহলে কওমি মাদরাসার নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কওমি মাদরাসার উৎকর্ষ সাধনের জন্য যা কিছু করা দরকার তা করতে বদ্ধ পরিকর।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওলানা আবদুল হালিম, শিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ একটা পরিবর্তান চায় এবং ১৩ তারিখ থেকে মানুষ পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে। ১৩ তারিখ যে পরিবর্তনটা আসবে এটি আসবে যুব সমাজের ওপর ভর করে।
আমাদের মায়েদের নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। গোটা দেশের ইজ্জতের ওপর ভর করে। আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদকে মানবো না, কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশের মানুষ, আলেম ওলামা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন, সিভিল সোসাইটির সদস্য, সাংবাদিক বন্ধু, এক কথায় দেশবাসী মজলুম ছিলেন, আমরাও মজুলুম ছিলাম। আমরা আশা করছি এখনো যারা মজুলুম, তাদের পক্ষে এই বাংলাদেশ থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একটা কথা পরিষ্কার করতে বলতে চাই আমরা দলীয় কোনো শাসন এ দেশে দেখতে চাচ্ছি না, জামায়াতের বিজয় চাচ্ছি না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে আমাদের ১১ দলের সবার বিজয়।
আপনারা যদি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ওপর আস্থা রাখেন, আপনাদের পবিত্র ভোটের মাধ্যমে তাকে যদি বেছে নেন মন্ত্রিপরিষদে একজন সিনিয়র সদস্য এই চৌদ্দগ্রামবাসী পাবে, ইনশাআল্লাহ। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের। চৌদ্দগ্রামবাসী এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কিনা এটা চৌদ্দগ্রাম বাসীর সিদ্ধান্ত।
অন্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ৫ তারিখের পর আপনারা দেখেছেন কার কী কর্মকাণ্ড, কার কী চরিত্র। আগেরটা রাখলাম, অতীতের খাতায়, বর্তমান বিবেচনায় নিলে দেশের মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে না। যারা আমার সম্পদেও হাত দেয়, যারা আমার জীবনেও হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেও শেষ করে দেয় এবং যারা আমাদের মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, আমার মায়ের পেটে লাথি মারে, আমার মায়ের কাপড় খুলে নেয়ার হুঙ্কার দেয় তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা কি নিরাপদ?
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজিসহ যত দুর্নীতি আছে, এগুলার গোড়া কেটে দিতে চাই। এতে কারও ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। এই অপকর্ম ছেড়ে দেন, জাতীকে আর কষ্ট দিয়েন না। এক সময় আপনারাও মজলুম ছিলেন, কেন এখন জালিম হতে গেলেন? আমরা আশা করবো সংসধন হবেন।
জুলাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছিল তারা কি বেকার ভাতার জন্য যুদ্ধ করেছিল? তারা তাদের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছিল।
এই জন্যই তো আবু সাইদ রাস্তায় নেমে বলেছিল হয় আমার অধিকার দে, না হয় একটা গুলি দে। সে ডানা মেলে বলেছিল বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুকের পেতেছি গুলি কর।
অধিকারের জন্য গুলি খেয়েছে। জীবন উপহার দিয়ে আমাদের মুক্তি এনে দিয়েছে। আমরা সেই জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাড়ে ১৫ বছর ধরে যারা লড়াই করে মজলুম হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে এবং নির্যাতিত হয়েছেন আমরা করো অবদানকে অস্বীকার করতে চাই না।
কওমি মাদরাসা বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের সুযোগ দেন তাহলে কওমি মাদরাসার নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কওমি মাদরাসার উৎকর্ষ সাধনের জন্য যা কিছু করা দরকার তা করতে বদ্ধ পরিকর।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওলানা আবদুল হালিম, শিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৫
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৩

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২২
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু এবং অ্যাডভোকেট এস এম হৃদয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৯ মে গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট পাঁচটি মামলায় তাকে জামিন দিলেও আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়।
এরপর ১৮ নভেম্বর আরও পাঁচটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই মামলাগুলোতে জামিন দেওয়া হলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর তা আবার স্থগিত করা হয়।
এদিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করে পুলিশ। একটি মামলায় ২ মার্চ এবং অপর মামলায় ১২ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু এবং অ্যাডভোকেট এস এম হৃদয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৯ মে গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট পাঁচটি মামলায় তাকে জামিন দিলেও আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়।
এরপর ১৮ নভেম্বর আরও পাঁচটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই মামলাগুলোতে জামিন দেওয়া হলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর তা আবার স্থগিত করা হয়।
এদিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করে পুলিশ। একটি মামলায় ২ মার্চ এবং অপর মামলায় ১২ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
‘বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কিনা—সেই চিন্তা আমাদের করতে হবে।
তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ ও বিশ্ববাসীর কাছে এই নির্বাচন স্বীকৃত।
দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এমন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিয়ে জামাত আমিরের বিতর্কিত মন্তব্য শুধু অনভিপ্রেত নয় বরং এটি সুস্থ চিন্তার পরিপন্থী।’
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্য বিএনপি কেবল প্রত্যাখ্যানই করছে না বরং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ৫ আগস্টের পর আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ পেয়েছি, একটি বিশেষ পক্ষ বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করতে চাইছে। তারা দেশকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দিতে চায় কি না, তা দেশবাসীকে ভেবে দেখতে হবে।’
‘বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কিনা—সেই চিন্তা আমাদের করতে হবে।
তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ ও বিশ্ববাসীর কাছে এই নির্বাচন স্বীকৃত।
দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এমন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিয়ে জামাত আমিরের বিতর্কিত মন্তব্য শুধু অনভিপ্রেত নয় বরং এটি সুস্থ চিন্তার পরিপন্থী।’
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্য বিএনপি কেবল প্রত্যাখ্যানই করছে না বরং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ৫ আগস্টের পর আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ পেয়েছি, একটি বিশেষ পক্ষ বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করতে চাইছে। তারা দেশকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দিতে চায় কি না, তা দেশবাসীকে ভেবে দেখতে হবে।’

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
সূত্রে জানা গেছে, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এই লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাসও পান।
সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেয়া মহিউদ্দিন রনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ। নতুন রাজনৈতিক এই প্ল্যাটফর্মে তাদের অন্তর্ভুক্তি এনসিপিকে আরও চাঙা করবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।’
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
সূত্রে জানা গেছে, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এই লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাসও পান।
সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেয়া মহিউদ্দিন রনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ। নতুন রাজনৈতিক এই প্ল্যাটফর্মে তাদের অন্তর্ভুক্তি এনসিপিকে আরও চাঙা করবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.