স্থানীয় বিএনপির ৪ নেতার নাম প্রস্তাব। বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে লবিং-তদবির। আলোচনায় আরও অর্ধডজন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে হচ্ছে এনিয়ে সরব আলোচনা চলছে। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষসারির ৪ নেতার নাম ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির আরও অন্তত অর্ধডজন নেতা একই পদে আসীন হতে চাইছেন। পদপ্রত্যাশিরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপির হাইকমান্ডে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারের তরফ থেকে কবে নাগাদ ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ চেয়ারম্যান মনোনীত করা হবে তা স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নিশ্চিত বলতে পারছেন না। এর আগে গত সপ্তাহে বরিশাল বাদে দেশের ৮টি শহরে সরকার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর পরপরই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জন্য একজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অর্ধডজন নেতাকর্মী বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী হলেও আলোচনায় আছেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, একই কমিটির নির্বাহী সদস্য এবায়েদুল হক চান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। এ জন্য লবিং, তদবিরও চালাচ্ছেন বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েক নেতা।
উল্লেখিত নেতৃত্বসারির নেতাদের মধ্যেকার কে হচ্ছেন বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তা বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। কিন্তু বলছেন, এটি একমাত্র বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছে। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে মনোনীত করা হতে পারে।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে পদপ্রত্যাশীরাও বিস্তর মন্তব্য করতে চাইছেন না। কেউ কেউ এনিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন, কারণ কি বলতে গিয়ে আবার বিরাগভাজন হয়ে পড়েন।
মহানগর বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী। তিনি চেয়ারটি পেতে কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন, এমনকি লবি-তদবিরও চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই নেতা বলছেন, এই নগরের পরিবেশের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়নে এমন একজন চেয়ারম্যান দরকার, যিনি শহরের বাসিন্দা এবং এই শহরের মানুষকে চেনেন-জানেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহও একই পদে আসীন হতে চাইছেন। গোপনে তিনিও লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, কোনো পদ-পদবির আকাঙ্খা করেন না। তবে সরকার মনোনীত করলে তার আপত্তি থাকবে না, বরং গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। পদপ্রত্যাশী বাকি নেতাদের বক্তব্যও অনুরূপ। সকলে সমান্তরালভাবে লবিং-তদবির করে গেলেও বলছেন, তাদের নেতা তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেমন চরিত্রের হবে- এই বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীও চিন্তায় আছেন। কদিন পুর্বে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এনিয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে বিগত সময়ে বরিশাল নগরের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কাহিনী, যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে অন্তত একজন যোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান রাখা হয়।
নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে মন্তব্য করেন বরিশালের সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ। এই সমাজকর্মী বলেন, এটি সরকারের অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ। ভবন নির্মাণ, পরিবেশ রক্ষা এ দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যিনি বরিশাল সম্পর্কে জানেন, ভাবেন এবং বরিশালের খেলার মাঠ, জলাশয় রক্ষা করবেন, এমন একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা উচিৎ।
বাসদের বরিশাল জেলা সমন্বয়ক তরুণ নারী নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, বরিশালবাসীর স্বার্থে একজন দক্ষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং জনবান্ধব চেয়ারম্যান সরকারের নিয়োগ দেওয়া জরুরি। যদি এর ব্যত্তয় হয় তাহলে বরিশালবাসী দুর্ভোগে থাকতে হবে।
বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ নিলু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘সৎ-পরিচ্ছন্ন এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান করা উচিৎ। অতীতে জনপ্রতিনিধিরা মহাসড়ক দখল করে পার্ক করেছেন, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। সেই ধরনের প্রকল্প কীর্তনখোলা তীরের বাসিন্দারা আর দেখতে চান না, মন্তব্য করেন তিনি।
বরিশালবাসীর প্রত্যাশার সাথে বিএনপির হাইকমান্ড একমত পোষণ করেছে বলে দলটির দায়িত্বশীল এক নেতা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা জানিয়েছেন, আলোচনায় যে ৪/৫ জন আছেন তাদের মধ্যেকার একজনকে মনোনীত করা হতে পারে। এবং শিগগিরই সেই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে কে লবিংয়ে এগিয়ে আছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কথা না বাড়িয়ে বলছেন অপেক্ষা করুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখুন।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
স্থানীয় বিএনপির ৪ নেতার নাম প্রস্তাব। বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে লবিং-তদবির। আলোচনায় আরও অর্ধডজন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে হচ্ছে এনিয়ে সরব আলোচনা চলছে। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষসারির ৪ নেতার নাম ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির আরও অন্তত অর্ধডজন নেতা একই পদে আসীন হতে চাইছেন। পদপ্রত্যাশিরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপির হাইকমান্ডে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারের তরফ থেকে কবে নাগাদ ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ চেয়ারম্যান মনোনীত করা হবে তা স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নিশ্চিত বলতে পারছেন না। এর আগে গত সপ্তাহে বরিশাল বাদে দেশের ৮টি শহরে সরকার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর পরপরই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জন্য একজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অর্ধডজন নেতাকর্মী বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী হলেও আলোচনায় আছেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, একই কমিটির নির্বাহী সদস্য এবায়েদুল হক চান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। এ জন্য লবিং, তদবিরও চালাচ্ছেন বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েক নেতা।
উল্লেখিত নেতৃত্বসারির নেতাদের মধ্যেকার কে হচ্ছেন বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তা বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। কিন্তু বলছেন, এটি একমাত্র বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছে। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে মনোনীত করা হতে পারে।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে পদপ্রত্যাশীরাও বিস্তর মন্তব্য করতে চাইছেন না। কেউ কেউ এনিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন, কারণ কি বলতে গিয়ে আবার বিরাগভাজন হয়ে পড়েন।
মহানগর বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী। তিনি চেয়ারটি পেতে কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন, এমনকি লবি-তদবিরও চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই নেতা বলছেন, এই নগরের পরিবেশের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়নে এমন একজন চেয়ারম্যান দরকার, যিনি শহরের বাসিন্দা এবং এই শহরের মানুষকে চেনেন-জানেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহও একই পদে আসীন হতে চাইছেন। গোপনে তিনিও লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, কোনো পদ-পদবির আকাঙ্খা করেন না। তবে সরকার মনোনীত করলে তার আপত্তি থাকবে না, বরং গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। পদপ্রত্যাশী বাকি নেতাদের বক্তব্যও অনুরূপ। সকলে সমান্তরালভাবে লবিং-তদবির করে গেলেও বলছেন, তাদের নেতা তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেমন চরিত্রের হবে- এই বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীও চিন্তায় আছেন। কদিন পুর্বে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এনিয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে বিগত সময়ে বরিশাল নগরের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কাহিনী, যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে অন্তত একজন যোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান রাখা হয়।
নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে মন্তব্য করেন বরিশালের সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ। এই সমাজকর্মী বলেন, এটি সরকারের অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ। ভবন নির্মাণ, পরিবেশ রক্ষা এ দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যিনি বরিশাল সম্পর্কে জানেন, ভাবেন এবং বরিশালের খেলার মাঠ, জলাশয় রক্ষা করবেন, এমন একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা উচিৎ।
বাসদের বরিশাল জেলা সমন্বয়ক তরুণ নারী নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, বরিশালবাসীর স্বার্থে একজন দক্ষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং জনবান্ধব চেয়ারম্যান সরকারের নিয়োগ দেওয়া জরুরি। যদি এর ব্যত্তয় হয় তাহলে বরিশালবাসী দুর্ভোগে থাকতে হবে।
বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ নিলু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘সৎ-পরিচ্ছন্ন এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান করা উচিৎ। অতীতে জনপ্রতিনিধিরা মহাসড়ক দখল করে পার্ক করেছেন, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। সেই ধরনের প্রকল্প কীর্তনখোলা তীরের বাসিন্দারা আর দেখতে চান না, মন্তব্য করেন তিনি।
বরিশালবাসীর প্রত্যাশার সাথে বিএনপির হাইকমান্ড একমত পোষণ করেছে বলে দলটির দায়িত্বশীল এক নেতা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা জানিয়েছেন, আলোচনায় যে ৪/৫ জন আছেন তাদের মধ্যেকার একজনকে মনোনীত করা হতে পারে। এবং শিগগিরই সেই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে কে লবিংয়ে এগিয়ে আছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কথা না বাড়িয়ে বলছেন অপেক্ষা করুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখুন।’